বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন দুই ইসলামি দলের নেতারা

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুই ইসলামি দলের নেতারা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মুফতি ফয়জুল হক জালালাবাদী ও মাওলানা আনওয়ারুল হকের নেতৃত্বে দুইটি ইসলামি রাজনৈতিক দলের নেতারা। বৃহস্পতিবার (নভেম্বর ৩০) সকালে গণভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন গণমাধ্যমকে জানান সাক্ষাৎকালে জাতীয় নির্বাচনের সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন খেলাফতে রাব্বানী বাংলাদেশ এবং নেজামে ইসলাম পার্টি বাংলাদেশ এর নেতারা।

একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং নির্বাচনে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করতে শেখ হাসিনার গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন নেতারা।

বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসাও করেন তারা।

Header Ad
Header Ad

নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাচ্ছি না: মির্জা ফখরুল  

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবিঃ সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচন নিয়ে আমরা সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাচ্ছি না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে বিএনপির বর্ধিত সভার স্বাগত বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর দেশের মানুষ আশা করেছিলেন আমাদের দেশের অবস্থার পরিবর্তন হবে। অতিদ্রুত দেশের জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়া হবে, তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন এবং তাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারবেন৷ কিন্তু দুঃখের বিষয় সে লক্ষ্যে আমরা সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাচ্ছি না।

ইতোমধ্যে দেশের অর্থনীতির অবস্থা অত্যন্ত সূচনীয়, দ্রব্যমূল বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আইনশৃঙ্খলা অবস্থার অবনতি হচ্ছে। ক্রমান্বয়ে শিক্ষাঙ্গন গুলো বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার পরিবেশ থাকছে না।

অবিভক্ত বাংলায় যে সমস্ত বরেণ্য, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, যারা বিশেষ করে পূর্ব বাংলার ভূখণ্ডে জন্ম হয়েছিল তাদের নামগুলোকে বাদ দিয়ে এখন কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে নামকরণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমরা ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছি, শেখ হাসিনাকে তাড়িয়েছি। আমরা এখন অপেক্ষা করছি আমাদের দেশের জনগণের যে আশা আকাঙ্ক্ষা, আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন আধুনিক, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ রূপান্তরিত করবার, সেই গণতন্ত্রকে বিঘ্নিত করার জন্য, বাধাগ্রস্ত করার জন্য একটি মহল বিভিন্নভাবে চক্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। বাইরে থেকেও চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের অভ্যন্তর থেকেও কিছু কিছু গোষ্ঠী ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিএনপির বর্ধিত সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন দলটির চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়াও।

Header Ad
Header Ad

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পেতে লাগবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা

ছবি: সংগৃহীত

তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দেশি ও বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যুর বিদ্যমান নীতিমালা যুগোপযোগী করে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা-২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পেতে ন্যূনতম পাঁচ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এর মেয়াদ হবে তিন বছর। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা ২০২৫ এ এসব নীতিমালার কথা বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এ নীতিমালা ‘প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা-২০২৫’ নামে অভিহিত হবে। সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশ বা প্রচারের কাজে নিয়োজিত দেশি ও বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে। নীতিমালাটি প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে (আজ থেকে) কার্যকর হবে।

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদানের নিয়মাবলিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে ওই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাংবাদিকদের অনুকূলে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু, নবায়নের লক্ষ্যে সুপারিশ প্রদানে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নিয়োজিত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিলসহ নাম ও পদবি উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে প্রধান তথ্য অফিসার বরাবর আবেদন পাঠাতে হবে।

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রাপ্তির জন্য তথ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত আবেদন ফরমের সংশ্লিষ্ট স্থানে এতদুদ্দেশ্যে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নিয়োজিত কর্মকর্তার সুপারিশকৃত হতে হবে। গণমাধ্যম এতদুদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ সুপারিশ করলে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের আবেদন বিবেচনা করা হবে না। আবেদন করার সময় আবেদনকারীকে ন্যূনতম ৫ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে বিদেশি মিডিয়ায় প্রতিনিধিত্বকারী বাংলাদেশি সাংবাদিকদের প্রথম প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে তথ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত আবেদন ফরমে সুপারিশের স্থানে আবেদনকারীর নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন থাকতে হবে। এছাড়া নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল প্রত্যয়ন/নিয়োগপত্র নিয়োগকারীর অফিসিয়াল ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।

এ ধরনের কার্ড নবায়নের ক্ষেত্রেও কার্ড ইস্যুর অনুরূপ শর্তাবলি পূরণ করতে হবে। অন্যথায় কার্ড নবায়ন করা হবে না। অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড কমিটি প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু, নবায়ন অথবা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, যে-কোনো সময় আবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও সত্যতা যাচাইয়ের জন্য যেকোনো তথ্য চাইতে পারবে। অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি প্রয়োজন মনে করলে নিরাপত্তা প্রশ্নে পুলিশ ভেরিফিকেশন করাতে পারবে।

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড হারিয়ে গেলে নিকটবর্তী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে এবং এর অনুলিপি সংযুক্ত করে পুনরায় কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে। সেক্ষেত্রে, পুনরায় কার্ড ইস্যুর বিষয়টি প্রধান তথ্য অফিসার বিবেচনা করবেন। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার ১ মাসের মধ্যে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড আবশ্যিকভাবে তথ্য অধিদপ্তরে জমা দিতে হবে। সময়ের ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্ট কার্ডধারীর অনুকূলে কোনো প্রকার প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু বা নবায়ন করা হবে না।

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যুর জন্য সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে প্রতি বছর ৭ জানুয়ারির মধ্যে ন্যূনতম (ছয়) মাসের জন্য সাংবাদিকদের অপরিবর্তনীয় হালনাগাদ তালিকা পাঠাতে হবে। বছরের অবশিষ্ট সময়ের জন্য ৭ জুলাইয়ের মধ্যে সাংবাদিকদের অপরিবর্তনীয় হালনাগাদ তালিকা পাঠাতে হবে। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় মুদ্রিত হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডধারী সাংবাদিক প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করলে তার বর্তমান প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে এবং তিনি নতুন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে পারবেন। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডধারী ব্যক্তি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিত্ব করা থেকে বিরত থাকলে অথবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত না থাকলে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রধান তথ্য অফিসারকে লিখিতভাবে তা জানাবেন এবং ১৫ দিনের মধ্যে ইস্যুকৃত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড তথ্য অধিদপ্তরে ফেরত পাঠাবেন। অন্যথায় ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যুর কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

কোনো গণমাধ্যমের প্রকাশনা বা সম্প্রচারের লাইসেন্স/নিবন্ধন বাতিল করা হলে কিংবা বন্ধ হলে অথবা ডিএফপি মিডিয়া তালিকা থেকে বাদ গেলে কিংবা গণমাধ্যম প্রতিনিধির মৃত্যু হলে বা তিনি মিডিয়া থেকে চাকরিচ্যুত হলে অথবা পদত্যাগ করলে উক্ত গণমাধ্যমের প্রতিনিধির অনুকূলে প্রদত্ত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ব্যবহার করে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রধান তথ্য অফিসার সংশ্লিষ্ট প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড সাময়িকভাবে স্থগিত করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য বিষয়টি অ্যাক্রিডিটেশন কমিটিতে পাঠাবেন।

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডধারী কর্মরত সাংবাদিক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত ‘কোড অব কনডাক্ট’ বা এই নীতিমালার কোনো শর্ত লঙ্ঘন করলে কমিটি তার প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করবে এবং তথ্য অধিদপ্তর তা তাৎক্ষণিকভাবে প্রচার করবে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে অথবা অন্য কোনো যৌক্তিক কারণে প্রধান তথ্য অফিসার কার্ড বাতিলের জন্য প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির নিকট সুপারিশ করতে পারবেন।

রাষ্ট্রীয় কোনো কর্মসূচির নিউজ কাভারেজ কিংবা অন্য কোনো পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য আগত বিদেশি সাংবাদিকদের সাময়িকভাবে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড দেওয়া যাবে। তবে, সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালন শেষে ৭ দিনের মধ্যে আবশ্যিকভাবে উক্ত কার্ড প্রধান তথ্য অফিসার বরাবর ফেরত দিতে হবে।

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের সুবিধাপ্রাপ্ত সাংবাদিক সরকারের বিভিন্ন সংবাদ উৎস, তথ্য অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক ইস্যুকৃত সংবাদ ম্যাটেরিয়াল, স্থিরচিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট ও লিখিত তথ্য প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনের বিধান অনুসরণ করে প্রবেশাধিকার পাবেন।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু বা বাতিল প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি করবে। কারও কার্ড বাতিল হলে বা কমিটির কোনো সিদ্ধান্তে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে তিনি আপিল কমিটিতে আপিল করতে পারবেন। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু ও বাতিলের ক্ষেত্রে আপিল কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তবে প্রধান তথ্য অফিসার যৌক্তিক কারণে কোনো কার্ড সাময়িকভাবে স্থগিত করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবেন যা পরবর্তী সময়ে কমিটি কর্তৃক অনুমোদন করতে হবে।

কোনো আবেদনকারী বা গণমাধ্যম প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অসত্য, প্রতারণামূলক/জাল তথ্য বা প্রমাণক সরবরাহ করলে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে ওই আবেদনকারী বা মিডিয়া প্রতিষ্ঠান সর্বনিম্ন ২ বছর হতে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অযোগ্য বিবেচিত হবে। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডধারী কোনো ব্যক্তি অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের অপব্যবহার করলে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই নীতিমালা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

তবে, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ব্যাবহার করে গুরুতর অপরাধ করলে প্রধান তথ্য অফিসার তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড স্থগিত করতে পারবেন, যা পরবর্তী সময়ে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সভায় উপস্থাপন করতে হবে।

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডধারী কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামে ইস্যুকৃত অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডটি স্থগিত থাকবে এবং বিচারিক আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলে কার্ডটি বাতিল হবে। তবে আপিল আদালতে বা চূড়ান্তভাবে নির্দোষ সাব্যস্ত হলে তিনি পুনরায় কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড হবে ডিজিটাল।

ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকদের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদানের নিয়মাবলি বিষয়ে বলা হয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ সম্পাদক, বরেণ্য সাংবাদিক/কলামিস্টগণ ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পাবেন। ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকগণ পেশাগত এবং প্রধান তথ্য অফিসার নির্ধারিত অন্যান্য তথ্যাদি প্রদান সাপেক্ষে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রাপ্য হবেন।

ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রাপ্তির ক্ষেত্রে মূলধারার গণমাধ্যমে কমপক্ষে ২০ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা এবং মূলধারার গণমাধ্যমে বছরে অন্তত ১০টি প্রতিবেদন প্রচার বা প্রকাশের প্রমাণ দাখিল করতে হবে। প্রতিবেদনগুলো প্রধান তথ্য অফিসার যাচাই সাপেক্ষে কমিটিতে উপস্থাপিত হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে কর্মরত সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদক, উপসম্পাদক, বার্তা সম্পাদক, বিভাগীয় সম্পাদক, প্রতিবেদক, আলোকচিত্রী ও ভিডিওগ্রাফারদের মোট সংখ্যার আনুপাতিক হারে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদান করা হবে। তবে কার্ড প্রদানের সংখ্যা কোনোক্রমেই মোট সংখ্যার ৩০ শতাংশের বেশি হবে না এবং একক কোনো প্রতিষ্ঠান ১৫টির বেশি কার্ড পাবে না।

উল্লিখিত ব্যক্তিদের তালিকা প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্যাডে সিলসহ প্রদান করতে হবে। এই তালিকায় উল্লিখিত সাংবাদিকের বেতন ও নিয়োগ প্রাপ্তির প্রমাণাদিসহ অন্য যেকোনো তথ্য অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি প্রয়োজন মনে করলে যাচাই-বাছাই করবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের তথ্যে ভুল পাওয়া গেলে সেই প্রতিষ্ঠানের কার্ড প্রাপ্তির যোগ্যতা সর্বনিম্ন ২ বছর হতে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত স্থগিত করা যাবে।

Header Ad
Header Ad

অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  

ছবিঃ সংগৃহীত

হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি কারাগার থেকে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেওয়া শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ৬৪২ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া শুরু করেছে ইসরায়েল। বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হিসেবে হামাসের হাতে জিম্মি হয়ে থাকা বাকি ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির এটিই একমাত্র পথ।

রয়টার্স জানায়, দুই দিন ধরে অচলাবস্থা চলার পর বুধবার মিশরীয় মধ্যস্থতাকারীরা চুক্তির প্রথম পর্বের অংশ হিসেবে শেষ চার ইসরায়েলি জিম্মির মৃতদেহ ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর ধরে নিয়ে যাওয়া এবং ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ৬২০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে।

হামাস সংশ্লিষ্ট প্রিজনার্স ইনফরমেশন অফিস জানিয়েছে, সপ্তম ও অষ্টম ব্যাচের বন্দী মুক্তির বিষয়টি একীভূত করা হয়েছে। ফলে একসঙ্গে মোট ৬৪২ জন বন্দী মুক্তি পাচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তির প্রথম ধাপের অংশ হিসেবে এসব বন্দী মুক্তি পাচ্ছেন। হামাস এটিকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় বন্দী মুক্তির ঘটনা বলে উল্লেখ করেছে।

হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম এক বিবৃতিতে বলেন, “সপ্তম ও অষ্টম ব্যাচের বন্দিদের মুক্তির মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের একটি অর্জন আমরা প্রত্যক্ষ করছি, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বন্দী মুক্তি।”

তিনি আরও বলেন, “হামাস যেকোনো বিনিময় চুক্তিতে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়।”

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাচ্ছি না: মির্জা ফখরুল  
প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পেতে লাগবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা
অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  
চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা
তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের
বাংলাদেশ-পাকিস্তান লড়াই আজ, বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি  
বিএনপির বর্ধিত সভা আজ    
ভোরে ৪ থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত
মিঠাপুকুরে তিন পেট্রোল পাম্পকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
হার নিয়েই নতুন অধ্যায় শুরু বাংলাদেশের নারী ফুটবলে
৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট
মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা
হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা
শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে
নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম