শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ওমরাহ পালনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

এহরাম
প্রয়োজনীয় সাফাই এবং অজু গোসলের পর এহরামের কাপড় পরুন। টুপি মাথায় দিয়ে এহরামের নিয়তে দু’রাকাত নামাজ পড়ুন।

নিয়ত: নাওয়াইতুয়ান উসাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকায়াতায় সালাতিল এহরাম, সুন্নত রাসুলিল্লাহি তায়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’ব বাতিশ শরিফাতি আল্লাহু আকবার।

প্রথম রাকাতে সুরা কাফেরূন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সুরা এখলাস পড়ুন। সালাম ফিরিয়ে এবার টুপি খুলে এভাবেই বসে থেকে যে যার নিয়ত করুন।

ওমরার নিয়ত: হে আল্লাহ আমি ওমরাহ করার নিয়ত করছি। আমার জন্য তা সহজ করে দাও এবং কবুল কর।

এবার অনুচ্চ কণ্ঠ (মহিলারা ফিস ফিসিয়ে) তিনবার তাবলিয়া পড়ুন।
তাবলিয়া: লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ‘ইন্নাল হামদা ওয়ান্নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।

মক্কা শরীফে করণীয়
১. মসজিদা হারামে ঢোকার পর যখনই কালো গিলাফে ঢাকা বায়তুল্লাহ নজরে পড়বে তখনই তিনবার বলুন আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু এবং সঙ্গে সঙ্গে দাঁড়িয়ে মোনাজাত করুন।
২. হজরে আসোয়াদের বরাবর কালো দাগের একটু আগে এসে তালবিয়া পড়া বন্ধ করে দিন। এজতেবা করুন, অর্থাৎ আপনার চাদরের ডান অংশকে ডান বগলের নিচ দিয়ে বাম কাঁধের উপর রেখে দিন। এখন তাওয়াফের নিয়ত করুন।
নিয়ত: হে আল্লাহ আমি পবিত্র ঘর তাওয়াফের নিয়ত করছি। আমার জন্য তা সহজ করে দাও এবং আমার পক্ষ থেকে সেই সাতপাক তাওয়াফ কবুল করে নাও।
৩. এবার কালো দাগের উপর পা দিয়ে কাবার দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে নিম্নের দোয়া পড়তে পড়তে দু’হাত কান পর্যন্ত তলুন (মহিলারা বুক পর্যন্ত) এবং বাম হাত নামিয়ে এনে হজরে আসোয়াদের চুমু খান। দোয়া: বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
৪. এবার ডান দিকে ঘুরে তাওয়াফ শুরু করুন। প্রথম তিন চক্করে রমল করুন। দৃষ্টি মাটির দিকে রাখুন। এ অবস্থায় নিচের দোয়াটি পড়তে থাকুন এবং আরও যা যা দোয়া কালাম পড়তে মন চায় পড়ুন।
দোয়া: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু আ শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলাকুল্লি শাইয়্যান ক্বাদির।
৫. রোকনে ইয়ামানি থেকে কালো দাগের (পায়ের দিকে দেখুন) একটু আগ পর্যন্ত নিম্নের দোয়াটি পড়তে থাকুন।
দোয়া: রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাছানাতাও ওয়াফিল আখিরাতি হাছানাতাও ওয়াকিনা আজাবান্নার, ওয়াআদ খিলনাল জান্নাতা মা’আল আবরার, ইয়া আজিজু ইয়া গাফফার, ইয়া রাব্বাল আলামিন।
৬. এখন এক চক্কর হলো। এবার ৩ নম্বর দোয়া পড়তে পড়তে কালো দাগের উপর পা দিয়ে ইশারায় চুমু খেয়ে দ্বিতীয় চক্কর শুরু করে আগের মতই শেষ করুন।
৭. সাত চক্কর শেষ করে ইশারায় অষ্টম চুমুটি খেয়ে এজতেবা খুলে কাঁধ ঢেকে মাকামে ইব্রাহিমের পিছনে দু’রাকাত সালাতিল তাওয়াফ (ওয়াজিব) নামাজ পড়ুন।
নিয়ত: নাওয়াইতুয়ান উসাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকায়াতায় সালাতিত তাওয়াফ, ওয়াজিবুল্লাহি তায়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বা বাতিশ শরিফাতি আল্লাহু আকবার।
প্রথম রাকাতে সুরা কাফিরূন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সুরা এখলাছ পড়ুন।
৮. এবার জম জম কুয়ার কাছে যান। পেট ভরে পানি খান। পানি খাওয়ার সময় নিম্নের দোয়াটি পড়ুন। দোয়া: হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট উপকারী ইলম (জ্ঞান) প্রশস্ত রিজিক, নেক আমল এবং সমস্ত বিমারি হইতে আরোগ্য প্রার্থনা করিতেছি।
৯. জম জম খেয়ে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে হজরে আসোয়াদের বরাবর (কালোদাগ) দাঁড়িয়ে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে হজরে আসোয়াদকে ইশারায় নবম চুমু খান।
১০. এবার সাঈ এর জন্য সাফা পাহাড়ের দিকে অগ্রসর হোন। একটু উপরে উঠলেই ক্বাবা শরীফ আপনার নজরে পড়বে। ক্বাবা শরীফের দিকে মুখ করে দোয়ার জন্য হাত তুলে তিনবার বলুন’ আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ এবং যা মন চায় দোয়া করুন।
১১. দোয়া বাদ ডান দিকে সরে গিয়ে মারওয়া পাহাড়ের দিকে মুখ করে সাঈ শুরু করার স্থানে দাঁড়িয়ে সাঈ এর নিয়ত করুন।
নিয়ত: হে আল্লাহ আমি তোমার জন্য সাফা-মারওয়ার সাঈ সাত চক্করের মাধ্যমে আদায় করার নিয়ত করছি। আমার জন্য ইহা সহজ করে দাও এবং কবুল করে নাও।
১২. স্বাভাবিক গতিতে মারওয়া পাহাড়ের দিকে অগ্রসর হোন। সবুজ বাতি ও সবুজ খাম্বাদ্বয়ের মাঝখানের জায়গাটি শুধু পুরুষরা দ্রুত গতিতে পার হোন (অন্যেরা দৌড়াচ্ছে দেখুন) এরপর স্বাভাবিক গতিতে চলুন। ৪ নম্বর অনুরুপ দোয়া পড়ুন।
১৩. মারওয়া পাহাড়ের সামান্য উচুতে উঠে ক্বাবা শরীফের দিকে ফিরে থেমে যান। যদিও ক্বাবা শরীফ নজরে না পড়ে। এবার সাফা পাহাড়ের অনুরূপভাবে ১০ নম্বর দোয়া পড়ুন।
১৪. সাফা থেকে মারওয়া এক চক্কর হল। পুনরায় মারওয়া থেকে সাফা হবে দ্বিতীয় চক্কর। এভাবে মারওয়াতে সাত চক্কর শেষ হবে। প্রতিবারেই যথা নিয়মে শেষ করবেন।
১৫. সাঈ এর মাথা মুন্ডনের জন্য নাপিতের দোকানে (সাফার দিকে) চলে আসুন। সম্পূর্ণ মাথা মুন্ডন করাই সর্বোত্তম।

 

সূত্র: মনসুর আহমেদ চৌধুরী, প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ইমপেক্ট ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ

আরএ/

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত

নিহত শফিউল্লাহ মিয়া। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ট্রাক চাপায় শফিউল্লাহ মিয়া (৪৭) নামে এক আনসার সদস্য (কমান্ডার) সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলা হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শফিউল্লাহ মিয়া উপজেলার মৌলভীপাড়া গ্রামের মরহুম হাবিবুল্লাহ ওরফে মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কমান্ডার (পিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায, ঈদের ছুটিতে গত ২৮ মার্চ বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ছুটি শেষে শুক্রবার কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল শফিউল্লাহর। শুক্রবার ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন তিনি।

এ সময় দেলদুয়ার সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি ভেঙে শফিউল্লাহর মাথায় পড়ে। এরপর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শোয়েব আহমেদ বলেন, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন শফিউল্লাহ। শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পরে হাঁটতে বের হন। হাঁটার একপর্যায়ে হাসপাতালের সামনে এলে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান