শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সিলেট-২ আসন নিয়ে ঢাকাপ্রকাশ-এর মুখোমুখি ড. অরূপ রতন

'একটি আলোকিত মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য গোটা দেশ চষে বেড়াচ্ছি'

‘কথায় আছে জীবন ক্ষণস্থায়ী কিন্তু তার কর্ম চিরস্থায়ী। এই ক্ষণস্থায়ী জীবনকেও মানুষ কর্মের মধ্য দিয়ে স্থায়ী ভাবে সকলের হৃদয়ে ঠাঁই নিতে পারে। এই বোধ জাগ্রত হতে হবে মন থেকে। সেই বোধ থেকেই কাজ করে যাচ্ছি মানুষের কল্যাণে। একটি আলোকিত মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য গোটা দেশ চষে বেড়াচ্ছি। মন সুন্দর হলেই পৃথিবীর সবকিছুই সুন্দর বলে মনে হবে। আমি সেই পথের একজন সহযাত্রী।’

কথাগুলো বলছিলেন রত্নগর্ভা মা বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরী এর সন্তান একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. অরূপ রতন চৌধুরী। তার পিতা সিলেটের কৃতী সন্তান শৈলেন্দ্র কুমার চৌধুরী। অরূপ রতন চৌধুরী রণাঙ্গণের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মাদকমুক্ত আন্দোলনে এই নামটি দেশব্যাপী সমাদৃত। সমাজসেবার রাষ্ট্রীয় অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তিনি লাভ করেন একুশে পদক। ড. অরূপ রতন চৌধুরীর বড়ভাই ডা. শুভাগত চৌধুরী, বোন ড. মধুশ্রী ভদ্র।

অরূপ রতন চৌধুরী ১৯৮৯ সালে মাদক ও ধূমপানবিরোধী সংগঠন ‘মানস’ প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এই সংগঠনের বিস্তৃতি রয়েছে সারাদেশে। এ সংগঠনের মাধ্যমে দেশের যুব সম্প্রদায়কে ধূমপান ও মাদকদ্রব্যের কুফল সম্পর্কে বিগত ৩৩ বছর ধরে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ উপদেষ্টা কমিটির একজন উপদেষ্টা এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের একজন সদস্য।

সিলেটের এই কৃতি সন্তান এবার লড়তে চান দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। নিজের জন্মস্থান সিলেট-২ আসনকে নিয়েই তার সকল স্বপ্ন। কোনোদিন জনপ্রতিনিধি হবেন-এমন স্বপ্ন বুকে লালন না করলেও মুক্তিযুদ্ধের দায়বোধ থেকেই কাজ করতে চান মানুষের কল্যাণে। জন্মস্থানের মাটি ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ তিনি।

কেনই বা হঠাৎ করে তিনি নির্বাচনমুখী এবং সিলেট-২ আসনকে নিয়ে কি পরিকল্পনা-সবিস্তার জানতেই ঢাকাপ্রকাশ-এর সিলেট প্রতিনিধির মুখোমুখি দেশের এই প্রখ্যাত দন্ত চিকিৎসক ড. অরূপ রতন চৌধুরী।

ঢাকাপ্রকাশ: আপনার জন্মস্থান সিলেট। তবুও আপনার সম্পর্কে সিলেটের মানুষের ধারণা একেবারেই কম। এই অবস্থায় আপনার নির্বাচনে অংশগ্রহণ-কতোটা প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম?

ড. অরূপ: প্রসঙ্গটা হচ্ছে নির্বাচনের। আর আমরা সবাই জানি এটি একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। এই অধিকারের জন্য নির্বাচনী লড়াইয়ে মাঠে নামেন নামি-দামী লোকজন। চলে প্রতিশ্রুতির বন্যা। প্রশ্ন হচ্ছে-নির্বাচন পরবর্তী প্রত্যেক নেতারা যদি তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেন, তাহলে দেশের কোনো অঞ্চল আর অবহেলিত থাকত না। দেশের জনগণের চোখে-মুখে ভেসে উঠত না হতাশার ছাপ! দেশের প্রতিটি সংসদীয় আসন শিক্ষা, খাদ্য, চিকিৎসা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকে এগিয়ে গেলে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যেতো আরও বহুদূর। কিন্তু তা হচ্ছে না। কারণ- ক্ষমতায় গেলেই আমাদের চরিত্র পাল্টে যায়। বেমালুম জনগণের কথা ভুলে গিয়ে নিজের আখের গোছাতেই সচেষ্ট হয়ে উঠেন জনপ্রতিনিধিরা। এই লোভই তাদের দুর্নীতির দিকে ধাবিত করে। আপনি বলেছেন প্রভাবের কথা। প্রভাব হচ্ছে ভোটাররা। ভোটাররা যদি আমার পরিবার সর্বোপরি সামগ্রিক বিষয় বিবেচনা মাথায় রেখে প্রার্থী বিবেচনায় রাখেন, সেক্ষেত্রে আমাকেই বেছে নেওয়া হবে বলে মনে করি।

ঢাকাপ্রকাশ: আপনি আওয়ামী লীগের হয়ে মনোনয়ন চাইছেন। দল যদি আপনাকে মনোনয়ন না দেয়, সেক্ষেত্রে কি স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হবেন?

ড. অরূপ: দেখেন, আমি রণাঙ্গণের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানেই সশস্ত্র সংগ্রামে অংশগ্রহণ করি। লক্ষ্য ছিল একটাই-দেশকে রক্ষা করা। যুদ্ধ না করেও আমি আজ কথা বলতে পারতাম! কিন্তু জীবনের মায়া ত্যাগ করে আজ যখন কথা বলছি-তখন আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. অরূপ রতন চৌধুরী। সুতরাং কাজের মধ্য দিয়ে স্বীকৃতি আদায় করে নেওয়াই বীরের লক্ষন। জাতির পিতার কন্যা হয়েও রাষ্ট্রনায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ কর্মগুনে আজ বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। সেই অর্জন ধরে রাখতে হলে, মনে-প্রাণে দেশবান্ধব শক্তির প্রয়োজন। সুতরাং আমার বিশ্বাস-দলীয় প্রধান বিষয়টি গুরুত্বেও সাথে বিবেচনা করে আমাকে সিলেট-২ আসনে কাজ করার সুযোগ করে দিবেন। তবে এর বাহিরে আপাতত অন্য কোনো চিন্তা করছি না।

ঢাকাপ্রকাশ: সিলেটের অনেক মানুষ আপনার সম্পর্কে জানতে আগ্রহী। সংক্ষেপে যদি কিছু বলা যায়

ড. অরূপ: প্রথমত ২০১৫ সালে সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় একুশে পদক লাভ করি। আমি বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। মানস (মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ উপদেষ্টা কমিটির উপদেষ্টা, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য, ইব্রাহীম মেডিকেল কলেজের ডিপার্টমেন্ট অব ডেন্টালসার্জারির প্রফেসর, বারডেম হাসপাতালের ডিপার্টমেন্ট অব ডেন্টাল সার্জারির সাম্মানিক উপদেষ্টা, বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের শিল্পী, উপস্থাপক হিসেবেও কাজ করছি। ১৯৭৬ সালে ঢাকা ডেন্টাল কলেজ থেকে বি.ডি.এস, ১৯৮২-৮৩ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দন্ত চিকিৎসায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফেলোশিপ এবং ১৯৯২-৯৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক এট স্ট্রনিব্রোক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দন্ত চিকিৎসায় ফেলোশিপ লাভ। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি পিএইচডি অর্জন। ২০১২ সালে তিনি ইংল্যান্ডের রয়েল কলেজ অব সার্জনস থেকে ফেলোশিপ ইন ডেন্টাল সার্জারি রয়েল কলেজ অব সার্জনস ডিগ্রি লাভ করেছি।

ঢাকাপ্রকাশ: নির্বাচিত হলে সিলেট-২ আসনের জন্য যা করতে চান

ড. অরূপ: আসলে পরিকল্পনা ছাড়া সকল কাজই ঝুঁকিপূর্ণ। প্রথমত আমি যেটি করতে চাই, সেটি হচ্ছে জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন। সেটি সম্ভব না হলে দেশের সামগ্রীক উন্নয়নের মানদণ্ড সমৃদ্ধ হয় না। এই জন্য তৃণমূল থেকেই এই উন্নয়ন যজ্ঞ শুরু করতে হবে। সুস্থ পরিবেশের মানুষ সুষ্ঠু চিন্তা করতে পারে। আমি সর্বাগ্রে একটি সুস্থ পরিবেশ দিতে চাই। এর জন্য প্রয়োজন কর্মোদীপ্ত, প্রাণোচ্ছল একটি যুব সমাজ। যাদের হাত ধরেই মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ হবে বাসযোগ্য। যেমন ধরুণ-মাদক একটি ভয়ানক ব্যাধি। এই ব্যাধি হঠাৎ করেই নির্মূল করা সম্ভব হবে না। ঠিক তেমনি কয়েকটি রাস্তাঘাট তৈরি করে দিলেই তাকে উন্নয়ন বলেনা। যাদের জন্য উন্নয়নের সমাজ, উন্নয়নের দেশ-সবার আগে তাদেরকে চিন্তা-চেতানায়, মননে একটি সৃজনশীল পরিবেশ দিতে চাই। যে পরিবেশের মানুষ ভাবতে পারে অপর মানুষকে নিয়ে, নিজের দেশকে নিয়ে। সহজ কথা হলো- প্রতিটি মানুষ হবে একেকজন উন্নয়নকর্মী। তখন তাদেরকে আর কেউ ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ পাবে না।

ঢাকাপ্রকাশ: ঢাকাপ্রকাশকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ড. অরূপ: ঢাকাপ্রকাশ-কেও অসংখ্য ধন্যবাদ, এর সকল পাঠক ও কলাকুশলীদের প্রতি অনেক শুভকামনা।

/এএস

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো