বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

৩০ হাজারের রাউটার ৬ লাখ, দেড় লাখের প্রিন্টার ১৫ লাখে কিনেছে আরইবি!

প্রতীকী ছবি। ছবি: সংগৃহীত

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়মের তথ্য মিলেছে। ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য একেকটি রাউটার ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছে আরইবি। অথচ বাজারে একই মানের রাউটারের দাম মানভেদে ৩০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা। শুধু রাউটারই নয়; প্রিন্টার, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্লিপ প্রিন্টার, এসিসহ বিভিন্ন পণ্য বাজার দরের চেয়ে কেনা হয়েছে অনেক বেশি দামে। এসব মালপত্র বিভিন্ন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে সরবরাহ ও স্থাপন করেছে বিদ্যুৎ বিতরণকারী রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

‘প্রি-পেমেন্ট ই-মিটারিং ইন ঢাকা ডিভিশন আন্ডার রুরাল ইলেকট্রিফিকেশন প্রোগ্রাম (ফেইজ-১)’ নামে একটি প্রকল্পের আওতায় ১১টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জন্য এসব মালপত্র কিনেছে আরইবি। মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওয়েশন গ্রুপ লিমিটেড (ডব্লিউজিএল) পাঁচটি এবং হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এইচইএল) ছয়টি সমিতিতে মালপত্র সরবরাহ করেছে। একই প্রকল্পের আওতায় একই কাজের জন্য দুই ধাপে এসব মালপত্র কেনা হলেও প্রতিষ্ঠান দুটির দামের ক্ষেত্রে রয়েছে বিশাল পার্থক্য।

দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জন্য আরইবি বিভিন্ন সময়ে যেসব মালপত্র কিনে থাকে। এসব মালপত্র কেনার সব তথ্য যাচাই-বাছাই করলে বিপুল পরিমাণ অনিয়ম দুর্নীতির চিত্র উঠে আসবে বলে অভিযোগ করেছেন আরইবির অন্তত তিনজন কর্মকর্তা।

১১টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যে ছয়টি সমিতিতে মালপত্র সরবরাহের মূল্যতালিকা গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। এর মধ্যে তিনটি সমিতিতে ডব্লিউজিএল ৫০টি এইচপি ব্র্যান্ডের ডেস্কটপ কম্পিউটার (কোর আই ফাইভ) সরবরাহ করেছে। প্রতিটি কম্পিউটারের দাম ৫ লাখ ৭২ হাজার ৮৬২ টাকা হিসাবে মোট ২ কোটি ৮৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অথচ বাজারে ওই মানের একটি কম্পিউটারের দাম ৬০-৬৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে একই প্রকল্পে এইচইএল তিনটি সমিতিতে ৪০টি একই ধরনের কম্পিউটার সরবরাহ করেছে মাত্র ৫৭ হাজার টাকা করে। যার মোট মূল্য ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

এদিকে, বিল পরিশোধের পর গ্রাহককে রসিদ দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি প্রিন্টার কিনেছে আরইবি। এর মধ্যে ডব্লিউজিএল তিনটি সমিতিতে ৬১টি প্রিন্টার সরবরাহ করেছে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকায়। প্রতিটি প্রিন্টারের দাম পড়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯০৯ টাকা। অথচ বাজারে মানভেদে এ ধরনের প্রিন্টারের দাম ১৫ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা। তিনটি সমিতিতে ৪০টি প্রিন্টার সরবরাহ করেছে এইচইএল। তাদের প্রতিটি স্লিপ প্রিন্টারের দাম মাত্র ১৬ হাজার ৩৭০ টাকা।

২৫টি লেজার প্রিন্টার সরবরাহ করেছে ডব্লিউজিএল। প্রতিটির দাম ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। যার বাজারমূল্য মানভেদে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। অন্যদিকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা করে ২০টি লেজার প্রিন্টার সরবরাহ করেছে এইচইএল।

২৫টি নেটওয়ার্ক রাউটার সরবরাহ করে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা নিয়েছে ডব্লিউজিএল। প্রতিটি রাউটারের দাম পড়েছে ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা। একই ধরনের ২০টি রাউটার সরবরাহ করেছে এইচইএল। প্রতিটির মূল্য নিয়েছে ৩৫ হাজার ৩৯৫ টাকা। এর বাজারমূল্য মানভেদে ৩০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা।

এইচপি ব্র্যান্ডের একেকটি ল্যাপটপের দাম (কোর আই ফাইভ, ১৫ ইঞ্চি) প্রায় ৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা নিয়েছে ডব্লিউজিএল। অথচ জেনুইন অপারেটিং সিস্টেমসহ এই মানের ল্যাপটপের বাজারমূল্য ৯০-৯৫ হাজার টাকা। আর এইচইএল সরবরাহ করেছে ১ লাখ ১ হাজার ৭৬১ টাকা করে ৩৮টি ল্যাপটপ।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কম্পিউটারের সঙ্গে উইনডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি নিবন্ধনকৃত সফটওয়্যার সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু যে ব্র্যান্ডের কম্পিউটারটি কেনা হয়েছে তাতে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনকৃত ওই সফটওয়্যার ফ্রি দিয়ে থাকে। একইভাবে স্লিপ প্রিন্টার, রাউটার এবং লেজার প্রিন্টারের সঙ্গে সফটওয়্যার কেনা বাবদ ব্যয় দেখানো হলেও বাস্তবে সেখানে যে সফটওয়্যার ব্যবহার হয়, তাও প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রি সরবরাহ করে।

তখন প্রকল্পের পরিচালক ছিলেন আরইবির বর্তমান পরিচালক (কারিগরি) মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, দরপত্রের মাধ্যমে মালপত্রগুলো কেনা হয়েছে, যেখানে অনেক বেশি প্রতিযোগিতা হয়েছিল। এখানে কিছু আইটেমের দাম বেশি মনে হলেও কোনো কোনো আইটেমের দাম বাজারদরের চেয়ে অনেক কম। যেমন একটা মিটার স্থাপন করতে ন্যূনতম ৩০০ টাকা দরকার। কিন্তু এখানে ঠিকাদার এই কাজটি মাত্র সাড়ে ৪ থেকে সাড়ে ৫ টাকায় করেছে।

এ বিষয়ে আরইবির চেয়ারম্যান অজয় কুমার চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বলেন, আমি একটা জরুরি মিটিংয়ে আছি। পরে আরইবির সদস্য (বিতরণ ও পরিচালন) দেবাশীষ চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি।

দেবাশীষ চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি অন্য সেকশনের। তাই বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখব।’

এ বিষয়ে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ‘আইটেম ওয়াইজ’ দর এবং গুণগত মান যাচাই করে যৌক্তিক মূল্যের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ দেওয়াই হলো দেশের আইনি বিধান। সামগ্রিকভাবে যার দর কম তাকে কাজ দিতে হবে এমন কোনো বিধান আইনে নেই। প্রকল্প পরিচালক এটা করতে পারেন না। এখন তারা নিজেদের মতো ব্যাখ্যা দিলে তো হবে না।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যদি এ তথ্য সঠিক হয়, তাহলে এটা পুকুর চুরি নয় বরং সাগর চুরি। পণ্যের প্রকৃত বাজার মূল্যের সঙ্গে আরইবির কেনাকাটায় যে বিশাল তারতম্য, তাতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ করা হয়েছে এখানে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।

Header Ad

গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিক হাসান মেহেদি নিহত

ছবি: নিহত সাংবাদিক হাসান মেহেদী

রাজধানীতে যাত্রাবাড়ীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের সময় হাসান মেহেদী নামে এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। নিহত সাংবাদিক হাসান মেহেদী ঢাকা টাইমস-এ কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি বেসরকারি টেলিভিশন নিউজ২৪-এর রিপোর্টার ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মারা যান।

নিহত মেহেদীর ৭ মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তিনি পরিবারসহ যাত্রাবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

সোয়া আটটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা টাইমসের প্রধান প্রতিবেদক সিরাজুম সালেকিন।

আমার সন্তানের লাশের বিনিময়ে দেশে শান্তি চাই: নিহত তানভীরের মা

নিহত তানভীর। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী জাহিদুজ্জামান তানভীন। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে এখন পাগলপ্রায় তার মা। থেকে থেকেই মূর্ছা যাচ্ছেন, বিলাপ করছেন তানভীনের মা বিলকিস জামান। তিনি বলেন, ‘আমার সন্তানের লাশের বিনিময়ে দেশে শান্তি চাই।’

বিলকিস জামান বলেন, ‘আমার ছেলে দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন। আল্লাহ তাকে জান্নাতে স্থান দেবেন।

এসময় শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ চেয়ে তিনি বলেন, আর যেন কোনো মায়ের বুক খালি না হয়।

জাহিদুজ্জামান তানভীন মা-বাবা আর এক বোনকে নিয়ে থাকতেন উত্তরা আজমপুর কাঁচাবাজার জামতলার ভাড়া বাড়িতে। ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ইউনিভার্সিটিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

জাহিদুজ্জামান তানভীনের মামা সমকালের সাংবাদিক আবু সালেহ মুসা বলেন, অত্যন্ত মেধাবী জাহিদুজ্জামান তানভীনের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের ডিটি ভিশারা গ্রামে। তার বাবা শামসুজ্জামানও একজন ইঞ্জিনিয়ার। বৃহস্পতিবার সকালে আজমপুর ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য বের হয়েছিলেন তিনি। বারোটার দিকে সংবাদ পান ভাগ্নে গুলিবিদ্ধ হয়ে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আছেন। এরপর হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন আদরের ভাগ্নে মারা গেছেন।

তানভীনের মামা আরও জানান, তার ভাগ্নে ও চারজন বন্ধু মিলে এনএনটিএস ড্রোন কোম্পানি খুলেছিলেন। আজ দেশের জন্য তার ভাগ্নে জীবন দিয়েছেন।

রাতেই মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখানেই দাফন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

অস্ত্র জমা দিয়েছি কিন্তু ট্রেনিং জমা দিইনি : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অস্ত্র জমা দিয়েছি কিন্তু ট্রেনিং জমা দিইনি, চেতনা জমা দিইনি। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে কোটি কোটি মানুষ আছেন তারা কখনোই অশুভ শক্তির কাছে মাথা নত করতে পারে না, আপস করতে পারে না। ৭১ সালে এই অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছে। ৫৩ বছর আগে যেভাবে পরাজিত করেছি দরকার হলে আরেকবার লড়ব।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা এর বিরুদ্ধাচরণ করি না। আমাদের একটাই দাবি যেন আন্দোলনের নামে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না করা হয়। সুন্দরভাবে আন্দোলন চলছিল বাধা দেওয়া হচ্ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হঠাৎ রাতের অন্ধকারে জামায়াত শিবির ও ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা ঢুকে যে তাণ্ডব চালিয়েছিল তারপরেই আন্দোলন যারা শুরু করেছিল তাদের হাতে থাকেনি।

আন্দোলন ইতোমধ্যে ছিনতাই হয়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে চলে গেছে উল্লেখ করে আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, চলে গেছে বলেই গত তিন দিন ধরে সংঘাত, নৈরাজ্য চলছে। যা আমরা দেখছি।

প্রধানমন্ত্রীর গতকাল দেওয়া জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের কথা উল্লেখ করে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী বলেন, শুধু বাঙালি জাতি নয় সারা বিশ্ব এর প্রশংসা করেছে। তারপরও কারা আজ এই সন্ত্রাস করেছে, ভাঙচুর করেছে, অগ্নিসংযোগ করেছে?

তিনি বলেন, যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়, যারা অতীতে সকল আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে এবং বিএনপি মহাসচিবও বলেছেন আমরা যা পারিনি এখন তাই করা হচ্ছে। অর্থাৎ তারা আমাদের কোমলমতি সন্তানদের সামনে নিয়ে একটি অশুভ চক্রান্ত করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য।

সর্বশেষ সংবাদ

গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিক হাসান মেহেদি নিহত
আমার সন্তানের লাশের বিনিময়ে দেশে শান্তি চাই: নিহত তানভীরের মা
অস্ত্র জমা দিয়েছি কিন্তু ট্রেনিং জমা দিইনি : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
ইন্টারনেট বন্ধ করায় গ্রামীণফোনের হেডঅফিস ঘেরাও
ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি, এটি দুর্বলতা নয়: ডিবি প্রধান
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সেতু ভবনে আন্দোলনকারীদের আগুন
নরসিংদীতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিহত
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক
উত্তরায় সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত
নওগাঁয় কোটাবিরোধী মিছিলে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
পুলিশের সাথে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে টাঙ্গাইল রণক্ষেত্র, আহত ৩০
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে স্ট্যাটাস, তোপের মুখে শিরিন শিলা
রাজধানীর উত্তরায় সংঘর্ষে ৪ জন নিহত
ধানমন্ডিতে সংঘর্ষে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যু
২১ থেকে ২৫ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগোতে চায় সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
রাজধানীতে সংঘর্ষে এবার ইমপেরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী নিহত
রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় আগুন
আইনমন্ত্রীর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন কোটা আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ
রামপুরায় বিটিভি ভবনে আগুন