শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

‘মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি ও ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে’

স্বাধীনতার ৫১ বছর পরেও মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতিবঞ্চিত থাকা দুর্ভাগ্যজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ। মানববন্ধনে দলটির পক্ষ থেকে ৮ দফা দাবি করা হয়।

বুধবার (২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাব চত্বরে ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধনে এসব কথা জানান ইসলামী মুক্তিযোদ্ধ প্রজন্ম পরিষদের নেতারা।

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অবিলম্বে স্বীকৃতি দান, শিক্ষার সব ক্ষেত্রে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, ইসলামি শিক্ষা সংস্কৃতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ, ডাল-চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ এবং দুর্নীতিবাজ ও দেশের সম্পদ লুটপাটকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো ৮ দফা দাবি হলো:
১. যেসব প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এখনো স্বীকৃতি বঞ্চিত রয়েছেন তাদের ১৬ ডিসেম্বর ২২ এর মধ্যে স্বীকৃতি দিতে হবে।
২. ভিন্ন দেশ ও ধর্মের শিক্ষা-সংস্কৃতি প্রবর্তনের চক্রান্ত বাতিল করে চক্রান্তকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
৩. নৈতিকতা সম্পন্ন অপরাধমুক্ত আদর্শ দেশ ও জাতি গঠনে শিক্ষার সব ক্ষেত্রে মুসলিম ছাত্রদের জন্য ইসলামি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
৪. ভোজ্যতেল, চিনি-ডিমসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি রোধ করে মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে হবে।
৫. দুর্নীতিবাজ, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটকারী ও বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের পরিচয় জাতির সামনে তুলে ধরা এবং কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে।
৬. শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে এয়ারকন্ডিশনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
৭. গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও চুরি বন্ধ করে আবাসিক গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
৮. রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসে প্রবাসীদের যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে।

এ ছাড়া শিক্ষার সব ক্ষেত্রে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করাসহ ২০ দফা দাবিতে আগামী ১০ নভেম্বর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর পীর সাহেব চরমোনাই ঘোষিত কর্মসূচির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও একাত্মতা ঘোষণা করা হয় দলের পক্ষ থেকে। একইসঙ্গে ইসলামি শিক্ষা সংস্কৃতি বিনষ্টের চক্রান্তের প্রতিবাদে বাংলাদেশ জমিয়তুল মুদাররেসিন ঘোষিত ১৩ দফা দাবিতে ১৪ নভেম্বর জেলা পর্যায়ে ঘোষিত কর্মসূচির প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করা হয়।

এসএন

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত