বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে: জিএম কাদের

প্রয়োজন ছাড়াই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোয় মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে এই অযুহাতে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে, এখন তো তেলের দাম কমছে তাহলে আমাদের দেশে তেলের দাম কমানো হচ্ছে না কেন- প্রশ্ন রাখেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বর্ধিত সভার উদ্বোধনী বক্তৃতায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেছেন, ‘এর আগে তেলের দাম বিশ্বজবাজারে খুব কম ছিল, তখনও তেলের দাম কমানো হয়নি।’

জিএম কাদের আরও বলেন, ‘বলা হয় জ্বালানি তেলের চোরাচালান রোধে তেলের দাম বাড়ানো হয়, আসলে কখনই জ্বালানী তেল চোরাচালান করা সম্ভব নয়। ট্যাংকার বা পাইপ লাইনের মাধ্যম ছাড়া তেল পাচার করা অসম্ভব। কোনো দেশেই জ্বালানি তেল চোরাচালান করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ‘সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ভর্তুকি দিয়ে তেলের দাম প্রতি লিটার ৭ টাকা রেখেছিলেন। এখন সেই ডিজেলের দাম ৮০ টাকা। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ালে দেশের সব মানুষ কষ্ট পায়। প্রতিটি পণ্য ও সেবার দামও বেড়ে যায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ালে।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরও বলেন, ‘তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গণপরিবহন কোনো ঘোষণা ছাড়াই ধর্মঘট শুরু করে। লাখো মানুষ পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়ে সড়কের মাঝে। সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্তা পরিবহন মালিকদের সঙ্গে সভা করে পরিবহনের ভাড়া বাড়িয়ে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাসচালিত বাসগুলোও ভাড়া বাড়িয়ে দেয়, অথচ গ্যাসের দাম বাড়েনি। আবার সরকার যতটুকু ভাড়া বাড়িয়েছে, শ্রমিকরা তারচেয়েও বেশি ভাড়া আদায় করে। যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিতে রাজি না হলে তাদের পথের মাঝে নামিয়ে দেওয়া হয়।

এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, ‘কোনো ঘোষণা ছাড়াই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ মানুষ নিজের অজান্তেই বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল দিচ্ছে। পাশাপাশি নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্যই জাতীয় পার্টির রাজনীতি।’

এ সময় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু, মীর আবদুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, এড. রেজাউল ইসলাম ভুইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা প্রমুখ।

এসএম/এএন

Header Ad
Header Ad

পরকীয়ার জেরে ভাঙতে যাচ্ছে ৩৭ বছরের সংসার, যা বললেন গোবিন্দ

অভিনেতা গোবিন্দ ও তার স্ত্রী সুনীতা আহুজা। ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের সুখী দম্পতি হিসেবে পরিচিত অভিনেতা গোবিন্দ ও তার স্ত্রী সুনীতা আহুজার ৩৭ বছরের দাম্পত্য জীবন এবার ভাঙতে চলেছে। সম্প্রতি সুনীতা তার স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়া অভিযোগ এনেছেন, এবং এর ফলে তাদের সম্পর্কের মধ্যে বড় ধরনের টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। এই বিচ্ছেদের পেছনে ৩০ বছর বয়সী এক মারাঠি অভিনেত্রীকে দায়ী করা হচ্ছে, যাকে গোবিন্দ নাকি প্রেমে পড়েছেন।

গোবিন্দ ও সুনীতার সম্পর্ক একসময় ছিল স্বপ্নের মতো, তবে এখন তাদের সংসার ভাঙনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সুনীতা জানিয়েছেন, তাদের সংসারে এখন আর কোনো সুরক্ষা নেই। ৬০-এর কোঠায় পা রাখা গোবিন্দের কাজে আগের মতো সেই সজীবতা আর নেই, যা তাকে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ার পথ দেখিয়েছে।

অভিনেতা গোবিন্দ ও তার স্ত্রী সুনীতা আহুজা। ছবি: সংগৃহীত

সুনীতার দাবি, কাজের ব্যস্ততার সময় গোবিন্দের জন্য পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ার কোনো সুযোগ ছিল না, কিন্তু এখন তিনি একা থাকেন এবং এর ফলে অশান্তি বাড়ছে।

অন্যদিকে, গোবিন্দ এই বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি তার নতুন ছবির শুটিং নিয়ে ব্যস্ত, আর শুধুমাত্র কাজ নিয়ে কথা হচ্ছে। যদিও তার ম্যানেজার শশী সিনহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যে, সুনীতা আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন। তবে গোবিন্দ ও সুনীতা কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলেননি।

সুনীতা জানান, গোবিন্দের সঙ্গে তার ঘর আলাদা হয়ে গেছে, এবং তিনি দুই সন্তান নিয়ে আলাদা ফ্ল্যাটে থাকেন, আর গোবিন্দ একা নিজের বাংলোয়। তবে গোবিন্দ তাকে ক্ষমা চেয়ে বিচ্ছেদ না করার জন্য আর্জি জানিয়েছিলেন, কিন্তু সুনীতা তার দাবি না মেনে আইনি পদক্ষেপ নেন।

এদিকে, সুনীতা জানিয়েছেন, পরজন্মে তিনি আর কোনো অভিনেতাকে বিয়ে করতে চান না, যা তাদের দীর্ঘ ৩৭ বছরের দাম্পত্য জীবনকে আরও জটিল করে তুলেছে।

Header Ad
Header Ad

ছাত্রদের নতুন দল থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক কমিটির জুনায়েদ ও রিফাত

আলী আহসান জুনায়েদ (বামে) ও রাফে সালমান রিফাত। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্র নেতৃত্বের নতুন রাজনৈতিক দল গঠন এখন কেবল ঘোষণার অপেক্ষায়। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে দলটি। তবে নতুন এই দলটিতে থাকছেন না জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ ও যুগ্ম সদস্য সচিব রাফে সালমান রিফাত।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে এমনটাই জানিয়েছেন তারা। আলী আহসান জুনায়েদ বর্তমানে চীন সফরে রয়েছেন দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে। তার চীন সফর নিয়ে আপত্তি উঠে নাগরিক কমিটিতে। গত সোমবার এ বিষয়ে একটি বিবৃতিও দেয় সংগঠনটি।

জানা গেছে, নতুন রাজনৈতিক দলের সদস্যসচিব পদ নিয়ে আলী জুনায়েদের সঙ্গে নাগরিক কমিটির নেতাদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। তার অনুসারীরা তাকে এ পদে দাবি করলেও আরেকটি অংশ নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেনকে চান।এ নিয়ে টানাপোড়েন চলে নাগরিক কমিটিতে।

আলী আহসান জুনায়েদ তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি তরুণদের নেতৃত্বে যে নতুন রাজনৈতিক দলটি আসছে, সেখানে আমি থাকছি না। সে কথা আমি আরও সপ্তাহখানেক আগেই জানিয়েছি দলের নেতাদেরকে।’

তিনি বলেছেন, ‘বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে ও জাতির নজর নতুন দলের ওপর নিবদ্ধ রাখতে নীরবতা বেছে নিয়েছিলাম। কিন্তু চারপাশের গুঞ্জন থামছে না। তাই স্পষ্ট করে রাখছি। দেখুন, আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারীদের নেতৃত্বে রাজনৈতিক দল দেশের স্বার্থেই প্রয়োজন।’

‘নতুন এই রাজনৈতিক দলের প্রতি আমার দোয়া ও শুভকামনা রইলো’ উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সততা ও ন্যায়ের পথ থেকে বিচ্যুত না হোক এই দল। দুর্নীতির সকল সুযোগ বন্ধ করে নতুন ধারার রাজনৈতিক সংস্কৃতি চালু হোক এই দলে।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘বারবার বলার পরও যদিও হয়নি, তবুও চাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার যথাযথ অনুসরণ ও ইনক্লুসিভনেস এই দলের বৈশিষ্ট হোক। দুঃখজনক বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার পরও ট্যাগিং ও ট্যাবুর রাজনীতি থেকে মুক্ত হয়ে নতুন ধারার রাজনীতি এই দলের মাধ্যমে শুরু হোক এই প্রত্যাশাই করি। আশা করি, অভ্যুত্থানের সময়ে আমাদের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও সহযোগিতার সম্পর্ক ছিল, নতুন রাজনৈতিক পথচলায়ও আমাদের পারস্পরিক এই সম্পর্ক ও শ্রদ্ধাবোধ অপরিবর্তিত থাকবে।’

সবশেষে ‘নতুন দল, নাহিদ ইসলাম এবং নব নেতৃত্বের জন্য শুভকামনা রইল’, লিখেছেন আলী আহসান জুনায়েদ।

এদিকে জুনায়েদের ফেসবুক পোস্ট শেয়ার করে রাফে সালমান রিফাত লিখেন, ‘২৮ তারিখে ঘোষিত হতে যাওয়া নতুন রাজনৈতিক দলে আমিও থাকছি না। তবে আমার রাজনৈতিক পথচলা থেমে থাকবে না। গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সম্ভাবনার যে জোয়ার তৈরি হয়েছিল তাতে শর্ট টার্মে খুব ভালো কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা রাখি না আপাতত।’

‘কিন্তু একই সঙ্গে এটাও মনে রাখি যে, রাজনীতি একটা লম্বা রেইস। ধৈর্য নিয়ে লম্বা সময়ের জন্যই আমাদেরকে এই রেইসে টিকে থাকতে হবে। আমরা নতুন সেই বাংলাদেশের প্রত্যাশি যেটা হবে সত্যিকার অর্থেই ডেমোক্রেটিক, ইনক্লুসিভ, বৈষম্যহীন এবং আধিপত্য মুক্ত’, লিখেছেন রাফে।

তিনি আরও লিখেছেন, ‘ঐক্যবদ্ধতা ও মধ্যমপন্থাই হবে আমাদের শক্তি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ চলবে। আঞ্চলিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধেও আমাদের লড়াই চলবে। বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য আমরা জান দিয়ে লড়ব। নতুন দলের জন্য দোয়া এবং শুভকামনা রইল।’

Header Ad
Header Ad

‘শুধু রণাঙ্গণের যোদ্ধারাই হবেন মুক্তিযোদ্ধা, বাকিরা মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’

১৯৭১-এর ‍মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। ছবি: সংগৃহীত

১৯৭১ সালে যারা রণাঙ্গণে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ করেছেন শুধু তারাই মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা পাবেন। অন্যান্য যারা দেশ-বিদেশ থেকে স্বাধীনতা অর্জনকে ত্বরান্বিত করার প্রয়াসে সংগঠকের ভূমিকা পালন, বিশ্বজনমত গঠন, কূটনৈতিক সমর্থন অর্জনে কাজ করেছেন তারা হবেন ‘‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’’।

গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান আইনের সংজ্ঞায় সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেননি এমন আট ধরনের ব্যক্তি ও পেশাজীবীদের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বলেন, পরিবর্তন আনার জন্য ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০২২’ সংশোধন করে অধ্যাদেশ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে 'জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫'র খসড়া করে এ বিষয়ে অংশীজনদের মতামতও নেওয়া হয়েছে। খসড়াটি মার্চের প্রথম সপ্তাহে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে।

সনদধারী অমুক্তিযোদ্ধাদের অপসারণের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এজন্য জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইনে আমরা কিছু সংশোধন আনতে চাচ্ছি। বড় ধরণের সংশোধন আসবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংজ্ঞার ক্ষেত্রে।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা রণাঙ্গনে সারাসরি যুদ্ধ করেছেন এবং যারা নানা আঙ্গিকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছে। বিদেশে জনমত গঠন, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে, প্রশাসনিক দায়িত্বে মুজিবনগরে নানান পর্যায়ে যারা কাজ করেছে সবাইকে আলাদা করা হচ্ছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, সরাসরি রণাঙ্গণে সশস্ত্র যুদ্ধ করেছেন- তারা হবেন মুক্তিযোদ্ধা। আর যারা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন- তারা হবেন মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী।’

তিনি বলেন, ‘ভাতা কিংবা সুযোগ সুবিধা নিয়ে কোনো আপত্তি কারো নেই। শুধু যারা রণাঙ্গণে সরাসরি যুদ্ধ করেছেন- তাদের স্ট্যাটাসটাই (উপাধি) যাতে মুক্তিযোদ্ধা থাকে।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন আমার সঙ্গে কথা বলতে এসেছিল। তাদের মধ্যে প্রবল একটা আপত্তি যে, যারা রণাঙ্গণে সশস্ত্র যুদ্ধ করেছে তাদের সঙ্গে অন্যদের যাতে একই ক্যাটাগরিতে বিচার না করা হয়। আমিও তো তাদের মতো সেই রকম যোদ্ধা। আমি মনে করেছি তাদের এ দাবিটা অনেক ন্যায্য। কারণ, আমি নিরাপদে থেকে সহযোগিতা করেছি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য নানানভাবে কাজ করেছি। এটাও কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ নয়। তবে সেটা সেভাবেই সংজ্ঞায়িত হওয়া উচিত, সেটা সেভাবেই নির্ধারিত হওয়া উচিত।’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন দেশে জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৯১ হাজার ৯৯৮ জন। ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত গেজেটভুক্ত মোট মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৬ জন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

পরকীয়ার জেরে ভাঙতে যাচ্ছে ৩৭ বছরের সংসার, যা বললেন গোবিন্দ
ছাত্রদের নতুন দল থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক কমিটির জুনায়েদ ও রিফাত
‘শুধু রণাঙ্গণের যোদ্ধারাই হবেন মুক্তিযোদ্ধা, বাকিরা মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’
স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির আয়োজনে আন্তর্জাতিক ছাত্র সম্মেলন
৬ মাসে যেভাবে অর্থনীতি কামব্যাক করেছে সেটা মিরাকল: প্রেস সচিব
নতুন তথ্য উপদেষ্টা হচ্ছেন মাহফুজ আলম
টাঙ্গাইলে শিক্ষা সফরের ৪ বাসে ডাকাতি, বাঁধা দেওয়ায় শিক্ষকসহ দুইজনকে মারধর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তিতে সম্মত ইউক্রেন  
ছোট অপরাধ বাড়লেও কমেছে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ  
নায়িকার মামলায় জাজের আজিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা  
মধুর ক্যান্টিনে বিকেলে যাত্রা শুরু করবে সমন্বয়কদের নতুন ছাত্রসংগঠন
১৩ মার্চ ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব  
গোল উৎসবে নিষ্প্রাণ বার্সার রক্ষণ, সেমিফাইনালের প্রথম লেগ ড্র
ইসরায়েলি কারাগারে কমপক্ষে ৫৯ ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যু  
পল্টনের জামান টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে  
ভোরে হঠাৎ পুলিশের টহল কার্যক্রম পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা  
কেরানীগঞ্জে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নারী নিহত
নওগাঁয় যৌথ বাহিনীর টহল সন্দেহ হলেই করা হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ
সরকারের কারও কারও বক্তব্যে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে: তারেক রহমান
বারিন্দ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, আটক ৪