শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সাংবিধানিকভাবেই দেশে একনায়কতন্ত্র চলছে: জিএম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন,সাংবিধানিকভাবেই দেশে একনায়কতন্ত্র চলছে। দেশে এখন আর সুশাসন নেই। আজ শুক্রবার (০৩ ডিসেম্বর) দুপুরে গাজীপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনকালে গণতন্ত্র মুক্তি পাক বলে দেশের মানুষ শ্লোগান দিতে পেরেছে। দেশের মানুষ এখন কি স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক শ্লোগান দিতে পারে? এ থেকেই বোঝা যায় দেশের মানুষ কতটা গণতন্ত্র উপভোগ করতে পারছেন।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অনেকেই এখন জাতীয় পার্টিতে যোগ দিচ্ছেন দাবি করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগে আর জায়গা নেই। এত নেতা-কর্মীর সংকুলান হচ্ছে না আওয়ামী লীগে। কেউ ইচ্ছে করলেই আওয়ামী লীগে যোগ দিতে পারছে না। আবার বিএনপির অবস্থা হতাশাব্যঞ্জক। বিএনপিতে চরম নেতৃত্ব সংকট চলছে। দেশের মানুষ বিএনপির ভবিষ্যত নিয়ে শংকিত। তাই দেশপ্রেমিক ও আদর্শবান মানুষের সামনে জাতীয় পার্টি হচ্ছে একমাত্র রাজনীতির বিকল্প শক্তি।

এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, দেশের মানুষ এক বুক প্রত্যাশা নিয়ে জাতীয় পার্টির দিকে তাকিয়ে আছে। তারা আবারো জাতীয় পার্টিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়। দেশের মানুষ এখন বলে, এরশাদের শাসনামলে বেশি সুশাসন ভোগ করেছেন। তাই আবারো জাতীয় পার্টির শাসনামল ফিরে পেতে চায়।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশের মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে মন্তব্য করে জিএম কাদের বলেন, এক সময় ব্রিটিশরা বৈষম্য সৃষ্টি করেছিলো। তারপর বৈষম্য সৃষ্টি করেছিলো পশ্চিম পাকিস্তান। কিন্তু এখন দুটি দল মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি না করলে কেউ চাকরি পায় না। ক্ষমতাসীন দল না করলে ব্যবসা করতে পারে না কেউ।

গাজীপুর মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক এম এম নিয়াজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেল বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু, প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, লিয়াকত হোসেন খোকা, আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার মিয়া, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিসেস শেরীফা কাদের।

এসএম/কেএফ/

Header Ad
Header Ad

হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি

বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হয়েছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, প্রগতি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন বলে জানান মিশ্রি। তিনি বলেন, ভারত চায় বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে।

এছাড়া, মোদি পরিবেশের ক্ষতি করে এমন কোনো বক্তব্য এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। সীমান্ত সুরক্ষা, নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং অবৈধ সীমান্ত পারাপার প্রতিরোধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথাও আলোচনায় উঠে এসেছে।

Header Ad
Header Ad

মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

শুল্ক আরোপ ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে তার নতুন শুল্ক নীতি। এর প্রতিক্রিয়ায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট কিছু গাড়ির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে কানাডা।

প্রধানমন্ত্রী কার্নি বলেছেন, "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা সমস্ত যানবাহনের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে, যা CUSMA (যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি) মেনে চলে না।"

এর আগে, বুধবার ট্রাম্পের ঘোষিত বৈশ্বিক শুল্ক নীতির আওতায় কানাডা অব্যাহতি পেয়েছিল। তবে নতুন নীতির ফলে মোটরগাড়ি শিল্প, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়ামসহ অন্যান্য পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় এবার পাল্টা শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডা।

ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, "ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে ভেঙে ফেলবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপিত বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করছিল, যার এখন অবসান ঘটছে।"

তিনি আরও বলেন, "৮০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনৈতিক নেতৃত্ব ধরে রেখেছিল, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করেছিল। কিন্তু এই শুল্ক নীতির মাধ্যমে সেই অধ্যায় শেষ হচ্ছে।"

এদিকে, শুল্ক ইস্যুতে গত সপ্তাহেই ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন কার্নি। আলোচনায় তারা আগামী ২৮ এপ্রিল কানাডার নির্বাচনের পর ওয়াশিংটনে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে বৈঠকে বসার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

Header Ad
Header Ad

প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে যাচ্ছে মিয়ানমার। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মিয়ানমারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উ থান শিউ বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি জানান, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া নিবন্ধিত ৮ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ১ লাখ ৮০ হাজার জনকে ফেরত নেবে মিয়ানমার।

ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ছয় দফায় রোহিঙ্গাদের মূল তালিকা মিয়ানমারকে সরবরাহ করেছিল। এখনো ৭০ হাজার রোহিঙ্গার চূড়ান্ত যাচাইকরণ বাকি রয়েছে। মূল তালিকায় থাকা বাকি সাড়ে ৫ লাখ রোহিঙ্গার যাচাই দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলেও জানিয়েছে মিয়ানমার।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান মিয়ানমারের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আরও মানবিক সহায়তা পাঠাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১