বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

বিএনপির আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি কোটি টাকা

বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে মেনে না নিলেও দলের আয় ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে গেছে বিএনপি প্রতিনিধি দল।

এ সময় তারা এক পঞ্জিকা বৎসরের আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া বিবরণী থেকে জানা গেছে, আগের বছরের চেয়ে আয় ও ব্যয় কমলেও বিএনপি ২০২১ পঞ্জিকা বছরে আয়ের চেয়ে এক কোটি টাকার বেশি ব্যয় করেছে।

নির্বাচন কমিশনে দেওয়া আর্থিক প্রতিবেদনে গত বছরে বিএনপি আয় দেখিয়েছে ৮৪ লাখ টাকা। আর বছরজুড়ে ব্যয় করেছে ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, যা আগের জমা টাকা থেকে মেটানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে নির্বাচন কমিশনে বিএনপির বার্ষিক আর্থিক লেনদেনের নিরীক্ষা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আয়-ব্যয়ের এসব তথ্য জানান।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দলটির ২০২১ সালের আয় ও ব্যয় দুটোই আগের বছরের চেয়ে কমেছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব দলগুলোকে নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়।বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে ৩৯টি।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী পর পর তিন বছর দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

নির্বাচন ভবনে ইসি সচিবের কাছে নিরীক্ষা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর রিজভী জানান, ২০২১ সালে দলের আয় হয়েছে ৮৪ লাখ ১২ হাজার ৪৪৪ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে এক কোটি ৯৮ লাখ ৪৭ হাজার ১৭১ টাকা। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হয়েছে এক কোটি ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৭২৭ টাকা। দলটির আগের ব্যাংক স্থিতি থেকে এ অতিরিক্ত ব্যয় মেটানো হয়েছে।

দলীয় সদস্যদের চাঁদা, নমিনেশন ফরম বিক্রি, অনুদান, ব্যাংকের সুদ হিসাব থেকে দলের আয় আসে বলে আয়-ব্যয়ের হিসাবে দেখানো হয়েছে।

অপরদিকে অফিস স্টাফদের বেতন, বোনাস, ইউটিলিটি বিল, ত্রাণ সহায়তা, আহত নেতা-কর্মীদের সহযোগিতাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়।

কোভিড মহামারির প্রথম বছর ২০২০ সালে বিএনপির আয় হয়েছিল ১ কোটি ২২ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৯ টাকা। আর ব্যয় করে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৫২ হাজার ৫১৩।

বৃহস্পতিবার সংলাপে অংশ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের জানান, ‘(অডিট রিপোর্ট জমা) এটা রুটিন ওয়ার্ক। এটা নির্বাচন কমিশন অফিসে দিতে হয়। সংলাপ তো রাজনৈতিক বিষয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এই নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থাশীল নই। ইসি এখন পর্যন্ত যে কথাবার্তা দেখছি, সেটা একেবারেই সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে- এটা আমরা আশা করছি না। এটা তাদের আচরণের মধ্য দিয়ে দিয়ে প্রমাণ করছে।’

তিনি জানান, এ সরকারকে পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে হবে। এবং সেই সরকারের অধীনে যে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে, তার মাধ্যমে হতে হবে নির্বাচন।

ইসির কোনো আমন্ত্রণেই আসবেন না, বর্জন করে যাবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, ‘আমরা আজ এসেছি অডিট রিপোর্ট জমা দিতে। যদি ইসির আচরণ এরকম হয়, সে যদি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক্সটেনশন হিসেবে যদি ব্যবহার করেন, আগামী নির্বাচনগুলো যদি তার ইচ্ছা অনুযায়ী করতে চান এবং কর্মকাণ্ডের মধ্য যদি সেই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে; নিশ্চয়ই সে ইসি জনগণের আস্থাভাজন হবে না। সেই ইসির অধীনে তো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। নিশ্চয় আন্দোলন হবে।’

এসএম/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা

ছবি: সংগৃহীত

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। বাহিনীটিতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে জেলা পর্যায়ে একাধিক জনবল নেবে। আগ্রহী চাকরি প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ পুলিশ

পদের নাম: ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি)

পদসংখ্যা: জেলাভিত্তিক শূন্য পদ অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (ন্যূনতম জিপিএ-২.৫ থাকতে হবে)।

বয়সসীমা: ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে হতে হবে।

জাতীয়তা: বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক

বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত হতে হবে। তালাকপ্রাপ্ত গ্রহণযোগ্য নয়।

শারীরিক যোগ্যতা: মেধা কোটার ক্ষেত্রে পুরুষ প্রার্থীর উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের কোটার ক্ষেত্রে বিধি অনুসৃত হবে। নারী প্রার্থীর উচ্চতা মেধা কোটার ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের কোটার ক্ষেত্রে বিধি অনুসৃত হবে।

বুকের মাপ: মেধা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের কোটার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি।

ওজন: বয়স ও উচ্চতার সাথে ওজন অনুমোদিত পরিমাপের হতে হবে।

দৃষ্টিশক্তি: ৬/৬

আবেদন ফি: আবেদন ফরম পূরণের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যেকোনো টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে ৪০ টাকা জমা করতে হবে।

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী চাকরি প্রার্থী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আবেদনের শেষ সময়: ১৮ মার্চ ২০২৫।

Header Ad
Header Ad

সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: সংগৃহীত

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, দেশের প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহী সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারে সপ্তম ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’-এর অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করলেন।

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, ‘ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট ১৯৭১-এর পর থেকেই দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আগামীতে এই রেজিমেন্টেকে আরও আধুনিক ও সক্ষম করে গড়ে তোলা হবে।’

রেজিমেন্টের সব সদস্যের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন– সেনাসদর, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অনেকে।

এর আগে, রাজশাহী সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনাপ্রধান পৌঁছালে তাকে প্রচলিত সামরিক রীতি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অভিবাদন জানানো হয়। এরপর সেনাবাহিনীর প্রধানকে ‘কর্নেল র‍্যাংক ব্যাজ’ পরিয়ে দেওয়া হয়।

Header Ad
Header Ad

দেশ ও জাতির স্বার্থে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে: খালেদা জিয়া

বিএনপির বর্ধিত সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ছবি: সংগৃহীত

ক্ষুদ্র সংকীর্ণতা ভুলে দেশ ও জাতির স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল-সংলগ্ন মাঠে বিএনপির বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ আহ্বান তিনি।

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য থাকলেও জনগণের পাশে আছি। প্রতিশোধ-প্রতিহিংসা নয়, ভালবাসায় দেশ গড়তে হবে।

খালেদা জিয়া বলেন, দীর্ঘ ৬ বছর পর আপনার আবারও ফ্যাসিস্ট মুক্ত বাংলাদেশে একত্রিত হতে পেরেছেন। আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া আদায় করছি। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদের আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন এবং সম্প্রতি জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে শাসকদের নির্মম দমন-নীপড়নের কারণে গণহত্যায় শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আহতদের প্রতি জানাচ্ছি আন্তরিক সমবেদনা।

চিকিৎসার কারণে যুক্তরাজ্যে থাকলে আমি সব সময় আপনাদের সঙ্গে আছি উল্লেখ করে খালেদ জিয়া বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর যারা গণতন্ত্রের জন্য ও আমার মুক্তির জন্য আমাদের অসংখ্য সহকর্মী প্রাণ দিয়েছেন, জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং প্রায় সোয়া লক্ষ্য মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হয়ে এখনও আদালতের বারান্দায় ন্যায় বিচারের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছেন, আপনাদের এ ত্যাগ শুধু দল নয়, জাতি চিরকাল স্মরণে রাখবে।

দেশ আজ এক সংকটময় সময় অতিক্রম করছে বলে উল্লেখ করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের এবং ছাত্রদের সমন্বিত আন্দোলনের ফলে ফ্যাসিস্ট শাসকেরা বিদায় নিয়েছে। একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা রাষ্ট্র মেরামতের ন্যূনতম সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা।

খালেদা জিয়া আরও বলেন, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ আজ এক ইতিবাচক গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংকীর্ণতা ভুলে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এখনও ফ্যাসিস্টদের দোসররা ও বাংলাদেশের শত্রুরা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্জনকে নস্যাৎ করার জন্য গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। ইস্পাত-কঠিন ঐক্যের মাধ্যমে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দিতে হবে। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমাদের সকলকে এক যোগে কাজ করতে হবে।

খালেদা জিয়া বলেন, আমি যুক্তরাজ্য থেকে অসুস্থ অবস্থায় আপনাদের আহ্বান জানাতে চাই— আসুন, জনগণকে সম্পৃক্ত করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে পূর্বের ন্যায় আন্দোলন, সংগ্রাম ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নেতৃত্ব প্রদানে আরও ঐক্যবদ্ধ ও সুসংহতভাবে গড়ে তুলি।

দেশবাসীর উদ্দেশ্য খালেদা জিয়া বলেন, আসুন প্রতিহিংসা, প্রতিশোধ নয়, পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই একটি বাসযোগ্য, উন্নত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করি।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা
সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান
দেশ ও জাতির স্বার্থে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে: খালেদা জিয়া
নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাচ্ছি না: মির্জা ফখরুল  
প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পেতে লাগবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা
অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  
চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা
তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের
বাংলাদেশ-পাকিস্তান লড়াই আজ, বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি  
বিএনপির বর্ধিত সভা আজ    
ভোরে ৪ থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত
মিঠাপুকুরে তিন পেট্রোল পাম্পকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
হার নিয়েই নতুন অধ্যায় শুরু বাংলাদেশের নারী ফুটবলে
৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট
মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা
হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা
শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে