বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

যে ১০ আমল করলে মিলবে আল্লাহর রহমত

প্রতীকী ছবি

মহান আল্লাহ তার বান্দাদের প্রতি দয়াশীল ও অনুগ্রহশীল। তিনি বান্দাকে ক্ষমা ও দয়া করতে ভালোবাসেন। পবিত্র কোরআনের একাধিক আয়াতে আল্লাহ নিজেকে দয়ালু ও অনুগ্রহশীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমাদের উপাস্য এক উপাস্য, তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই।

তিনি দয়াময়, অতি দয়ালু। ’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৬৩)
আল্লাহর দয়া অগ্রগামী
আল্লাহ দয়া ও ক্রোধের গুণে গুণান্বিত। তবে তাঁর দয়া ক্রোধের ওপর প্রবল। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমার রহমত আমার ক্রোধকে অতিক্রম করেছে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৭৫১)

রহমত লাভের আমলগুলো:
বান্দার কিছু আমল আল্লাহর অনুগ্রহ ত্বরান্বিত করে। নিম্নে এমন ১০টি আমলের বর্ণনা দেওয়া হলো।

১. দ্বিন ও শরিয়তের অনুসরণ করা : আল্লাহ মানবজাতিকে যে দ্বিন ও শরিয়ত দান করেছেন তা আনুগত্য আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের মাধ্যম। মহান আল্লাহ বলেন, ‘এই কিতাব আমি অবতীর্ণ করেছি, যা কল্যাণময়। সুতরাং, তার অনুসরণ কোরো এবং সাবধান হও, তাহলে তোমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা হবে। ’ (সুরা আনআম, আয়াত : ১৫৫)

২. তিলাওয়াত শ্রবণ করা : মনোযোগসহ কোরআন তিলাওয়াত শুনলে আল্লাহর রহমত লাভ করা যায়। ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা মনোযোগের সঙ্গে তা শ্রবণ করবে এবং নিশ্চুপ হয়ে থাকবে, যাতে তোমাদের প্রতি দয়া করা হয়। ’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ২০৪)

৩. ক্ষমা প্রার্থনা করা : আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে আল্লাহ খুশি হন এবং বান্দার প্রতি দয়া করেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা কেন কল্যাণের আগে অকল্যাণ ত্বরান্বিত করতে চাইছ? কেন তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছ না, যাতে তোমরা অনুগ্রহভাজন হতে পারো?’ (সুরা নামল, আয়াত : ৪৬)

৪. রাসুলের আনুগত্য : আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের মাধ্যম। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য কোরো, যাতে তোমরা দয়া লাভ করতে পারো। ’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৩২)

৫. আল্লাহর রাস্তায় আত্মত্যাগ : ঈমানের সঙ্গে যারা আল্লাহর রাস্তায় ত্যাগ স্বীকার করে আল্লাহ তাদের প্রতি অনুগ্রহ করেন। বিশেষত যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দেশত্যাগ করে এবং সংগ্রাম করে। ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা ঈমান আনে এবং যারা হিজরত করে ও সংগ্রাম করে আল্লাহর পথে, তারাই আল্লাহর অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে। আল্লাহ ক্ষমাপরায়ণ, পরম দয়ালু। ’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২১৮)

৬. নামাজ পড়া ও জাকাত দেওয়া : মহান আল্লাহ নামাজ আদায় ও জাকাত প্রদানের প্রতি উৎসাহিত করে বলেছেন, ‘তোমরা নামাজ কায়েম কোরো, জাকাত দাও এবং রাসুলের আনুগত্য কোরো, যাতে তোমরা অনুগ্রহভাজন হতে পারো। ’ (সুরা নুর, আয়াত : ৫৬)

৭. অনুগ্রহ লাভের দোয়া : আল্লাহর কাছে দয়া লাভের দোয়া করলে আল্লাহ দয়া করেন। এ জন্য মহান আল্লাহ দোয়া শিখিয়েছেন, ‘হে আমাদের প্রতিপালক, আপনি আমাদের আপনার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ দান করুন এবং আমাদের জন্য আমাদের কাজকর্ম সঠিকভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা করুন। ’ (সুরা কাহফ, আয়াত : ১০)

৮. উত্তম আচরণের অধিকারী হওয়া : আচার-আচরণ, সামাজিকতা ও লেনদেনে উত্তম পন্থার অনুসারীদের আল্লাহ দয়া করেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘পৃথিবীতে শান্তি স্থাপনের পর তোমরা তাতে বিপর্যয় ঘটিয়ো না, তাঁকে ভয় ও আশার সঙ্গে ডাকবে। নিশ্চয়ই আল্লাহর অনুগ্রহ সৎকর্মপরায়ণদের নিকটবর্তী। ’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ৫৬)

৯. আল্লাহকে ভয় করা : আল্লাহভীতির জীবন আল্লাহ অনুগ্রহ লাভের মাধ্যম। আল্লাহ বলেন, ‘আমার দয়া-তা প্রত্যেক বস্তুতে ব্যাপ্ত। সুতরাং আমি তা তাদের জন্য নির্ধারিত করব, যারা আল্লাহভীতি অবলম্বন করে, জাকাত দেয় ও আমার নিদর্শনে বিশ্বাস করে। ’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ১৫৬)

১০. বিবাদ মিটিয়ে দেওয়া : যারা দুই মুসলমানের বিরোধ মিটিয়ে দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি দয়া করেন। আল্লাহ বলেন, ‘মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মধ্যে শান্তি স্থাপন করো আর আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও। ’ (সুরা হুজরাত, আয়াত : ১০)

আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহ দ্বারা আমাদের আবৃত করে নেন। আমিন

Header Ad
Header Ad

গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং চিৎকার করে সাহায্যের জন্য আকুতি জানান। কেউ কেউ চিৎকার করে বলছিলেন, ‘ভাই, পানি দেন, আমাদের বাঁচান।’

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে সাতখামাইর রেলস্টেশন এলাকায় ঢাকা থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জগামী কমিউটার ট্রেনে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় রেলের কর্মী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।

স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ধলা স্টেশন পার হওয়ার পর ট্রেনের ইঞ্জিন থেকে হঠাৎ ধোঁয়া উঠতে শুরু করে। মুহূর্তেই সেই ধোঁয়া আগুনে রূপ নেয়। আগুন দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকলে যাত্রীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং অনেকে দ্রুত ট্রেন থেকে নামার চেষ্টা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পর অনেক যাত্রী জানালা দিয়ে পানি চেয়ে চিৎকার করেন। চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে দমবন্ধ হয়ে পড়েন অনেকেই।

ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল রুটের জয়দেবপুর জংশনের স্টেশন মাস্টার আবুল খায়ের চৌধুরী জানান, ‘জয়দেবপুর জংশনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও আগুন লাগার পর সাতখামাইর এলাকায় সাময়িকভাবে রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।’

শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ফায়ার ফাইটার বেলাল আহমেদের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আগুন নেভানোর পর বিস্তারিত জানা যাবে।’

ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে এবং হতাহতের তথ্য জানতে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোড়ক মন্ডপ নামাটারী সীমান্তে বাংলাদেশি ভেবে এক ভারতীয় নাগরিককে গুলি করে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বৃহস্পতিবার ভোরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবকের নাম জাহানুর ইসলাম (২০)। তিনি ভারতের নাগরিক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে নামাটারী সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ৯২৯-এর কাছ দিয়ে কয়েকজন ভারতীয় চোরাকারবারি বাংলাদেশে মাদকসহ বিভিন্ন মালামাল পাচারের চেষ্টা করছিল। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের বাংলাদেশি সন্দেহ করে গিদালদাহ মরাকুটি ক্যাম্প ও হরদিাস খামারের ধনিটারী বিএসএফ ক্যাম্প থেকে রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে চোরাকারবারিরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান জাহানুর ইসলাম। পরে তার মরদেহ বিএসএফ নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় আরও দুই ভারতীয় নাগরিক, হারুন ও হাসান, গুলিবিদ্ধ হয়ে দৌড়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। বর্তমানে তারা গোড়ক মন্ডপ সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ গোড়ক মন্ডপ ক্যাম্পের বিজিবি কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ব্যস্ত থাকায় পরে কথা বলবেন বলে জানান।

সীমান্তে বিএসএফের এ ধরনের গুলিবর্ষণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Header Ad
Header Ad

গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের

ছবি: সংগৃহীত

টানা ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে সামরিক অভিযান চালানোর পর এবার গাজার দক্ষিণাঞ্চল দখলের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। দু’জনই পৃথক বার্তায় এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় হাঙ্গেরির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে রাফাহ ও খান ইউনূসের মাঝামাঝি এলাকায় ‘মোরাগ এক্সিস’ নামে একসময় ইহুদি বসতি ছিল, যেখান থেকে পরবর্তীতে ইহুদিদের উচ্ছেদ করা হয়। তিনি জানান, এবার গাজায় সামরিক অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ওই অঞ্চলকে পুনরায় ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং নিরাপত্তা জোনের অন্তর্ভুক্ত করা।

নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা গাজা উপত্যকাকে ভাগ করছি এবং ধাপে ধাপে হামাসের ওপর চাপ বাড়াচ্ছি, যেন তারা জিম্মিদের আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়।”

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানান, তাদের এই পদক্ষেপের ফলে রাফাহ শহর পার্শ্ববর্তী খান ইউনিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং সম্পূর্ণ ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। মিসর-গাজা সীমান্তে অবস্থিত এই রাফাহ ক্রসিং এতদিন ফিলিস্তিনিদের জন্য ‘লাইফলাইন’ হিসেবে কাজ করত, যার মাধ্যমে খাদ্য, ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করত গাজায়। তবে ইসরায়েল বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, ওই পথ দিয়ে হামাস অস্ত্র পাচার করে।

নেতানিয়াহুর ঘোষণার আগে বুধবার সকালে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, “গাজাকে জঙ্গিমুক্ত করা এবং বিশাল এলাকাকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোনের অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে বিরতির পর নতুন অভিযান শুরু হয়েছে।”

দীর্ঘ ২ মাসের যুদ্ধবিরতির পর গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ দিনে ইসরায়েলের হামলায় এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুধু বুধবারই নিহত হয়েছেন ৬০ জনের বেশি।

ইসরায়েলের সেনাপ্রধান ইয়াল জামির জানিয়েছেন, তাদের অভিযানের লক্ষ্য হামাসের কব্জায় থাকা অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধার করা। আইডিএফ ধারণা করছে, হামাসের কাছে এখনো অন্তত ৩০ জন জীবিত জিম্মি রয়েছে।

ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা গিশা’র তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর দখলের ঘোষণা দেওয়া গাজার ওই অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬২ বর্গকিলোমিটার, যা পুরো গাজা উপত্যকার প্রায় ১৭ শতাংশ।

সূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২
বাংলাদেশকে ভেঙে ফেলার আহ্বান ভারতের ত্রিপুরার রাজপরিবার প্রধানের
বিএনপি কখনোই নির্বাচনের পরে সংস্কারের কথা বলেনি: মির্জা ফখরুল
বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় আটক ৫
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ভ্যাল কিলমার আর নেই
ময়মনসিংহে সিনেমা হলে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে দর্শকদের ভাঙচুর
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া