শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নির্বাচনে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নলকূপ প্রতীকের প্রার্থী মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। জেলা পরিষদের সদস্য থাকাকালীন ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ওই টাকা আত্মসাত করেন তিনি। আত্মসাত করা টাকা ফেরত চাইলে ভুক্তভোগীদের নানাভাবে হয়রারি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়াও অভিযোগ উঠেছে জেলা পরিষদের সদস্য থাকাকালীন মসজিদ-মাদ্রাসা ও এতিমখানাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে টাকা দেওয়ার নাম করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাত করার।

এসব ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার ও পাওনা টাকা ফেরত চেয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সদর উপজেলার বাউখোলা এলাকার মৃত মোছেল উদ্দীন সরদারের ছেলে মতিয়ার রহমান। তবে অভিযোগ দায়েরের ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও থানা পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন মতিয়ারসহ তার পরিবারের সদস্যরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আশাশুনি উপজেলার শ্রীঊলা এলাকার লুৎফর গাজীর ছেলে নুরুল হুদার কাছে ব্যবসার ২০ লাখ টাকা পেতেন মতিয়ার রহমান। তবে মতিয়ারের পাওনা টাকা দিতে নাজমুল অপারগতা প্রকাশ করলে আদালতে একটি মামলা করেন মতিয়ার। একপর্যায়ে ২০১৭ সালের ২৭ মার্চ নুরুল হুদা মামলা থেকে রেহাই পেতে জেলা পরিষদের দারস্থ হন। ওইসময় শান্তিপূর্ণ ভাবে বিষয়টি সমাধানের জন্য জেলা পরিষদের সদস্য মনিরুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

একপর্যায়ে জেলা পরিষদের প্যাডে মতিয়ারের অগোচরে নুরুল হুদার থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা গ্রহণ করেন মনিরুল। একপর্যায়ে মতিয়ার তার পাওনা টাকা ফেরত চাইলে মনিরুল টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে মতিয়ারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এতে, উপায়ন্তর না পেয়ে জীবনের নিরাপত্তা ও পাওনা টাকা আদায়ের জন্য সাতক্ষীরা সদর থানায় মনিরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি।

এব্যাপারে ভুক্তভোগী মতিয়ার রহমান জানান, নুরুল হুদার থেকে টাকা আদায়ের কথা বলে জেলা পরিষদের সদস্য থাকাকালীন আমাদের কাছে থাকা নুরুল হুদার সাদা চেক আমার স্ত্রীর কাছ থেকে গ্রহণ করেন মনিরুল। চেক গ্রহণের কিছুদিন পর মনিরুল আমাদের জানাই চেকটি হারিয়ে গেছে। ওইসময় চেক হারানোর বিষয়ে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। অথচ মনিরুল ওই চেককে ব্যবহার করে নুরুল হুদার থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা গ্রহণ করেন আমাদের অগোচরে। পরে বিষয়টি যখন নুরুল হুদা আমাদের জানান তখন আমাদের কথাতে নুরুল হুদা মনিরুলকে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেন। এতে মনিরুল ক্ষিপ্ত হয়ে নুরুল হুদার বিরুদ্ধে ১৮ লাখ টাকার মিথ্যা চেক জালিয়াতির মামলা দেন।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর আমরা মনিরুলের কাছে টাকা চাই। তবে মনিরুল টাকা না দিয়ে আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এবিষয়ে সদর থানায় একটি অভিযোগ করেছি। তবে থানা-পুলিশ এখনো পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি।

এদিকে খোজঁ নিয়ে জানা যায় মতিয়ার ছাড়াও মনিরুল প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হয়েছেন ওই এলাকার অনেকে। সরেজমিনে বাউখোলা এলাকায় গেলে স্থানীয়রা বলেন, মনিরুলের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হয়ে বাড়ি ছাড়তে হয়েছে ওই এলাকার সোহেলউদ্দীন সরদারের ছেলে নোমিছুর রহমানের। কারণ হিসেবে স্থানীয়রা বলেন, নোমিছুর রহমানসহ একই এলাকার শাহিদুল ইসলামের ছেলে মোস্তফা বিদেশ যাওয়ার জন্য আখড়াখোলা এলাকার আনছারুজ্জামানের ছেলে জামিলুজ্জামানের কাছে ১১ লাখ টাকা দেন। তবে নোমিছুর-মোস্তফাদের বিদেশ তুলতে ব্যর্থ হন জামিলুজ্জামান। ওই সময় বিদেশ যাওয়ার জন্য জামিলুজ্জামানের কাছে দেওয়া অর্থ ফেরত চাইলে অর্থ ফেরত দিতে টালবাহানা করতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে টাকা উদ্ধারে জেলা পরিষদ সদস্য মনিরুল ইসলামের দারস্থ হলে জামিলুজ্জামানকে টাকার জন্য আটকিয়ে রেখে মনিরুল তার নিজের নামে জামিলুজ্জামানের থেকে ১০ লাখ টাকার চেক (ইসলামী ব্যাংকের চেক নম্বর: ০৪৩৪৮০৮) গ্রহণ করেন। আর ওই চেককে ব্যবহার করে জামিলুজ্জামানের থেকে ১০ লাখ টাকা গ্রহণ করেন মনিরুল। একপর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলে নোমিছুর-মোস্তফারা মনিরুলের কাছে টাকা চাইলে মনিরুল টাকা না দিয়ে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রারি করতে থাকেন। আর এইসব বিষয় নিয়ে নোমিছুরের সঙ্গে তার পরিবারের বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় বাড়ি ছাড়তে হয় নোমিছুরের।

এ ব্যাপারে নোমিছুর রহমান বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে সুদ করে অর্থ নিয়ে বিদেশ যাওয়ার জন্য জামিলুজ্জামানের কাছে টাকা দেয়। তবে জামিলুজ্জামান আমাদের বিদেশ পাঠাতে ব্যর্থ হলে জামিলুজ্জামানের কাছে আমাদের পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে তৎকালীন জেলা পরিষদ সদস্য মনিরুল ইসলাম জামিলুজ্জামানের থেকে আমাদের টাকা আদায় করে সেটা আত্মসাত করেন। এদিকে যাদের কাছ থেকে সুদ করে টাকা নিয়েছিলাম তাদের লাভের টাকা দিতে না পারাই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আমার দূরত্ব সৃষ্টি হয়। এসময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মনিরুল ভালো মানুষের মুখোশ পরে তাকে কিন্তু এক নম্বরের দুর্নীতি ওর ভেতরে। শুধু ওর কারণে আমি বাড়ি ছাড়া। ওই টাকাগুলো আমার অনেক কষ্টের টাকা। ইহকালে না হলেও পরকালে মনিরুলকে আমার টাকা দেওয়া লাগবে। আমি কখনো ওরে মাফ করব না।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মনিরুলের ক্ষমতার কাছে আমরা নিরুপায়। সে তো মসজিদ-এতিমখানাকেও ছাড় দেয় না। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ পেতে হলে মনিরুলকে লাখে ২০ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়া লাগে। যেখানে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তার থেকে নিস্তার পাই না সেখানে সাধারণ মানুষেরা কীভাবে নিস্তার পাবে?

এব্যাপারে অভিযুক্ত জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মনিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার বক্তব্য জানতে চাইলে ব্যস্ত রয়েছেন জানিয়ে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। পরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স. ম. কাইয়ুম বলেন, এতদিন কোনো অভিযোগ ঝুলে থাকার কথা নয়। অভিযোগটির তদন্তকারী কর্মকর্তা কেন অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি সেটা খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এসএন

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত

নিহত শফিউল্লাহ মিয়া। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ট্রাক চাপায় শফিউল্লাহ মিয়া (৪৭) নামে এক আনসার সদস্য (কমান্ডার) সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলা হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শফিউল্লাহ মিয়া উপজেলার মৌলভীপাড়া গ্রামের মরহুম হাবিবুল্লাহ ওরফে মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কমান্ডার (পিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায, ঈদের ছুটিতে গত ২৮ মার্চ বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ছুটি শেষে শুক্রবার কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল শফিউল্লাহর। শুক্রবার ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন তিনি।

এ সময় দেলদুয়ার সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি ভেঙে শফিউল্লাহর মাথায় পড়ে। এরপর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শোয়েব আহমেদ বলেন, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন শফিউল্লাহ। শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পরে হাঁটতে বের হন। হাঁটার একপর্যায়ে হাসপাতালের সামনে এলে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান