সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

স্মৃতি কথা

হ্যালো, আঙ্কেল শুনছেন?
লোকটি পেছনে ফিরে তাকিয়ে দেখলো একটি মেয়ে তাকে ডাকছে। পেছনে ফিরে বললো, জ্বী বলুন।
মেয়েটি অনেকটা রাগী চেহারায় বললো আপনাকে অনেকক্ষণ ধরে ডাকছি। শোনেন না কেন?
লোকটি বললো আসলে খেয়াল করিনি। নিজ মনে হাটছি তো তাই।

লোকটির পরিচয় তার নাম রাকেশ। বয়স পঞ্চাশের কোটায়। ক'দিন ধরেই শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছেন তিনি। কিছু খেতে পারছেন না। খেতে গেলেই অরুচি আসে। অন্যদিকে শ্বাসকষ্ট রোগটাও অযাচিতভাবে বেড়ে গেছে। রাকেশের এই রোগগুলো অনেক আগে থেকেই ছিল। তখন নিয়ন্ত্রণেই ছিল। এখন বয়সটাও বেড়েছে আর রোগগুলো প্রতিকারে রাকেশ খুব বেখেয়ালি হয়ে উঠছে।

রাকেশ: কিছু বলবে?
আগন্তুক: হুম। বলার জন্যই তো ডাকছি। নয়তো এমনি এমনি পেছন থেকে ডাকি। নিজ মনে হাটছেন তাই বলে আশেপাশে দেখবেন না। আমি ডেকে তো মরার দশা।

রাকেশ মনে মনে বলছে, বুঝলো মেয়েটা তারর প্রতি অনেক রেগে আছে। শাসন করছে। বড় যেমন ছোটদের শাসন করে ঠিক তেমন। কিন্তু এখানে বিপরীত কিছু ঘটছে। হঠাৎ রাকেশের মনে হলো শাসন করার ভঙ্গিমাটা তার পরিচিত কোনো মানুষের। এ মুহূর্তে মাথায় আনতে পারলো না। কিছুটা অবাক হয়েই তার কথায় আবার মনোযোগ দিল।

আগন্তুক: আপনার বইটা ওষুধের দোকানে ফেলে এসেছেন। এই ধরুন।
রাকেশ: ওহ তাই তো। ধন্যবাদ তোমাকে।
আগন্তুক: শুধু ধন্যবাদ দিয়ে এতক্ষণের শ্রম দূর হবে? চলুন একটা কফি খাওয়াবেন।
রাকেশ: তাহলে সামনের রেস্টুরেন্টে বসা যাক ।

রেস্টুরেন্টে বসে দুইটা কফি দিতে বললো রাকেশ। কফি খেতে খেতে মেয়েটার সাথে কথা হয় রাকেশের। মেয়েটার নাম মিনু মিত্র। মিনু সপ্তম শ্রেণিতে জেলা গার্লস স্কুলে পড়াশোনা করে। অনেক স্মার্ট, বুদ্ধিমতি, পড়াশোনায় ক্লাসের ১ম। খেলাধুলাতেও পিছিয়ে নেই। ক্রিকেট টিমেও নাকি নাম আছে।

রাকেশ লক্ষ্য করে মিনুর কফি খাওয়ার ধরন পরিচিত এক মানুষের মতো। আলতো করে দুই হাতে কফির কাপটা চেপে ধরে ফুদিয়ে দিয়ে কফিটা ঠান্ডা করে কেমন শব্দ করে যেন কফিতে চুমুক দেয়। এই মুহূর্তে মনে করতে পারলো না রাকেশ। মিনু জানালো তার বাবা গোপাল চন্দ্র বর্মণ সরকারি অফিসে চাকরি করেন। মা শহরের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।

রাকেশ: মিনু, তুমি অনেক ভালো মেয়ে। আজকে তাহলে উঠি। সময় হলে তোমার বাবা-মাসহ বাসায় ঘুরতে এসো। এদিকের রহমান গলির ২৭ নং বাড়িতে থাকি। রাস্তা চেনো তো।
অনেকটা চঞ্চলতায় মিনু বলে উঠলো, রাস্তা এবং বাড়ি না জানলেও খুঁজে বের করে নিতে পারবো। শুধু বলুন কোন সময় গেলে আপনাকে পাওয়া যাবে।
মিনু: একটা কথা বলি, আপনার এই বইটি ‘চিতা বহ্নিমান’ আমার মায়ের কাছেও আছে।

মিনু অনেক বকবক করে। রাকেশের তাতে বিরক্ত বোধ হয়নি। সেদিন মিনু চলে যায়। রাকেশও বাসার দিকে চলতে শুরু করে। দশ মিনিট বাদে বাসায় পৌঁছে গেল রাকেশ। তখন দুপুর গরিয়ে গেছে। দুপুরের খাবার খেয়ে বিশ্রামের সময়। ওষুধগুলো টেবিলে রেখে ফ্রেশ হতে যায় রাকেশ। দুপুরের খাবার খাবে না বলে সিদ্ধান্ত নিল রাকেশ। তাই শিবুকে বললো খাবার গুলো তুলে রাখতে।

রাকেশ একা মানুষ। বিয়েও করেনি। পাশে থাকার মতো শুধু মা আনন্দময়ী ছিল। দুই বছর হলো তিনি পরলোক গমন করেছেন। বাসায় এখন রাকেশকে দেখভাল করার জন্য শিবু আছে।

বিকালে বেলকনিতে চেয়ারে হেলান দিয়ে শিবুকে চা দিতে বলে রাকেশ। রাকেশ চেয়ারে বসে বাইরের প্রকৃতিকে দেখছে। দেখতে দেখতে টেবিলে একটা চিঠি দেখতেই মৃন্ময়ীর কথা মনে হলো তার। চিঠিটার উপরটা সুন্দর নকশা করা। তবে এটা হাতের বানানো নয়। একসময় পদ্মরাগ নামে আগে চিঠি আসতো। খামের উপরে ফুলের নকশায় লেখা থাকতো তোমার প্রিয় ‘পদ্মরাগ’।

অনেক বছর কেটে গেছে। তার কথা ভুলে গেছে প্রায়। সে কোথায় আছে? কি করছে? রাকেশ কোনো কিছুতেই খেয়াল রাখেনি। সর্বশেষ চিঠিতে বিয়ের খবরটা শুধু পেয়েছিল। পাত্র একজন সরকারি চাকরিধারী মানুষ। কিন্তু বিয়ের পর আর খোঁজ খবর নেওয়া হয়নি। স্মৃতিগুলো আজ স্মৃতিই হয়ে আছে।

মৃন্ময়ীর সাথে রাকেশের পরিচয়টা ছিল ভিন্ন রকমভাবে। একটা অজানা ফোন কল থেকে পরিচয়। কোনো এক রাতে প্রায় পৌঁনে বারটা। ঘুমাতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। হঠাৎ ফোনটা ভাইব্রেশন হতে থাকে। এতো রাতে রাকেশকে কেউ ফোন দেওয়ার কথা নয়। ফোনটা রিসিভ করি। ওপাশ থেকে একটি ছোট বাচ্চার আওয়াজ পাওয়া গেল।
আঙ্কেল, আঙ্কেল আপনি রাকেশ বলছেন?
রাকেশ: হুম আমি রাকেশ বলছি।
আগন্তুক: আপনার সর্বশেষ যে লেখাটি বেরিয়ছিল সেটি সত্যি অনেক ভালো হয়েছে। রাকেশের শেষ লেখা ছিল ‘সুজাতার কথা’। আমি আপনার লেখা নিয়মিতই পড়ি। আপনার লেখায় জাদু আছে।

গলার আওয়াজ থেকে রাকেশের মনে হলো, যে কথা বলছে তা সে ছয় থেকে সাত বছর বয়সের হবে। পরে বুঝতে পারে ছোট্ট মেয়েটি নিজে থেকে সব বলছে না। পাশে থেকে কেউ একজন বলছে।
আর সে ব্যক্তিটি হলো পদ্মরাগী মৃন্ময়ী....।

লেখক: স্বজন কুমার রায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

আরএ/

Header Ad
Header Ad

নওগাঁয় আকাশ থেকে পড়ল বিরল আকৃতির শীলা, আতঙ্কিত এলাকাবাসী

নওগাঁয় আকাশ থেকে পড়ল বিরল আকৃতির শীলা। ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর আত্রাইয়ে সন্ধ্যার আকাশ থেকে বিরল আকৃতির শীলা এবং হালকা বৃষ্টি হয়েছে,যা এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

রোববার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় হঠাৎ শুরু হওয়া শীলাবৃষ্টির সঙ্গে মিশে ছিল ছোট ছোট বরফখণ্ড (শীলা), যা প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট ধরে আত্রাইয়ের সাহেবগঞ্জ,পাঁচুপুর ও আহসানগঞ্জ এলাকায় পরিলক্ষিত হয়।

অনেকেই এই দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন, বিশেষ করে শীলার আঘাতে টিনের ছাদে তীব্র শব্দে স্থানীয়রা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে উঠেন। তবে এতে কোনো প্রাণহানি বা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

শীলাবৃষ্টি একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, যা সাধারণত মৌসুম পরিবর্তনের সময় তীব্র গরমে বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তরে জলীয় বাষ্প জমে বরফে পরিণত হয়ে ভারী হয়ে পড়ে। স্থানীয় কৃষকরা তাদের ফসলের সম্ভাব্য ক্ষতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এদিকে,আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আত্রাই ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আগামী কয়েকদিনে আরও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে,তবে শীলা আবার হবে কি না তা নিশ্চিত করে বলা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতা জারি করেছে এবং জরুরি সহায়তার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক

ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতারা সোমবার (৭ এপ্রিল) ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা এই কর্মসূচির মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে গড়ে ওঠা বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ এবং এ ঘটনার বিরুদ্ধে সমবেদনা জানাতে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

রোববার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ‘গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ আন্দোলন’-এর দুই সংগঠক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং এ বি জোবায়ের দেশের প্রতিটি বিভাগে এই কর্মসূচি সফল করার জন্য আহ্বান জানান। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাবেক সভাপতি আবু সাদিক কায়েম নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ‘MARCH For Palestine’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, আগামীকাল বিকেল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংহতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিজের ফেসবুক পোস্টে ছাত্রনেতা এ বি জোবায়ের লিখেছেন, “আমাদের মজলুম গাজাবাসী ভাইবোনেরা আগামীকাল বিশ্বব্যাপী হরতালের ডাক দিয়েছেন। তারা গণহত্যা বন্ধের দাবিতে একযোগে বিশ্বের সব দেশে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, আদালত বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশেও আমরা ৭ এপ্রিল সারাদিনের জেনারেল স্ট্রাইক পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। আগামীকাল সবাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, অফিস-আদালত বন্ধ রাখুন। ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করুন। আসুন, বৈশ্বিক প্রতিবাদের অংশ হই। আওয়াজ তুলুন—Free, Free Palestine।”

সাদিক কায়েম তাঁর পোস্টে বলেন, “ইয়া গামযাহ! তোমাদের শাহাদাত ও লড়াইয়ের প্রতি আমাদের গভীর সংহতি। ইনশাআল্লাহ, শিগগিরই আমরা তোমাদের সংগ্রামে সরাসরি অংশ নেবো। গাজার প্রতি বৈশ্বিক সংহতির অংশ হিসেবে ৭ এপ্রিল ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানাই।”

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক রেজওয়ান আহমেদ রিফাত বলেন, “‘MARCH For Palestine’-এর আহ্বানে আগামীকাল দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিরুদ্ধে এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে রাজু ভাস্কর্যে বিকেল ৪টায় সংহতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্বজুড়ে ৭ এপ্রিল ফিলিস্তিনের পক্ষে হরতাল পালিত হবে। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের সামনে ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তাই সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়িয়ে আমাদেরও রাজপথে নামতে হবে, প্রতিবাদ জানাতে হবে। একটিও জীবন যেন অবহেলায় হারিয়ে না যায়—এই চেতনাতেই আমাদের কর্মসূচি।”

Header Ad
Header Ad

বিয়ের গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙল বিয়ে

বিয়ের গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি। ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরে একটি বিয়েবাড়ির গেটে বরপক্ষে প্রবেশের সময় পার্টি স্প্রে ছেটানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে কনে পক্ষের অনুরোধ সত্ত্বেও ফিরে গেছে বরপক্ষ।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরের জেলার ভাঙ্গা উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রোববার (৬ এপ্রিল) সকালে কনের বাবা সামেদ মাতুব্বর ভাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

জানা যায়, তিন মাস আগে মোবাইলে সামেদ মাতুব্বরের মেয়ে বর্ণা আক্তারের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী সদরপুর উপজেলার চরব্রহ্মনদী ভেন্নতুলী গ্রামের তৈয়ব মোল্লার ছেলে প্রবাসী নাঈম মোল্লার বিয়ে হয়। দুপক্ষ বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য দিন ধার্য করে।

মেয়ের বাড়িতে ১৩০ জন মেহমানের খাবার আয়োজন করা হয়। ছেলে পক্ষ এলে মেয়ের বাড়ির লোকেরা ছেলেকে গেটে আটকায়। সেখানে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সেটি সংঘর্ষে পরিণত হয়। এতে কনের বাবাসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে নববধূকে না নিয়েই ফিরে যান জামাই।

মেয়ের বাবা সামেদ আলী মাতুব্বর বলেন, গেটে দুপক্ষের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা স্প্রে করছিল। এর মধ্যে দুপক্ষের ছোট ছেলেমেয়েদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে বড়দের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় অনুষ্ঠানের চেয়ার টেবিল ও খাবার নষ্ট করা হয়। বরপক্ষের কাছে ক্ষমা চেয়েছি কিন্তু তারা মেয়েকে না নিয়ে চলে যায়।

বর নাঈম মোল্লা বলেন, ছয় বছর প্রবাস জীবন খেটে বিয়ে করার জন্য এসেছি বাংলাদেশে। কীভাবে কী হয়ে গেল বুঝতে পারলাম না। আমার এক চাচাকে কনেপক্ষরা মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত হবে বলে আমাকে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রাখে। পরে চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি তাদের হেফাজতে আমাদেরকে পার করে দিয়েছে।

ভাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রজিৎ মল্লিক বলেন, মেয়ের বাবা সামেদ আলী মাতুব্বর একটি অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

নওগাঁয় আকাশ থেকে পড়ল বিরল আকৃতির শীলা, আতঙ্কিত এলাকাবাসী
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক
বিয়ের গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙল বিয়ে
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যায় ছাত্রদলের নিন্দা ও কর্মসূচি ঘোষণা
দপ্তর হারালেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব নিজাম উদ্দিন
বাংলাদেশে ব্যবসা করার অনুমোদন পেল স্টারলিংক
শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প ও মার্কিন প্রশাসনকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ: প্রেস সচিব
দর্শনায় পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়নে এডিবির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন
ফেসবুকে নির্বাচনের কথা লিখলে সংঘবদ্ধ গালি শুরু হয়ে যাচ্ছে: ইশরাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদ: ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ডাক
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের প্রভাব সামাল দেওয়া কঠিন হবে না: অর্থ উপদেষ্টা
বিদেশি শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক বুধবার
এসএসএফের সাবেক ডিজি ও তার স্ত্রীর ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
আওয়ামীপন্থি ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ, ৯ জনের জামিন
গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে সোমবার দেশবাসীকে রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
ইতিহাস সৃষ্টি করে মার্চে এলো ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
দুদকের সাবেক অ্যাম্বাসেডর থেকে আসামি হতে যাচ্ছেন সাকিব!
গাজায় ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে মরদেহ উড়ছে আকাশে! (ভিডিও)
মা হারালেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ
‘দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দিতে পারেননি বলেই টিউলিপ পদত্যাগ করেছেন’