বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

রুচির দুর্ভিক্ষ: একটি মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

রুচির দুর্ভিক্ষের কথাটা প্রথম বলেছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সেই ৭০ দশকের গোড়ার দিকে। তার কথায়‘ এখন তো চারিদিকে রুচির দুর্ভিক্ষ! একটা স্বাধীন দেশে সুচিন্তা আর সুরুচির দুর্ভিক্ষ! এই দুর্ভিক্ষের কোন ছবি হয়না।’ শিল্পাচার্যের সেই কথাটি নতুন করে উঠে এসেছে কিংবদন্তী নাট্যকার, অভিনেতা মামুনুর রশিদের কথায়। তিনি বলেন আমরা নতুন করে রুচির দুর্ভিক্ষে মধ্যে পড়ে গেছি। আর সেখান থেকেই হিরো আলমদের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা, ও অপসংস্কৃতির উত্থান। সামগ্রিক ভাবে তিনি বোঝাতে চান এই সমস্যা একদিকে যেমন রাজনৈতিক অন্যদিকে সাংস্কৃকিতও।

সাম্প্রতিক সময়ে শব্দটা নিয়ে দেশের মানুষ মনে হচ্ছে বহুদা বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একদল সুরুচির পক্ষে আরেকদল এই পরিস্থিতি মানতে নারাজ বলা যায় বিপক্ষে। দুর্ভিক্ষ বলতে যদি সীমাহীন অভাবকে বোঝায় তাহলে ৭০ দশকের শিল্পাচার্য জয়নুলের হাত ধরে এই আলোচনা নতুন করে সামনে আসাটা প্রাসঙ্গিক। চারিদিকে বহুমুখি দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে আপাত দৃষ্টিতে বিষয়টি সরল মনে হলেও এই পতনমুখী সমাজে এটা একদিনে তৈরি হয়নি। এটা তৈরি করেছি আমরা; সস্তা জনপ্রিয়তা আর আকাশ সংস্কৃতির কবলে এই উত্থানের পিছনে আমাদের অবদানও কম নয়। হিরো আলম, মাহফুজুর রহমান, ছিদ্দিক চোর সমাজের এক একজন ট্রাজিক হিরো। সুরুচি আর কুরুচির মধ্যে এক নতুন রসিকতা। ঘটনার আরেকটু পিছনে গেলে আমরা দেখি শব্দটা নাট্যকের মামুনুর রশিদ যে কথা বলেছেন সেটা পুরনো কথার পুরনাবৃত্তি। তাহলে চরম সত্য হলো এই হক কথা নিয়ে এতো হইচই কেন? উত্তর একটাই সেটা চিন্তা ও রুচির দুর্ভিক্ষ। এই চরম সত্য স্বীকার করার মত মানুষের অভাব। এ প্রসঙ্গে হুমায়ুন আজাদের উক্তিটিই বেশি প্রাসঙ্গিক বলে মনে হয়। ‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’ আর সব কিছু দখল নেয়ার জন্য রুচিশীল হওয়াটা বিভ্রান্তিকর, ধূয়াশাচ্ছন্ন ছাড়া আর কিছুই নয়। সমকালে এই উক্তি ছিল সকল অরুচির বিরুদ্ধে এক নতুন চপেটাঘাত। আজ হতে অর্ধশত বছর পুর্বেই যদি দেশে রুচির দুর্ভিক্ষের অস্তিত্ব দেখতে পায় তাহলে বলতে দ্বিধা নেই আজ সেটা মহামারীতে রুপ নিয়েছে।

বহুভাষাবিদ ডক্টর মুহাম্মদ শহিদুল্লাহর বয়ানও এখানে উল্লেখ না করলেই নয়। ‘যে দেশে জ্ঞানের কদর হয়না সে দেশে কোন জ্ঞানীর জন্ম হয় না’। মোসাহেবী প্রবণতা, তৈলমর্দন, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব ও সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটা শ্রেণি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকারের রাজনীতিতে অংশ নিয়ে সমাজের সমীহ আদায় করে নিয়েছে। যেখানে অপেক্ষাকৃত রুচিশীলরা রয়ে গেছে আড়ালে। যেখানে জ্ঞানীদের থেকে তথাকথিত স্বল্পবুদ্ধিসম্পন্ন ধনীদের কদর বেড়েছে সেখানে তালমেলাতে না পেরে বিলিন হয়ে গেছে ডাইনোসারের মত। বাংলাদেশ জন্মের পরবর্তী দর্শকগুলোতে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় উত্থান পতনের ডামাডোলে পড়ে মধ্যবিত্তরা যেমন দাঁড়াতে পারেনি, হয় উচ্চবিত্ত না হলে নিম্নবিত্তের ভিতর বিলীন হয়ে গেছে। তেমনি রুচিশীলরা কোথাও টিকতে পারেনি, পৃষ্ঠপোশকতার অভাবে সংখ্যায় কমতে কমতে তারা লীন হয়েছে সর্বত্রই। এখানে একপক্ষ সংগঠিত হয়েছে অন্যপক্ষ উজাড় হয়েছে। এই সময়ে তারা হয়েছে উপেক্ষিত, বঞ্চিত, শোষিত, এবং নিগৃহীত। মেধা, মননে আর চিন্তায় তারা যতটুকু বিকশিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে যতটুকু আত্মিক উন্নতি করতে পেরেছে তথাকথিত অন্যরা তার চাইতে বেশি করেছে। তাদের পতন জানান দিয়েছে দুর্ভিক্ষের, সেটা এখনো চলছে অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় বেড়েছে বৈ কমেনি। প্রতিভাবানরা দেশে নিজেকে সামাজিক রাজনৈতিক কারণে মেলে ধরতে পারেনি, দেশ ছেড়েছে। রয়ে গেছে রুচিহীনরা সংখ্যায়, জনসংখ্যা বৃদ্ধির মত তারাই বেড়েছে। ফুলে ফেপে উঠেছে সর্বত্র, এখন তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ, বাকিরা সংখ্যালঘু । কাজেই এমন চিৎকারে তারা সংঘটিত হবে, সরব হবে সেটা বলাই যাই। আর এই রুচির দুর্ভিক্ষের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র, শিক্ষা, রাজনীতি, অর্থনীতি চিন্তাই মননে নিরব দুর্ভিক্ষের প্রবণতা বাঙালি ব্যতীত অন্য জাতির ভেতর কতটুকু আছে সেটা ভাববার বিষয়। হিরো আলম, ছিদ্দিক চোরদের উত্থান পর্বে প্রমোট করে এখানে টেনে আনাটা আসমানে থু-থু মারার ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে একদিকে রুচিহীনদের দৈাড়ঝাঁপ অন্যদিকে সেই স্রোতে টিকতে না পেরে রুচিশীলদের মুখ লুকিয়ে বেঁচে থাকার আপ্রাণ প্রচেষ্টা, এমন চলতে থাকলে এই দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে প্রথমে মানুষের মননে ক্যান্সার পরে মহামারী ছড়িয়ে পড়বে সে কথা বলাই যায়। আর এভাবেই এই দুর্ভিক্ষ ক্রমান্বয়ে ছড়িয়ে পড়বে দেশ হতে দেশান্তরে।

 

প্রাবন্ধিক, গল্পকার ও শিক্ষা গবেষক

 

ডিএসএস/ 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী