শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধ্বংসের পথে রবীন্দ্রনাথের শিলাইদহ কাচারি বাড়ি

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিলাইদহে যে শুধুমাত্র সাহিত্য চর্চা করেছেন তা নয়। সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি মানব কল্যাণে দরিদ্র জনগণের সঙ্গে নিবিড় সেতুবন্ধন স্থাপন করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি মানব কল্যাণে স্থাপন করেছিলেন কাচারি বাড়ি ও দাতব্য চিকিৎসালয়।

রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার কুমারখালীর শিলাইদহে নির্মাণ করা কাচারি বাড়ি ও দাতব্য চিকিৎসালয়টি বর্তমানে পরিণত হয়েছে পরিত্যাক্ত স্থাপনায়। তার সেই স্মৃতি বিজড়িত বাড়িতেই এখন গোবর শুকাচ্ছেন স্থানীয়রা। অযত্ন আর অবহেলায় ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে বিশ্ব কবির স্মৃতি বহনকারী ঐতিহাসিক এই কাচারি বাড়িটি। ইতিমধ্যে কাচারি বাড়িটির বিভিন্ন আসবাবপত্রসহ দরজা ও জানালা চুরি হয়ে গেছে।

শিলাইদহের এই কাচারি বাড়িতে বসেই রবীন্দ্রনাথ তার পৈতৃক জমিদারির খাজনা আদায় করতেন। তার সেই স্মৃতি বিজড়িত কাচারি বাড়িটিকে স্থানীয়রা এখন গোবরের ভাগারে পরিণত করেছেন। এমন অবস্থায় কুঠিবাড়িটির মতো বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত এই দুটো স্থাপনা সংরক্ষণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে কবিগুরুর ভক্ত ও অনুরাগীরা।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত কুঠিবাড়িটি বেশ আগে থেকেই পুরো বাংলাদেশেসহ বিশ্বব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি লাভ করলেও কুঠিবাড়ির মাত্র ৫০০ মিটার দূরে অবস্থিত কাচারি বাড়ি ও দাতব্য চিকিৎসালয়টির খোঁজ কেউ রাখে না।

এই কাচারি বাড়িটি অনেকটা মানুষের চোখের আড়ালেই রয়ে গেছে। ১৮৯১ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত প্রায় ১০ বছর এই বাড়িতে বসেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারির খাজনা আদায় করেতেন। তৎকালীন পূর্ববঙ্গের (বর্তমান বাংলাদেশ) শিলাইদহ ছিল রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের জমিদারির মূলকেন্দ্র। কালের বিবর্তনে সেই জমিদারি আর এখন নেই, নেই খাজনা দেওয়ার লোকজনও।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিলাইদহের কাচারি বাড়িটি বাঙালি জাতির জন্য একটি অমূল্য সম্পদ। কিন্তু অবহেলায় আর অযত্নে এ বাড়িটি দিনে দিনে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। অথচ ঠিকমতো সংস্কার ও সংরক্ষণ করা হলে এই কাচারি বাড়িটিও পর্যটনদের কাছে আরও একটি দর্শনীয় স্থানে পরিণত হতো। ফলে কাচারি বাড়িটি হয়ে উঠত সরকারের রাজস্ব আয়ের একটি নতুন উৎস হিসেবে। কয়েক বছর আগেও এই বাড়িতে শিলাইদহ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কার্যক্রম পরিচালিত হতো। শিলাইদহ ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের ফলে বর্তমানে ইউনিয়ন ভূমি অফিস সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ কারণে কাচারি বাড়িটি এখন পরিত্যক্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে।
বর্তমানে কাচারি বাড়িটি স্থানীয় লোকজনের গোবরের, লাকড়ি শোকানোর আদর্শ স্থান ও মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। বাড়ির সামনের ফাঁকা জায়গা পরিণত হয়েছে গরু, ছাগলের চারণভূমিতে। দাতব্য চিকিৎসালয়ের ভাঙা চারটি কক্ষের মধ্যে দুটি কক্ষের ছাদ সংস্কার করা হলেও কাচারি বাড়িটির এখনো কিছুই করা হয়নি। এর ফলে কাচারি বাড়ির পলেস্তারা, বারান্দাসহ কয়েকটি কক্ষের ছাদের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে, কিছু কিছু জায়গার ইট খসে পড়েছে, দেয়ালের গায়ে জন্মেছে বট, পাকর গাছ, আগাছায় ছেয়ে গেছে চারপাশ। বিশ্ব কবির কাচারি বাড়িটিতে পাঁচ একর জমি রয়েছে, যা ইতিমধ্যে অনেক প্রভাবশালীরা দখল করে নিয়েছেন।

এদিকে বিশ্বকবির কাচারি বাড়ি ও দাতব্য চিকিৎসালয়টিতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে নোটিশ টাঙিয়ে রাখলেও কেউ মানছে না নোটিশে আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা।

সাহিত্যের পাশাপাশি মানব কল্যাণে দরিদ্র জনগণের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন সে বিষয়টি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জানাতে হলে রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত নিদর্শনগুলোকে টিকিয়ে রাখা খুবই জরুরি বলে মনে করেন রবিন্দ্র ভক্ত ও অনুরাগীরা।

কবি ও নাট্যকার লিটন আব্বাস বলেন, রবিন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত কাচারি বাড়ি ও দাতব্য চিকি’ৎসালয়টি ঐতিহ্য । এসব স্থাপনার সংরক্ষণ করা উচিত এসবের অর্থনৈতিক মূল্য না থাকলেও এর ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে। কাজেই এসব স্থাপনা আবার পূর্বের রূপে ফিরিয়ে দেওয়া গেলে যেমন পর্যটন শিল্পের প্রসার ঘটবে তেমনি এ দেশীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে দেশ-বিদেশের মানুষ জানতে পারবে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগের ডিন ও রবীন্দ্র গবেষক অধ্যাপক ড. সরোওয়ার মুর্শেদ বলেন, রবীন্দ্রনাথ আমাদের আবেগের জায়গা। রবীন্দ্রনাথের শিলাইদহ কাচারি বাড়ি ও মহৌষি দাতব্য চিকিৎসালয়টিকে শুনেছি পুরাকীর্তি বিভাগ অধিগ্রহণ করেছে। অতি দুঃখের বিষয় পুরাকীর্তি হিসেবে এগুলো যে নিয়েছে তার প্রতিফলন কিন্তু আমরা দেখছি না। আমরা চাই রবীন্দ্রনাথের অমূল্য যে স্মৃতি সেগুলো বাঙালি জাতির জন্য, বাঙালি পর্যটকদের জন্য, বিদেশি পর্যটকদের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এটাকে আকর্ষনীয় করে গড়ে তুলবেন বলে আমরা আশা রাখি।

এ বিষয়ে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিতান কুমার মন্ডল বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত কাচারি বাড়িটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। এই বাড়ির সংস্কার করে ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা খুবই জরুরি। রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত এই কাচারি বাড়িটি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। খুব দ্রুতই কাচারি বাড়িটি সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ শুরু করা হবে।

এ ব্যাপারে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক আপরোজা খান মিতা জানান, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কাচারি বাড়ি ও দাতব্য চিকিৎসালয় সংরক্ষণে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কাজ করছে। কাচারি বাড়িটির মূল ভবনের কয়েকটি কক্ষ ও বারান্দার ছাদ ভেঙে গেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের বরাদ্দ দিয়ে ভেঙে যাওয়া ওই ছাদ সংস্কার করাসহ অন্যান্য কাজ করা হবে। পর্যায়ক্রমে পুরো ভবনটাই আগের রূপে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরকে সুধুমাত্র কাচারি বাড়ির বিল্ডিং ও দাতব্য চিকিৎসালয়ের বিল্ডিং দেওয়া হয়েছে। আমরা পাশের আর কিছু খাস জমি চেয়েছি, যাতে করে এসব স্থাপনাগুলোর চারপাশে প্রাচীর দিয়ে রক্ষা করতে পারি। আমরা ইতিমধ্যে দাতব্য চিকিৎসালয়ের বেশ কিছু কাজ করেছি। খুব শিগগিরই বিশ্বকবির স্মৃতি বিজড়িত কাচারি বাড়িটিকেও আমরা আগের রূপে দেখতে পারব।

এসআইএইচ

 

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো