শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

'চাল নিলে তেল নিতে পারি না, তেল নিলে বাজার'

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা বালু শ্রমিক মোহাম্মদ সাদ্দাজ হোসেন। তিনি আগের দিন রাত ২টায় নৌকা নিয়ে বের হয়ে যান সুরমা নদীতে। গভির রাত থেকে শুরু করে সারাদিন নদীতে বালুর কাজ করে বাড়ি ফিরেন পর দিন সন্ধ্যায়। কিন্তু পারিশ্রমিক পান মাত্র ৪০০টাকা। কিন্তু সুনামগঞ্জের বাজারগুলোতে হু হু করে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপাকে পরেছেন বালু শ্রমিক মোহাম্মদ সাদ্দাজ হোসেন।

বালু শ্রমিক মোহাম্মদ সাদ্দাজ হোসেন ঢাকা প্রকাশ-কে বলেন, আমরা যা রোজি করি যা ইনকাম করি, এর থাকি বাজার দর বেশি। আমরা সারাদিন কাজ করে পাই ৪০০টাকা, কিন্তু চাউলের কুছি ১৩০টাকা, দুই কুছি চাউল কিনলে লাগে ২৬০টাকা। তাইলে আর থাকে কি? চাল নিলে তেল নিতে পারি না, তেল নিলে বাজার নিতে পারি না। তেলের দর দুইশ টাকা লিটার। চারশ টাকা জুরি করলে আরও দুইশ টাকা ঋন করা লাগে।

সুনামগঞ্জের বাজারগুলোয় দফায় দফায় বেড়ে চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও আয় বাড়ছে না সাধারণ মানুষের। এ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপেমধ্যে পরেছেন নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষরা। অধিক দামে পণ্য কেনার ক্ষমতা সুনামগঞ্জ জেলার বেশির ভাগ মানুষেরই নেই। রোজকার চাহিদা পূরণে গুনতে হচ্ছে পণ্যের অস্বাভাবিক দাম। পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি বিপাকে ফেলেছে সুনামগঞ্জের হাওরপারের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে।

সুনামগঞ্জের বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে এখন ২৫০ টাকা ছাড়িয়েছে। ব্রয়লার মুরগি কিনে পলিথিনে ভরছেন পৌর শহরের তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা অরবিন্দু রায়,তিনি গণমাধ্যেমকর্মী দেখে ছুটে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের কারণে সব কিছুর দাম বাড়িয়েছে। সাধারণ মানুষরা এখন আর মুরগ নেওয়ার মত ক্ষমতা নাই। সারাদিনে ৪শ ৫শ টাকা রোজি করে কিতা খাইবো। বাজারের সব জিনিসের দাম। আমরা সাধারণ মানুষরা কোনো মতে বেচে আছি, আমাদের জানে ধরিলার।

সুনামগঞ্জের বাজার ঘুরে দেখা যায় সপ্তাহের ব্যবধানে ১৫০ টাকা কেজির ব্রয়লার মুরগি এখন ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সোনালী মুরগি প্রতি কেজি ৩৪০ টাকা, লেয়ার মুরগি প্রতি কেজি ৬৫০টাকা, দেশি হাস ৬০০ টাকা থেক ৮০০টাকায় পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ৪০ টাকা দামের লাল ডিমের হালি কিনতে হয় ৬০-৬৫ টাকায়।

এছাড়া কাঁচাবাজারের দাম বেড়েছে বেশিরভাগ পণ্যের। মাত্র দুইদিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচে বেড়েছে ৪০টাকা। গত দুদিন আগে কাঁচা মরিচের প্রতি কেজি ছিলো ১০০টাকা সেটি আজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে। বেগুন ৩০ থেকে ৪০টাকা, টম্যাটো,৩০টাকা, করল্লা ৫০টাকা, সিম ৩০ থেকে ৪০টাকা, লাল আলু ৪০, গাজর ৫০ টাকা, লেবুর হালি ৮০টাকা।

এদিকে চিনির দাম বেড়েছে আরও কয়েকদিন আগে, খুচরা বাজারে চিনি ১১০টাকা, চায়না রসুনের দাম বেড়ে ১৭৫টাকা, ধনিয়া ১৩০, চিড়া ৫৫, সাবু ১৩০, জিরা ৬০০, আদা ৯০ থেকে ১০০টাকা, এলাচি ১৭০০,দেশি পিয়াজ ৪০ টাকা। বেশন ৯৫টাকা।মুগডাল ১৩০টাকা, চানা ৮৫ থেকে ৯০টাকা বিক্রি হচ্ছে।

সুনামগঞ্জের জেল রোড এলাকার মুরগি ব্যবসায়ী লুৎফুর রহমান ঢাকা প্রকাশ-কে বলেন, মুরুগের খাদ্যের দাম বেড়েছে, বাচ্চার দাম বেড়েছে, এছাড়া সুনামগঞ্জের যে লোকাল মুরগি ছিলো তাও মারা গেছে। আমরা বাহির থেকে দামে কিনে আনে দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতি কেজিতে আমাদের ১০টা ফায়দা হয়।

মুরগির দাম বাড়ার কারণ জানালেন ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক। তিনি ঢাকা প্রকাশ-কে বলেন, মুরগির খাবারের দাম বাড়তি, বাচ্চার দাম বাড়তিতে। গত ১ বছর আগে মুরগির বাচ্চার দাম ছিলো ১৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা। বর্তমানে দাম বেড়ে ৩৪০০ থেকে ৩৫০০ টাকা করছে। এছাড়া মুরুগের অন্যান মেডিসিনের দামও বাড়তি তাই দাম বাড়ছে। খাদ্যের দাম যদি দুই হাজার টাকার মধ্যে থাকে, বাচ্চার দাম যদি ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে থাকে তাহলে আমরা দোকানিরা দেশবাসীকে ১০০ টাকা কেজি দরে মুরগি খাবাতে পারবো। কিন্তু বর্তমান সরকারের এদিকে কোনো নজর নেই, বাজারের কাম কমাতে হলে সরকার একমাত্র হ্যাসারিতে গিয়ে তদারকি করতে হবে। তবে দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার ব্যাপারে সুনামগঞ্জের নতুন বাজার এলাকার মেসার্স অনিল ষ্টোরের মালিক নিকসন রায় ঢাকা প্রকাশ-কে বলেন তিনি, দাম বস্তায় ৩০০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহের চিনির বস্তা বিক্রি করেছি ৫ হাজার টাকা সেই চিনি এখন ৫ হাজার ৩০০ টাকা। এছাড়া তেলের দাম বেড়ছে। চায়না রসুনের দাম বাড়তি। এসময় তিনি বলেন ডলার সংকটের কারণের মূলত সব কিছুর দাম বাড়ছে।

সুনামগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম ঢাকা প্রকাশ-কে বলেন, আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। যেসব অসাধুব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে।
এএজেড

Header Ad
Header Ad

প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক সরকারি কর্মকর্তা ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে রয়েছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন প্রশাসনে মোট ৫১৬ জন ওএসডি রয়েছেন, এর মধ্যে ১২ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব। এটি প্রশাসনে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ওএসডি কর্মকর্তা, যা পূর্বে কখনো হয়নি।

এছাড়া, শীর্ষপদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বর্তমানে ১৭ জন কর্মকর্তা শীর্ষপদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন। এর আগে কখনো এত সংখ্যক শীর্ষ কর্মকর্তা একসঙ্গে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাননি। এর ফলে, নিচের স্তরের কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেতে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং ওএসডিতে রাখা কর্মকর্তাদের বসিয়ে বসিয়ে বেতন দিতে হচ্ছে, যা বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের অপচয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পেছনে রয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের দলীয়করণের প্রবণতা এবং নিয়মবহির্ভূত পদায়ন-পদোন্নতির প্রভাব। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমান সরকার একটি বিশেষ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে, যা স্বাভাবিক নয়। এজন্য তারা আশা করছেন যে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সংখ্যা কমে যাবে এবং কর্মীদের মধ্যে ন্যায্য পদোন্নতির সুযোগ তৈরি হবে।

বর্তমানে ৮৪টি সচিব, সিনিয়র সচিব ও সমমর্যাদার পদ রয়েছে, এর মধ্যে ১৭ জন কর্মকর্তা চুক্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন। এসব কর্মকর্তার মধ্যে অনেকেই অতীতে শীর্ষপদে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তারা দলের প্রতি আনুগত্যের কারণে নিয়োগ পেয়েছেন। সেক্ষেত্রে, যারা পদোন্নতির জন্য অপেক্ষা করছেন, তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হচ্ছে।

এদিকে, ৫ আগস্টের পর ১২১ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, কিছু কর্মকর্তাকে পদোন্নতি, প্রশিক্ষণ, ছুটি কিংবা প্রেষণের কারণে ওএসডিতে রাখা হয়েছে। তবে অন্যদিকে, অনেক কর্মকর্তাকেই দীর্ঘদিন ধরে ওএসডি অবস্থায় বসিয়ে রাখতে হচ্ছে, যা সরকারের জন্য আর্থিকভাবে ক্ষতিকর। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের ব্যবস্থা প্রশাসনে হতাশা সৃষ্টি করছে এবং সিস্টেমে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, বেশি সংখ্যক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিলে নিচের স্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা বাড়ে এবং তাদের মধ্যে কর্মস্পৃহা নষ্ট হয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, যাদের কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্ক নেই, তাদের কাজে লাগানো যেতে পারে এবং ওএসডি ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে।

এছাড়া, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনও একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যেখানে তারা সরকারি কর্মকর্তাদের ওএসডি ব্যবস্থাকে বাতিল করার সুপারিশ করেছে। তারা বলেছেন, 'পাবলিক সার্ভিস অ্যাক্ট, ২০১৮' অনুযায়ী, ২৫ বছর চাকরি শেষে কোনো কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর যে বিধান রয়েছে, তা বাতিল করা উচিত। তারা পরামর্শ দিয়েছে, কোনো কর্মকর্তাকে ওএসডি অবস্থায় রেখে বেতন-ভাতা না দিয়ে, তাদের একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে অন্য কাজে নিযুক্ত করা উচিত।

এই পরিস্থিতিতে, হাইকোর্টও রায় দিয়েছে যে, কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে ১৫০ দিনের বেশি ওএসডি রাখা যাবে না। মন্ত্রিসভা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে একটি কমিটি গঠন করে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে।

এই বিশাল সংখ্যক ওএসডি কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, যার মধ্যে ১২ জন সিনিয়র সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব, উপসচিব, সহকারী সচিব এবং সিনিয়র সহকারী সচিবদের একটি বিশাল দল রয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর ১২১ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে, বাকিরা পদোন্নতি, প্রশিক্ষণ বা ছুটির কারণে ওএসডিতে রয়েছেন।

এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ এটি সরকারি অর্থের অপচয় এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার দুর্বলতার চিহ্ন। তারা মনে করেন, এটি কেবল আর্থিক ক্ষতির কারণ হচ্ছে না, বরং প্রশাসনের কার্যকারিতা ও দক্ষতাকেও বাধাগ্রস্ত করছে।

Header Ad
Header Ad

ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিমসটেক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে বৈঠক হয়েছে তা দুই দেশের সম্পর্কে আশার আলো তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার যে তিক্ততা সম্পর্ক তা কমে আসবে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেশের ক্রীড়া অঙ্গনের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিমসটেক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে বৈঠক হয়েছে, তা আমাদের জন্য আনন্দের।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি ভূরাজনীতি ও বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান যে প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশ ও ভারতের এ অঞ্চলের যে প্রেক্ষাপট, সেই প্রেক্ষাপটে এই দুজনের বৈঠক আমাদের সামনে একটা আশার আলো তৈরি করেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের মধ্যে যে তিক্ততা তৈরি হয়েছিল, সেটা যেন আর সামনে না যায় অথবা এটা যেন কমে আসে, এ বৈঠকের মাধ্যমে তার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি যতটুকু দেখেছি এ বিষয়ে দুজনেই আন্তরিক ছিলেন। যা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ এবং ভারতের মানুষকে উপকৃত করবে।

এর আগে ক্রীড়া অঙ্গনের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মির্জা ফখরুল। এসময় বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় আমিনুল হক, জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় মোহাম্মাদ আশরাফুল, হাবিবুল বাশার সুমন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট

ছবি: সংগৃহীত

সাভারে আবারও ডাকাতির শিকার হয়েছে যাত্রীবাহী একটি বাস। ‘ইতিহাস পরিবহন’ নামের বাসটি চলন্ত অবস্থায় ডাকাতি সংঘটিত হয়। যাত্রীবেশী ডাকাতদলের সদস্যরা বাসে থাকা যাত্রীদের দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে বাসটির চালক রজব আলী (৩০) ও হেলপার এমদাদুল হক (৪০) আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে সাভার মডেল থানায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইতিহাস পরিবহনের বাসটি কর্ণপাড়া ব্রিজের কাছে আসলে যাত্রীবেশী ডাকাতরা দেশীয় অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের জিম্মি করে। সুমন সরকার নামের এক যাত্রী জানান, তিনি চন্দ্রা থেকে বাসে উঠেছিলেন এবং সাভার আসার পর ডাকাতরা তার কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। অন্য যাত্রীদের কাছ থেকেও স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করা হয়।

বাসের চালক রজব আলী জানান, ডাকাতরা যাত্রীদের জিম্মি করে মালামাল লুট করার পর যাত্রীরা বাসে ভাঙচুর চালায়। তিনি ও তার সহকারী এমদাদুল সড়কের পাশে লুকিয়ে থাকেন।

এ বিষয়ে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহীনুর কবির বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, শিগগিরই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

এ ঘটনার পূর্বে, গত ২৪ মার্চ এবং ২ মার্চেও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে একই ধরনের ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ২৪ মার্চের ঘটনার পর যাত্রীরা মানিকগঞ্জগামী একটি বাসের চালক ও হেলপারকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ২ মার্চে রাজধানী পরিবহনের একটি বাসেও ডাকাতি হয়েছিল, যেখানে অন্তত ২০ থেকে ২৫ যাত্রীর মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত