বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

আস্থা ও মনেবলে অটুল থাকলে বিনা যুদ্ধে জয়লাভ করা যাবে: গয়েশ্বর

অঙ্গীকারের প্রতি দেশের জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক শক্তির সাহস, আস্থা ও মনোবল অটুল থাকলে বিনা যুদ্ধে সরকারের বিরুদ্ধে জয় লাভ করা যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
তিনি বলেন, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না বলে দেশের গণতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল ও শক্তিসমূহ অঙ্গীকার করেছেন। এই অঙ্গীকারের প্রতি দেশ ও জনগণের কথা মাথায় রেখে আস্থা, বিশ্বাস এবং মনোবল ঠিক রাখা গেলে সরকারের বিরুদ্ধে বিনাযুদ্ধে আমরা জয়লাভ করতে পারব।

শনিবার ৪ জুন জাতীয় প্রেসক্লাবে শ্রমিক দলের উদ্যোগে ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত জিয়াউর রহমানের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এসব কথা বলেন।

ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশ্যে গয়েশ্বরচন্দ্র রায় বলেন, ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর সকাল বেলাও সৈনিকরা জানত না একটু পরে পাকিস্তান আত্মসমর্পন করতে যাচ্ছে। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা জানত না এরশাদকে পদত্যাগ করতে হবে। আজকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নিচের দিকের নেতা-কর্মীদের যে আষ্ফালন দেখে মনে হচ্ছে তারাও জানেন না তাদের নেত্রী কখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মতো কখন আত্মসমার্পন করে এরশাদের মতো পদত্যাগ করবেন। এই অবুঝ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের বলি রাস্তায় নেমে আমাদের ওপর আক্রমণ, অথবা মারামারি ও গোলাগুলি করার আগে আপনার নেত্রীর কাছে কানে কানে জিজ্ঞাস করেন, তিনি কি আত্মসমর্পন করবেন না? যদি করে কখন? তারিখটা খুব কাছাকাছি। ১৩ বছর যেহেতু আমরা অপেক্ষা করছি, কয়েকটা দিন বা মাস এটা তো অনেক দিন না?

তিনি বলেন, কারণ, রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বড় শক্তি অর্থনৈতিক ম্যানেজমেন্ট। এর মধ্যে দেখা গেছে ১০ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে সাড়ে ছয়’শ কোটি টাকা নেই, শেয়ার মার্কেট থেকে প্রায় ৯০ লাখ কোটি টাকা নাই-এভাবে অর্থনৈতিক অবস্থা শূন্য হয়ে গেছে। আগে তো তলাবিহীন ঝুঁড়ি ছিল, এখন হয়ত দেখা যাবে তলা আছে ঝুঁড়ি-ই নেই। সুতরাং এই অবস্থার মধ্যদিয়ে দেশ পরিচালনা করা খুব কষ্টের।

গয়েশ্বর বলেন, অর্থনীতির স্বাভাবিক একটা সূচক আছে, আমদানি রপ্তানির ক্ষেত্রে ৪ অথবা ৫ মাসের রিজার্ভ থাকলে তা ইতিবাচক বলা যায়। কিন্তু তা নেই। যদি থাকত তাহলে ব্যবসায়ীদের এলসি খুলতে ৭০ শতাংশ মার্জিন দিতে হতো না। আবার ব্যাংকের যে ডলারের মূল্য, তার সাথে বাইরের যে মূল্য ছিল দুই-তিন টাকা কমবেশি। কিন্তু এখন ব্যাংকের চেয়ে বাইরে ১২ টাকা কমবেশি। এই অবস্থায় বাইরে থেকে ডলার কিনে ৭০ শতাংশ মার্জিন দিয়ে এলসি খোলা হয় স্বাভাবিকভাবে পন্যের দাম ২০ শতাংশ বেড়ে যায়। সে কারনে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি এবং শ্রমিক ছাটাই। নতুন কোনো উৎপাদন ক্ষেত্র বা শিল্প কলকারখানা হচ্ছে না। অর্থনৈতিকভাবে এই সরকার দেউলিয়া অনেকটা।

তিনি বলেন, যত টাকা ধার করে উন্নয়নের নামে যার সিংগভাগ টাকা পাচার করা হয়েছে, সেই ধারের টাকার সুদ দিতে হবে দুই বছর পরে। এই সুদের টাকা এই সরকারের পক্ষে পরিশোধ করা সম্ভব হবে না। এ কারণে জিনিসপত্রের দাম কমানো যাবে না, মানুষের হাহাকার এবং অভাব-অটন দেখা দিয়েছে এটা তীব্র থেকে তীব্র হবে।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের ওপর আঘাতের পর আঘাত করা,পুলিশ দিয়ে দমন করাও সম্ভব হবে না। এই সরকারের পক্ষে দেশ পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম বক্তব্যের রেশ ধরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সালাম সাহেব বলেছেন, এই সরকারের অধীনে আমরা কোনো নির্বাচনে যাব না। এটাই পুরো কথা নয়। পুরো কথা হচ্ছে, এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাব না, যে পার্লামেন্ট আছে তা বলবদ রেখেও আমরা নির্বাচনে যাব না। তাহলে কী করতে হবে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, পার্লামেন্ট বিলুপ্ত করতে হবে। নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দিয়ে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গড়তে হবে। স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন দরকার হবে। আমাদের নেতা খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দীদের নিশর্ত মুক্তি দিতে হবে। এটা আমাদের অঙ্গীকার।

গয়েশ্বর বলেন, আমাদের এই অঙ্গীকারের সাথে অন্যান্য জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল যারা এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাব না অঙ্গীকার করেছেন সবাই যদি বাড়িতে ঘুমিয়েও থাকি তারপরও শেখ হাসিনা সরকারে থাকতে পারবে না। কারণ তার পক্ষে আরেকটি নির্বাচন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের মতো জ্বালাও পোড়াও, হরতাল, অবরোধ না-ই করলাম, কিছুই দরকার নেই। এই সরকারের অধীনে শুধুমাত্র গণতন্ত্রমনা মানুষ অংশগ্রহণ না করলে হেলিকপ্টারে করে দেশ ত্যাগে বাধ্য হবে শেখ হাসিনাকে। তাই, সবাইকে ভোটাধিকারের আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, হুমায়ুন কবির খান প্রমুখ।

 

এমএইচ/

Header Ad
Header Ad

কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জনগণকে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে হবে। পাশাপাশি, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্যান্য বাহিনীর সদস্য সংখ্যা দ্রুত বাড়ানো হবে।"

বুধবার সকালে সাভারের রাজালাখ এলাকায় হর্টিকালচার সেন্টারে কৃষকের শীতল ঘর কার্যক্রম এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) কর্তৃক নির্মিত খামারি মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, সারাদেশে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। বিশেষ করে রাতের বেলা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীতে ভোররাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় তিনি নিজেও রাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বের হয়েছিলেন।

তিনি বলেন, "আশুলিয়া, সাভার ও ধামরাই এলাকায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া কৃষিজমি রক্ষায় সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করা হবে।"

অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ডা. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবিরসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি প্রদান। ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র মাহে রমজানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হলগুলোর ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধি এবং যথাযথ মূল্য নিশ্চিতে প্রশাসনিক মনিটরিং সেল গঠনের আবেদন জানিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতারা। একই সাথে প্রয়োজনানুসারে ভর্তুকি বৃদ্ধির জন্য আবেদন করেছে তারা।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানের কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

এ সময় ছাত্রদের দাবিগুলোর বাস্তবায়ন, বিশেষত মনিটরিং সেল গঠনের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন উপাচার্য।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাবি ছাত্রদল সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সিনিয়র সহসভাপতি মো. মাসুম বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন শাওন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামিম আকতার শুভ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নূর আলম ভূঁইয়া ইমন।

Header Ad
Header Ad

৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রি করবেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নতুন অভিবাসন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ৫০ লাখ ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা) বিনিময়ে মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রি করবেন। এই নাগরিকত্বের বিক্রি ‘গোল্ড কার্ড’ নামক একটি নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে হবে, যা ধনী অভিবাসীদের জন্য নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ সহজ করবে।

ট্রাম্প বলেছেন, "আমরা একটি গোল্ড কার্ড বিক্রি করব, যা গ্রিন কার্ডের সুবিধা প্রদান করবে এবং এটি নাগরিকত্বের পথ তৈরি করবে।" গোল্ড কার্ডের জন্য প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ মিলিয়ন ডলার, যা ধনী ব্যক্তিরা কিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাবেন।

এটি মার্কিন ‘ইবি-৫ প্রোগ্রাম’কে প্রতিস্থাপন করবে, যা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য মার্কিন নাগরিকত্বের পথ উন্মুক্ত করে। তবে ট্রাম্পের নতুন গোল্ড কার্ড প্রোগ্রামটি ইবি-৫ প্রোগ্রামের চেয়ে অনেক বেশি সুবিধাযুক্ত হবে, দাবি করেছেন তিনি। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা শুধু মার্কিন নাগরিকত্বই পাবেন না, বরং দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসায় বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।

ট্রাম্প আরও জানান, এই গোল্ড কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের ধনী বা অত্যন্ত প্রতিভাবান ব্যক্তিরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ করতে পারবেন এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সাহায্য করতে পারবেন। তাঁর মতে, এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ পরিশোধের জন্যও সহায়ক হতে পারে।

এছাড়া, ট্রাম্প আশা করছেন কমপক্ষে ১০ লাখ গোল্ড কার্ড বিক্রি হবে এবং তিনি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই প্রোগ্রামের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবেন।

বিশ্বের অনেক দেশ ইতোমধ্যে ধনী ব্যক্তিদের জন্য ‘গোল্ডেন ভিসা’ অফার করে থাকে, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, গ্রিস, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও ইতালি অন্তর্ভুক্ত। তবে ট্রাম্পের গোল্ড কার্ড প্রোগ্রামটি এই সেক্টরের মধ্যে নতুন একটি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন
৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রি করবেন ট্রাম্প
পরকীয়ার জেরে ভাঙতে যাচ্ছে ৩৭ বছরের সংসার, যা বললেন গোবিন্দ
ছাত্রদের নতুন দল থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক কমিটির জুনায়েদ ও রিফাত
‘শুধু রণাঙ্গণের যোদ্ধারাই হবেন মুক্তিযোদ্ধা, বাকিরা মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’
স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির আয়োজনে আন্তর্জাতিক ছাত্র সম্মেলন
৬ মাসে যেভাবে অর্থনীতি কামব্যাক করেছে সেটা মিরাকল: প্রেস সচিব
নতুন তথ্য উপদেষ্টা হচ্ছেন মাহফুজ আলম
টাঙ্গাইলে শিক্ষা সফরের ৪ বাসে ডাকাতি, বাঁধা দেওয়ায় শিক্ষকসহ দুইজনকে মারধর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তিতে সম্মত ইউক্রেন  
ছোট অপরাধ বাড়লেও কমেছে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ  
নায়িকার মামলায় জাজের আজিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা  
মধুর ক্যান্টিনে বিকেলে যাত্রা শুরু করবে সমন্বয়কদের নতুন ছাত্রসংগঠন
১৩ মার্চ ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব  
গোল উৎসবে নিষ্প্রাণ বার্সার রক্ষণ, সেমিফাইনালের প্রথম লেগ ড্র
ইসরায়েলি কারাগারে কমপক্ষে ৫৯ ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যু  
পল্টনের জামান টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে  
ভোরে হঠাৎ পুলিশের টহল কার্যক্রম পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা  
কেরানীগঞ্জে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নারী নিহত