শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

জামালপুরবাসীর গলারকাঁটা রেলওয়ে ওভারপাস

জামালপুর শহরের যানজট কমাতে নেওয়া রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ প্রকল্পটি এখন শহরবাসীর ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিন বছর চার মাস মেয়াদি প্রকল্পটি ছয় বছরেও শেষ হয়নি। এর মধ্যে দফায় দফায় বেড়েছে কাজ মেয়াদ। আর প্রকল্পটির ব্যয় ২১১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৪২৩ কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। সঙ্গে বেড়েছে স্থানীয় মানুষের ভোগান্তি।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চার দফায় মেয়াদ বাড়ানোর পর সর্বশেষ গত জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রকল্পের মাত্র ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ফলে আবারও প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।

তবে এই সময়ের মধ্যেও কাজ শেষ হওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন শহরের বাসিন্দারা। প্রকল্পের ধীরগতির কারণে ওই এলাকায় তীব্র যানজটে শহরবাসী এখন চরমভাবে ক্ষুব্ধ।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) জামালপুর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি ঘণ্টায় ট্রেন চলাচলের কারণে জামালপুর শহরের প্রধান সড়কের রেলগেটপাড় এলাকায় নিত্যদিন যানজট লাগে। জনদুর্ভোগ দূর করার জন্য নেওয়া রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ প্রকল্প শুরু হয় ২০১৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি। এই প্রকল্পে ৭৮০ মিটার ওভারপাসসহ দুই পাশে পাকা সড়ক নির্মাণ করা হবে। এতে ৬৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। বাকি ৩৫৯ কোটি টাকা এই প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয় ধরা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের গেটপাড় থেকে ওভারপাস নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে ১২টি পিলার নির্মাণ করা হয়েছে। দুটি পিলারের মাঝখানের ৫২টি গার্ডারের মধ্যে ৪৭টির নির্মাণ শেষ হয়েছে। গার্ডারের ওপরের ১৩টি ছাদের মধ্যে আটটির কাজ শেষ হয়েছে। দুই পাশের কোনো সড়কের কাজ এখনো শুরুই হয়নি। প্রধান সড়কে বড় বড় গর্ত আর কাদামাটিতে একাকার। আশপাশে যানজট লেগে আছে। ওভারপাস নির্মাণের জায়গা রেখে দুই পাশ দিয়ে ছোট্ট সড়কে যানবাহন চলাচল করছে খুব ধীরগতিতে। এ অবস্থায় সড়কের মধ্যে বালু, পাথর, ইট রাখা হয়েছে।

জামালপুর শহরের গেটপাড় বাণিজ্যিক এলাকা। বেহাল সড়কের কারণে ভুগছেন এখানকার ব্যবসায়ীরা। কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, ছয় বছর ধরে নির্মাণকাজ চলছে। জাহেদা শফির মহিলা কলেজের সামনে থেকে লম্বাগাছ পর্যন্ত সড়ক বেহাল। সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটুপানি জমে যায়। সেই পানির আর নেমে যাওয়ার পথ নেই। সব সময় যানজট লেগেই থাকে। ফলে এই এলাকায় ক্রেতা ও সাধারণ মানুষ এখন সহজেই আসতে চান না। এজন্য তারা আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ধীরগতির কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে দুষছেন ব্যবসায়ীরা। সওজের উদাসীনতাকেও দায়ী করছেন তারা।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি জামালপুর জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল হোসেন বলেন, ১৫ থেকে ২৫ লাখ পর্যন্ত জামানত ও দোকানভাড়া দিয়ে ব্যবসা করতে হয়। কিন্তু এই ওভারপাসের কারণে সব ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। গেটপাড়ের নাম শুনলেই কেউ আসতে চান না। দ্রুত ওভারপাস নির্মাণের জন্য ব্যবসায়ীরা বহু চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।

সওজ জামালপুর কার্যালয় সূত্র জানায়, তমা কনস্ট্রাকশন, মেসার্স জামিল ইকবাল ও মেসার্স মইন উদ্দিন বাঁশি যৌথভাবে কাজটি পায়। ২০২০ সালের জুনে কাজটি শেষ হওয়ার কথা ছিল। সর্বশেষ ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় তত্ত্বাবধায়ক শরিফুল ইসলাম বলেন, কাজে তাদের কোনো গাফিলতি নেই। দীর্ঘ সময় ধরে সওজ জায়গা বুঝিয়ে দিতে পারছিল না। ফলে কাজের ধীরগতি ছিল। তবে এখন পুরোদমে কাজ চলছে। প্রকল্পের বেশির ভাগ ব্যয় বেড়েছে ভূমি অধিগ্রহণে। কাজের ক্ষেত্রে ব্যয় সামান্যই বেড়েছে। আগামী জুনের মধ্যে অবশ্যই কাজটি শেষ করা হবে।

ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতার কারণে কাজে কিছুটা ধীরগতি ছিল বলে জানিয়েছেন জামালপুরের সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী খায়রুল বাশার মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, পুরো প্রকল্পের মধ্যে ৩৫৯ কোটি টাকা ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ ব্যয় হয়েছে। এখন পুরোদমে কাজ চলছে। প্রকল্পের মূল কাজ ওভারপাস। সেটার কাজ প্রায় শেষের দিকে। দুই পাশের সড়কের কোনো কাজ শুরু হয়নি। তবে আগামী জুনের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

জামালপুর জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, পৌরবাসীর দুঃখের নাম ওভারপাস। ছয় বছর ধরে জনদুর্ভোগের মাত্রা বৃদ্ধি পেলেও কাজের গতি হয়েছে নিম্নগামী। দুর্ভোগের বিষয়টি নিয়ে বহুবার সামাজিক আন্দোলন হয়েছে। জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছে। এই নিয়ে বহুবার রেজল্যুশনও হয়েছে। কিন্তু কাজের গতি বাড়েনি। এই সময়ের মধ্যে পদ্মাসহ বহু বড় বড় সেতু নির্মিত হয়েছে। কিন্তু ৭৮০ মিটার ওভারপাস নির্মাণের কাজ শেষ করতে পারছে না সংশ্লিষ্টরা। কল্যাণের বদলে দুর্ভোগই বাড়িয়েছে এই ওভারপাস প্রকল্প।

এসএন

Header Ad
Header Ad

রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০

ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের বদরগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার ও দোকান ভাড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এক জন নিহত এবং সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার এবং বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও কালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম মানিকের অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি শহরের ঢেউটিন ব্যবসায়ী জাহিদুল হক জোয়ারদার এবং দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবুর মধ্যে দোকান ভাড়াকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া দ্বন্দ্বকে ঘিরে সেই বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নেয়।

জানা গেছে, দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবু দাবি করেন, জাহিদুলের দোকান ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে ভাড়াটিয়া জাহিদুলের দাবি, তার চুক্তি ২০২৮ সাল পর্যন্ত বৈধ এবং তিনি দোকান ছাড়বেন, যদি জামানত হিসেবে দেওয়া ৩৫ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। কিন্তু দোকান মালিক সেই অর্থ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার সন্ধ্যায় দোকানঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে ইশতিয়াক বাবুর অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

এর প্রতিবাদে শনিবার শহিদুল ইসলাম মানিকের নেতৃত্বে শহিদ মিনার এলাকায় মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। কিন্তু মানববন্ধন চলাকালে মোহাম্মদ আলী সরকারের অনুসারীরা হামলা চালিয়ে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন ও মাইক ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বদরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম আতিকুর রহমান জানান, “পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।”

 

Header Ad
Header Ad

গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী

ছবি: সংগৃহীত

স্বাধীনতার প্রতীক ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

তিনি বলেছেন, “জয় বাংলা কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্লোগান নয়—এটা মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্লোগান। গত ২৫ বছরে আমি একবারও ‘জয় বাংলা’ বলিনি। কিন্তু আজ শপথ করে বলছি, এখন থেকে আমি ‘জয় বাংলা’ বলব।”

গত শুক্রবার (৫ এপ্রিল) রাতে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামে পিতামাতা ময়েজউদ্দিন ও আনোয়ারা সিদ্দিকার কবর জিয়ারতের সময় স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, “বাংলাদেশ স্বাধীন না হলে আজকের দালান-কোঠা, ঘরবাড়ি কিছুই হতো না। দুর্ভাগ্যের বিষয়, আজ অনেকেই সেই স্বাধীনতাকে স্বীকার করতে চায় না। কেউ কেউ হাসিনা সরকারের পতনকে স্বাধীনতার পতন মনে করে—না, এটা কোনোভাবেই স্বাধীনতার পতন নয়।”

তিনি আরও বলেন, “যারা বিপ্লব ঘটিয়েছেন, স্বাধীনতা না থাকলে তারা তা পারতেন না। আমি তাদের সাধুবাদ জানাই। তারা যদি সঠিকভাবে পথ চলত, তবে মানুষ তাদের বহু বছর মনে রাখত। কিন্তু আজ তারা স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বঙ্গবন্ধুকে মানে না, জিয়াউর রহমানকেও মানে না, এমনকি আমাদের কাউকেও স্বীকার করে না। এটা ভালো লক্ষণ নয়।”

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, বঙ্গবীরের স্ত্রী নাছরিন সিদ্দিকী, ভাই মুরাদ সিদ্দিকীর স্ত্রী নিহার সিদ্দিকীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

Header Ad
Header Ad

বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

বিরামপুর পৌর শহরের ঢাকা মোড়ে শনিবার( ৫ এপ্রিল) দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি সনাতন পরিবারের নগদ টাকা,সোনা ও বাড়ির আসবাব পত্রসহ সর্বস্ব পুড়ে ছাই হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় বাড়ি সংলগ্ন মার্কেট ও ব্যাংক ভবন রক্ষা পেয়েছে। আগুন নিভাতে গিয়ে এক ফায়ার ফাইটার আহত হয়েছে।

জানা গেছে, দিনাজপুর - গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে বিরামপুর পৌর শহর সংলগ্ন ঢাকা মোড় এলাকার রতন সাহার বাড়ি ও বাড়ির সামনে মার্কেট রয়েছে। শনিবার দুপুরে পরিবারের লোকজন দোকানে কর্মরত থাকা অবস্থায় বাড়িতে আগুন জ্বলে ওঠে । কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই টিনসেড বাড়িটি ভয়াবহ আগুনে পুড়তে থাকে। তাৎক্ষণিক ভাবে বিরামপুর ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট এবং পরবর্তীতে নবাবগঞ্জ ও ফুলবাড়ি থেকে মোট তিনটি ইউনিট এসে আগুন ছড়ানো নিয়ন্ত্রণ করে। এতে বাড়ির ৪টি ঘর ও মার্কেটের দু’টি দোকান ঘরের সব কিছু পুড়ে গেলে ও বাড়ি সংলগ্ন মার্কেট ও ইসলামী ব্যাংক ভবন রক্ষা পেয়েছে।

বাড়ির মালিক রতন সাহা বলেন,মেয়ের বিয়ের জন্য গচ্ছিত রাখা ১০ লাখ টাকা,১০ ভরি সোনা ও বসত বাড়ির সবকিছু পুড়ে ছাই হয়েছে।

বিরামপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ আব্দুল আজিজ জানান, ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের প্রচেষ্ঠায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি ও ৯০ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। আগুন নিভাতে গিয়ে ফায়ার ফাইটার সজল হোসেন গুরুত্বর আহত হয়ে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমতাজুল হক জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা হয়েছে। রান্না ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনে সূত্রপাত হয়েছে বলে জানা যায়।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’
যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)