রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ ন্যাপের

অবিলম্বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে আনা, দেশে পূর্ণ রেশনিং ব্যবস্থা চালু ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাপ।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, যেকোনো অজুহাতে দেশে ভোগ্যপণ্যের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। তেল, চাল, ছোলা, গমসহ বিভিন্ন পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত দেশে থাকার পরেও দাম বেড়েই চলেছে। টিসিবির ট্রাকে দীর্ঘ হচ্ছে মানুষের লাইন। একটু কম দামে পণ্য কেনার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও মানুষ খালি হাতে ফিরছে।

নেতেৃদ্বয় বলেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের অজুহাতে ভোগ্যপণ্যের দাম আরও কয়েক দফা বেড়েছে। অথচ এ যুদ্ধের প্রভাব দেশে উৎপাদিত পণ্যে বা বেশিরভাগ ভোগপণ্যে পড়ার কথা নয়।

তারা আরও বলেন, কয়েকটি সিন্ডিকেট কারসাজি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে গরিব মেহনতি মানুষের পকেট কাটছে। সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। খরচ কমিয়েও প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য কিনতে পারছে না সাধারণ মানুষ। দাম বৃদ্ধি এখন যে পর্যায়ে আছে তা সাধারণের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এরপর মধ্যবিত্তের পক্ষেও আর প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য কেনা কঠিন হবে। শুধু উচ্চবিত্তরা কিনে খেতে পারবে। এ অবস্থায় সিন্ডিকেটের লাগাম না টানার ফলে চলতি রমজানে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

নেতৃদ্বয় বলেন, শ্রমজীবী-মেহনতী মানুষের জীবন ধারণের ন্যূনতম যোগান দিতে সারা বছরের জন্য পূর্ণ রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। তা না হলে বছরের একেক সময় একেক পণ্যের দাম বাড়িয়ে সিন্ডিকেট মানুষকে জিম্মি করবে। পূর্ণাঙ্গ রেশনিং ব্যবস্থাই পারে এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে।

তারা বলেন, অনুগ্রহ করে যেকোনো একটা শ্রমিকের বাড়িতে যান। তার দুপুরের খাবারটা দেখেন, কতটুকু খাবার আছে। আজ শ্রমিকের যদি অন্ন (খাবার) না জোটে, কল-কারখানা টিকে থাকবে না, দেশ টিকে থাকবে না। আজকে যদি কৃষক তার উৎপাদন না করে, তবে এই দেশ মানচিত্রে সীমিত হয়ে যাবে।

এমএইচ/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প ও মার্কিন প্রশাসনকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ: প্রেস সচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ বা পাল্টা শুল্ক আরোপের প্রেক্ষিতে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে দুটি চিঠি পাঠানো হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে একটি চিঠি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে এবং বাণিজ্য উপদেষ্টার পক্ষ থেকে একটি চিঠি ইউএসটিআরের কাছে পাঠানো হবে।

রবিবার (৬ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের একটি বিশেষ বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা জানান। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অন্তত আরও ৩ মাস যেন আগের মতোই ১৫ শতাংশ শুল্ক দিয়ে পণ্য রফতানি করা যায়, তার অনুরোধ জানানো হবে চিঠিতে।

শফিকুল আলম বলেন, দুটি চিঠির একটি পাঠাবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চিঠিটি দেবেন। অপর চিঠিটি বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন পাঠাবেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির (ইউএসটিআর) অফিসে।

তিনি বলেন, এই চিঠিতে বাংলাদেশ সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রফতানি সহজ করার জন্য কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে ও নেবে এবং বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহজ করার জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তার কৌশলগুলো তুলে ধরা হবে।

প্রেস সচিব বলেন, চিঠিতে যাই থাকুক, সেটা আমাদের ব্যবসাবান্ধব হবে। আমাদের বাংলাদেশের ব্যবসার স্বার্থ দেখা হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে কম্পিটিটিভ যেসব দেশ আছে তাদের চেয়ে আমরা আরও ব্যবসাবান্ধব হবো, যাতে ইউএসএ এবং আমাদের জন্য উইন উইন সিচুয়েশন হয় এবং আমাদের জন্য মার্কেট এক্সেসটা আরও বাড়ে।

বৈঠকে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান, বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি রুবানা হক, ফারুক হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তপন চৌধুরী, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মো. হাতেমসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

দর্শনায় পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়নে এডিবির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন

দর্শনায় পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়নে এডিবির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়নে দর্শনা স্থল শুল্ক স্টেশন ও জয়নগর আইসিপি এলাকা পরিদর্শন করেছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ( এডিবি)'র উচ্চ পর্যায়ের টিম। রবিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে দর্শনা কাস্টমস শুল্ক স্টেশন ও বন্দর এলাকা পরিদর্শন করে ৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন- প্রধান আঞ্চলিক সহযোগিতা বিশেষজ্ঞ এবং মিশন নেতা, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও ইন্টিগ্রেশন ইউনিট, দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ মাসাতো নাকানে, সিনিয়র প্রকল্প কর্মকর্তা (পরিবহন), পরিবহন সেক্টর অফিস হুমায়ন কবির, প্রকল্প প্রস্তুতি বিশেষজ্ঞ (আন্তর্জাতিক), ব্যক্তিগত পরামর্শদাতা এডিবি কাজী মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম, ডেপুটি কমিশনার, এনবিআর এবং ব্যক্তিগত পরামর্শদাতা, এডিবি, মো. মেরাজুল আলম সম্রাট এবং দর্শনা শুল্ক স্টেশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার আব্দুস সাত্তারসহ রেভিনিউ ও সহকারী রেভিনিউ কর্মকর্তাগণ, বিজিবির দর্শনা আইসিপি কমান্ডার জাকির হোসেন, ইমিগ্রেশন অফিসার রমজান আলী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ভারতের গেদে ল্যান্ড পোর্ট সোসাইটির মুখ্য পরামর্শদাতা সুব্রত সাহা, দর্শনা স্থলবন্দর বাস্তবায়ন কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক সাংবাদিক রেজাউল করিম লিটন, আশরাফুল হক উলুম, হাজী নজরুল ইসলাম, পলাশ আহমেদ প্রমুখ।

দর্শনা পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়ন প্রজেক্টের পরিকল্পনা সম্পর্কে সুযোগ-সুবিধা ও ভবিষ্যৎ দ্রুততার সাথে কার্যক্রম সম্পন্ন করার বিষয়ে তাগিদ দেন প্রতিনিধি দলটি। দর্শনা স্থলবন্দর প্রজেক্টের কার্যক্রম সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)'র অর্থায়নে সাউথ এশিয়ান সাবরিজিওনাল ইকোনমিক্যাল কো অপারেশন (সাসেক) প্রোগ্রামের অধীনে দর্শনায় নির্মিত হতে যাচ্ছে আধুনিক ল্যান্ড পোর্ট ও এনবিআর'র কাস্টমস হাউজ ও ট্রেনিং সেন্টার।

Header Ad
Header Ad

ফেসবুকে নির্বাচনের কথা লিখলে সংঘবদ্ধ গালি শুরু হয়ে যাচ্ছে: ইশরাক

বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী ইশরাক হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনের কথা ফেসবুকে লিখলে সংঘবদ্ধ গালি শুরু হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন।

রোববার (৬ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

ওই পোস্টে ইশরাক লেখেন, নির্বাচন ছাড়া পাতানো খেলায় হাসিনাও বছরের পর বছর ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিলো। আমরা সেই ২০১১ সাল থেকে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠ নির্বাচন এর আন্দোলন করে আসছি। নির্বাচনের কথা ফেসবুকে লিখলে সংঘবদ্ধ গালি শুরু হয়ে যাচ্ছে। গালিবাজদের বলতে চাই আরও ১০ লাখ গালি দিলেও কিছু যায় আসে না।

তিনি আরও লেখেন. দেশে ভোটারের সংখ্যা সাড়েবারো কোটি। ফেসবুক আমরা ব্যবহার করেছি খুনি হাসিনার নিয়ন্ত্রিত দালাল মিডিয়ার সময়ে আমাদের প্রচারণার জন্যে।পরামর্শ থাকবে গালি বিতরণের পাশাপাশি ভোটার সংগ্রহ করুন। হাসিনার মতো হুমকি ধামকি দিয়ে লাভ নাই।

ইশরাক লেখেন, আবারও বলবো, হাজার বার বলবো এই বছর নির্বাচন দিতেই হবে। আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার আমরা গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের মাধ্যমে অর্জন করবো ইনশাআল্লাহ। ভোটে জনগণ যাদেরকে দায়িত্ব দিক তাদেরকেই আমরা মেনে নিয়ে সহযোগিতা করব। আরও ২ লক্ষ গালির জন্যে অগ্রিম ধন্যবাদ। কিন্তু নির্বাচন কেও ঠেকাইতে পারবে না।

এরআগে গতকাল শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। যথাসময়ে জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নিব ইনশাআল্লাহ।সরকারে থাকা ছাত্র প্রতিনিধিদের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে; অন্যথায় নির্বাচনকালীন সময়ের অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হবে না।

ইশরাকের এই পোস্টের নিচে ব্যাপক নেতিবাচক মন্তব্য করেন ভক্তরা। এর প্রতিক্রিয়ায় আজ আবারও নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প ও মার্কিন প্রশাসনকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ: প্রেস সচিব
দর্শনায় পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়নে এডিবির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন
ফেসবুকে নির্বাচনের কথা লিখলে সংঘবদ্ধ গালি শুরু হয়ে যাচ্ছে: ইশরাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদ: ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ডাক
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের প্রভাব সামাল দেওয়া কঠিন হবে না: অর্থ উপদেষ্টা
বিদেশি শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক বুধবার
এসএসএফের সাবেক ডিজি ও তার স্ত্রীর ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
আওয়ামীপন্থি ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ, ৯ জনের জামিন
গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে সোমবার দেশবাসীকে রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
ইতিহাস সৃষ্টি করে মার্চে এলো ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
দুদকের সাবেক অ্যাম্বাসেডর থেকে আসামি হতে যাচ্ছেন সাকিব!
গাজায় ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে মরদেহ উড়ছে আকাশে! (ভিডিও)
মা হারালেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ
‘দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দিতে পারেননি বলেই টিউলিপ পদত্যাগ করেছেন’
মানিকগঞ্জে কার্টনবন্দি নারীর মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে
বিসিএসের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবিতে পিএসসির সামনে চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
নারী বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরু বুধবার, কঠিন পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ
কাল হোয়াইট হাউজে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
এরদোগানের দলে যোগ দিয়ে তুরস্কের রাজনীতিতে ওজিল
টাঙ্গাইলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত