বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

খুলনার ময়ূর নদী জীবিত থেকেও যেন ‘মৃত’

খুলনা নগরীর প্রবেশদ্বার গল্লামারি ব্রিজের বুক চিরে অবস্থিত ময়ূর নদী জীবিত থেকেও যেন মৃত। এখন পুরো নদী জুড়েই আবর্জনা আর কচুরিপানার রাজত্ব। দেখলে মনে হবে এটি কোনো নদী নয়, যেন কচুরিপানার সবুজ গালিচা। এ নদীতে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে বর্জ্য। ফলে দূষিত হয়ে যেন নিশ্বাস নিতে না পেরে ময়ূর যেন বোবা কান্না করছে। কিন্তু শোনার কেউ নেই।

এমনকি গল্লামারি সেতু ঘিরেও নদীটি মেরে ফেলার সকল আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। বাজারের যত বর্জ্য সবই ফেলা হচ্ছে এখানে। হচ্ছে দখলও। ফলে একদিকে দখল অপরদিকে দূষণের দুর্গন্ধ মিশতে থাকে বাতাসে।

জানা গেছে, খুলনা মহানগরের পশ্চিম পাশ দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত ময়ূর নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ কিলোমিটার। আগে রূপসা নদীর সঙ্গে ময়ূরের সরাসরি সংযোগ ছিল। এখন সুইস গেটের মাধ্যমে জোয়ার-ভাটা নিয়ন্ত্রিত হয়। সুইস গেট বেশির ভাগ সময় বন্ধ থাকে। ফলে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এক সময়ের স্রোতস্বিনী নদীটি এখন শ্রী ও গতি হারিয়েছে। প্রাণ যায় যায় অবস্থা।

সরেজমিনে দেখা যায়, গল্লামারী এলাকায় পাশাপাশি দুটি সেতুর নিচে রাশি রাশি বর্জ্য। দুর্গন্ধে দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। গল্লামারী বাজারের ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে স্থানটি। পাড়ে জন্মানো আগাছা একেবারে মাঝ নদীতে চলে গেছে। নর্দমা- আবর্জনার পানি এসে পড়ছে নদীতে।

পরিবেশ-সংশ্লিষ্টদের মতে, ময়ূরের মৃত্যু ঘণ্টা বাজানোর বড় একটি কারণ নগরের নালা-নর্দমা। নগরের গুরুত্বপূর্ণ ২০টির বেশি নালার মুখ ময়ূর নদীর সঙ্গে যুক্ত। এসব নালা-নর্দমার ময়লা-আবর্জনা বিষাক্ত করে তুলছে নদীর পানিকে। অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পরিবেশ বিষয়ে অসচেতনতা, অপর্যাপ্ত পানি প্রবাহসহ নানা কারণে ঐতিহ্যবাহী ময়ূর নদীটি এখন ব্যাপকভাবে দূষিত হচ্ছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য মতে, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে ময়ূর নদী থেকে পরিবেশ অধিদপ্তরের সংগ্রহ করা নমুনার জরিপ থেকে দেখা যায় যে নদীর পানিতে বিশুদ্ধতার মানদণ্ড আদর্শ সীমা থেকে বহু গুণে তারতম্য রয়েছে। বর্তমানে এ নদীর পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা রয়েছে প্রতি লিটারে দশমিক ২ থেকে দশমিক ৬ মিলিগ্রাম। যদিও ডিও’র আদর্শ মাত্রা প্রতি লিটার পানিতে ৫ মিলিগ্রামের বেশি হওয়া উচিত।

এ প্রসঙ্গে খুলনার পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের আহ্বায়ক এড. কুদরত ই খুদা বলনে, ময়ূর এখন বদ্ধ নদ। এই নদীটি দখল- দূষণের দাপট ও প্রবাহ না থাকায় শুকিয়ে মরতে বসেছে। এর কারণ হচ্ছে- নদীর উপর অপরিকল্পিত বাঁধ, ব্রিজ ও কালভার্ট তৈরি করা, সংযোগ খালগুলো দখল করে এই নদী থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা এবং খালগুলোর শ্রেণী পরিবর্তন করে প্রকল্পে ব্যবহার করা, উজানের সঙ্গে সংযোগবিহীন/প্রবাহ বিচ্ছিন্ন হওয়া প্রভৃতি।

তিনি আরও বলনে, একাধিকবার এ নদীর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হয়েছে। কিন্তু আবারও সব কিছু দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা, নদীতে প্রবাহ সৃষ্টি করা যাচ্ছে না। প্রবাহ না থাকলে নদ-নদী টিকে থাকে না। শোনা যাচ্ছে, এই নদীটি খনন করা হবে কিন্তু কবে, কোথায়, কিভাবে বা কোন কর্তৃপক্ষ এই খনন কাজ বাস্তবায়ন ও তদারকি করবে তা অস্পষ্ট।

ময়ূর নদ বাঁচাও আন্দোলনের নেতা ও বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ জামান বলেন, নদীটি এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। আগের বার খনন কোনো কাজে আসেনি। নদীটি নামকাওয়াস্তে খনন করা হয়েছিল। ভালো করে খনন দরকার। তবেই সুফল মিলবে।

এ বিষয়ে কেসিসি’র প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার বলেন, নদীটি খনন করা হচ্ছে। এ ছাড়া দুই পাড় বাঁধাই করে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা, মাঝে মধ্যে দুই পাড়ের সংযোগ সেতু করা, বিনোদনের জন্য নৌকা চালানোর ব্যবস্থা রাখা, পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে বেশির ভাগ প্রকল্পের কাজ হয়ে যাবে।

এ ব্যাপারে খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ময়ূর নদীর খনন কাজ দ্রুত শুরু হবে। এ ছাড়া জোয়ারের সময় দ্রুত পানি নিস্কাশনের সুবিধার্থে শহরতলীর আলুতলা দশভেন্ট গেটে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী