সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫ | ৮ বৈশাখ ১৪৩২
Dhaka Prokash

মাঘের বৃষ্টিতে বাড়বে শীত

মাঘের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি আছে। শীতের শেষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শুক্রবার সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। রাজধানীতে শীতের তীব্রতা না থাকলেও উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিতে নাকাল জনজীবন। উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকায় বৃষ্টি, বজ্রবৃষ্টি ও হিমেল হাওয়া বেয়ে যাচ্ছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও দিনমজুররা রয়েছেন চরম ভোগান্তি।

রাজধানীতে শনিবার থেকেই বৃষ্টি থেমে যাবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও নওগাঁর স্থানীয় আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, এসব এলাকায় আরও ২-৩ দিন আবহাওয়া একই রকম থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে আগামীকাল সকাল ৯টার পর রাজধানীতে আকাশ পরিষ্কার হতে পারে।

তিনি জানান, শুক্রবার সকাল ৮টায় দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৩ মিলিমিটার এবং রংপুরে ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

সারাদেশ প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে দেখা গেছে, শুক্রবার সকালে ৮ টায় দিনাজপুরে দিনের তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে, কুড়িগ্রামে ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং নওগাঁয় ১৪ দশমিক ৮ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দিনাজপুরে কনকনে শীতের মাঝেই শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রায় ৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস। দিনের তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে। হালকা বাতাসের ঝাপটায় বাড়িয়ে দিয়েছে হাড়কাঁপানো শীতের তীব্রতা। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণে রাস্তাঘাট প্রায় জনশূন্য। বৃষ্টিতে আলু, টমেটো ক্ষেতসহ বীজতলা নষ্টের আশংকা করছেন কৃষকরা।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আবারও শৈত্য প্রবাহের কবলে পড়তে পারে দিনাজপুর। হালকা বৃষ্টিসহ বজ্রপাত শুরু হয়েছে। যোগ হতে পারে কনকনে শীতের তীব্র্রতার মাত্রা।

এদিকে টানা শৈত্যপ্রবাহের রেশ কাটতে না কাটতেই টানা বৃষ্টিপাতের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের জনজীবন। শুক্রবার ভোর থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে শোনা গেছে মেঘের গর্জনও। ভোর থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত টানা বৃষ্টির কারণে বেড়েছে শীত। বৃষ্টি, উত্তরের হিমেল হাওয়া আর কন কনে ঠান্ডায় ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে মানুষ। বিশেষ প্রয়োজন ঘর থেকে বের হচ্ছে না কেউ। রাস্তা ঘাট ফাঁকা পড়ে আছে। টানা বৃষ্টির কারণে দিনমজুদের দুর্ভোগ বেড়েছে। এদিকে চলতি ইরি-বোরো চাষের মৌসুম শুরু হলেও শীত ও বৃষ্টির কারণে ক্ষেতে আমন চারা রোপণ করতে পারছেন না কৃষকরা।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিছুর রহমান জানান, শুক্রবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২০ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ অবস্থা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

নওগাঁয় পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে মাঘের শেষভাগে বৃষ্টির কারণে জেঁকে বসেছে শীত। সেই সঙ্গে হিমেল বাতাসে ভোগান্তিতে পড়েছে জেলার মানুষজন। শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) জেলায় দিবাগত রাত ১২টা থেকে শুক্রবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ৩১ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে নওগাঁর বদলগাছী আবহাওয়া উপকেন্দ্র। জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় ১৫-২০ কিলোমিটার বেগে হিমেল বাতাস বয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নওগাঁর বদলগাছী আবহাওয়া উপকেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে, 'শনিবারও এমন বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির পর শুক্রবার থেকে আগামী কয়েকদিন শীতের অনুভূতিও বাড়বে। এলাকাভেদে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমবেশি হতে পারে। আরও দুই তিন দিন বৃষ্টিপাত থাকতে পারে। এরপর কোনো কোনো এলাকায় তাপমাত্রা কমে গিয়ে শীত বাড়তে পারে।'

পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, নওগাঁয় কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

 

Header Ad
Header Ad

গ্রীষ্মে স্বাভাবিক থাকবে বিদ্যুৎ সরবরাহ: বিপিডিবি চেয়ারম্যান

ছবি: সংগৃহীত

চলতি গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রেজাউল করিম। তিনি জানান, বিদ্যমান সব বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখতে কাজ করে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ, যাতে গ্রীষ্মকালে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করা যায়।

বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বর্তমানে গড়ে দৈনিক ১৪,০০০ থেকে ১৪,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যেখানে গড় চাহিদা প্রায় ১৫,০০০ মেগাওয়াট। গ্রীষ্মে এই চাহিদা সর্বোচ্চ ১৭,৮০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭,২৬০ মেগাওয়াট।

গত শনিবার দেশে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ছিল ১১,৯৭১ মেগাওয়াট, যার বিপরীতে চাহিদা ছিল ১৪,৪৫১ মেগাওয়াট। রবিবার কর্মদিবস হওয়ায় চাহিদা আরও বেড়ে যায়। যদিও গ্রীষ্মে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াট ঘাটতির আশঙ্কা রয়েছে, বিপিডিবি মনে করে এই ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

চেয়ারম্যান জানান, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পেছনে কারিগরি ত্রুটি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ (যেমন ঝড় বা বৃষ্টিপাত) একটি বড় কারণ। এছাড়া গ্যাসের চাহিদা পূরণে সরকার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম প্রধান জ্বালানি। ইতোমধ্যে স্পট মার্কেট থেকে দুটি কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার। এর আগে মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কোম্পানি থেকেও এলএনজি আনা হয়েছে।

বিদ্যুৎ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, লোডশেডিং কমাতে সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি অফিস, ব্যাংক, বাসাবাড়ি ও মসজিদে এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে না নামানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এভাবে প্রতিদিন ২,০০০ থেকে ৩,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।

সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের নানা উদ্যোগের কারণে চলতি গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: বাসস

Header Ad
Header Ad

পরমাণু কর্মসূচি থেকে না সরার ঘোষণা ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি থেকে একচুলও সরছে না বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইরানের আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার ইরানের জন্য একটি ‘লাল রেখা’। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পরোক্ষ আলোচনাতেও এই অবস্থান থেকে কোনোভাবেই সরে আসা হবে না।

রবিবার ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি কমিশনের এক বৈঠকে এই মন্তব্য করেন ঘারিবাবাদি। বৈঠকে তিনি ইতালির রোমে তেহরান-ওয়াশিংটনের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনা সম্পর্কে আইনপ্রণেতাদের বিস্তারিত অবহিত করেন।

কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই জানিয়েছেন, ঘারিবাবাদি আলোচনার মূল বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন। বৈঠকে তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না এবং দেশটির পরমাণু কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

ঘারিবাবাদি আরও বলেন, আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল ইরানের ওপর আরোপিত বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা—বিশেষ করে মার্কিন কংগ্রেসের আইন এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ। ইরান চায়, এসব নিষেধাজ্ঞা যেন সম্পূর্ণরূপে এবং কার্যকরভাবে প্রত্যাহার করা হয়। শুধুমাত্র প্রতীকীভাবে নয়, বরং ইরানি জনগণের জন্য বাস্তব অর্থনৈতিক সুফল নিশ্চিত করতে হবে।

সূত্র: প্রেস টিভি

Header Ad
Header Ad

পর্যটকদের ভ্যাটের অর্থ ফেরত দেবে সৌদি সরকার

ছবি: সংগৃহীত

পর্যটকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব সরকার। এখন থেকে সৌদিতে অবস্থানকালে পণ্য ও সেবার উপর পরিশোধিত ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) দেশে ফেরার সময় ফেরত পাবেন পর্যটকরা। সংশ্লিষ্ট ভ্যাট বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে এই নিয়ম গত ১৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনুমোদিত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যটকদের জন্য প্রদত্ত উপযুক্ত পণ্য ও সেবার উপর শূন্য শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করবে এবং সৌদি আরব ত্যাগের সময় পরিশোধিত ভ্যাটের অর্থ ফেরত দেবে। এতে পর্যটকদের ভ্রমণ ব্যয় হ্রাস পাবে এবং সৌদির পর্যটন খাত আরও চাঙা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের জাকাত, ট্যাক্স ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ (জেডএটিসিএ) জানিয়েছে, কর ফেরতের পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য এক বা একাধিক অনুমোদিত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। এসব প্রতিষ্ঠান পর্যটকদের পক্ষে কর ফেরতের আবেদন এবং তা কার্যকর করবে। তবে নিয়ম লঙ্ঘন বা অনিয়ম হলে, পর্যটক ও সেবাদাতা—উভয়ই ফেরত নেওয়া অর্থের জন্য যৌথভাবে দায়ী হবেন।

জিসিসিভুক্ত (গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল) দেশগুলোর পর্যটকরাও এই কর ছাড়ের সুবিধা পাবেন। তবে এই সুবিধা চলমান থাকবে যতদিন না পর্যন্ত ইলেকট্রনিক সার্ভিস আইন কার্যকর হয়। জেডএটিসিএ’র গভর্নর এই কর ফেরতের প্রক্রিয়া ও নিয়মাবলি নির্ধারণ করবেন।

নিয়মাবলির মধ্যে থাকবে—পর্যটকদের কর ফেরতের ধাপসমূহ, পর্যটক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার শর্ত, কোন পণ্য এই সুবিধার আওতায় আসবে, ন্যূনতম ক্রয়মূল্য, কোন বিক্রেতারা সুবিধা দিতে পারবেন এবং কর ফেরতের আবেদন পদ্ধতি।

অন্যদিকে, সংশোধিত ভ্যাট বিধিমালায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যবসা কার্যক্রম অন্যের কাছে হস্তান্তর করা হয়, তাহলে নতুন মালিককে ৩০ দিনের মধ্যে জেডএটিসিএ-কে তা জানাতে হবে। তবে পূর্ববর্তী মালিকের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে থাকলে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। এমনকি রেজিস্ট্রেশন বাতিল হলেও, আগের মালিক পুরনো কর সংক্রান্ত দায়-দেনা থেকে অব্যাহতি পাবেন না এবং তাকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ করতে হবে।

সূত্র: সৌদি গেজেট

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

গ্রীষ্মে স্বাভাবিক থাকবে বিদ্যুৎ সরবরাহ: বিপিডিবি চেয়ারম্যান
পরমাণু কর্মসূচি থেকে না সরার ঘোষণা ইরানের
পর্যটকদের ভ্যাটের অর্থ ফেরত দেবে সৌদি সরকার
আজ কাতার যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস
ভুল বোঝাবুঝিতে গাজায় ১৪ জরুরি সেবাদাতা কর্মীকে হত্যা!
জেলা প্রশাসকের দফতরে স্মারকলিপি দিল আওয়ামী লীগ
বিয়ের আশ্বাসে স্বামীর ১১ লাখ টাকা নিয়ে ঘর ছাড়লেন নারী, প্রেমিকের ফাঁদে পড়ে দলবেঁধে ধর্ষণের শিকার
বিয়ে না করেই পঞ্চাশে অন্তঃসত্ত্বা অভিনেত্রী, তোলপাড় নেটদুনিয়া
পারভেজের মৃত্যুতে গ্রামের বাড়িতে মাতম, পাগলপ্রায় মা-বাবা ও একমাত্র বোন
বাংলাদেশের হয়ে খেলতে রাজি কিউবা মিচেল
আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলমের পদত্যাগ দাবি করলেন নুর
২০২৫ শেষ হওয়ার আগেই ৫০ সেঞ্চুরিতে দেশের প্রথম এনামুল হক
ভিসা বাতিল করায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভারতীয় ও চীনা শিক্ষার্থীদের মামলা
একনেকে ২৪ হাজার কোটি টাকার ১৬ প্রকল্প অনুমোদন
বিগত ৩ নির্বাচনের সঙ্গে জড়িতদের বিচার চায় এনসিপি
এপ্রিলে ১৯ দিনেই প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ২১ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল
দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না হওয়া নিয়ে বিএনপির অভিমত
ফাইয়াজের মামলায় আইন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার নেই: আসিফ নজরুল
ভারতের উত্তরপ্রদেশে এক ছাত্রীকে ৭ দিন ধরে আটকে ২৩ জন মিলে ধর্ষণ!
বিরামপুরে পিকআপের ধাক্কায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু