শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ইতিকাফ

ইতিকাফের সংজ্ঞা, উদ্দেশ্য ও স্থান

ইতিকাফ-এর শাব্দিক অর্থ অবস্থান করা, কোনো বস্তুর উপর স্থায়িভাবে থাকা। ইতিকাফের মধ্যে নিজের সত্তাকে আল্লাহর ইবাদতের মধ্যে আটকিয়ে রাখা হয় এবং নিজেকে মসজিদ হতে বের হওয়া ও পাপাচারে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত রাখা হয়। শরীয়তের পরিভাষায় ইতিকাফের নিয়ত পুরুষের ঐ মসজিদে অবস্থান করা যেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামা’আতের সঙ্গে আদায় করা হয় অথবা কোনো মহিলার নিজ ঘরে নামাযের স্থানে অবস্থান করাকে ইতিকাফ বলা হয়।

ইতিকাফের উদ্দেশ্য হলো, দুনিয়ার সবরকম ঝামেলা থেকে নিজেকে মুক্ত করে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের নিমিত্তে একমাত্র তার ইবাদতে মশগুল থাকা।
যে মসজিদে নিয়মিতভাবে আজান, ইকামতসহকারে জামা‘আতের সঙ্গে নামায আদায় হয় সেই মসজিদেই ইতিকাফ করা সহীহ্ হবে। ইতিকাফের সর্বোত্তম স্থান মসজিদুল হারাম, এরপর মসজিদে নববী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরপর মসজিদে আকসা। এরপর ঐ জুমু‘আর মসজিদ, যেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামা‘আতের সঙ্গে আদায় করা হয়। এরপর সে মসজিদ যেখানে মুসল্লীর সংখ্যা অধিক হয়ে থাকে (শামী, ২য় খণ্ড ও আলমগীর, ১ম খণ্ড)।

ইমাম আযম আবু হানীফা (র.) থেকে বর্ণিত আছে যে ইতিকাফ সহীহ্ হবে এমন মসজিদে যেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামা‘আতের সঙ্গে আদায় করা হয় (হিদায়া, ১ম খণ্ড)। মহিলাগণ নিজ ঘরে নামাযের জন্য নির্ধারিত জায়গায় ইতিকাফ করবেন। নামাযের জন্য জায়গা নির্ধারিত না থাকলে ইতিকাফে বসার সময় তা নির্ধারিত করে নিলেও সহীহ্ হবে।

ইতিকাফের ফজিলত ও উপকারিতা

ইতিকাফের ফজিলত ও উপকারিতা অপরিসীম। কেননা দুনিয়ার সবরকম ঝামেলা থেকে মুক্ত করে, নিভৃতে আল্লাহর ইবাদত করার জন্য ইতিকাফ করা হয়। ইতিকাফকারী পুরুষ ও মহিলা বহু ধরনের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে পারেন। বান্দা ইতিকাফ অবস্থায় আল্লাহ্ তাআলার দরবারে উপস্থিত থাকে। এ জন্য আল্লাহর কাছে সে খুবই মর্যাদাসম্পন্ন হয় এবং আল্লাহ তাআলা তাকে রহমত, অনুগ্রহ ও ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখেন। ইতিকাফকারী ব্যক্তি পুরো সময় ইবাদতের মধ্যে গণ্য হয়ে থাকে। আতা আল-খোরাসানী (র.) বলেছেন, ইতিকাফকারী সেই ব্যক্তির ন্যায়, যে নিজেকে আল্লাহর সম্মুখে সোপর্দ করে দিয়েছে এবং বলেছে যে, আমি এ স্থান ত্যাগ করব না, যতক্ষণ না আমাকে ক্ষমা করা হয়। এ জন্যও ইতিকাফের গুরুত্ব অপরিসীম যে, ইতিকাফের মধ্যে বান্দা আল্লাহর ঘরে ইবাদতে মশগুল রাখার মাধ্যমে নিজের অসহায়ত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে থাকে (বাদায়েউস্ সানায়ে, ২য় খণ্ড)।

ইতিকাফের মধ্যে অন্তরকে দুনিয়াবী বিষয় থেকে মুক্ত করা হয়, নিজেকে আল্লাহর কাছে সোপর্দ করা হয়, আল্লাহর ঘরে নিজেকে আবদ্ধ রাখা হয় এবং আল্লাহর ঘরে নিজেকে সবসময় আটকিয়ে রাখা হয়। অধিকন্তু ই‘তিকাফকারী ব্যক্তি আল্লাহর ঘরের সঙ্গে নিজেকে স্থায়ীভাবে সম্পৃক্ত করে রাখে, যেন আল্লাহ্ তাকে ক্ষমা করে দেন। ইতিকাফ সর্বশ্রেষ্ঠ আমল যদি তা একনিষ্ঠতার সঙ্গে হয়ে থাকে (বাহরুর রাইক, ২য় খণ্ড)।

হযরত সাঈদ ইব্ন জুবাইর হযরত আবদুল্লাহ্ ইব্ন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইতিকাফকারী ব্যক্তি সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন যে, সে ইতিকাফ এবং মসজিদে বদ্ধ থাকার কারণে গোনাহ থেকে বেঁচে থাকে এবং তার নেকীর হিসাব সব ধরনের নেক কাজ সম্পাদনকারী ব্যক্তির ন্যায় জারি থাকে (ইব্ন মাজা)।

বান্দা যখন ইতিকাফের নিয়তে নিজেকে মসজিদে আটকিয়ে রাখে তখন যদিও সে সালাত, যিকির ও তিলাওয়াত ইত্যাদি ইবাদতের মাধ্যমে বহু সওয়াব অর্জন করতে সক্ষম হয়, কিন্তু এর পাশাপাশি কিছু কিছু সাওয়াবের কাজ থেকেও সে বিরত হয়। সে রোগীর সেবা করতে পারে না। ইয়াতীম, বিধবা, নিঃস্ব ও সর্বস্বান্তের সহযোগিতা করতে পারে না, কোনো মৃত ব্যক্তিকে গোসল দিতে পারে না, জানাযার নামাযে শরীফ হতে পারে না-যেগুলো খুবই পুণ্যের কাজ বলে হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে। সে জন্য উল্লিখিত হাদীসে ইতিকাফকারী ব্যক্তির জন্য এ সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে যে, তার আমলনামায় সেইসব ইবাদতের সাওয়াবও লেখা হবে, ইতিকাফের কারণে যে গুলো থেকে সে বিরত হয়েছিল।

হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) সর্বদা রমযানের শেষ দশদিন ইতিকাফ করতেন। কিন্তু এক বছর তিনি সফর করেছিলেন সে জন্যে পরের বছর বিশদিন ইতিকাফ করেছেন (ইব্ন মাজা)।
হযরত আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সা.) রমযানের শেষ দশদিন ইতিকাফ করতেন। বর্ণনাকারী নাফী (র.) বলেন, আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রা) আমাকে মসজিদের সেই স্থানটি দেখিয়েছেন, যেখানে রাসূলুল্লাহ (সা.) ইতিকাফ করেছেন (ইব্ন মাজা)।

সুন্নাত ইতিকাফ

রমযানের শেষ দশকরে ইতিকাফ যা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা কিফায়া। মহল্লাবাসীর কোনো একজন তা আদায় করলে অন্য সকলে দায়মুক্ত হবে। আর কেউ আদায় না করলে সকলেই তরকে সুন্নাতের জন্য দায়ী হবে।
এই প্রকার ইতিকাফের হুকুম হলো, সুন্নাতে মুয়াক্কাদায়ে কিফায়া থেকে মুক্ত হওয়া এবং সাওয়াব হাসিল করা (হাশিয়াতুত্ তাহতাবী ও বাহরুর রাইক, ২য় খণ্ড)।

রমযানের শেষ দশদিনের ইতিকাফত সুন্নাতে মুয়াক্কাদা আলাল কিফায়া। এ ইতিকাফের জন্য রোযা রাখা জরুরি। এই ইতিকাফ শুরু করার পর ভঙ্গ করে দেওয়া হলে অথবা ভঙ্গ হয়ে গেলে, যে কয়দিনের ছুটি গেছে রোযাসহ সে কয়দিনের কাযা জরুরি। কিন্তু একদিনের ছুটলেও রমযানের পর সতর্কতামূলক পুরো দশদিনের কাযা করে নেওয়া উত্তম (শামী, ২য় খণ্ড)।

সর্বশেষে বলব, ইতিকাফের ফজিলত অনেক। যেহেতু রমযান মাসের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করলে ২৭ শে রমযান যদি শবে কদর নাও হয়, তবু এ দশদিনের মধ্যে নির্দিষ্ট শবে কদরের ইবাদত এ ইতিকাফের মধ্যে আদায় হয়ে যায় এবং এর ফলে কদরের রাতের ফজিলতও লাভ করা যায়।

ড. মাহবুবা রহমান: সাবেক বিভাগীয় প্রধান, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ
লালমাটিয়া সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকা

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০

ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের বদরগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার ও দোকান ভাড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এক জন নিহত এবং সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার এবং বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও কালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম মানিকের অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি শহরের ঢেউটিন ব্যবসায়ী জাহিদুল হক জোয়ারদার এবং দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবুর মধ্যে দোকান ভাড়াকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া দ্বন্দ্বকে ঘিরে সেই বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নেয়।

জানা গেছে, দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবু দাবি করেন, জাহিদুলের দোকান ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে ভাড়াটিয়া জাহিদুলের দাবি, তার চুক্তি ২০২৮ সাল পর্যন্ত বৈধ এবং তিনি দোকান ছাড়বেন, যদি জামানত হিসেবে দেওয়া ৩৫ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। কিন্তু দোকান মালিক সেই অর্থ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার সন্ধ্যায় দোকানঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে ইশতিয়াক বাবুর অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

এর প্রতিবাদে শনিবার শহিদুল ইসলাম মানিকের নেতৃত্বে শহিদ মিনার এলাকায় মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। কিন্তু মানববন্ধন চলাকালে মোহাম্মদ আলী সরকারের অনুসারীরা হামলা চালিয়ে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন ও মাইক ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বদরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম আতিকুর রহমান জানান, “পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।”

 

Header Ad
Header Ad

গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী

ছবি: সংগৃহীত

স্বাধীনতার প্রতীক ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

তিনি বলেছেন, “জয় বাংলা কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্লোগান নয়—এটা মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্লোগান। গত ২৫ বছরে আমি একবারও ‘জয় বাংলা’ বলিনি। কিন্তু আজ শপথ করে বলছি, এখন থেকে আমি ‘জয় বাংলা’ বলব।”

গত শুক্রবার (৫ এপ্রিল) রাতে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামে পিতামাতা ময়েজউদ্দিন ও আনোয়ারা সিদ্দিকার কবর জিয়ারতের সময় স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, “বাংলাদেশ স্বাধীন না হলে আজকের দালান-কোঠা, ঘরবাড়ি কিছুই হতো না। দুর্ভাগ্যের বিষয়, আজ অনেকেই সেই স্বাধীনতাকে স্বীকার করতে চায় না। কেউ কেউ হাসিনা সরকারের পতনকে স্বাধীনতার পতন মনে করে—না, এটা কোনোভাবেই স্বাধীনতার পতন নয়।”

তিনি আরও বলেন, “যারা বিপ্লব ঘটিয়েছেন, স্বাধীনতা না থাকলে তারা তা পারতেন না। আমি তাদের সাধুবাদ জানাই। তারা যদি সঠিকভাবে পথ চলত, তবে মানুষ তাদের বহু বছর মনে রাখত। কিন্তু আজ তারা স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বঙ্গবন্ধুকে মানে না, জিয়াউর রহমানকেও মানে না, এমনকি আমাদের কাউকেও স্বীকার করে না। এটা ভালো লক্ষণ নয়।”

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, বঙ্গবীরের স্ত্রী নাছরিন সিদ্দিকী, ভাই মুরাদ সিদ্দিকীর স্ত্রী নিহার সিদ্দিকীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’