মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০২৪ | ১৪ কার্তিক ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

তাহেরীর গাড়িতে হামলা !

ছবি: সংগৃহীত

দেশের আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব–তাহেরীর গাড়িতে হামলা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের টিএ রোডে এ হামলা হয়।

ভারতে মহানবী মোহাম্মদকে (সা.) নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন আয়োজনের প্রেক্ষিতে শহরে এসেছিলেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত্ব–তাহেরী। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজক ছিল জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের নেতারা কর্মসূচিটি বাতিল ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত্ব–তাহেরীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে প্রবেশের বিরোধীতা করে ‘সম্মিলিত কাওমি প্রজন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়া’ নামের একটি সংগঠন জেলা প্রেসক্লাবের সামনে পাল্টা অবস্থান কর্মসূচি দিয়েছিল।

জানা যায়, আজ দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের টিএ রোডের ফকিরাপুল ব্রিজের ওপর সঙ্গীয় লোকজনকে নিয়ে গাড়িতে ওঠে মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত্ব–তাহেরী। সেখান থেকে কাউতলী এলাকায় যাওয়ার পথে টি এ রোডে উপস্থিত একদল মাদ্রাসা ছাত্র চারদিক থেকে ঘেরাও করে তাঁর গাড়িতে হামলা চালায়। ছাত্ররা মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত্ব–তাহেরীর গাড়িটি ভাঙচুর করে। তারা গাড়ি থেকে গিয়াস উদ্দিন আত্ব–তাহেরীকে বের করার চেষ্টা করে। তবে দ্রুত গাড়ি নিয়ে ওই স্থান ত্যাগ করেন মাওলানা তাহেরী ও তাঁর সঙ্গীরা।

এ ব্যাপারে গিয়াস উদ্দিন আত্ব–তাহেরী বলেন, ‘বেলা আড়াইটার দিকে ফকিরাপুল (ঘোড়াপট্টিসেতু) থেকে কাউতলী যাওয়ার পথে টি এ রোডের জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার বরাবর পৌঁছলে মাদ্রাসাছাত্ররা গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করে। গাড়ির ভাঙা কাঁচের কণা আমাদের গায়ে পড়ে। তারা আমাদের কোনো কথা শুনতে চায়নি। বিষয়টি সদর থানা পুলিশকে জানিয়েছি। আমি দ্রুতই অভিযোগ করব।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সম্মিলিত কাওমি প্রজন্মের সমন্বয়ক কাজী সাইফুর রহমান মুন্না বলেন, ‘প্রশাসন অনুমতি না দেওয়ার পরও তারা এসেছিলে। মাদ্রাসার ছাত্র ও তৌহিদী জনতা বলতে চেয়েছিলে– আপনারা চলে গেলে ভালো হয়। এ নিয়ে ফকিরাপুলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।’

মাদ্রাসা ছাত্রদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন কাজী সাইফুর রহমান মুন্না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘টিএ রোড দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর (মাওলানা গিয়াস উদ্দিন আত্ব–তাহেরী) গাড়িতে ঢিল মারা হয়। গাড়ির সামনে ও সাইডে ঢিল পড়ে। তাঁর একটি প্রোগ্রাম ছিল। এ বিষয়ে গোয়েন্দা রিপোর্ট ছিল– প্রোগ্রাম করতে এলে ঝামেলা হতে পারে। আমরা বলেছিলাম ডিসি সাহেবের অনুমতি ছাড়া যাতে প্রোগ্রাম না করে। তাহেরী সাহেব আমাকে ফোন করে গাড়িতে হামলার অভিযোগ জানিয়েছেন। বলেছি লিখিত দিলে ব্যবস্থা নেব।’

প্রসঙ্গত, দেশের আলোচিত ইসলামী বক্তা মাওলানা গিয়াস উদ্দিন আত্ব–তাহেরী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের চাপুইর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ফয়েজিয়া দরবার শরিফের পীর এবং দাওয়াতে ঈমানি বাংলাদেশ নামের একটি ইসলামী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। ওয়াজ মাহফিলের জনপ্রিয় বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত্ব–তাহেরী ওয়াজ মাহফিলে কৌতুক করা ও গান গাওয়ার কারণে একাংশের কাছে সমালোচিতও। তিনি গত কয়েক বছরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে দেশ–বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন। অধুনা দেশের মূল ধারার গণমাধ্যমেও তাঁর পদচারণা বেড়েছে।

Header Ad

নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে পোশাক কারখানা খুলবেন না মালিকরা

ছবি: সংগৃহীত

নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে পোশাক কারখানা খুলবেন না বলে জানিয়েছেন রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানার মালিকরা। তারা নিজেদের ও কর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন

দাবি পূরণ করার পরও শ্রমিকরা কারখানায় ঢুকে মারধর ও ভাঙচুর চালানোর পরিপ্রেক্ষিতে এসব জানান তারা। স্থানীয় উসকানিদাতা দুর্বৃত্তদের হাত থেকে কারখানাগুলো বাঁচাতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে কারখানা খোলা হবে না।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিজিএমইএ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাভার ও আশুলিয়া অঞ্চলের কারখানা মালিকরা এ দাবি জানান। বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল্লাহিল রাকিব সরকারের কাছে বার্তা পাঠানোর আশ্বাস দেন।

সভায় ফ্যাশন ডটকম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খান মনিরুল আলম (শুভ) বলেন, ‘অতীতে নিরাপদ কর্মক্ষেত্রের দাবিটা শ্রমিকদের জন্য। এখন নিরাপদ কর্মস্থল শুধু শ্রমিক নয়, এটা মালিক ও কর্মীদের জন্য। শ্রমিকরা মারমুখী। কর্মকর্তারা কাজ করতে চান না নিরাপত্তার কারণে।’

‘সমষ্টিগত অস্থিরতা ও কর্মচারীদের ওপর হামলার পেছনে অপরাধীদের চিহ্নিত করুন। কেন তারা এমন করছে তা প্রকাশ করা উচিত। হামলার মতো ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ বন্ধ করতে দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য ব্যবস্থা নিতে হবে।’ এ দাবি জানান মনিরুল।

তিনি বলেন, ‘শ্রমিকরা অন্য কারখানায় হামলা চালাচ্ছে, যেখানে কোনো অশান্তি নেই। কোনো কারণ ছাড়াই তারা শ্রমিকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, ভাঙচুর করছে। তারা অন্য কারখানার শ্রমিকদের কাজে যোগ দিতে বাধা দিতে পারে না।’

লুসাকা গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান দাবি করেন, ‘হঠাৎ করে মানবসম্পদ প্রশাসক প্রধানের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। মানবসম্পদ বিভাগের প্রধানকে মারধরকারী কয়েকজন শ্রমিকের বিরুদ্ধে মামলা হলেও তাদের দাবির মুখে তা প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু শ্রমিকরা তাদের বিক্ষোভ থামায়নি, বরং কাজ থেকে বিরত থাকছে।’

‘তারা কর্মকর্তাদের একটি তালিকা রাখে এবং তাদের বরখাস্ত করতে বলে। তবে আমি তাদের নিশ্চিত করেছিলাম যে তারা যদি অসদাচরণের সঙ্গে জড়িত থাকে আমি ব্যবস্থা নেবো। তবে তারা তাদের দাবিতে অটল। ওই কর্মকর্তাদের বরখাস্ত না করা পর্যন্ত তারা কাজে যোগ দেবে না।’ বলেন তিনি।

বিজিএমইএ পরিচালক ও এনভয় ডিজাইন লিমিটেডের পরিচালক ব্যারিস্টার শেহরিন সালাম ঐশী বলেন, ‘শ্রমিক অসন্তোষের শুরু থেকেই কোনো দাবি না থাকলেও হঠাৎ করে ১৮ দফা দাবি পেশ করা হয়। কারখানার উৎপাদন অন্তত ২০ দিনের জন্য বন্ধ ছিল।’

ঐশী বলেন, ‘৯ অক্টোবর শ্রমিকরা জেনারেল ম্যানেজার ও অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে আক্রমণ করে, যাদের মধ্যে একজন মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত পান এবং অন্যজনকে ২১টি সেলাই দিতে হয়েছে।’

‘যখন কেউ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে এবং শাস্তিহীন হয়ে যায়, তার মানে আমরা তা করতে দিচ্ছি। আমরা কারখানা চালাতে চাই। সরকারের কাছে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চাই। এটা নিশ্চিত না হলে আমরা আর কারখানা চালাতে পারবো না।’ বলেন ঐশী।

একদল লোক এআর জিন্স কারখানায় আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে এবং তারা কারখানা চত্বরে ভাঙচুর চালায়। এআর জিন্সের মালিক রাকিবুল কবির বলেন, ‘একটি অজ্ঞাতপরিচয় দল আমার কারখানার সামনে এসে কারখানায় আগুন লাগানোর চেষ্টা করে। আতঙ্কিত হয়ে আমি বিজিএমইএ নেতাদের ফোন করি এবং তারা সেনাবাহিনীকে খবর দেন। তারা আড়াই ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।’

তিনি বলেন, ‘আমার কারখানাটি একটি কমপ্ল্যান্ট এবং প্রত্যয়িত সবুজ লিড প্লাটিনাম কারখানা। বেতন পরিশোধে কোনো বকেয়া বা বিলম্ব নেই। এমনকি আমি আইন অনুযায়ী সময়সীমার আগে অর্থ দেই। সরকার নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে আমি কারখানা চালাবো না।’

বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল্লাহিল রাকিব বলেন, ‘কিছু বহিরাগত কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। নিরাপত্তার দাবি কারখানা মালিকদের অধিকার। এটি যে কোনো মূল্যে নিশ্চিত করা উচিত যদি কারখানার মালিকরা তাদের কর্মচারীর নিরাপত্তা নিয়ে ভয় পান। কারখানাটি বন্ধ করে দিলে অর্থনীতি ও শ্রমিকদের জন্য ভালো হবে না।’

তিনি অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় যথাযথ ব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি কামনা করেন।

এবার বিমান ও নৌ বাহিনীও পেল ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা

ছবি: সংগৃহীত

শুধু সেনাবাহিনী নয়, এবার বিমান ও নৌ বাহিনীর কর্মকর্তাদেরও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়েছে সরকার।

রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের (প্রেষণ-২ শাখা) সিনিয়র সহকারী সচিব জেতি প্রুর সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে সশস্ত্র বাহিনীর (সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদূর্ধ্ব সমমর্যাদার) কর্মকর্তাদের রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

এই প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, ফৌজদারি দণ্ডবিধি ১৮৯৮-এর ১২(১) ও ১৭ ধারা অনুযায়ী সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ফৌজদারি দণ্ডবিধি ১৮৯৮-এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ এবং ১৪২ ধারা অনুযায়ী সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

এছাড়া, প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকে পরবর্তী ৬০ দিন পর্যন্ত তারা এ ক্ষমতা পাবেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

 

প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ না পেয়ে

যমুনায় নাহিদ-আসিফের সঙ্গে বৈঠক করলেন ৩৫ প্রত্যাশীরা

ছবি: সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনা থেকে বের হয়েছেন সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলনরতদের প্রতিনিধি দলটি।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে প্রতিনিধি দলটির সদস্যরা যমুনা থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় তারা জানান, জাতিসংঘ অধিবেশন থেকে ফেরায় ভ্রমণজনিত ক্লান্তি থাকায় প্রধান উপদেষ্টা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসনেনি। তার প্রতিনিধি হিসেবে অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার জনপ্রশাসন সংস্কার বিষয়ক কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসবে চাকরিপ্রত্যাশীদের প্রতিনিধি দল। সেই পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করে উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।

যমুনায় বৈঠকের সুযোগ করে দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।


এর আগে বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটের দিকে তারা যমুনায় প্রবেশ করে প্রতিনিধি দলটি।

এদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর হেয়ার রোডে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা জানান, তারা প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ চান। প্রধান উপদেষ্টা ছাড়া কারও সঙ্গে তারা আলোচনা করতে চান না। সাক্ষাৎ না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। এ সময় তারা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষা চেয়ে এক ঘণ্টার আল্টিমেটামও দেন। এরপর প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার অনুমতি পান আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধি দল।

এদিকে, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবিতে যে আন্দোলন চলছে, সে বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। জনপ্রশাসন সংষ্কার কমিশনের প্রধান ও সাবেক সচিব আব্দুল মূয়ীদ চৌধুরীকে এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব। কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে সুপারিশ সম্বলিত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান।

তিনি বলেন, “কমিটিতে যে কয়জন সদস্য নেওয়ার তা নেবেন, সেই এখতিয়ার কমিটির আহ্বায়ককে দেওয়া হয়েছে।”

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন একদল চাকরিপ্রত্যাশী। ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর কয়েক দফায় কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।

সোমবার সকালে শাহবাগে সমাবেশ করে মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে পৌঁছানোর পর তাদের ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয় পুলিশ। তখন সেখানে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।

তবে তারপরও আন্দোলনকারী সেখানে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। আন্দোলনের ফলে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল মোড় থেকে কাকরাইল মসজিদ পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলনকারীদের দুই পাশে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।

চাকরিপ্রত্যাশীদের এ আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও পড়াশোনা সম্পন্ন করা বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ। তাদের সঙ্গে দেখা গেছে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনকে।

এর আগে, গত ২৬ আগস্ট এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সচিবালয় ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের আশপাশ সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

সর্বশেষ সংবাদ

তাহেরীর গাড়িতে হামলা !
নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে পোশাক কারখানা খুলবেন না মালিকরা
এবার বিমান ও নৌ বাহিনীও পেল ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা
যমুনায় নাহিদ-আসিফের সঙ্গে বৈঠক করলেন ৩৫ প্রত্যাশীরা
ক্লাবের মালিকানা লিখে নেওয়ার অভিযোগে মাশরাফির বিরুদ্ধে মামলা
বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা
যমুনায় প্রবেশ করেছে ৩৫ প্রত্যাশী প্রতিনিধিদল
২০ হাজার বাংলাদেশির ভিসা আবেদন বাতিল করলো ভারত
চট্টগ্রামে তেলবাহী জাহাজে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২
‘সাকিব অসাধারণ, বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের বড় দূত’- তামিম
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণে কমিটি গঠন, ৭ দিনের মধ্যে সুপারিশ
একযোগে গাইবান্ধার সব থানার ওসিকে বদলি
পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান হলো নতুন চাঁদ, থাকবে দুই মাস
ডিসি পদ নিয়ে হট্টগোলের ঘটনায় শাস্তি পাচ্ছেন ১৭ উপসচিব
সাবেক এমপি জান্নাত আরা হেনরি স্বামীসহ গ্রেফতার
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান
কুষ্টিয়ায় কার্যালয়ে ঢুকে ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা
নওগাঁয় বৃদ্ধি পাচ্ছে ছোট যমুনা এবং আত্রাই নদীর পানি
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত থেকে সরানো হলো র‌্যাবকে
'দাদাসাহেব ফালকে' পুরস্কার পাচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তী