বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন: লাভ-ক্ষতির রাজনীতিতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলসমূহ

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন, বিশেষত সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের বিষয়টি ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক আলোচনায় উঠে এসেছে। আনুপাতিক নির্বাচনের পক্ষে ইসলামী দলসহ বিভিন্ন ছোট-বড় রাজনৈতিক দল থাকলেও বিএনপি এর বিরোধিতায় অটল রয়েছে। এ বিষয়ে দলগুলোর ভিন্নমত থাকার পাশাপাশি তাদের নিজ নিজ ভোটের কৌশল ও লাভ-ক্ষতির হিসাব কষছেন অনেকে। প্রশ্ন হলো, নতুন এই পদ্ধতিতে কোন দল লাভবান হবে আর কোন দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে?

আনুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি কী?
বর্তমানে বাংলাদেশে ৩০০ আসনের জন্য ভোটাররা সরাসরি প্রার্থী নির্বাচন করেন। কিন্তু সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে একটি দল মোট ভোটের অনুপাতে আসন পাবে। অর্থাৎ, জনগণের সরাসরি ভোটে কোনো প্রার্থী নির্বাচিত হবেন না। যদি একটি দল ৪০ শতাংশ ভোট পায়, তবে তারা সংসদে ৩০০ আসনের মধ্যে ৪০ শতাংশ আসন পাবে। অনেকের মতে, এটি গণতন্ত্রের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটাবে, কিন্তু তাতে বিজয়ী দলের আসন সংখ্যা কমে আসবে এবং ছোট দলগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি আসন পাবে।

আওয়ামী লীগ-বিএনপির সম্ভাব্য ক্ষতি: পাশ্চাত্যের উদাহরণে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন বড় দলগুলোর আসন সংখ্যা কমায়। বাংলাদেশের বড় দুটি দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রচলিত নির্বাচনী পদ্ধতিতে ভোটের তুলনায় বেশি আসন পেয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০০১ সালে বিএনপি ৪০.৮৬ শতাংশ ভোট পেয়ে সংসদে ১৯৩টি আসন পেয়েছিল। কিন্তু সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে তাদের আসন সংখ্যা ১২৩-এ নেমে আসত, এবং আওয়ামী লীগ প্রায় সমান আসন পেত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তন বড় দলগুলোর জন্য এককভাবে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া কঠিন করে তুলবে।

জামায়াত ও ইসলামি দলগুলোর আশা: সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির সবচেয়ে জোরালো সমর্থন এসেছে জামায়াতে ইসলামী থেকে। দলটির আমির ড. শফিকুর রহমান বলেন, "সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন দেশের জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করবে। এটি কোনো নির্দিষ্ট দলের জন্য নয় বরং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।" অনেকে মনে করছেন, সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে জামায়াত ও অন্যান্য ইসলামি দলগুলোর ভোটের অনুপাতে সংসদে আসন পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে, যা তাদের রাজনৈতিক অবস্থান সুদৃঢ় করতে পারে।

ছোট দলগুলোর চ্যালেঞ্জ ও সুবিধা: অনেক ছোট দল, যেমন সিপিবি, গণসংহতি আন্দোলন, এবি পার্টি এবং গণঅধিকার পরিষদ সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের সমর্থন দিচ্ছে। ছোট দলগুলোর আঞ্চলিক প্রভাব থাকলেও জাতীয় পর্যায়ে ভোট কম হওয়ায় বর্তমান পদ্ধতিতে তাদের সফলতা কম। গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক বলেন, “সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। এতে সরকার এককভাবে কর্তৃত্বপরায়ণ হতে পারবে না।”

বিএনপির বিরোধিতার কারণ: বিএনপি বলছে, বাংলাদেশে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি নেই। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন চালু করতে হলে পুরো রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনতে হবে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, এর মাধ্যমে দেশের শাসনক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া জটিল হয়ে উঠতে পারে এবং উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ এবং অন্যান্য দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি: আওয়ামী লীগ তাদের ভোট ব্যাংক নিয়ে আত্মবিশ্বাসী থাকলেও সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে অংশ নিলে লাভ-ক্ষতির হিসাব মেলাতে হবে। গণ অধিকার পরিষদ এবং জামায়াতের মতানুসারে, আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করাই উত্তম। তারা মনে করেন, দেশের বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক সমাধান হতে পারে।

সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ স্পষ্ট। নতুন নির্বাচন পদ্ধতি চালু হলে ছোট দলগুলো সুবিধা পাবে বলে ধারণা করা হলেও বিএনপির মতো দল এর বিরোধিতা করছে। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে মতভেদ থাকা সত্ত্বেও জনগণের প্রকৃত ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের পক্ষের দাবি বেশ শক্তিশালী। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ প্রস্তাব বাস্তবায়নে কতটা আগ্রহী, সেটি এখনও নিশ্চিত নয়। সূত্র: বিবিসি বাংলা

Header Ad

‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে’: প্রধান উপদেষ্টা

ফাইল ছবি

জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, জুলাই-আগস্ট ছাত্র জনতার বিপ্লবের মধ্যে দিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছি। এ নতুন দেশে আমাদের দায়িত্ব সকল মানুষকে এক বৃহত্তর পরিবারের বন্ধনে আবদ্ধ করা। কেউ কারো উপরে না, আবার কেউ কারো নিচেও না, এই ধারণা আমরা আমাদের জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।

তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সুযোগ ছাত্র-জনতার সাহস ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে সম্প্রতি আমরা অর্জন করেছি, সেটাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী ভবিষ্যৎ গড়তে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ, আহত এবং জীবিত ছাত্র-জনতার কাছে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকতে চাই। যে সুযোগ তারা আমাদের দিয়েছে, তার মাধ্যমে আমাদের দেশকে পৃথিবীর সামনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী দেশে পরিণত করতে আমরা শপথ নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ছাত্র আন্দোলনে জীবন উৎসর্গ করে যারা দেশ গঠনের সুযোগ করে দিয়েছে জাতি তাদের সারা জীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।

বক্তব্য শেষে সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধান উপদেষ্টা। পরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

Header Ad

নওগাঁ শহরে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিশেষ অভিযান শুরু

ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁ শহরে যানযট নিরসন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, পৌর কর্তৃপক্ষ ও রিকশা মালিক-শ্রমিকদের যৌথ উদ্যোগে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এতে শহরে শৃঙ্খলা ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) অভিযানের উদ্বোধন করেন নওগাঁ পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক টি.এম.এ মমিন। এ সময় নওগাঁ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জিয়া উদ্দিন, নওগাঁ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন, নওগাঁ জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আফজাল হোসেন ও অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শুরুর পর থেকেই শহরের বরুনকান্দি, মশরপুর, তাজের মোড় ও কালীতলাসহ মোট ৮ টি প্রবেশদ্বারে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। চেক পোষ্টগুলোতে ২ জন পুলিশ সদস্য, ২ জন ছাত্র সমন্বয়ক, ৪ জন রোভার স্কাউট সদস্য ও ২ জন রিকশা মালিক শ্রমিক প্রতিনিধিসহ মোট ১২ জন করে কাজ করছেন।

পৌর প্রশাসক জানান, নওগাঁ শহরে বৈধ যানবাহনের সংখ্যা ৪ হাজার। কিন্তু প্রতিদিন পার্শবতী বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ১০ হাজার রিকশা, ব্যাটারী চালিত অটো রিকশা ও ইজিবাইক শহরে প্রবেশ করে। এতে তীব্র যানযট ও জন মানুষের ভোগান্তি তৈরী হয়। এই দূর্ভোগ লাঘোবে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল আউয়াল ও পুলিশ সুপার কুতুব উদ্দিনের দিক নির্দেশনায় যানবাহন নিয়ন্ত্রনসহ বিশেষ অভিযানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। বৈধ চালকদের চিহ্নিত করতে তাদের মাঝে পরিধেয় বিশেষ ধরনের জ্যাকেট প্রদান করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

নওগাঁর পুলিশ সুপার কুতুব উদ্দিন বলেন, নওগাঁ শহরের যানযট দীর্ঘদিনের সমস্যা। পরিকল্পিত ভাবে এই সমস্যা দূর করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের উদ্যোগে পৌর কর্তৃপক্ষ ও রিকশা মালিক শ্রমিক নেতৃবৃন্দদের সমন্বয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন ষ্টেক হোল্ডারদের পরামর্শ নিয়ে একটি কর্ম পরিকল্পনা গ্রহক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল আউয়াল বলেন, অভিযান সফল ভাবে বাস্তবায়ন হলে শহরে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। জনগন এর সুফল পাবেন। সকলকে এই কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদানের আহবান জানান তিনি।

Header Ad

২০২৬ সালের মাঝামাঝিতে নির্বাচন হতে পারে: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

বক্তব্য রাখছেন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি নির্বাচন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের নৌ পরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডক্টর এম সাখাওয়াত হোসেন।

সম্প্রতি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব লর্ডসে মানবাধিকার সংগঠন ‘ভয়েস ফর বাংলাদেশ’ আয়োজিত সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

‘ডিসকাশন অন ডেমোক্রেটিক কলাপ্স অ্যান্ড রিবিল্ডিং অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই সম্মেলনে হাউস অব লর্ডসের সিনিয়র সদস্য আলেক্সান্ডার চার্লস কার্লাইল কিউসি সভাপতিত্ব করেন। ভয়েস ফর বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্রডকাস্টার আতাউল্লাহ ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এম সাখাওয়াত হোসেন।

সম্মেলেনে সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী পল স্কালি বলেন, বাংলাদেশে যে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে, তার সঠিক তদন্ত শেষে যথাযথ বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে করে এ ধরনের ঘটনার পুররাবৃত্তি না হয়।

লর্ড হোসাইন বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সব সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে সব ধরনের সহায়তা পাবে।

সম্মেলনে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান লেবার দলীয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি রুপা হক।

Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে’: প্রধান উপদেষ্টা
নওগাঁ শহরে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিশেষ অভিযান শুরু
২০২৬ সালের মাঝামাঝিতে নির্বাচন হতে পারে: উপদেষ্টা সাখাওয়াত
সেনাকুঞ্জে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত ৫ জনকে রোবটিক হাত উপহার
সেনাকুঞ্জের পথে খালেদা জিয়া
সুযোগ পেলে শেখ হাসিনার পক্ষে মামলায় লড়ব: জেড আই খান পান্না
নির্বাচন কমিশন গঠন, সিইসি হলেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব নাসির উদ্দীন
ডিএনএ টেস্টের ফলাফল: ভিনিসিয়ুসের পূর্বপুরুষ ছিলেন ক্যামেরুনের
জামিন পেলেন সাংবাদিক শফিক রেহমান
বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে আসা সেই শাহজাহান ওমর গ্রেপ্তার
মিরপুর ও মহাখালীতে অটোরিকশা চালকদের সেনাবাহিনীর ধাওয়া
‘শেখ হাসিনা এখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’, এমন কথা বলেননি ট্রাম্প
লেবাননে ৮ শতাধিক ইসরায়েলি সেনা নিহত
ভারতে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরল ২৪ বাংলাদেশি কিশোর-কিশোরী
ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ করে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের বিক্ষোভ
গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আরও ৮৮ ফিলিস্তিনি নিহত
সাবেক এমপি শাহজাহান ওমরের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
১২ বছর পর সেনাকুঞ্জে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া
ধামরাইয়ে শ্রমিকবাহী বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪