শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

কুড়িগ্রামে ইউএনওর অবহেলায় প্রশ্নপত্র ফাঁস!

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার দেব শর্মার গাফলতির কারণে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধিনে ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় চলতি এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) এবং দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর এসব বিভাগের শত-শত শিক্ষার্থীর জন্য বোর্ড কর্তৃক পরীক্ষার জন্য প্রদত্ত কয়েক হাজার প্রশ্নপত্র সেটের প্যাকেট পাঠিয়ে দেয়। এসব প্যাকেট থেকে প্রশ্ন সটিং এবং যাচাই-বাছাই করার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একজন প্রতিবেদন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার দেব শর্মা গত ১১ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত ০৫.৪৭.৪৯০৬.০০০.১৩.০২৩.২২.৮৫৯ নং স্বারকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও অন্যান্য গোপনীয় কাগজ পত্রাদি যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন জমা দেবার জন্য উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রহমানকে দায়িত্ব দেন। পত্রে বলা হয় ভূরুঙ্গামারী থানায় প্রশ্ন পত্র ও অন্যান্য গোপনীয় কাগজপত্রাদি সংরক্ষিত রয়েছে।

উক্ত সিলগালাকৃত পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র ও অন্যান্য গোপনীয় কাগজপত্রাদি বিবরণী মোতাবেক সঠিক আছে কিনা তা যাচাই-বাছাই করে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের করার জন্য অনুরোধ করেন। এই পত্রের অনুলিপি দেয়া হয় ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জসহ উপজেলার ৬টি পরীক্ষা কেন্দ্রের সকল সচিবগণকে। পত্রে আরও উল্লেখ্য করা হয়, পরীক্ষার সময়সূচি অবশ্যই খামের উপরে লিখতে হবে।

এছাড়াও একই তারিখে ইউএনওর স্বাক্ষরিত ০৫.৪৭. ৪৯০৬. ০০০.১৩.০২৩.২২নং স্বারকে এক অফিস আদেশে ভূরুঙ্গামারী পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে কৃষি কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ, সমবায় অফিসার নুর কুতুবুল আলম। নেহাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী, পল্লী উন্নয়ন অফিসার রায়হান হক। সোনাহাট দ্বি-মুখি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সহকারি শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ, প্রতিবন্ধি বিষয়ক কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ।

সোনাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর আতিকুর রহমান, সহকারি পল্লী উন্নয়ন অফিসার রেজাউল করিম। ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা কেন্দ্রে সহকারি শিক্ষা জাকির হোসেন, জনস্বাস্থ্য বিভাগের উপ-সহকারি প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম। দিয়াডাঙ্গা আইডিয়াল টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে সহকারি প্রোগ্রামার রুবেল সরকার এবং দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা মুখলেছুর রহমানকে ট্যাগ অফিসার বা দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেন। তারা পরীক্ষার দিন গুলোতে থানা হতে নির্ধারিত প্রশ্নপত্র উত্তোলন নিশ্চিত এবং পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে সার্বক্ষনিক কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে পরীক্ষা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হয় পত্রে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভূরুঙ্গামারী থানায় প্রশ্ন বাছাইয়ের সর্টিং করার সময় নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমান দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার আব্দুর রহমানের যোগসাজসে বাংলা ১ম পত্রের প্রশ্নপত্রের প্যাকেটের ভিতর বাংলা-২য় পত্র,ইংরেজি ১ম ও ২য় পত্রের প্রশ্ন পত্রের একটি করে খাম ঢুকিয়ে নেন এবং প্যাকেট সীলগালা করেন। তার ওপর স্বাক্ষর করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান।

বাংলা ১ম পত্রের পরীক্ষার দিন যথা নিয়মে থানা থেকে বাংলা ১ম পত্রের প্যাকেট এনে তা খুলে বাংলা ২য় পত্র, ইংরেজি ১ম ও ২য় পত্রের খামটি কৌশলে সরিয়ে ফেলেন কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমানসহ তার সহযোগিরা। এ সময় কেন্দ্রে দায়িত্বরত ট্যাগ অফিসার বোর্ডের দেয়া তালিকা অনুযায়ী পাঠানো প্রশ্নে পত্রের খাম গণনা করার নিয়ম থাকলেও তারা দায়িত্ব অবহেলা করে তা করেনি।

পরে প্রধান শিক্ষক কয়েকজন শিক্ষকের সহায়তায় ফাঁস করা প্রশ্নপত্রের হাতে লেখা উত্তর পত্র তৈরী করে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি করেন। পরীক্ষার আগের রাতে ফাঁস হওয়া উত্তর পত্রের সাথে পরের দিন পরীক্ষার প্রদত্ব প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল পাওয়া যায়। আর এসব উত্তর পত্র অনেকেই মোবাইলের মাধ্যমে উত্তরপত্র গোপনে ২শ থেকে ৫শ টাকা বিক্রি করেন অন্যান্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিকট।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক উপজেলার একাধিক কর্মকর্তারা জানান, বোর্ডের নিয়মানুযায়ী পরীক্ষা শুরুর ৫/৭ দিন আগে কেন্দ্র সচিব বা তার প্রতিনিধি এবং ট্যাগ অফিসারের মাধ্যমে ট্রাংকে রক্ষিত প্রশ্নপত্রের প্যাকেটের সাথে 'প্রশ্নপত্রের চাহিদা' সঠিক ভাবে যাচাইয়ের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। কোন গড়মিল থাকলে সাথে সাথে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে লিখিতভাবে জানাতে হবে। কিন্তু ইউএনও সেই কাজ না করে এক/দুই দিনের মধ্যে একজন কর্মকর্তাকে দিয়ে প্রশ্নপত্র সটিং করে প্রতিবেদন দেবার নির্দেশ দেন।

একজন কর্মকর্তার পক্ষে হাজার, হাজার প্রশ্নপত্র এক/ দুই দিনের মধ্যে যাচাই-বাছাই, কাগজে স্বাক্ষর করা এবং নজরদারী-হিসাব করে প্রতিবেদন দেয়া প্রায় অসম্ভব। আর এই সুযোগে অসাধু কিছু শিক্ষক প্রশ্ন পত্র কৌশলে বের করেছেন। ইউএনও যদি শুরুতেই তার দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করতো তাহলে প্রশ্ন ফাঁসের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটার সম্ভাবনা ছিল না। এতে করে এসএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষাকে গুরুত্ব না দেয়ায় প্রশ্ন ফাঁসের দায় থেকে ইউএনও এড়াতে পারেন না।

ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান,আমার কাছে কোন চিঠি নেই। প্রশ্নপত্র সমূহে আমরা শুধু স্কড দিয়ে থাকি। বাকি সভাপতি এবং তার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা সটিং, সিলগালা রাখা না রাখা তাদের দায়িত্ব। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রহমান বলেন,আমাকে দায়িত্বে অবহেলার কারণে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমি বর্তমানে হসপিটালাইজড আছি এর বেশি কিছু বলতে পারবো না।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার দেব শর্মাকে একাধিবার ফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন,বিধি মোতাবেক ইউএনও চিঠি করেছেন। তারপরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। ইউএনওকে শোকজ করা হয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,তাকে জবাব দেবার বলা হয়েছে।
এএজেড

Header Ad
Header Ad

মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ

ছবি: সংগৃহীত

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়নের এগারোশ্রী এলাকায় বাঁশঝাড়ের পাশে পরিত্যক্ত এসির কার্টন থেকে এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দুপুর আড়াইটার দিকে কার্টন খুলে ২০-২৫ বছর বয়সী এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে।

মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সালাউদ্দিন জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে এবং তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত ও হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে।

এলাকাবাসীর দাবি, এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে। হত্যাকারীরা লাশ গোপন করতে কার্টন ব্যবহার করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

পুলিশ আশ্বস্ত করেছে, দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

Header Ad
Header Ad

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

মুসলিমদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে গত ৩১ মার্চ। এবার শুরু হয়েছে ঈদুল আজহার অপেক্ষা, যা কোরবানির ঈদ নামেও পরিচিত।

এই ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে আমিরাত জ্যোতির্বিদ্যা সোসাইটি। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ২৭ মে সন্ধ্যায় হিজরি বর্ষপঞ্জির শেষ মাস জিলহজের চাঁদ দেখা যাবে। যদি চাঁদ দেখা যায়, তবে ২৮ মে হবে জিলহজ মাসের প্রথম দিন, আর ৬ জুন মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে পারে।

সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, ২৭ মে সকাল ৭টা ০২ মিনিটে আরব আমিরাতে চাঁদ উঠবে এবং সূর্যাস্তের ৩৮ মিনিট পর পর্যন্ত দৃশ্যমান থাকবে, যা খালি চোখে সহজেই দেখা যাবে।

যদি ২৭ মে চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে ৭ জুন ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

বাংলাদেশ সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর ঈদ উদযাপন করে। সে হিসাবে, বাংলাদেশে ৭ অথবা ৮ জুন ঈদুল আজহা পালিত হতে পারে।

ঈদুল আজহা মুসলিমদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) তার পুত্র ইসমাইল (আঃ)-কে কোরবানি দিতে প্রস্তুত হন। এটি ছিল আল্লাহর প্রতি তার চূড়ান্ত আনুগত্যের নিদর্শন। এরপর থেকে মুসলিমরা পশু কোরবানি করে এই দিনটি পালন করে আসছেন।

সূত্র: গালফ নিউজ

Header Ad
Header Ad

দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

ছবি: সংগৃহীত

চলতি এপ্রিলজুড়ে মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় এবং কালবৈশাখী ঝড়ের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার অনুমোদিত বিভিন্ন আবহাওয়া মডেল ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাসে দেশে ২ থেকে ৪টি মৃদু (৩৬-৩৭.৯°C) অথবা মাঝারি (৩৮-৩৯.৯°C) তাপপ্রবাহ এবং ১ থেকে ২টি তীব্র (৪০-৪১.৯°C) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া মাসজুড়ে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, এপ্রিল মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকবে। তবে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হলে ওই অঞ্চলের নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, চলমান তাপপ্রবাহের পরিধি আজ থেকে আরও বাড়তে পারে। তবে ৫ বা ৬ এপ্রিল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে, যা তাপমাত্রা কিছুটা কমাতে সহায়ক হবে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার