সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫ | ৮ বৈশাখ ১৪৩২
Dhaka Prokash

রাঙ্গুনিয়ায় প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করে চলছে অবৈধ ইটভাটা

ইটভাটার নগরীতে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা। এ উপজেলায় গড়ে উঠেছে প্রায় শতাধিক অবৈধ ইটভাটা। যার নেই কোনো বৈধ কাগজপত্র। জেলা ও উপজেলা, বন বিভাগ, থানা, পুলিশ ফাঁড়ি, রেঞ্জ, বনবিট অফিস, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাসহ বিভিন্ন দপ্তরকে ম্যানেজ করে এসব ইটভাটা পরিচালিত হচ্ছে বলে জানান উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের আবদুল মোতালিব নামে এক ইটভাটার মালিক।

চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ইটভাটা আছে ৬৯টি। এর মধ্যে ৬৬টি ইটভাটা অবৈধ। আবার যেসব ইটভাটা বৈধ হিসেবে অনুমোদন পেয়েছে সেগুলোতেও আছে নানা শুভংকরের ফাঁকি।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার ১৫ ইউনিয়নের মধ্যে ১২ ইউনিয়নজুড়েই রয়েছে শতাধিক ইটভাটা। কেবলমাত্র ইসলামপুর, দক্ষিণ রাজানগর এবং ১নং রাজানগর তিন ইউনিয়নেই রয়েছে প্রায় সত্তরোর্ধ্ব ইটাভাটা। অন্যান্য ইউনিয়নসহ এখানে প্রায় ১৩০টির মতো ইটভাটা রয়েছে, যার অধিকাংশ ভাটার নেই কোনো বৈধ কাগজপত্র। আবার এসব ইটভাটার বেশিরভাগ গড়ে উঠেছে পাহাড়ের পাদদেশে ও ফসলি জমিতে। এসব ভাটায় সংরক্ষিত ও অশ্রেণিভুক্ত বন থেকে শতকোটি টাকার কাঠ কেটে পুড়ানো হচ্ছে জ্বালানি হিসেবে। একই সঙ্গে ইট তৈরির কাজে ব্যবহারের জন্য যত্রতত্রভাবে মাটি কাটায় বিরানভূমিতে পরিণত হচ্ছে রাঙ্গুনিয়ার সংরক্ষিত বন ও পাহাড়। অনেক ইটভাটা রয়েছে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে। এ ছাড়া কর্ণফুলী নদীর পাড় ঘেঁষেও অনেক ইটভাটা গড়ে উঠেছে। ফলে প্রাকৃতিক বনজ সম্পদ ধ্বংসের পাশাপাশি ক্রমশ ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশের।

উপজেলার বিভিন্ন ভাটা ঘুরে দেখা গেছে, শতাধিক ইটভাটায় ইট পোড়ানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রায় সব ইটভাটায় কয়লার পরিবর্তে অবৈধ জ্বালানি কাঠের ব্যবহার চলছে অবাধে। প্রত্যেক ভাটায় মজুদ রাখা আছে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি কাঠ। আর এসব জ্বালানি কাঠের যোগানকে কেন্দ্র করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে পাচারকারীরা। সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং সামাজিক বনায়নের বাগান উজাড় করে তৈরি করা হচ্ছে জ্বালানি কাঠ। অসাধু বন কর্মকর্তদের যোগসাজশে বিভিন্নস্থানে ডিপোতে মজুদ করে সেখান থেকে কাঠ যাচ্ছে ইটের ভাটায়। বিশেষ করে কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী রেঞ্জের আড়াছড়ি, চিৎমরম, রামপাহাড়, সীতাপাহাড় এবং কাপ্তাই পাল্পউড বন বিভাগের রাজস্থলী, বান্দরবান, বনাঞ্চলের বাগানের বৃক্ষ জ্বালানি কাঠ করে সরফভাটার মিরেরখীল, ভুমিরখীল, রাইখালী, কোদালা, পুর্ব কোদালা, শিলক থেকে কাঠ এসে কর্ণফুলী নদীর তীরে এবং চন্দ্রঘোনা দেওয়ানজীরহাট খেয়াঘাটের কাছে প্রকাশ্যে মজুদ করে গড়ে তোলা হয়েছে চোরাই জ্বালানি কাঠের বড় বড় ডিপো। এই ডিপোগুলো থেকে চাঁদের গাড়িযোগে চোরাই জ্বালানি কাঠ পাচার করা হচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায়। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা এসব ভাটার কালো বিষাক্ত ধোয়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ। এমনকি এসব ইটভাটার কারণে অনেকে বসতবাড়ি ছেড়ে অন্যত্রে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।

সম্প্রতি হাইকোর্ট থেকে দেওয়া এক নির্দেশনায় বলা হয়, গত ১৩ নভেম্বর দেশের সব জেলার অবৈধ ইটভাটা ৭ দিনের মধ্যে বন্ধ করতে হবে। এমন নির্দেশনা পেয়েও পর্যাপ্ত জনবল এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকার অজুহাতে ইটভাটা বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা যাচ্ছে না বলে দাবি পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তাদের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইটভাটার এক মালিক বলেন, ‘প্রশাসন, বন বিভাগ, পুলিশ ফাঁড়ি, বিট অফিস, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের নেতাসহ সব দপ্তরে ক্যাটাগরিনুযায়ী স্তরে স্তরে ম্যানেজ করে ইটভাটা পরিচালনা করছি। পত্রিকায় এসব নিয়ে লেখালেখি করলে প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কিছু জরিমানা আদায় করবে। এ ছাড়া কোনো ইটভাটা বন্ধ করে দেওয়ার নজির নেই।’

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতাউল গণি ওসমানী জানান, ইটভাটার সংখ্যা ও সঠিক তথ্য তার অফিসে নেই। ইটভাটার অনুমতি ও ছাড়পত্র দেওয়া জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের এখতিয়ার। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত আছে।’

চট্টগ্রাম জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো.মুফিদুল আলম বলেন, ‘অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। তবে জনবল সংকটের কারণে যতটুকু অভিযান পরিচালনার প্রয়োজন ততটুকু করা হচ্ছে না।’

এসজি

Header Ad
Header Ad

গ্রীষ্মে স্বাভাবিক থাকবে বিদ্যুৎ সরবরাহ: বিপিডিবি চেয়ারম্যান

ছবি: সংগৃহীত

চলতি গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রেজাউল করিম। তিনি জানান, বিদ্যমান সব বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখতে কাজ করে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ, যাতে গ্রীষ্মকালে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করা যায়।

বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বর্তমানে গড়ে দৈনিক ১৪,০০০ থেকে ১৪,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যেখানে গড় চাহিদা প্রায় ১৫,০০০ মেগাওয়াট। গ্রীষ্মে এই চাহিদা সর্বোচ্চ ১৭,৮০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭,২৬০ মেগাওয়াট।

গত শনিবার দেশে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ছিল ১১,৯৭১ মেগাওয়াট, যার বিপরীতে চাহিদা ছিল ১৪,৪৫১ মেগাওয়াট। রবিবার কর্মদিবস হওয়ায় চাহিদা আরও বেড়ে যায়। যদিও গ্রীষ্মে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াট ঘাটতির আশঙ্কা রয়েছে, বিপিডিবি মনে করে এই ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

চেয়ারম্যান জানান, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পেছনে কারিগরি ত্রুটি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ (যেমন ঝড় বা বৃষ্টিপাত) একটি বড় কারণ। এছাড়া গ্যাসের চাহিদা পূরণে সরকার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম প্রধান জ্বালানি। ইতোমধ্যে স্পট মার্কেট থেকে দুটি কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার। এর আগে মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কোম্পানি থেকেও এলএনজি আনা হয়েছে।

বিদ্যুৎ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, লোডশেডিং কমাতে সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি অফিস, ব্যাংক, বাসাবাড়ি ও মসজিদে এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে না নামানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এভাবে প্রতিদিন ২,০০০ থেকে ৩,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।

সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের নানা উদ্যোগের কারণে চলতি গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: বাসস

Header Ad
Header Ad

পরমাণু কর্মসূচি থেকে না সরার ঘোষণা ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি থেকে একচুলও সরছে না বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইরানের আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার ইরানের জন্য একটি ‘লাল রেখা’। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পরোক্ষ আলোচনাতেও এই অবস্থান থেকে কোনোভাবেই সরে আসা হবে না।

রবিবার ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি কমিশনের এক বৈঠকে এই মন্তব্য করেন ঘারিবাবাদি। বৈঠকে তিনি ইতালির রোমে তেহরান-ওয়াশিংটনের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনা সম্পর্কে আইনপ্রণেতাদের বিস্তারিত অবহিত করেন।

কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই জানিয়েছেন, ঘারিবাবাদি আলোচনার মূল বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন। বৈঠকে তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না এবং দেশটির পরমাণু কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

ঘারিবাবাদি আরও বলেন, আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল ইরানের ওপর আরোপিত বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা—বিশেষ করে মার্কিন কংগ্রেসের আইন এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ। ইরান চায়, এসব নিষেধাজ্ঞা যেন সম্পূর্ণরূপে এবং কার্যকরভাবে প্রত্যাহার করা হয়। শুধুমাত্র প্রতীকীভাবে নয়, বরং ইরানি জনগণের জন্য বাস্তব অর্থনৈতিক সুফল নিশ্চিত করতে হবে।

সূত্র: প্রেস টিভি

Header Ad
Header Ad

পর্যটকদের ভ্যাটের অর্থ ফেরত দেবে সৌদি সরকার

ছবি: সংগৃহীত

পর্যটকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব সরকার। এখন থেকে সৌদিতে অবস্থানকালে পণ্য ও সেবার উপর পরিশোধিত ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) দেশে ফেরার সময় ফেরত পাবেন পর্যটকরা। সংশ্লিষ্ট ভ্যাট বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে এই নিয়ম গত ১৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনুমোদিত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যটকদের জন্য প্রদত্ত উপযুক্ত পণ্য ও সেবার উপর শূন্য শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করবে এবং সৌদি আরব ত্যাগের সময় পরিশোধিত ভ্যাটের অর্থ ফেরত দেবে। এতে পর্যটকদের ভ্রমণ ব্যয় হ্রাস পাবে এবং সৌদির পর্যটন খাত আরও চাঙা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের জাকাত, ট্যাক্স ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ (জেডএটিসিএ) জানিয়েছে, কর ফেরতের পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য এক বা একাধিক অনুমোদিত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। এসব প্রতিষ্ঠান পর্যটকদের পক্ষে কর ফেরতের আবেদন এবং তা কার্যকর করবে। তবে নিয়ম লঙ্ঘন বা অনিয়ম হলে, পর্যটক ও সেবাদাতা—উভয়ই ফেরত নেওয়া অর্থের জন্য যৌথভাবে দায়ী হবেন।

জিসিসিভুক্ত (গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল) দেশগুলোর পর্যটকরাও এই কর ছাড়ের সুবিধা পাবেন। তবে এই সুবিধা চলমান থাকবে যতদিন না পর্যন্ত ইলেকট্রনিক সার্ভিস আইন কার্যকর হয়। জেডএটিসিএ’র গভর্নর এই কর ফেরতের প্রক্রিয়া ও নিয়মাবলি নির্ধারণ করবেন।

নিয়মাবলির মধ্যে থাকবে—পর্যটকদের কর ফেরতের ধাপসমূহ, পর্যটক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার শর্ত, কোন পণ্য এই সুবিধার আওতায় আসবে, ন্যূনতম ক্রয়মূল্য, কোন বিক্রেতারা সুবিধা দিতে পারবেন এবং কর ফেরতের আবেদন পদ্ধতি।

অন্যদিকে, সংশোধিত ভ্যাট বিধিমালায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যবসা কার্যক্রম অন্যের কাছে হস্তান্তর করা হয়, তাহলে নতুন মালিককে ৩০ দিনের মধ্যে জেডএটিসিএ-কে তা জানাতে হবে। তবে পূর্ববর্তী মালিকের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে থাকলে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। এমনকি রেজিস্ট্রেশন বাতিল হলেও, আগের মালিক পুরনো কর সংক্রান্ত দায়-দেনা থেকে অব্যাহতি পাবেন না এবং তাকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ করতে হবে।

সূত্র: সৌদি গেজেট

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

গ্রীষ্মে স্বাভাবিক থাকবে বিদ্যুৎ সরবরাহ: বিপিডিবি চেয়ারম্যান
পরমাণু কর্মসূচি থেকে না সরার ঘোষণা ইরানের
পর্যটকদের ভ্যাটের অর্থ ফেরত দেবে সৌদি সরকার
আজ কাতার যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস
ভুল বোঝাবুঝিতে গাজায় ১৪ জরুরি সেবাদাতা কর্মীকে হত্যা!
জেলা প্রশাসকের দফতরে স্মারকলিপি দিল আওয়ামী লীগ
বিয়ের আশ্বাসে স্বামীর ১১ লাখ টাকা নিয়ে ঘর ছাড়লেন নারী, প্রেমিকের ফাঁদে পড়ে দলবেঁধে ধর্ষণের শিকার
বিয়ে না করেই পঞ্চাশে অন্তঃসত্ত্বা অভিনেত্রী, তোলপাড় নেটদুনিয়া
পারভেজের মৃত্যুতে গ্রামের বাড়িতে মাতম, পাগলপ্রায় মা-বাবা ও একমাত্র বোন
বাংলাদেশের হয়ে খেলতে রাজি কিউবা মিচেল
আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলমের পদত্যাগ দাবি করলেন নুর
২০২৫ শেষ হওয়ার আগেই ৫০ সেঞ্চুরিতে দেশের প্রথম এনামুল হক
ভিসা বাতিল করায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভারতীয় ও চীনা শিক্ষার্থীদের মামলা
একনেকে ২৪ হাজার কোটি টাকার ১৬ প্রকল্প অনুমোদন
বিগত ৩ নির্বাচনের সঙ্গে জড়িতদের বিচার চায় এনসিপি
এপ্রিলে ১৯ দিনেই প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ২১ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল
দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না হওয়া নিয়ে বিএনপির অভিমত
ফাইয়াজের মামলায় আইন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার নেই: আসিফ নজরুল
ভারতের উত্তরপ্রদেশে এক ছাত্রীকে ৭ দিন ধরে আটকে ২৩ জন মিলে ধর্ষণ!
বিরামপুরে পিকআপের ধাক্কায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু