বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

সিঙ্গাপুর বানাতে গিয়ে দেশ এখন আজিমপুরের কাছাকাছি: গয়েশ্বর

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘সরকারে এসে সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রী বললেন বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানাবেন। কিন্তু সেই সিঙ্গাপুর বানাতে গিয়ে দেশটাকে এখন আজিমপুর বানিয়ে ফেলা হয়েছে’।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

গয়েশ্বর বলেন, 'প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিএসই বলেছেন ভোটের দিন যদি কেউ তলোয়ার নিয়ে আসে তাহলে প্রতিপক্ষও পাল্টা রাইফেল নিয়ে নামবেন। প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের যদি তলোয়ার এবং রাইফেল হাতে নিতে হয় তাহলে আমরা নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করব কেন? তার আগেই তো আপনাদের বিদায় দেব। একটি সাংবিধানিক পদে থেকে সন্ত্রাসকে উস্কানি দেওয়া, জনমনে আতঙ্ক দেওয়া, ভোটকেন্দ্র শূন্য রাখার একটি প্রয়াস মাত্র। নির্বাচন কমিশনার বুঝেই এই কথা বলেছেন, উনি না বুঝে এই কথাটা বলেছেন সেটা মনে করবার কিছু নেই।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেছে ঢাকা মহানগর উত্তর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দল। ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীর সভাপতিত্বে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, 'ফয়সালা হবে রাজপথে। তাহলে সকলের পাগলামি দূর হবে। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট পলায়ন করেছে কিন্তু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এদেশের চারিদিকে যেভাবে কাঁটাতারের বেড়া তিনি পলায়ন করতে পারেন কিনা এই বিষয়ে সন্দেহ আছে।'

বাংলাদেশ আন্দোলন সংগ্রামে বারবার ইতিহাস ও নজীর সৃষ্টি করেছে দাবি করে বিএনপির এই নেতা বলেন, 'এদেশের মানুষ যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ও ডাকে। বাংলাদেশ পারে, জনগণ পারে। সুতরাং শ্রীলঙ্কার ঘটনা এখানে ঘটবে এই কথা আমি বলছি না। বাংলাদেশে যা ঘটবে পৃথিবীর মানুষ তখন শ্রীলঙ্কার ঘটনার কথা ভুলে যাবে। কারণ অনেক মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সরকারে এসে সর্বপ্রথম তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বললেন, বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানাবেন। এখন বাংলাদেশ আজিমপুরের কাছাকাছি। সিঙ্গাপুর বানাতে গিয়ে দেশটাকে এখন আজিমপুর বানিয়ে ফেলা হয়েছে।'

তিনি বলেন, কুইক রেন্টাল এর নামে লাখ লাখ টাকা লুটপাট করা হয়েছে। সেই টাকা আবার বিদেশেও পাচার করা হয়েছে। আর পদ্মা সেতুর ইস্টিমেট ছিল ১১ হাজার কোটি টাকা। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কলসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠানকে বলেছিলেন, ১১ হাজার কোটি নয়, ১০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে পদ্মা সেতুর কাজ সম্পন্ন করতে হবে। পদ্মা সেতু প্রকল্প কত টাকা ব্যয় হয়েছে তা এখনো আমরা জানি না। আরও কত ব্যয় হবে তাও আমরা জানি না। আমার দেশে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি পায় গ্যাস দিতে পারে না, অথচ প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে গ্যাস রপ্তানি চুক্তি করে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বসে আছেন। শুষ্ক মৌসুমে আমাদের দেশের মানুষ পানি পায় না, অথচ ফেনী নদীর পানি তাদের খাবারের জন্য দিতে হয়। বর্ষা মৌসুমে যখন তাদের পানি বৃদ্ধি পায় তখন সুইস গেটগুলো খুলে দিয়ে আমাদের পানিতে ডুবিয়ে মারে। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে নামানো।'

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, 'যতক্ষণ নিশ্বাস আসছে ততক্ষণ শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবেন না, তাকে পদত্যাগে থেকে বাধ্য করতে হবে। আর এই বাধ্য করার কাজটাই এখন আমাদের জন্য জরুরি। আমার একটাই কথা আপনারা যা বলেন তা করেন, প্রচারের জন্য কোনো কিছু করবেন না। কর্মহীন প্রচার ক্ষণকাল, প্রচারবিহীন কর্ম চিরকাল। মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। আমাদের বক্তব্য কেউ আর শুনতে চায় না। সবাই চায় অ্যাকশন। অ্যাকশন করলে সরকার যাবে, জনগণ পথে নামবে।

এমএইচ/আরএ/

Header Ad
Header Ad

এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা

ছবি: সংগৃহীত

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। বাহিনীটিতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে জেলা পর্যায়ে একাধিক জনবল নেবে। আগ্রহী চাকরি প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ পুলিশ

পদের নাম: ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি)

পদসংখ্যা: জেলাভিত্তিক শূন্য পদ অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (ন্যূনতম জিপিএ-২.৫ থাকতে হবে)।

বয়সসীমা: ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে হতে হবে।

জাতীয়তা: বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক

বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত হতে হবে। তালাকপ্রাপ্ত গ্রহণযোগ্য নয়।

শারীরিক যোগ্যতা: মেধা কোটার ক্ষেত্রে পুরুষ প্রার্থীর উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের কোটার ক্ষেত্রে বিধি অনুসৃত হবে। নারী প্রার্থীর উচ্চতা মেধা কোটার ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের কোটার ক্ষেত্রে বিধি অনুসৃত হবে।

বুকের মাপ: মেধা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের কোটার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি।

ওজন: বয়স ও উচ্চতার সাথে ওজন অনুমোদিত পরিমাপের হতে হবে।

দৃষ্টিশক্তি: ৬/৬

আবেদন ফি: আবেদন ফরম পূরণের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যেকোনো টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে ৪০ টাকা জমা করতে হবে।

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী চাকরি প্রার্থী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আবেদনের শেষ সময়: ১৮ মার্চ ২০২৫।

Header Ad
Header Ad

সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: সংগৃহীত

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, দেশের প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহী সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারে সপ্তম ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’-এর অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করলেন।

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, ‘ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট ১৯৭১-এর পর থেকেই দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আগামীতে এই রেজিমেন্টেকে আরও আধুনিক ও সক্ষম করে গড়ে তোলা হবে।’

রেজিমেন্টের সব সদস্যের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন– সেনাসদর, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অনেকে।

এর আগে, রাজশাহী সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনাপ্রধান পৌঁছালে তাকে প্রচলিত সামরিক রীতি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অভিবাদন জানানো হয়। এরপর সেনাবাহিনীর প্রধানকে ‘কর্নেল র‍্যাংক ব্যাজ’ পরিয়ে দেওয়া হয়।

Header Ad
Header Ad

দেশ ও জাতির স্বার্থে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে: খালেদা জিয়া

বিএনপির বর্ধিত সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ছবি: সংগৃহীত

ক্ষুদ্র সংকীর্ণতা ভুলে দেশ ও জাতির স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল-সংলগ্ন মাঠে বিএনপির বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ আহ্বান তিনি।

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য থাকলেও জনগণের পাশে আছি। প্রতিশোধ-প্রতিহিংসা নয়, ভালবাসায় দেশ গড়তে হবে।

খালেদা জিয়া বলেন, দীর্ঘ ৬ বছর পর আপনার আবারও ফ্যাসিস্ট মুক্ত বাংলাদেশে একত্রিত হতে পেরেছেন। আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া আদায় করছি। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদের আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন এবং সম্প্রতি জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে শাসকদের নির্মম দমন-নীপড়নের কারণে গণহত্যায় শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আহতদের প্রতি জানাচ্ছি আন্তরিক সমবেদনা।

চিকিৎসার কারণে যুক্তরাজ্যে থাকলে আমি সব সময় আপনাদের সঙ্গে আছি উল্লেখ করে খালেদ জিয়া বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর যারা গণতন্ত্রের জন্য ও আমার মুক্তির জন্য আমাদের অসংখ্য সহকর্মী প্রাণ দিয়েছেন, জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং প্রায় সোয়া লক্ষ্য মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হয়ে এখনও আদালতের বারান্দায় ন্যায় বিচারের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছেন, আপনাদের এ ত্যাগ শুধু দল নয়, জাতি চিরকাল স্মরণে রাখবে।

দেশ আজ এক সংকটময় সময় অতিক্রম করছে বলে উল্লেখ করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের এবং ছাত্রদের সমন্বিত আন্দোলনের ফলে ফ্যাসিস্ট শাসকেরা বিদায় নিয়েছে। একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা রাষ্ট্র মেরামতের ন্যূনতম সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা।

খালেদা জিয়া আরও বলেন, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ আজ এক ইতিবাচক গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংকীর্ণতা ভুলে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এখনও ফ্যাসিস্টদের দোসররা ও বাংলাদেশের শত্রুরা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্জনকে নস্যাৎ করার জন্য গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। ইস্পাত-কঠিন ঐক্যের মাধ্যমে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দিতে হবে। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমাদের সকলকে এক যোগে কাজ করতে হবে।

খালেদা জিয়া বলেন, আমি যুক্তরাজ্য থেকে অসুস্থ অবস্থায় আপনাদের আহ্বান জানাতে চাই— আসুন, জনগণকে সম্পৃক্ত করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে পূর্বের ন্যায় আন্দোলন, সংগ্রাম ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নেতৃত্ব প্রদানে আরও ঐক্যবদ্ধ ও সুসংহতভাবে গড়ে তুলি।

দেশবাসীর উদ্দেশ্য খালেদা জিয়া বলেন, আসুন প্রতিহিংসা, প্রতিশোধ নয়, পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই একটি বাসযোগ্য, উন্নত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করি।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা
সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান
দেশ ও জাতির স্বার্থে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে: খালেদা জিয়া
নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাচ্ছি না: মির্জা ফখরুল  
প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পেতে লাগবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা
অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  
চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা
তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের
বাংলাদেশ-পাকিস্তান লড়াই আজ, বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি  
বিএনপির বর্ধিত সভা আজ    
ভোরে ৪ থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত
মিঠাপুকুরে তিন পেট্রোল পাম্পকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
হার নিয়েই নতুন অধ্যায় শুরু বাংলাদেশের নারী ফুটবলে
৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট
মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা
হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা
শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে