শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

রক্ত রাঙ্গা শিমুলের রাজত্ব, এ যেন এক স্বপ্নপুরী স্বর্গরাজ্য

এ ফাগুনের দুপুরে সবুজের ডালে ডালে রক্ত লাল শত কোটি শিমুলের রাজত্ব, এ যেন এক স্বপ্নপুরী স্বর্গরাজ্য। পাপড়ি মেলে থাকা শিমুলের রক্তিম আভা যেমন মন রাঙায় তেমনই ঘুম ভাঙায় সৌখিন হৃদয়ের। ওপারে ভারতের মেঘালয় পাহাড়, মাঝখানে রূপের নদী যাদুকাটার তীর জুড়ে এখন এমনই রাসি রাসি মুগ্ধতা, রক্ত রাঙ্গা শিমুলের বাসন্তি অভিবাদন।

হাওর অধ্যুষিত সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুরের শিমুল বাগানের রূপের আগুন যেন ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। পুড়িয়েছে লাখো প্রকৃতিপ্রেমির মন। বাগানের গাছভর্তি ফুলের সৌরভে নেই কোনো কমতি, তাই তো দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা মানুষগুলো যেন এক মায়ার জালেই বন্দি।

সুনামগঞ্জের শিমুল বাগানের রূপের টানে বাগান ঘুরতে এসে মুগ্ধ হলেন অভিনেত্রী মুনিরা ইউসুফ মেমী। তিনি ঢাকা প্রকাশ-কে বলেন, বাগান টা আসলে অসাধারণ, সারা বাংলাদেশ থেকে বিদেশ থেকেও অনেকে দেখতে আসেন। চিন্তার বাহিরে এতো বড় জায়গা নিয়ে এতো বড় একটা উদ্যোগ। কিন্তু আমাদের যেটা হয় নাগরিক সুবিধা গুলো কম থাকে, এটা আরও পরিচর্যা দরকার। তিনি আরও বলেন আমাদের দেশে বিষশকরে সিলেট- সুনামগঞ্জে অনেক পর্যটন এড়িয়া আছে, এতো সুন্দর সুন্দর শুধু যাতায়ত- নাগরিক ব্যবস্থা হলে আরও ভালো হয়। এছাড়া কোভিডের কারণে মানুষ বিদেশ ঘুরা বন্ধ করে দেশকে চিনেছেন।

মাথার উপরে গাছে ফুটে থাকা ফুল ঝরে পড়ে লালগালিচা হয়ে অতিথিদের স্বাগত জানায় এই সৌন্দর্যের সম্রাজ্যের। চারপাশে ঝরা পড়া ফুলের ওপর হাঁটতে হাঁটতে মনে হবে স্বর্গীয় লালগালিচায় বুঝি হেঁটছেন আপনিও। একসঙ্গে তিন হাজার গাছ পাপরি মেলে অপেক্ষা করছে পর্যটকদের। সিলেট এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটি থেকে ফ্রেন্ডের সাথে আসা পর্যটক শেখ তামান্না ঢাকা প্রকাশ-কে বলেন, এত সুন্দর একটা জায়গা, এই শিমুল বাগানে আমি প্রথমবার এসেছি,আমি বাগানে এসে দিনটা খুবই উপভোগ করছি।

একদিকে বাগানের ফুল ফোটে এখন পরিপূর্ণ যৌবনে টগবগ করছে,অন্যদিকে পাখির কলকাকলী ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে পাখিরা মেতেছে নতুন খেলায়। আর পাখিদের দোলায় ঝরে পড়া শিমুল ফুল কুড়াতে আনন্দে মাতোয়ারা শিশুরা। এর থেকে অপরূপ সুন্দর্য আর কি বা হতে পারে। সব মিলে গড়ে তুলেছে প্রকৃতির এক অনবদ্য কাব্য।

কামরুন নাহার সৃষ্টি ঢাকা প্রকাশ-কে বলেন, গতকাল সকাল থেকে আমাদের জার্নি আজকে সকালে শিমুল বাগানে এসে পৌছালাম, কিন্তু এমন মনে হয় না এত লম্বা জার্নি আসছি। আসলে ছোট বেলা আমরা অনেক চেরিফুলের গল্প শুনতাম, অনেক সিনেমায় দেখতাম বিদেশিরা বিষশডেতে চেরিফুল দেখতে যান উন্নত দেশগুলোতে। তারা কিন্তু আমাদের এই শিমুল ফুলের সৌন্দর্য দেখতে পান কি না জানি না। আমরা চেরিফুল সিনেমায় দেখছি আর আজ শিমুল ফুলের তলায় দাঁড়িয়ে আছি, মাথায় শিমুল ফুলের মালা পড়ে আছি।

এসময় তিনি প্রকৃতি প্রেমিদেরকে উদ্যোশ করে বলেন, বাংলাদেশের সুনামগঞ্জে এতো সুন্দর একটা শিমুলবাগান বাংলাদেশেরে অনেক মানুষ হয়তো জানেনই না। কেউ যদি নিজেকে ভালো রাখতে চান, চোখ দুটোকে একটু বড়িয়ে দিতে চান তাহলে শিমুল সুনামগঞ্জে আসবেন। আসাকরি স্বররগীয় সুখ পাবেন। বিশাল এই শিমুল রাজ্যের একপ্রান্তে দাঁড়ালে অন্যপ্রান্ত চোখের ল্যান্সে ধারণ করা যায় না। বাগানের যেদিকেই চোখ যায় সেদিকেই সারি সারি শিমুল গাছের সৌন্দর্য। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের এত বিশাল শিমুল বাগান দক্ষিণ এশিয়ার আর কোথাও নেই।

সপরিবারে আসা পর্যটক আবু ফয়জল মোহাম্মদ হেলাল ঢাকা প্রকাশ-কে বলেন, রাস্তাটা অনেকটা দুর্গম, রাস্তাকে মেরামত করা দরকার। আসতে গেলে অনেক কষ্ট হয়। যেমন গাড়ি দিয়ে সরাসরি আসতে চাইলে তাহিরপুর সদর হয়ে ঘুরে আসতে হয়, অনেক সময়েরও ব্যাপার। রাস্তাটা যদি মেরামত করা হয় তাহলে আরও পর্যটকরা আসবেন। নয়তো রাস্তার জন্যে অনেকেই আসতে চাইবেন না। আমরা আজ বাচ্চাদের নিয়ে এসে গাড়িটা নদীর ওপারে রেখে ফাড়ি পথে কিছু জায়গা হেটে এসছি, এতে কিছুটা সময় বেচে গেছে আমাদের।

সৌন্দর্যের এই স্বর্গরাজ্যের শুরুটা আজ থেকে ২০ বছর আগে তাহিরপুর উপজেলার মানিগাঁও গ্রামে। ২০০৩ সালে জাদুকাটা নদীর তীরে ১০০ বিঘারও বেশি জায়গা জুড়ে বাদাঘাট ইউপি চেয়ারম্যান প্রয়াত জয়নাল আবেদীন গড়ে তুলেন এই শিমুল বাগান। তিনি বেচে না থাকলেও থেমে নেই সৌন্দর্য প্রিয় মানুষটির স্বপ্ন। এই বাগানের সৌন্দর্য স্বচক্ষে দেখতে ছুটে আসছে হাজারো পর্যটক ও দর্শনার্থীরা। বাগানের প্রকৃতির সৌন্দর্যে মুগ্ধ তারা। তাইতো বাগানে ছবি তোলা থেকে শুরু কর, নাটক ও গানের মিউজিক ভিডিওর শুটিং করছেন ভ্রমনকারীরা।

বাগান মালিক আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন এর ছেলে মোহাম্মদ রাকাব উদ্দিন বাগান নিয়ে নানা পরিকল্পনার কথা জানালেন ঢাকা প্রকাশ-কে। তিনি বলেন আমার বাবা আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন ২০০৩ সালে এই সৃষ্টি করেছেন নিজ উদ্দ্যোগে। প্রথমএ ব্যবসার চিন্তাভাবনা ছিলো। পরে বাবা সড়ক দূর ঘটনায় মারা যাওয়ার পর আমরা দর্শনীয় স্থান হিসেবে করেছি। বিভিন্ন জেলা থেকে ছাত্রছাত্রীরা পর্যটকরা আসা শুরু করেছেন। পর্যটকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে বাগানে ওয়াশরুমের ব্যবস্থা করেছি এবং রিসোর্টের ব্যবস্থা করছি অচিরেই থাকারও ব্যবস্থা করে দিবো। সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকলে আগামীতে তাহিরপুর পর্যটন সমৃদ্ধ উপজেলা হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পাবে বলে বিশ্বাস করেন স্থানীয়রা।
এএজেড

Header Ad
Header Ad

প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক সরকারি কর্মকর্তা ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে রয়েছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন প্রশাসনে মোট ৫১৬ জন ওএসডি রয়েছেন, এর মধ্যে ১২ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব। এটি প্রশাসনে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ওএসডি কর্মকর্তা, যা পূর্বে কখনো হয়নি।

এছাড়া, শীর্ষপদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বর্তমানে ১৭ জন কর্মকর্তা শীর্ষপদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন। এর আগে কখনো এত সংখ্যক শীর্ষ কর্মকর্তা একসঙ্গে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাননি। এর ফলে, নিচের স্তরের কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেতে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং ওএসডিতে রাখা কর্মকর্তাদের বসিয়ে বসিয়ে বেতন দিতে হচ্ছে, যা বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের অপচয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পেছনে রয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের দলীয়করণের প্রবণতা এবং নিয়মবহির্ভূত পদায়ন-পদোন্নতির প্রভাব। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমান সরকার একটি বিশেষ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে, যা স্বাভাবিক নয়। এজন্য তারা আশা করছেন যে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সংখ্যা কমে যাবে এবং কর্মীদের মধ্যে ন্যায্য পদোন্নতির সুযোগ তৈরি হবে।

বর্তমানে ৮৪টি সচিব, সিনিয়র সচিব ও সমমর্যাদার পদ রয়েছে, এর মধ্যে ১৭ জন কর্মকর্তা চুক্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন। এসব কর্মকর্তার মধ্যে অনেকেই অতীতে শীর্ষপদে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তারা দলের প্রতি আনুগত্যের কারণে নিয়োগ পেয়েছেন। সেক্ষেত্রে, যারা পদোন্নতির জন্য অপেক্ষা করছেন, তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হচ্ছে।

এদিকে, ৫ আগস্টের পর ১২১ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, কিছু কর্মকর্তাকে পদোন্নতি, প্রশিক্ষণ, ছুটি কিংবা প্রেষণের কারণে ওএসডিতে রাখা হয়েছে। তবে অন্যদিকে, অনেক কর্মকর্তাকেই দীর্ঘদিন ধরে ওএসডি অবস্থায় বসিয়ে রাখতে হচ্ছে, যা সরকারের জন্য আর্থিকভাবে ক্ষতিকর। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের ব্যবস্থা প্রশাসনে হতাশা সৃষ্টি করছে এবং সিস্টেমে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, বেশি সংখ্যক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিলে নিচের স্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা বাড়ে এবং তাদের মধ্যে কর্মস্পৃহা নষ্ট হয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, যাদের কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্ক নেই, তাদের কাজে লাগানো যেতে পারে এবং ওএসডি ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে।

এছাড়া, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনও একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যেখানে তারা সরকারি কর্মকর্তাদের ওএসডি ব্যবস্থাকে বাতিল করার সুপারিশ করেছে। তারা বলেছেন, 'পাবলিক সার্ভিস অ্যাক্ট, ২০১৮' অনুযায়ী, ২৫ বছর চাকরি শেষে কোনো কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর যে বিধান রয়েছে, তা বাতিল করা উচিত। তারা পরামর্শ দিয়েছে, কোনো কর্মকর্তাকে ওএসডি অবস্থায় রেখে বেতন-ভাতা না দিয়ে, তাদের একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে অন্য কাজে নিযুক্ত করা উচিত।

এই পরিস্থিতিতে, হাইকোর্টও রায় দিয়েছে যে, কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে ১৫০ দিনের বেশি ওএসডি রাখা যাবে না। মন্ত্রিসভা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে একটি কমিটি গঠন করে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে।

এই বিশাল সংখ্যক ওএসডি কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, যার মধ্যে ১২ জন সিনিয়র সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব, উপসচিব, সহকারী সচিব এবং সিনিয়র সহকারী সচিবদের একটি বিশাল দল রয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর ১২১ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে, বাকিরা পদোন্নতি, প্রশিক্ষণ বা ছুটির কারণে ওএসডিতে রয়েছেন।

এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ এটি সরকারি অর্থের অপচয় এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার দুর্বলতার চিহ্ন। তারা মনে করেন, এটি কেবল আর্থিক ক্ষতির কারণ হচ্ছে না, বরং প্রশাসনের কার্যকারিতা ও দক্ষতাকেও বাধাগ্রস্ত করছে।

Header Ad
Header Ad

ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিমসটেক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে বৈঠক হয়েছে তা দুই দেশের সম্পর্কে আশার আলো তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার যে তিক্ততা সম্পর্ক তা কমে আসবে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেশের ক্রীড়া অঙ্গনের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিমসটেক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে বৈঠক হয়েছে, তা আমাদের জন্য আনন্দের।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি ভূরাজনীতি ও বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান যে প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশ ও ভারতের এ অঞ্চলের যে প্রেক্ষাপট, সেই প্রেক্ষাপটে এই দুজনের বৈঠক আমাদের সামনে একটা আশার আলো তৈরি করেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের মধ্যে যে তিক্ততা তৈরি হয়েছিল, সেটা যেন আর সামনে না যায় অথবা এটা যেন কমে আসে, এ বৈঠকের মাধ্যমে তার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি যতটুকু দেখেছি এ বিষয়ে দুজনেই আন্তরিক ছিলেন। যা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ এবং ভারতের মানুষকে উপকৃত করবে।

এর আগে ক্রীড়া অঙ্গনের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মির্জা ফখরুল। এসময় বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় আমিনুল হক, জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় মোহাম্মাদ আশরাফুল, হাবিবুল বাশার সুমন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট

ছবি: সংগৃহীত

সাভারে আবারও ডাকাতির শিকার হয়েছে যাত্রীবাহী একটি বাস। ‘ইতিহাস পরিবহন’ নামের বাসটি চলন্ত অবস্থায় ডাকাতি সংঘটিত হয়। যাত্রীবেশী ডাকাতদলের সদস্যরা বাসে থাকা যাত্রীদের দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে বাসটির চালক রজব আলী (৩০) ও হেলপার এমদাদুল হক (৪০) আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে সাভার মডেল থানায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইতিহাস পরিবহনের বাসটি কর্ণপাড়া ব্রিজের কাছে আসলে যাত্রীবেশী ডাকাতরা দেশীয় অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের জিম্মি করে। সুমন সরকার নামের এক যাত্রী জানান, তিনি চন্দ্রা থেকে বাসে উঠেছিলেন এবং সাভার আসার পর ডাকাতরা তার কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। অন্য যাত্রীদের কাছ থেকেও স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করা হয়।

বাসের চালক রজব আলী জানান, ডাকাতরা যাত্রীদের জিম্মি করে মালামাল লুট করার পর যাত্রীরা বাসে ভাঙচুর চালায়। তিনি ও তার সহকারী এমদাদুল সড়কের পাশে লুকিয়ে থাকেন।

এ বিষয়ে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহীনুর কবির বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, শিগগিরই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

এ ঘটনার পূর্বে, গত ২৪ মার্চ এবং ২ মার্চেও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে একই ধরনের ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ২৪ মার্চের ঘটনার পর যাত্রীরা মানিকগঞ্জগামী একটি বাসের চালক ও হেলপারকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ২ মার্চে রাজধানী পরিবহনের একটি বাসেও ডাকাতি হয়েছিল, যেখানে অন্তত ২০ থেকে ২৫ যাত্রীর মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত