রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে জনগণকে বিভ্রান্ত করার জাল: মান্না

রাজনৈতিক মিত্রদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনকালীন সরকারের ইঙ্গিত ‘জনগণকে বিভ্রান্ত করার জাল’ বলে মন্তব্য করেছেন মাহমুদুর রহমান মান্না।

বুধবার (১৭ মে) দুপুরে গণতন্ত্র মঞ্চের এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘উনি (শেখ হাসিনা) কোনো অন্তবর্তিকালীন সরকারের প্রস্তাব দেননি।উনি নিজে ক্ষমতায় থাকবেন। প্রথম দিকে বলেছিলেন, তার সেক্রেটারিসহ অন্যান্যদের নিয়ে মন্ত্রণালয়ে জায়গা দেবেন। পরে যখন বিএনপি মূল অপজিশন বললো যে, আমরা এটাতে যাব না। তখন বললো যে, ওদের কেন নেব? সরকার বলছে, বিএনপিকে নেব না। সংসদে যারা আছে তারা তো তাদের সঙ্গে আছেই। তারা কী করবে সেটা তারা জানেন।’

মান্না বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য যে, এই সরকারকেই যেতে হবে। তারপরে নতুন করে একটা অন্তর্বতী সরকারের প্রশ্ন। বাকি যেগুলো ওরা বলেছেন ওইগুলোতে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য, জাল বিছানোর জন্য বলছেন, ওইগুলোতে আমরা খুব কেয়ার করছি না।’

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তার নেতৃত্বে সংসদে থাকা তার রাজনৈতিক মিত্রদের নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের যে ইঙ্গিত দিয়েছেন তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের সরকার বর্তমান কর্তৃত্ববাদী নিপীড়নমূলক সরকারের সম্প্রসারণ।’

তিনি বলেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের তামাশাপূর্ণ জালিয়াতির নির্বাচন প্রমাণ করেছে যে, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ন্যুনতম কোনো অবকাশ নেই। সেই কারণে আমরা গণতন্ত্র মঞ্চ নির্বাচনের পূর্বে বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, জাতীয় সংসদ বিলুপ্তি ও অন্তর্বতীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা এবং সর্বোপরি সরকার ও শাসন্যবস্থা পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট ১৪ দফার ভিত্তিতে যুগপত ধারায় বিএনপিসহ বিরোধী দলসমূহের সঙ্গে গণসংগ্রাম জোরদার ও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখছি।

ঢাকায় অবস্থানরত ছয় দেশের কুটনীতিকদের বাড়তি নিরাপত্তা প্রত্যাহারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই ঘটনা কুটনৈতিক সম্পর্ক ও বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে অবিশ্বাস ও অস্থিরতা যে তৈরি করবে তা অনুমান করা কঠিন নয়। সরকারের এসব আচরণ থেকে বোঝা যায় যে, বিশাল বহর নিয়ে তিন দেশে প্রধানমন্ত্রীর ১৫ দিনের সফর দেশও সরকারের জন্য তেমন কিছু অর্জিত হয়নি, অর্থাত ক্ষমতায় থেকে আগামী নির্বাচনের ব্যাপারে কথিত এসব উন্নয়ন অংশীদারদেরকে তিনি ম্যানেজ করতে পারেননি।’

‘গত ১৫ মে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন ও বিবিসিতে দেওয়া তার সাক্ষাৎকার এবং সরকারের পদক্ষেপে তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এসব তৎপরতায় সরকারের রাগ ও ক্ষোভেরও বহির্প্রকাশ ঘটেছে। হতাশা ও ক্ষোভ থেকে নেওয়া এসব বক্তব্য ও পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক কুটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিসন্দেহে বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করঠে যার সম্ভাব্য মাশুল দিতে হবে দেশ ও দেশের জনগনকে।’

দুপুর ১২টায় তোপখানা রোডে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয়ে সংহতি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন থেকে ঢাকা থেকে দিনাজপুর অভিমুখে রোডমার্চ ও পদযাত্রার পাঁচদিন কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা যে কর্মসূচি দিয়েছি এটা সরকার পতনের চূড়ান্ত কর্মসূচি নয়। এটা হচ্ছে সরকার পতনের লক্ষ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ। চূড়ান্ত যে কর্মসূচি সেটা চূড়ান্ত সময় আসবে।’

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমরা জনগণকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করার নানা কর্মসূচি নিয়ে এগোচ্ছি। এই সরকার পতনের লক্ষ্যে জনগনের যে একটা অভ্যুত্থান সেটা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ঘটবে। দিন-ক্ষণ ঠিক করে আন্দোলনের বিষয়টি আমরা এ্ভাবে বিশ্বাস করি না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, আন্দোলনটা জনগনের ভেতর থেকে তৈরি হচ্ছে এবং সেই আন্দোলন তার সময় মতো তার ভূমিকা পালন করবে। সরকার কিন্তু আন্দোলনের প্রস্তুতিতেই ইতিমধ্যে ভয় পেয়ে গেছে। তার মধ্যে প্রস্তুাব দিয়েছে যে নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপিকে তারা নিতে চায়। তার মানে হচ্ছে যে, তারা আগে-ভাগে একটা আপসের দিকে এগোচ্ছে। আন্দোলনের গতি যত বাড়বে আমরা দেখব যে, সুর বিভিন্নভাবে বদলাচ্ছে। এসব করে কোনো লাভ হবে না। তাদেরকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে, জনগণ আর তাদেরকে ওই ২০১৪ ও ২০১৮ এর মতো ভোট করতে দেবে না।’

তিনি বলেন, ‘সরকার সম্ভাব্য গণঅভ্যুত্থানে তার পতন দেখছে এখন আগে-ভাগেই এই পতন জনগণ করে নাই, এই পতন আমেরিকা করেছে, ওমুক করেছে, তমুক করেছে- এটাই এখন সরকারের প্রধান যাকে বলে রাজনৈতিক প্রচারণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

বিদেশি দেশগুলোর ওপর দায় দিয়ে একাত্তর সালের সেন্টিমেন্টকে আবারও মানুষের মধ্যে জাগিয়ে তুলে নিজেদের অপশাসনটাকে জায়েজ করতে চাচ্ছেন। ভোটের অধিকারকে কেড়ে নেওয়া জায়েজ করতে চাচ্ছে সেটা আর জনগন ভুলবে না।

সংবাদ সম্মেলনে সংস্কার আন্দোলনের হাসনাত কাইয়ুম, ইমরান ইমন, সাকী আনোয়ার রাষ্ট্র জেএসডির শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, মোশাররফ হোসেন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের শহীদুল্লাহ কায়সার, ভাসানী অনুসারী পরিষদের হাবিরুর রহমান রিজু, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির বহ্নি শিখা জামালী, আকবর খান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচ/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার