রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

দুর্ঘটনা ঘটলেই দোষারোপের রাজনীতি: জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, রাজধানীর সিদ্দিকবাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় দেশের মানুষ শোকাহত। যারা স্বজন হারিয়েছে তাদের আহাজারি চলছে। স্বজনহারাদের প্রতি সহানুভূতি না জানিয়ে দেশে আনন্দ-ফুর্তি চলছে। দেশের একদিকে আহাজারি অন্যদিকে আনন্দ-ফুর্তি। যখন হাসপাতালের বেডে দ্বগ্ধ মানুষ অসহনীয় কষ্টে কাতরাচ্ছে, তখন রাজনৈতিক নেতারা এটা নিয়ে একে-অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপের রাজনীতি শুরু করেছে।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনা ঘটলেই দোষারোপের রাজনীতি শুরু হয়। সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিরোধী পক্ষ আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে নাশকতা করছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি নাশকতা হয়েই থাকে, তাহলে সরকার নাশকতা ঠেকাতে পুরোপুরি ব্যর্থ। নাশকতা ঠেকাতে যারা ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?

বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) দুপুরে জাপার বনানী কার্যালয়ে জাতীয় মহিলা পার্টি আয়োজিত 'আন্তর্জাতিক নারী দিবস' উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করতে না পারলে রাষ্ট্র তো শোক প্রকাশ করতে পারে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে স্বজনহারাদের প্রতি সহানুভূতি জানানো যেত। এখন ব্যর্থতা ঘোচাতে অপরকে দোষারোপ করা হচ্ছে। আমরা নিহতদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে দাবি জানাচ্ছি। যারা ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে না। যাদের ব্যর্থতা, অবহেলা, দায়িত্বহীনতা এবং দুর্নীতির কারণে এমন ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। একটি দুর্ঘটনা ঘটলে তা থেকে শিক্ষা নিতে হয়, যাতে এমন দুর্ঘটনা আর না ঘটে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় কিন্তু তদন্ত রিপোর্ট কেউ জানে না। তদন্ত কমিটি কী সুপারিশ করল কেউ জানে না। কে দায়ী? বা দায়ীর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তা কেউ জানতে পারে না। এখন সব কিছুতেই গলদ। ভবন তৈরি হয় বিল্ডিং কোড মানা হচ্ছে না, গ্যাসের লাইন বৈধ না অবৈধ তার ঠিক নেই। এগুলো দেখাশোনার দায়িত্বে যারা, তাদের খোঁজ নেই। এত বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটছে কিন্তু কারণ উদঘাটন করা সম্ভব হচ্ছে না। এর চেয়ে বড় ব্যর্থতা আর হতে পারে না।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, নারী-পুরুষের বৈষম্য স্বাভাবিকভাবেই দূর হয়ে যাচ্ছে। তবে সবার আগে দেশের মানুষের মাঝে ক্ষমতার বৈষম্য দূর করতে হবে। ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করতে হবে। দেশের মানুষের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষমতা এখন একটি গোষ্ঠী বা এক ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়েছে। ক্ষমতা থাকলেই অধিকার নিশ্চিত হয়। দেশের মানুষের হাত থেকে ক্রমে ক্রমে ক্ষমতা দূরে সরে যাচ্ছে। তাই দেশের মানুষ অধিকার বঞ্চিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের মানুষ বৈষম্য থেকে মুক্তি চেয়েছিল। মুক্তির জন্য দেশের মানুষ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, পতাকা পেয়েছি, ভূখণ্ড পেয়েছি, একটি সংবিধান পেয়েছি। কিন্তু সেই সংবিধানে যা লেখা ছিল তা থেকে আমরা আস্তে আস্তে দূরে সরে গেছি।

জিএম কাদের আরও বলেন, সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করতে হলে আগে ক্ষমতার বৈষম্য দূর করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে পারলেই দেশ থেকে বৈষম্য দূর করা সম্ভব হবে। ক্ষমতার বৈষম্য কমছে না, বরং দিন দিন বাড়ছে। ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ার কারণে এক শ্রেণির মানুষ ধনী থেকে আরও ধনী হচ্ছে। আর দরিদ্র আরও দরিদ্র হচ্ছে। এক শ্রেণি এত ধনী হচ্ছে যে, তারা দরিদ্রদের চিনতেই পারছে না। তারা বলে, বাংলাদেশে দরিদ্রের কী আছে? সাধারণ মানুষের কাছে অধিকার বলতে কিছুই নেই। নাগরিক হিসেবে মানুষের যে অধিকার থাকার কথা ছিল তা এখন আর নেই। মানুষকে তার অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।

জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক ও কো-চেয়ারম্যান সালমা ইসলামের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমা আখতারের সঞ্চালনায় বিশ্ব নারী দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরীফা কাদের, হেনা খান পন্নি, অ্যাডভোকেট লাকী বেগম, মহিলা পার্টির নেতাদের মধ্যে ডা. সেলিমা খান, অধ্যাপিকা বিলকিস আখতার পুতুল, খাইরুন নাহার, রিতা নূর, জেসমিন নূর প্রিয়াংকা, শাহনাজ পারভীন, আইরিন গমেশ ও রেশমা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ দিদার বখত, দপ্তর সম্পাদক-২ এমএ রাজ্জাক খান, মহিলা পার্টির নেত্রীদের মধ্যে তাসলিমা আকবর রুনা, মিনি খান, শারমী আখতার, মেহেরুন্নেসা হিয়া, শ্যামলী, রীনা, কিয়া মাসুদ প্রমুখ।

এমএইচ/এসজি

Header Ad
Header Ad

শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প ও মার্কিন প্রশাসনকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ: প্রেস সচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ বা পাল্টা শুল্ক আরোপের প্রেক্ষিতে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে দুটি চিঠি পাঠানো হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে একটি চিঠি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে এবং বাণিজ্য উপদেষ্টার পক্ষ থেকে একটি চিঠি ইউএসটিআরের কাছে পাঠানো হবে।

রবিবার (৬ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের একটি বিশেষ বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা জানান। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অন্তত আরও ৩ মাস যেন আগের মতোই ১৫ শতাংশ শুল্ক দিয়ে পণ্য রফতানি করা যায়, তার অনুরোধ জানানো হবে চিঠিতে।

শফিকুল আলম বলেন, দুটি চিঠির একটি পাঠাবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চিঠিটি দেবেন। অপর চিঠিটি বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন পাঠাবেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির (ইউএসটিআর) অফিসে।

তিনি বলেন, এই চিঠিতে বাংলাদেশ সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রফতানি সহজ করার জন্য কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে ও নেবে এবং বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহজ করার জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তার কৌশলগুলো তুলে ধরা হবে।

প্রেস সচিব বলেন, চিঠিতে যাই থাকুক, সেটা আমাদের ব্যবসাবান্ধব হবে। আমাদের বাংলাদেশের ব্যবসার স্বার্থ দেখা হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে কম্পিটিটিভ যেসব দেশ আছে তাদের চেয়ে আমরা আরও ব্যবসাবান্ধব হবো, যাতে ইউএসএ এবং আমাদের জন্য উইন উইন সিচুয়েশন হয় এবং আমাদের জন্য মার্কেট এক্সেসটা আরও বাড়ে।

বৈঠকে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান, বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি রুবানা হক, ফারুক হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তপন চৌধুরী, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মো. হাতেমসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

দর্শনায় পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়নে এডিবির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন

দর্শনায় পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়নে এডিবির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়নে দর্শনা স্থল শুল্ক স্টেশন ও জয়নগর আইসিপি এলাকা পরিদর্শন করেছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ( এডিবি)'র উচ্চ পর্যায়ের টিম। রবিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে দর্শনা কাস্টমস শুল্ক স্টেশন ও বন্দর এলাকা পরিদর্শন করে ৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন- প্রধান আঞ্চলিক সহযোগিতা বিশেষজ্ঞ এবং মিশন নেতা, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও ইন্টিগ্রেশন ইউনিট, দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ মাসাতো নাকানে, সিনিয়র প্রকল্প কর্মকর্তা (পরিবহন), পরিবহন সেক্টর অফিস হুমায়ন কবির, প্রকল্প প্রস্তুতি বিশেষজ্ঞ (আন্তর্জাতিক), ব্যক্তিগত পরামর্শদাতা এডিবি কাজী মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম, ডেপুটি কমিশনার, এনবিআর এবং ব্যক্তিগত পরামর্শদাতা, এডিবি, মো. মেরাজুল আলম সম্রাট এবং দর্শনা শুল্ক স্টেশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার আব্দুস সাত্তারসহ রেভিনিউ ও সহকারী রেভিনিউ কর্মকর্তাগণ, বিজিবির দর্শনা আইসিপি কমান্ডার জাকির হোসেন, ইমিগ্রেশন অফিসার রমজান আলী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ভারতের গেদে ল্যান্ড পোর্ট সোসাইটির মুখ্য পরামর্শদাতা সুব্রত সাহা, দর্শনা স্থলবন্দর বাস্তবায়ন কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক সাংবাদিক রেজাউল করিম লিটন, আশরাফুল হক উলুম, হাজী নজরুল ইসলাম, পলাশ আহমেদ প্রমুখ।

দর্শনা পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়ন প্রজেক্টের পরিকল্পনা সম্পর্কে সুযোগ-সুবিধা ও ভবিষ্যৎ দ্রুততার সাথে কার্যক্রম সম্পন্ন করার বিষয়ে তাগিদ দেন প্রতিনিধি দলটি। দর্শনা স্থলবন্দর প্রজেক্টের কার্যক্রম সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)'র অর্থায়নে সাউথ এশিয়ান সাবরিজিওনাল ইকোনমিক্যাল কো অপারেশন (সাসেক) প্রোগ্রামের অধীনে দর্শনায় নির্মিত হতে যাচ্ছে আধুনিক ল্যান্ড পোর্ট ও এনবিআর'র কাস্টমস হাউজ ও ট্রেনিং সেন্টার।

Header Ad
Header Ad

ফেসবুকে নির্বাচনের কথা লিখলে সংঘবদ্ধ গালি শুরু হয়ে যাচ্ছে: ইশরাক

বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী ইশরাক হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনের কথা ফেসবুকে লিখলে সংঘবদ্ধ গালি শুরু হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন।

রোববার (৬ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

ওই পোস্টে ইশরাক লেখেন, নির্বাচন ছাড়া পাতানো খেলায় হাসিনাও বছরের পর বছর ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিলো। আমরা সেই ২০১১ সাল থেকে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠ নির্বাচন এর আন্দোলন করে আসছি। নির্বাচনের কথা ফেসবুকে লিখলে সংঘবদ্ধ গালি শুরু হয়ে যাচ্ছে। গালিবাজদের বলতে চাই আরও ১০ লাখ গালি দিলেও কিছু যায় আসে না।

তিনি আরও লেখেন. দেশে ভোটারের সংখ্যা সাড়েবারো কোটি। ফেসবুক আমরা ব্যবহার করেছি খুনি হাসিনার নিয়ন্ত্রিত দালাল মিডিয়ার সময়ে আমাদের প্রচারণার জন্যে।পরামর্শ থাকবে গালি বিতরণের পাশাপাশি ভোটার সংগ্রহ করুন। হাসিনার মতো হুমকি ধামকি দিয়ে লাভ নাই।

ইশরাক লেখেন, আবারও বলবো, হাজার বার বলবো এই বছর নির্বাচন দিতেই হবে। আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার আমরা গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের মাধ্যমে অর্জন করবো ইনশাআল্লাহ। ভোটে জনগণ যাদেরকে দায়িত্ব দিক তাদেরকেই আমরা মেনে নিয়ে সহযোগিতা করব। আরও ২ লক্ষ গালির জন্যে অগ্রিম ধন্যবাদ। কিন্তু নির্বাচন কেও ঠেকাইতে পারবে না।

এরআগে গতকাল শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। যথাসময়ে জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নিব ইনশাআল্লাহ।সরকারে থাকা ছাত্র প্রতিনিধিদের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে; অন্যথায় নির্বাচনকালীন সময়ের অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হবে না।

ইশরাকের এই পোস্টের নিচে ব্যাপক নেতিবাচক মন্তব্য করেন ভক্তরা। এর প্রতিক্রিয়ায় আজ আবারও নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প ও মার্কিন প্রশাসনকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ: প্রেস সচিব
দর্শনায় পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়নে এডিবির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন
ফেসবুকে নির্বাচনের কথা লিখলে সংঘবদ্ধ গালি শুরু হয়ে যাচ্ছে: ইশরাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদ: ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ডাক
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের প্রভাব সামাল দেওয়া কঠিন হবে না: অর্থ উপদেষ্টা
বিদেশি শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক বুধবার
এসএসএফের সাবেক ডিজি ও তার স্ত্রীর ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
আওয়ামীপন্থি ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ, ৯ জনের জামিন
গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে সোমবার দেশবাসীকে রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
ইতিহাস সৃষ্টি করে মার্চে এলো ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
দুদকের সাবেক অ্যাম্বাসেডর থেকে আসামি হতে যাচ্ছেন সাকিব!
গাজায় ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে মরদেহ উড়ছে আকাশে! (ভিডিও)
মা হারালেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ
‘দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দিতে পারেননি বলেই টিউলিপ পদত্যাগ করেছেন’
মানিকগঞ্জে কার্টনবন্দি নারীর মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে
বিসিএসের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবিতে পিএসসির সামনে চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
নারী বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরু বুধবার, কঠিন পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ
কাল হোয়াইট হাউজে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
এরদোগানের দলে যোগ দিয়ে তুরস্কের রাজনীতিতে ওজিল
টাঙ্গাইলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত