রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

‘সরকার নৃশংসতার সব সীমা অতিক্রম করেছে’

ফাইল ফটো

বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা আওয়ামী লীগের জন্য একটা কলঙ্কের তিলক চিহিৃত হয়ে থাকবে বলে মনে করছে গণতন্ত্র মঞ্চ।

জোটের নেতারা বলেন, বিএনপির ১০ তারিখের সমাবেশকে বন্ধ করতে সরকার তার সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। একইসঙ্গে সরকার তার অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য দমন-নীপিড়ন করে সন্ত্রাসের পথ বেচে নিয়েছে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার জন্য বর্তমান সরকার নৃশংসতার সব সীমা অতিক্রম করেছে। পুলিশ ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে বিরোধী দলের নিরীহ নেতা-কর্মীদের উপর সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশকে কেন্ত্র করে গতকালের তাদের উপর নৃশংস হামলা চালিয়ে সরকার ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর সেগুণ বাগিছা নাগরির ঐক্যের অফিসের পাশে একটি মিলায়নতে এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের নেতারা এসব কথা বলেন।

সমাবেশ আমাদের সাংবিধানিক অধিকার বলে উল্লেখ করে মান্না বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব সেই সভা, সমাবেশের নিরাপত্তা দেওয়া। অথচ স্বৈরাচারী সরকার তার পেটোয়া বাহিনী তার দলীয় ক্যাডারদের সঙ্গে জনগণের উপর হামলা করছে। আমরা হুঁশিয়ারি করে বলতে চাই, প্রতিটি আঘাত, হত্যার বিচার করা হবে।

দেশের এই মহা সংকটময় মুহূর্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে দায়িত্বশীর ও মানবিক আচারণ জনগণ প্রত্যাশা করে ও উল্লেখ করে মান্না।

বিএনপির নেতা-কর্মীদের উপর গুলি করে হত্যা, নৃশংস হামলা, বিএনপি এবং গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার, সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্দোলন শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজ করে গণতন্ত্র মঞ্চ।

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশের প্রতি গণতন্ত্র মঞ্চ সমর্থন জানাচ্ছে বলে জানান মান্না।

বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক খেলা হবে বলে আগ্রাসী এবং আক্রমনাত্মক রাজনীতি তৎপরতা শুরু করেছে, গতকাল কোনো উস্কানি ছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেভাবে হামলা, আক্রমণ, লুট করা হয়েছে, মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এটা সরকার এবং সরকারি দলের খেলার অংশ হিসেবে হয়েছে। আমরা এই ঘটনাকে পরিকল্পতি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস হিসেবে আখ্যায়িত করছি।

তিনি আরও বলেন, সরকার যে ভয় পেয়েছে, সেটাকে গণ আতঙ্কে পরিণত করেছে। বিএনপির অফিসে গতকালের হামলা জনগণের মধ্যে ভয় ধরিয়ে দেওয়া জন্য করেছে। সমাবেশের তিন আগে এই হামলা প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ দল হিসেবে এবং সরকারও এতটাই দেওলিয়া হয়ে গেছে একটি রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ সমাবেশকেও তারা মোকাবিলা করার ক্ষমতা রাখে না।

রাজনৈতিক ও নৈতিভাবে বিরোধী দলের অফিসে যেভাবে হামলা করেছে তা ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের জন্য একটা কলঙ্কের তিলক চিহিৃত হয়ে থাকবে। আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই-এই হামলা-আক্রমণ বন্ধ করতে হবে। সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন সংকট সমধানের রাজনীতি দরকার সরকার সেই পথে না হেঁটে অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য দমন করে সন্ত্রাসের যে নীতি গ্রহণ করেছে, দেশটাকে বিপদের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, বিএনপির অফিসের সামনে পুলিশ হামলা করে দুইজনকে হত্যা করেছে। আবার টেলিভিশনে মিথ্যা করছে, কার গুলিতে মারা গেছে? তারা নাকি শুধু মাত্র রাবার বুলেট মেরেছে। তাহলে এই লোক গুলো কীভাবে মারা গেল? পুলিশ সঙ্গে প্রাইভেট বাহিনীও যুক্ত হয়ে গুলি করছে। জার্সি পরে গুলি করছে গতকাল আমরা দেখেছি।

তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল একজন বিএনপির নেত্রী তার ছেলে ছেড়ে দেওয়ার জন্য আর্তনাদ করেছে, সেটা পর্যন্ত তারা শুনছে না। এই রকম একটা ভয়াবহ অমানবিক পরিস্থিতি সরকার তৈরি করেছে।’

বিএনপি এবং গণতন্ত্র মঞ্চ সামনে যুগপৎভাবে শীঘ্রই লড়াই শুরু করতে পারবে বলেও আশা প্রকাশ করে সাকি। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ ৬৯ এবং ৭১ তৈরি করেছে। মানুষ লড়ছে আগামী দিনেও ঐক্যবদ্ধভাবে লড়বে।

বিএনপির ১০ তারিখের সমাবেশকে বন্ধ করতে সরকার তার সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে বলে দাবি করেন সাকি।

বর্তমান রাজনৈতিক নিরসরে জন্য রাজনৈতিক ঐক্যমত তৈরির আহ্বান জানান গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নরুল হক নুর। তিনি বলেন, আর যদি পুলিশ দিয়ে রাষ্ট্র চালাতে চান, তাহলে প্রধানমন্ত্রীকে বলব আপনি পদত্যাগ করে, পুলিশ প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। আজকে এই দেশকে একটি পুলিশী রাষ্ট্রে কায়েম করেছেন।

পুলিশের একটি জোনের ডিসি একটি রাজনৈতিক দলের মহাসচিব সঙ্গে শিষ্টাচার বজায় রেখে কথা বলছেন না বলেও দাবি করেন নুর। তিন বলেন, আপনারা দেখেছেন কীভাবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পুলিশের জুনিয়র অফিসাররা পেছন থেকে ধাক্কা দিচ্ছেন। সিনিয়র নেতাদের সম্মান দিচ্ছেন না। এভাবে দেশ চলতে পারে না। আমরা বেঁচে থাকতে এভাবে দেশ চলতে দেব না।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেএসডির সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

এমএইচ/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

ইতিহাস সৃষ্টি করে মার্চে এলো ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসী আয়ের ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে সদ্য গত হওয়া মার্চ মাসে। এই মাসের ৩১ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২৯ কোটি বা ৩.২৯ বিলিয়ন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৪০ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা। সে হিসেবে প্রতিদিন প্রায় ১১ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। ইতোপূর্বে এত রেমিট্যান্স প্রবাহ আর কখনো দেখা যায়নি।

রোববার (৬ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র এই তথ্য জানিয়েছে।

দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই বেড়ে যায় রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের গতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেশ থেকে অর্থপাচার কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে হুন্ডি কারবারির দৌরাত্ম্যও। অন্যদিকে, খোলা বাজারের মতোই ব্যাংকে রেমিট্যান্সের ডলারের দাম পাওয়া যাচ্ছে। এসব কারণে প্রবাসীরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তাছাড়া আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে আরও বেশি বেড়েছে রেমিট্যান্স আসার গতি।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ৮ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৯০০ কোটি ডলারের বেশি। যা গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রথম ৮ মাসে ছিল এক হাজার ৪৯৪ কোটি ডলার। সে হিসেবে গত অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসের চেয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ৪০০ কোটি ডলার।

এর আগে গত ডিসেম্বরে দেশের ২ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসে। আর এ নিয়ে অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্ট থেকে টানা ৮ মাস দুই বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, আগস্টে এসেছিল ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, নভেম্বর মাসে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়া‌রি‌তে ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পা‌ঠি‌য়েছেন প্রবাসীরা।

২০২০ সালে করোনাকালে জুলাই মাসে ২ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। এবার সেই রেকর্ড ভাঙে ২০২৪ সালের বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে। ২০২৪ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল প্রায় ২৬৪ কোটি ডলার। এবার মার্চ মাসে সেই রেকর্ড অতিক্রম করে নতুন ইতিহাস তৈরি হলো।

Header Ad
Header Ad

দুদকের সাবেক অ্যাম্বাসেডর থেকে আসামি হতে যাচ্ছেন সাকিব!

দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

এক সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসান এখন দুদকের আসামির তালিকায় আসতে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ‘অনিয়ম এবং দুর্নীতির’ অভিযোগের তদন্ত চলছে, যা এখন অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে।

রোববার (৬ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, "আমাদের আশঙ্কা, সাকিব দুদকের আসামি হতে পারেন, তবে বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন। অনুসন্ধানের পর বিস্তারিত জানানো যাবে।"

২০১৮ সালে সাকিব আল হাসানকে দুদক তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিয়োগ করেছিল। এ ছাড়াও তিনি হটলাইন-১০৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুদকের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। কিন্তু ২০২২ সালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তাকে আর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর না রাখার সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

সাকিব আল হাসান ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের টিকেটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন, কিন্তু ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করা হয়। এরপর সাকিবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠলে, ২০২২ সালের ২৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মিলহানুর রহমান নাওমী তার বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন করেন।

এ আবেদনে সাকিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে- যেমন শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, নিষিদ্ধ জুয়ার ব্যবসা, স্বর্ণ চোরাচালানে জড়িত থাকা, কাঁকড়া ব্যবসায়ীদের অর্থ আত্মসাৎ, ক্রিকেটে দুর্নীতি এবং নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপন করা।

এছাড়া, সাকিবের ব্যাংক হিসাব গত বছর ৮ নভেম্বর জব্দ করার কথা জানিয়েছিল আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ। আরও গুরুতর বিষয় হলো, গত ৫ আগস্ট ঢাকার আদাবরে এক গুলিবিদ্ধ পোশাক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় সাকিবকে আসামি করা হয়েছে, এবং জাতীয় দলের বাইরে রাখার জন্য আইনি নোটিশও পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, সাকিবের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত ও অভিযুক্ত নানা কেলেঙ্কারির মধ্যে, তার ভবিষ্যত কী হবে তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো অবস্থান নেওয়া হয়নি।

Header Ad
Header Ad

গাজায় ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে মরদেহ উড়ছে আকাশে! (ভিডিও)

ছবি: সংগৃহীত

গাজা জ্বলছে, গাজা পুড়ছে, নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। একের পর ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে প্রতিনিয়ত ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিন। সম্প্রতি বেশ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে যেখানে দেখা যায়, মিসাইলের আঘাতে মানুষ ১০-১৫ তলারও বেশি উচ্চতায় উঠে আবার নিচে পড়ে যাচ্ছে।

এ যেনো ছাড়িয়ে গেছে আধুনিক বিশ্বের সকল বর্বরতাকে। কোথায় আজ মানবাধিকারের কথা বলে গলা ফাটানো সংস্থাগুলো? কোথায় আজ মানবিকতা? কোথায় আজ বিবেক? ঠিক এই প্রশ্নগুলোই সামাজিক মাধ্যমজুড়ে ছেয়ে যাচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এসব ভিডিও চিত্র দেখে কাঁদছে প্রতিটি মুসলমানের অন্তর। দখলদার ইহুদি ইসরায়েল এর নৃশংসতার শেষ কোথায়? জানা নেই কারোরই। ভাইরাল হওয়া ভিডিও চিত্র দেখে অনেকেই নিশ্চিত করেছে এই ক্ষেপনাস্ত্র গুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া। পশ্চিমা বিশ্ব যেনো এক হয়েছে ফিলিস্তিনকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে। আর মুসলিম দেশগুলো বসে বসে আঙ্গুল চুষছে, ঠিক এমনটিই লিখেছেন প্রীতি রহমান নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী।

গাজার এই ভয়াবহ চিত্র দেখে শুধু যে মুসলিমদের হৃদয় ব্যথিত হচ্ছে তা নয় ভিন্নধর্মীরাও আজ ব্যথিত ইসরায়েলের স্বরণকালের সবচেয়ে বড় এই নৃশংসতায়। কারো কারো মতে ওরা মানুষ নয়, জীবন্ত কোন জন্তু জানোয়ার কিংবা হিংস্র কোন পশু।
ভাইরাল সেই ভিডিও নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।

তিনি লিখেছেন, ‘ঝড়ো হাওয়ায় গাছের শুকনো পাতা যেভাবে আকাশে উড়ে যায়, বোমার আঘাতে পবিত্র ভূমির মানুষদেরকে সেভাবে আকাশে উড়তে দেখল বিশ্ববাসী।

পৃথিবীর আটশ কোটি মানুষ, দুইশ কোটি মুসলমান, জাতিসংঘ, ওআইসি, আরববিশ্ব-কেউই হায়েনার হাত থেকে একটি জনপদকে রক্ষা করতে পারল না। বরং সবাই রোমের কলোসিয়ামের গ্যালারিতে বসে গ্ল্যাডিয়েটরদের মৃত্যু দেখার মতো যেন উপভোগ করছে এই বর্বরতা।’

এদিকে ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ শিশু হতাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। আর গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫০ হাজার ৬০৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। পাশাপাশি আরও ১ লাখ ১৫ হাজার ৬৩ জন আহত হয়েছে। যদিও সরকারি মিডিয়া অফিস মৃতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০-এর বেশি বলে জানিয়েছে ইতিমধ্যে।

এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় প্রায় ১৯ হাজার শিশু শহীদ হয়েছে। মা-বাবা হারিয়ে এতিম হয়েছে ৩৯ হাজার শিশু। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তা ও দায়মুক্তির কারণে ইসরায়েলি দখলদারেরা ফিলিস্তিনি শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ করতে আরও উৎসাহী হচ্ছে। ইসরায়েলের অপরাধগুলো তুলে ধরার জন্য মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে আহ্বান জানায় হামাস।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ইতিহাস সৃষ্টি করে মার্চে এলো ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
দুদকের সাবেক অ্যাম্বাসেডর থেকে আসামি হতে যাচ্ছেন সাকিব!
গাজায় ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে মরদেহ উড়ছে আকাশে! (ভিডিও)
মা হারালেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ
‘দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দিতে পারেননি বলেই টিউলিপ পদত্যাগ করেছেন’
মানিকগঞ্জে কার্টনবন্দি নারীর মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে
বিসিএসের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবিতে পিএসসির সামনে চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
নারী বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরু বুধবার, কঠিন পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ
কাল হোয়াইট হাউজে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
এরদোগানের দলে যোগ দিয়ে তুরস্কের রাজনীতিতে ওজিল
টাঙ্গাইলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত
বাংলাদেশসহ ১৩ দেশের নাগরিকদের জন্য সৌদি আরবের ভিসা নিষেধাজ্ঞা
ভারতের বিতর্কিত ওয়াকফ বিল নিয়ে মুসলমানদের আপত্তির মূল কারণ কী
আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন আওয়ামীপন্থি ৯৩ আইনজীবী
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মুকরেমা রেজা আর নেই
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার ৩ বছরের কারাদণ্ড
স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা