বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

৭ মার্চের ভাষণ চিরন্তন ভাষণ হিসেবে উদ্ভাসিত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য যে, এমন একটা সময় গেছে ১৯৭৫ এ জাতির পিতাকেই শুধু হত্যা করেনি, বাঙালির স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ভাষণ যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে একটা পাথেয়, সেটা কিন্তু নিষিদ্ধ ছিল বাংলাদেশে। আমার আত্মবিশ্বাস আর কোনো দিন এই ইতিহাস কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। এটা চিরন্তন ভাষণ হিসেবে বিশ্বের বুকে উদ্ভাসিত থাকবে।’

সোমবার (৭ মার্চ) ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি এসব কথা বলেন।
এ আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে কথাগুলো বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশ এদেশের প্রতিটি মানুষ অক্ষরে অক্ষরে মেনে অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল। এটা একটা ঐতিহাসিক ব্যাপার। জাতির পিতার নির্দেশনা এই দেশের মানুষ অক্ষরে অক্ষরে পালন করে।’

পৃথিবীর বহু দেশে অনেকে অনেক ভাষণ দিয়েছেন কিন্তু প্রতিটি ভাষণ প্রস্তুত করা, সেটাই তারা পড়েছেন। এই একমাত্র ভাষণ, যেটা উপস্থিত ভাষণ। এখানে কোনো কাগজ নাই, লেখা নাই, কিছুই নাই। একজন নেতা সারাজীবন যে সংগ্রাম করেছেন মানুষের জন্য সেই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি এই জাতিকে কি দিতে চান, কি করতে চান সেটি যেমন বলেছেন, সঙ্গে সঙ্গে সেই নির্যাতন অত্যাচারের কথাটাও বলেছেন। এটা একটা ঐতিহাসিক দলিল। এটা বিরল ঘটনা। সেই ভাষণ আজ আমরা সরকারিভাবেই শুনতে পাচ্ছি।

‘আমাদের দুর্ভাগ্য যে এমন একটা সময় গেছে ৭৫ এ জাতির পিতাকেই শুধু হত্যা করেনি, বাঙালির স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ভাষণ যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে একটা পাথেয় সেটা কিন্তু নিষিদ্ধ ছিল বাংলাদেশে,’ যোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী এই ভাষাণ বাজাতে যেয়ে নির্যাতিত হতে হয়েছে, তাদেরকে গুলি খেয়ে মরতে হয়েছে। তাদের উপর চরম অত্যাচার করা হয়েছে। ২১ বছর এই বাঙালি জাতি স্বাধীনতার বিকৃত ইতিহাস শুনেছে। ২১ বছর ধরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লাখ শহিদের রক্তদান আমাদের সংগ্রাম সবকিছু ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। আজকে এটা প্রমাণিত সত্য যে সত্যকে কেউ কখনও মুছে ফেলতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭ মার্চের ভাষণই তো জাতির পিতা বলে গেছেন ‘কেউ দাবায়া রাখতে পারবা না’। বাঙালিদের কেউ দাবায়া রাখতে পারে নাই। মাথা উঁচু করে বেঁচে আছে। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ ইউনেসকো কর্তৃক ‘ইন্টারন্যাশনাল মেমরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড’ রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ বিশ্ব প্রামাণ্য দলিলে স্থান পেয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর এই ভাষণটা অন্তত স্বাধীনভাবে বাজাবার সুযোগটা পাই। আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ কিন্তু থেমে থাকেনি। ৭৫ এর পর তারা নিজের জীবন ঝুঁকি নিয়ে বার বার বাজিয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে স্বাধীনতার জন্য যত ভাষণ দেওয়া হয়েছে তার কোনটাই কিন্তু পুনরাবৃত্তি হয়নি কখনো, যেদিনের ভাষণ সেদিনই শেষ হয়ে গেছে। এই ভাষণটা আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের ৫০ বছর, এই ৫০ বছর পর্যন্ত এই ভাষণ বার বার আমাদের প্রেরণা দিয়ে যাচ্ছে। একটি মাত্র ভাষণ যেটা কেউ কোন দিন হিসাব করে বের করতে পারবে না কত ঘণ্টা কত মিনিট কত দিন বাজানো হয়েছে। এটা হিসাব করাটা কঠিন ব্যাপার। এটা যুগ যুগ ধরে আমরা শুনছি এবং ভাষণটা বাজানো হচ্ছে। কত কত কোটি মানুষ এই ভাষণ শুনেছে তার কোনো হিসাব নেই। যতই বাধা দেওয়া হয়েছে ততই যেন ভাষণটা আরও উদ্ভাসিত হয়েছে। এখনো এই ভাষণ আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়। যে ভাষণের প্রতিটি লাইনই হচ্ছে একটা একটা কবিতার অংশ, যা মানুষের অন্তরে একটা অনুভূতি দেয়, প্রেরণা দেয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধারা যখন যুদ্ধ করেছে তখন এই ভাষণটাই ছিল তাদের প্রেরণা এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত বাজানো হতো। জাতির পিতা তার ভাষণ শেষ করেছে জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে। অর্থাৎ বাঙালির জয়, বাংলাদেশের জয়, বাংলার জয়। জয়বাংলা স্লোগান প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধা যখনই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বা যখন শুত্রুকে আঘাত করতে গেছে এই জয়বাংলা স্লোগান দিয়েই ঝাঁপিয়ে পড়েছে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে যারা বন্দি হয়েছে অত্যাচারিত হয়েছে তারাও জয়বাংলা স্লোগান দিয়েছে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত জয়বাংলা স্লোগান দিয়েছে। আমার আত্মবিশ্বাস আর কোনো দিন এই ইতিহাস কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। এটা চিরন্তন ভাষণ হিসেবে বিশ্বের বুকে উদ্ভাসিত থাকবে।

এসএম/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনায় আহতদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা আহতদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজখবর নেন।

 

এ সময় ছাত্রদল নেতারা অভিযোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। নতুন ছাত্র সংগঠন গঠনের প্রক্রিয়ায় তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে এবং এর প্রতিবাদ করায় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীদের যথাযথ চিকিৎসা ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান তারা।

এর আগে, বিকেলে মধুর ক্যান্টিনে নতুন ছাত্র সংগঠনের ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মিশু আলি ও আকিব আল হাসানসহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুইজনকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে এক পরিবারের ১২ জন সদস্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, খাবারের সঙ্গে কেউ নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দিয়েছে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অরুপ পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার রাতে কমলনগর উপজেলার চর ফলকন ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শাহজাহান মৃধার বাড়িতে রান্না করা হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থদের মধ্যে রয়েছেন মো. শাহজাহান মৃধা (৭০), নুর ভানু (৬৫), পান্না আক্তার (২৭), আকলিমা বেগম (২০), আরমান হোসেন (১০), ইমরান হোসেন (৪), নুসরাত (৪), মরিয়ম (৪), পলি আক্তার (১৬), পিংকি বেগম (২৫) ও মো. নিশান (২৮)।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পলি আক্তার জানান, সন্ধ্যায় পরিবারের সবাই বিয়ের অনুষ্ঠানে যান। ফিরে এসে রান্না করা হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। খাওয়ার পরপরই দুই শিশু বমি করলেও তখন বিষয়টি কেউ গুরুত্ব দেয়নি। পরে জ্ঞান ফিরে দেখেন, তারা হাসপাতালে। পরিবারের সদস্যদের ধারণা, তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে দুর্বৃত্তরা রান্না করা খাবারের সঙ্গে চেতনা নাশক মিশিয়ে দেয়। ওই খাবার খেয়ে পরিবারের তিনটি পরিবারের ১২ জন সদস্য অচেতন হয়ে পড়েন। রাতে অন্য সদস্যরা বাড়ি ফিরে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে সবাইকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে ঘরে কোনো মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হয়েছে কিনা, তা তারা নিশ্চিত করতে পারেননি।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অরুপ পাল জানান, শিশুসহ ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং খাবারের সঙ্গে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা

হামজা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

আগামী ভারত ম্যাচের জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি ৩৮ সদস্যের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে আগামী শুক্রবার শুরু হতে যাওয়া ক্যাম্পে ৩০ জন ফুটবলারকে ডেকেছেন কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা। ফলে ৮ জন ফুটবলার ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ পড়েছেন।

৩৮ জনের তালিকায় পাঁচজন গোলরক্ষক ছিলেন। নতুন তালিকায় দুই গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো ও সাকিব আল হাসান বাদ পড়েছেন। ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের সঙ্গে নামের মিল থাকায় আলোচনায় আসা মোহামেডানের দ্বিতীয় গোলরক্ষক সাকিবও জায়গা পাননি।

এবারই প্রথম ব্যতিক্রমভাবে ক্যাম্প শুরুর দুই সপ্তাহ আগে বড় প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছিল বাফুফে। নতুন ফুটবলাররা জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখলেও ক্যাম্পে সুযোগ না পাওয়ায় তারা হতাশ। এ নিয়ে জাতীয় দলের ম্যানেজার আমের খান বলেন, "কোচ বিচার-বিবেচনা করে এই তালিকা তৈরি করেছেন। বাদ পড়া ৮ জন বিকল্প হিসেবে থাকবেন। ইনজুরির কারণে প্রয়োজন হলে তাদের ডাকা হবে।"

আগামী শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে ২৮ জন ফুটবলার ক্যাম্পে যোগ দেবেন। পরদিন বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় অনুশীলন শুরু হবে।

৫ মার্চ সৌদি সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। সৌদি আরবে প্রায় দুই সপ্তাহ অনুশীলন করবে দল এবং অন্তত একটি বা একাধিক প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে বাফুফের।

গত বছরও সৌদি ক্যাম্প করেছিল বাংলাদেশ। তখন সুদান দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিল তারা। এবারও স্থানীয় ক্লাব বা অন্য কোনো দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে।

৩০ জনের প্রাথমিক তালিকায় রয়েছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ফুটবলার হামজা চৌধুরি ও ইতালিয়ান লিগের ফাহমিদুল।

বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার আমের খান জানান, হামজা ১৮ মার্চ বাংলাদেশে আসতে পারেন। সৌদি ক্যাম্প শেষে দলের সঙ্গে অনুশীলন করে ভারত ম্যাচ খেলবেন তিনি।

অন্যদিকে, ফাহমিদুল ইতালি থেকে সরাসরি সৌদি আরবে ক্যাম্পে যোগ দেবেন।

প্রাথমিক স্কোয়াডে থাকা শেখ মোরসালিনের বিরুদ্ধে আজ যৌতুকের মামলা হয়েছে। তবে জাতীয় দলে তার অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন আমের খান।

তিনি বলেন, "এটি তার ব্যক্তিগত বিষয়। বাফুফের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ এলে তখন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

৩০ জনের প্রাথমিক স্কোয়াড:

গোলরক্ষক: মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ।

ডিফেন্ডার: রহমত মিয়া, শাকিল হোসেন, ইসা ফয়সাল, তাজ উদ্দিন, কাজী তারিক রায়হান, তপু বর্মন, সাদ উদ্দিন, সুশান্ত ত্রিপুরা।

মিডফিল্ডার: মোহাম্মদ হৃদয়, পাপন সিং, সৈয়দ শাহ কাজেম কিরমানি, সোহেল রানা, সোহেল রানা জুনিয়র, চন্দন রায়, মজিবুর রহমান জনি, জামাল ভূঁইয়া, শেখ মোরসালিন, হামজা চৌধুরি।

ফরোয়ার্ড: ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, রাকিব হোসেন, শাহরিয়ার ইমন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, আরিফ হোসেন, আল আমিন, পিয়াস আহমেদ নোভা, ফাহামেদুল ইসলাম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা
হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা
শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে
নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
ডেভিল হান্টে বড় অপরাধীদের ধরার আহ্বান জয়নুল আবদিনের
প্রথম প্রেমিককে প্রাক্তন মনে করি না, সে আমার শত্রু: প্রভা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের নতুন নির্দেশনা
ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি
নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি
টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক
নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নাম ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’
চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন