শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

আজ পবিত্র আশুরা

সংগৃহিত ছবি

 

ইসলামিক ক্যালেন্ডারে মহররম চাঁদ্রবছরের প্রথম মাস, এই পবিত্র মাসে বিশেষ গুরুত্বের বিষয় ঘেরা।, সম্মানিত চার মাসের তৃতীয়। ইসলামের ইতিহাসে মহররম অত্যন্ত ফজিলতময় মাস। এ মাসের ১০ তারিখকে আশুরা বলা হয়।

মহররমের দশ তারিখে অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার কথা বলা হলেও বিশুদ্ধ বর্ণনায় মাত্র দু’টি ঘটনার কথা জানা যায়।

১. হজরত মূসা আলাইহিস সালাম এবং তার সাথীদের ফেরাউন ও তার সৈন্যদের কবল থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘটনা। যেখানে দরিয়ায় রাস্তা বানিয়ে আল্লাহতায়ালা তাদেরকে নিরাপদে পৌঁছে দিয়েছেন।

২. এই রাস্তা দিয়ে অতিক্রম করার সময় ফেরাউন ও তার সৈন্যদের দরিয়ায় ডুবিয়ে ধ্বংস করার ঘটনা।
এই দুই ঘটনা বিভিন্ন সহিহ হাদিসের মাধ্যমে প্রমাণিত। সহিহ বোখারি ও সহিহ মুসলিমসহ হাদিসের অনেক কিতাবে বর্ণিত হয়েছে।

ইতিহাসে পাওয়া যায়, আশুরার দশ তারিখে অত্যাচারী শাসক ফেরাউনের হাত থেকে আল্লাহতায়ালা বনী ইসরাঈলকে রক্ষা করেন। ফেরাউনের ওপর বিজয় দান করেন। এ জন্য দিনটিকে মুসলিম মিল্লাতের বিজয়ের দিন বলা হয়। এ ব্যাপারে আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘আর বনী ইসরাঈলকে আমি পার করে দিয়েছি নদী। তারপর তাদের পশ্চাদ্ধাবন করেছে ফেরাউন ও সেনাবাহিনী, দুরাচার ও বাড়াবাড়ির উদ্দেশ্যে। এমনকি যখন তারা ডুবতে আরম্ভ করল, তখন বলল, এবার বিশ্বাস করে নিচ্ছি যে, কোনো মাবুদ নেই তাকে ছাড়া যার ওপর ঈমান এনেছে বনী ইসরাঈলরা। বস্তুত আমি তারই অনুগতদের অন্তর্ভুক্ত। এখন একথা বলছ। অথচ তুমি ইতোপূর্বে নাফরমানি করেছিলে এবং পথভ্রষ্টদেরই অন্তর্ভুক্ত ছিলে। অতএব আজকের দিনে বাঁচিয়ে দিচ্ছি আমি তোমার দেহকে যাতে তোমার পশ্চাদবর্তীদের জন্য নিদর্শন হতে পারে। আর নিঃসন্দেহে বহু লোক আমার মহাশক্তির প্রতি লক্ষ্য করে না।’ -সূরা ইউনুস: ৯০-৯২

এ বিজয়ের শোকরিয়াস্বরূপ হজরত মুসা (আ.) ও তার অনুসারীরা আশুরার দিনে রোজা রাখতেন। হজরত আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী করিম (সা.) যখন মদিনায় আগমন করলেন, দেখলেন এদিনে ইহুদিরা রোজা রাখে। তিনি তাদের জিজ্ঞেস করলেন, এটা কোন দিন যে, তোমরা রোজা রাখছ? তারা বলল, এটা এমন এক মহান দিন, যেদিন আল্লাহ হজরত মুসা (আ.) ও তার সম্প্রদায়কে মুক্তি দিয়েছিলেন ও ফেরাউনকে তার দলবলসহ ডুবিয়ে মেরেছিলেন। -সহিহ বোখারি ও মুসলিম

অনেক কিতাবে লেখা আছে, আশুরার দিনে কিয়ামত সংগঠিত হবে। কিন্তু এ কথার কোনো ভিত্তি নেই, নির্ভরযোগ্য কোনো বর্ণনায় এ কথার কোনো আলোচনা আসেনি। আবার কোনো কোনো রেওয়ায়েতে বলা হয়, আশুরার দিনে হজরত আদম আলাইহিস সালামের তওবা কবুল হয়েছে। এমনকি একথা আবুল কাসেম ইস্পাহানি (রহ.) কর্তৃক সংকলিত আত তারগিব ওয়াত তারহিবের ১৮৬৮ নম্বর রেওয়ায়েতে এসেছে। কিন্তু এই রেওয়ায়েতের সনদ খুবই দুর্বল। এ ছাড়া আরও কিছু রেওয়ায়েতে এই কথা এসেছে, সেগুলো মওযু তথা দুর্বল।

অবশ্য কোনো কোনো তাবেয়ি থেকে এ কথা বর্ণিত হয়েছে যে, তারা হজরত আদম আলাইহিস সালামের তওবা কবুল হওয়া সম্পর্কে আশুরার দিনের কথাই বলতেন।

হজরত নূহ আলাইহিস সালামের কিশতি যেদিন জুদি পাহাড়ে থেমেছিল সেই দিনটি ছিল আশুরার দিন। এই রেওয়ায়েতও দুর্বল। তবে এটা ঠিক যে, একথা মুসনাদে আহমাদের একটি রেওয়ায়েতে এসেছে। কিন্তু তার সনদ দুর্বল।

আর হজরত ঈসা আলাইহিস সালামের জন্ম আশুরার দিন হয়নি। একথা প্রমাণিত নয়। আবুল কাসেম ইস্পাহানি (রহ.)-এর কিতাব আত তারগিব ওয়াত তারহিবের পূর্বোক্ত রেওয়ায়েতেই একথা এসেছে। আগেই বলা হয়েছে, এর সনদ খুবই দুর্বল।

আরেকটি বিষয়। আমাদের দেশের সংবাদপত্র থেকে শুরু করে আশুরাকেন্দ্রিক যাবতীয় আলোচনায় শুধু কারবালার ঘটনা উল্লেখ করা হয়। মনে হয়, আশুরায় শুধু কারবালার ঘটনাই ঘটেছে। আশুরা তাৎপর্যময় হয়েছে কারবালার কারণে। বিষয়টি কিন্তু তা নয়।

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের প্রায় ৫০ বছর পর ৬১ হিজরির ১০ মহররমে কারবালায় হজরত হুসাইন (রা.)-এর শাহাদাতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা আশুরার দিনের সঙ্গে মিলে যাওয়া একটি ঘটনাবিশেষ। আশুরার আমলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো বিষয় নয়।

কারণ হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের আগেই আমাদের শরিয়ত পূর্ণ হয়ে গেছে। কিয়ামত পর্যন্ত এই শরিয়ত পূর্ণাঙ্গরূপে সংরক্ষিত থাকবে। আল্লাহতায়ালা নিজে এই শরিয়ত, শরিয়তের দলিল ও দলিলের উৎসসমূহ হেফাজত করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই শরিয়ত যেভাবে আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে আজ পর্যন্ত সেভাবেই সংরক্ষিত আছে। সে অনুযায়ী সবার আমল করা জরুরি। তাতে কোনো ধরনের সংযোজন-বিয়োজনের সুযোগ নেই।

অতএব হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের পরে সংঘটিত কোনো বিপদ বা আনন্দের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো দিন বা কোনো মাসের নতুন কোনো ফজিলত বা নতুন কোনো বিধান আবিষ্কার করা যাবে না। এগুলো ইসলাম সমর্থন করে না।

দুঃখ ও আনন্দ উভয়টির বিধান শরিয়তে আছে এবং তা নির্ধারিত। উম্মতের ওপর ওয়াজিব হলো সেই হুকুম অনুযায়ী আমল করা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- বিপদ-আপদের সময় একজন বান্দার কী করণীয়, কী বর্জনীয় তার বর্ণনা আছে কোরআন-হাদিসে।

কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে তাদেরকে মৃত বলো না। প্রকৃতপক্ষে তারা জীবিত, কিন্তু তোমরা (তাদের জীবিত থাকার বিষয়টা) উপলব্ধি করতে পারো না। আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব (কখনও) কিছুটা ভয়-ভীতি দ্বারা, (কখনও) জানমাল ও ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতির দ্বারা। সুসংবাদ শোনাও তাদেরকে, যারা (এরূপ অবস্থায়) সবরের পরিচয় দেয়। যারা কোনো মসিবত দেখা দিলে বলে ওঠে, আমরা সকলে আল্লাহরই এবং আমাদেরকে তার কাছেই ফিরে যেতে হবে। এরাই তারা, যাদের প্রতি তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে বিশেষ করুণা ও দয়া রয়েছে এবং এরাই আছে হেদায়েতের ওপর। -সূরা বাকারা: ১৫৪-১৫৭

এ আয়াতের আলোকে বুঝা গেল, কারবালায় হজরত হুসাইন (রা.)-এর শাহাদাতের ঘটনা আমাদের জন্য বিপদ ও মসিবতের বিসয়। এক্ষেত্রে ইসলামি শরিয়তের হুকুম হলো, বিপদগ্রস্ত লোকেরা সবর করবে। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন পড়বে এবং আল্লাহতায়ালার কাছে সওয়াবের আশা করবে।

কারও ইন্তেকালে শরিয়তের হুকুম হলো সবর করা অর্থাৎ ধৈর্যধারণ করা। অধৈর্য হয়ে অভিযোগপূর্ণ কোনো কথা বলা, বিলাপ করা, হাত পা ও বুক চাপড়ানো, চেহারা খামচানো, শোকের পোশাক পরা ইত্যাদি হারাম। ইসলামি শরিয়তে খুব কঠোরভাবে তা থেকে বারণ করা হয়েছে।

হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, যে ব্যক্তি মুখে আঘাত করে, জামার বুক ছিঁড়ে, জাহিলি যুগের (মতো) বিলাপ করে; সে আমাদের দলভুক্ত নয়। -সহিহ বোখারি: ১/১৭২

অন্য এক হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আমি ওই ব্যক্তি থেকে মুক্ত, যে শোকে মাথা মুণ্ডায়, বুক চাপড়ায় ও কাপড় ছিঁড়ে। -সহিহ মুসলিম: ১৬৭

হজরত হুসাইন (রা.)-এর শাহাদাতের পর থেকে তিন শ’ বছর পর্যন্ত ১০ মহররমে কান্নাকাটি, আহাজারি, চিৎকার ও বুক চাপড়ানো প্রথার কোনো অস্তিত্ব ছিলো না। সর্বপ্রথম ৩৫২ হিজরিতে মুঈযযুদ দাওলা দাইলামি (একজন শিয়া) দশ মহররমে শুধু বাগদাদে হজরত হুসাইন (রা.)-এর জন্য মাতম করার হুকুম জারি করে। এরপর ৩৬৩ হিজরিতে মিসরেও এই হুকুম জারি করা হয়। সেই থেকে এই প্রথা চলে আসছে কোনো কোনো সম্প্রদায়ের মাঝে।

Header Ad
Header Ad

লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

সবুজ মোল্যা। ছবি: সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে কার্টনের ভেতর হাত-পা বিচ্ছিন্ন মরদেহের পরিচয় মিলেছে। নিহত ব্যক্তির নাম সবুজ মোল্যা। তিনি সাভারের যাদুরচর গ্রামের ইউনুস মোল্লার ছেলে। নিহতের মামা মহসিন মিয়া তার মরদেহ শনাক্ত করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহরাব আল হোসাইন জানান, নিহতের টুকরা করা মরদেহ কেরানীগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় মামলা এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিহতের মামা মহসিন মরদেহটি সবুজের বলে শনাক্ত করেন।

মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, ঢাকার সাভার থানায় দায়েরকৃত একটি সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে গতকাল রাত ১২টার দিকে মরদেহের পরিচয় পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।

নিহতের মামা মো. মহসিন জানান, নিহত সবুজ বনানীর একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিল। বৃহস্পতিবার থেকে সে নিখোঁজ ছিল।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকাল থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে শুক্রবার রাতে পিবিআইয়ের ফোন পেয়ে এবং মরদেহের ছবি দেখে আমার ভাগিনাকে শনাক্ত করি। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা বলতে পারছি না।

এর আগে শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন লৌহজং উপজেলার মেদেনীমণ্ডল খানবাড়ি এলাকার আনোয়ার চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে খানবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কার্টনের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো অজ্ঞাত ব্যক্তির মাথা ও গলা থেকে কোমর পর্যন্ত খণ্ডিত অংশ পাওয়া যায়।

একই দিন সকাল ১০টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার শাক্তা ইউনিয়নের মালঞ্চ এলাকায় সড়কের পাশে একটি কার্টনে মরদেহের কিছু অংশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। আলামত যেন নষ্ট না হয় সে কারণে সিআইডি ও পিবিআইয়ের বিশেষজ্ঞ টিম পলিথিন খুলে মানবদেহের অংশগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। পরে মুন্সীগঞ্জে মানবদেহের খণ্ডিত অংশ পাওয়ার খবর পেয়ে সেখানে যায় সিআইডি ও পিবিআই। পর্যবেক্ষণ শেষে খণ্ডিত অংশগুলো একই ব্যক্তির বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়।

Header Ad
Header Ad

মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন শুল্ক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে একটি জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সভা আয়োজিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। সভায় অংশ নেবেন শীর্ষ বিশেষজ্ঞ, উপদেষ্টা ও কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, গত বুধবার বাংলাদেশের পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এত দিন দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হতো।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের ৪০ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি শিল্পে বড় ধরনের আঘাত আসতে পারে। এই ধাক্কা সামলাতে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পথ খোঁজা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি এখন একটি বিতর্কিত অভিযোগের শিকার। তার গৃহকর্মী পিংকি আক্তার পরীমনির বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেছেন, পরীমনি তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করেছেন, বিশেষত এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানোর ঘটনায়।

অভিযোগ দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি দ্রুত আলোচনায় আসে এবং সোশ্যাল মিডিয়া সহ গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে পরীমনি ফেসবুক লাইভে আসেন। তিনি জানান, তার কাছে সব প্রমাণ রয়েছে, তবে তিনি সেগুলো প্রকাশ করতে চান না কারণ তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

লাইভে পরীমনি বলেন, “যদি আমার বিগত জীবনযাপন দেখেন, বুঝবেন যে আমি আমার স্টাফদের সঙ্গেই সময় কাটাই, তারা আমার পরিবার। এক গৃহকর্মী যার সাথে এক মাসও হয়নি, সে নিজের বিরুদ্ধে এমন দাবি করতেই পারে, তবে আমি বলব সে আমার গৃহকর্মী নয়।”

এছাড়া পরীমনি আরো জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে মিডিয়া তাকে 'মিডিয়া ট্রায়াল' করেছে এবং তা একেবারেই সঠিক নয়। তিনি বলেন, “যে কেউ যে কারও বিরুদ্ধে জিডি করলেই সেটা কি সত্যি হয়ে যাবে? প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত নয়।”

লাইভে আবেগপ্রবণ হয়ে পরীমনি আরও বলেন, “এত মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করুন, জনগণ আসলে পুরো একটা মিডিয়া।"

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার অভিযোগ করেন, পরীমনি তার মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানোর সময় তাকে মারধর করেন, ফলে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান এবং পরে ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে ডেকে আনেন। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।

এদিকে, পরীমনি জানিয়েছেন, তিনি আইনি ব্যবস্থা নেবেন এবং সমস্ত প্রমাণ আদালতের মাধ্যমে উন্মোচন করবেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’
যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)
শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
গরমে তৃষ্ণা মেটানোর বদলে ডিহাইড্রেটেড করবে যেসব পানীয়
পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার: জাতিসংঘ
আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, নেই যানজট ও ভোগান্তি
আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি
প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস