শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের চিন্তার কারণ এখন দুদক

ছবি সংগৃহীত

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হয়েছে দুদিন আগেই। এবারের নির্বাচনে এক হাজার ৯৭১ প্রার্থীর লড়াইয়ে ইতোমধ্যে জানা হয়ে গেছে ২৯৮ জয়ীর নাম। কয়েকদিনের মধ্যে নতুন সংসদ গঠন হতে যাচ্ছে তাদের নিয়ে। কিন্তু নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের উৎসবের মেজাজে চিন্তা ধরিয়ে দিচ্ছে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

কারণ সংস্থাটি সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামায় উল্লেখ করা সম্পদ বিবরণী খতিয়ে দেখতে যাচ্ছে। অনুসন্ধানে মিথ্যা তথ্যের প্রমাণ মিললে হারাতে হতে পারে সংসদে বসার যোগ্যতাও। এরই মধ্যে হলফনামায় অস্বাভাবিক সম্পদের উল্লেখ আছে, এমন শতাধিক প্রার্থীর তালিকা তৈরি করেছে দুদক। যেখানে বিজয়ী প্রার্থীদের পাশাপাশি আছেন পরাজিত প্রার্থীরাও।

দুদক সূত্র জানায়, প্রার্থীদের রহস্যজনকভাবে সম্পদ বৃদ্ধির তথ্য অনুসন্ধান করা হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামায় দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, অনেকেরই সম্পদ বেড়েছে ১০ থেকে ১০০ গুণ পর্যন্ত। এটি অস্বাভাবিক। অনুসন্ধানকালে তাদের সম্পদ বৃদ্ধির উৎস জানতে চাওয়া হবে। এর আগেও দুদক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামার সম্পদ অনুসন্ধান করেছে। ওই সময় অনুসন্ধান শেষে যাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছিল।

অনুসন্ধান প্রক্রিয়া নিয়ে জানতে চাইলে দুদক সচিব মাহবুব হোসেন জানান, কারও সম্পদ অনুসন্ধান করা দুদকের চলমান বিষয়। কারও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অনুসন্ধান করা হয় কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী। হলফনামার সম্পদের বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই, অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, প্রার্থীরা হলফনামায় স্থাবর, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, ব্যবসা, শিল্প-প্রতিষ্ঠান, কৃষি খাত, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, জমি, প্লট, গাড়ি, বাড়িসহ বিভিন্ন অস্থাবর সম্পদের উল্লেখ করেছেন। ওইসব সম্পদ সংশ্লিষ্টরা কীভাবে অর্জন করেছেন, তার ব্যাখ্যা চাওয়া হবে তাদের কাছ থেকে। অনুসন্ধানে দেশে-বিদেশে কেউ সম্পদ গোপন করে থাকলে তাও খুঁজে বের করা হবে। অনুসন্ধানে যাদের সম্পদ বৈধভাবে অর্জিত বলে প্রমাণিত হবে, তাদের অব্যাহতি দেওয়া হবে। আর যাদের সম্পদ অবৈধভাবে অর্জিত, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

নির্বাচিত এমপি ও পরাজিতদের হলফনামার সম্পদ অনুসন্ধান করতে গিয়ে তাদের পোষ্যদের সম্পদের হিসাবও নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। হলফনামার সম্পদ অনুসন্ধান করতে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের আয়কর নথিও যাচাই করা হবে। হলফনামা ও আয়কর নথির তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে। তাদের ব্যাংক হিসাবও যাচাই করা হবে। কেউ হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন কিনা, তাও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।

আইন অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান থেকে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও তার পরিবারের সদস্যদের আয়ের উৎস হিসেবে কৃষি, ব্যবসা, বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান, শেয়ার সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত, পেশা ও অন্যান্য তথ্য উল্লেখ করতে হয়।

নিজের ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যের অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নগদ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমানো অর্থ, বন্ড, ঋণপত্র, শেয়ার, পোস্টাল, সঞ্চয়পত্র, বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, স্বর্ণ, মূল্যবান ধাতু ও পাথরে নির্মিত অলংকার, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, আসবাবপত্র ও অন্যান্য সম্পদ উল্লেখ করতে হয়।

স্থাবর সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করতে হয় কৃষি, অকৃষিজমি, আবাসিক ও বাণিজ্যিক পাকা ভবন, বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, চা বাগান, রাবার বাগান, মৎস্য খামারসহ অন্যান্য সম্পদের তথ্য।

নিজে ও পরিবারের সদস্যরা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে চেয়ারম্যান, পরিচালক অথবা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে থাকলে সেটাও উল্লেখ করতে হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণের তথ্য ও বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব উল্লেখ করতে হয়।

বিধি অনুযায়ী প্রতিটি হলফনামা এফিডেভিট, নোটারি পাবলিক ও ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা প্রত্যয়ন করতে হয়। প্রথমবার ঘোষণা দেওয়া তথ্য পরিবর্তন করা যায় না; কোনোরূপ ঘষামাজাও করা যায় না। হলফনামায় কোনোভাবেই অসত্য তথ্য উল্লেখ করা যায় না।

প্রসঙ্গত, গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে এক হাজার ৯৭১ প্রার্থীর লড়াইয়ে ইতোমধ্যে জানা হয়ে গেছে ২৯৮ জয়ীর নাম। আজ মঙ্গলবার সকালে বর্তমান সংসদের চিফ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

Header Ad
Header Ad

হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি

বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হয়েছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, প্রগতি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন বলে জানান মিশ্রি। তিনি বলেন, ভারত চায় বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে।

এছাড়া, মোদি পরিবেশের ক্ষতি করে এমন কোনো বক্তব্য এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। সীমান্ত সুরক্ষা, নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং অবৈধ সীমান্ত পারাপার প্রতিরোধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথাও আলোচনায় উঠে এসেছে।

Header Ad
Header Ad

মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

শুল্ক আরোপ ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে তার নতুন শুল্ক নীতি। এর প্রতিক্রিয়ায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট কিছু গাড়ির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে কানাডা।

প্রধানমন্ত্রী কার্নি বলেছেন, "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা সমস্ত যানবাহনের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে, যা CUSMA (যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি) মেনে চলে না।"

এর আগে, বুধবার ট্রাম্পের ঘোষিত বৈশ্বিক শুল্ক নীতির আওতায় কানাডা অব্যাহতি পেয়েছিল। তবে নতুন নীতির ফলে মোটরগাড়ি শিল্প, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়ামসহ অন্যান্য পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় এবার পাল্টা শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডা।

ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, "ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে ভেঙে ফেলবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপিত বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করছিল, যার এখন অবসান ঘটছে।"

তিনি আরও বলেন, "৮০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনৈতিক নেতৃত্ব ধরে রেখেছিল, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করেছিল। কিন্তু এই শুল্ক নীতির মাধ্যমে সেই অধ্যায় শেষ হচ্ছে।"

এদিকে, শুল্ক ইস্যুতে গত সপ্তাহেই ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন কার্নি। আলোচনায় তারা আগামী ২৮ এপ্রিল কানাডার নির্বাচনের পর ওয়াশিংটনে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে বৈঠকে বসার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

Header Ad
Header Ad

প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে যাচ্ছে মিয়ানমার। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মিয়ানমারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উ থান শিউ বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি জানান, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া নিবন্ধিত ৮ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ১ লাখ ৮০ হাজার জনকে ফেরত নেবে মিয়ানমার।

ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ছয় দফায় রোহিঙ্গাদের মূল তালিকা মিয়ানমারকে সরবরাহ করেছিল। এখনো ৭০ হাজার রোহিঙ্গার চূড়ান্ত যাচাইকরণ বাকি রয়েছে। মূল তালিকায় থাকা বাকি সাড়ে ৫ লাখ রোহিঙ্গার যাচাই দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলেও জানিয়েছে মিয়ানমার।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান মিয়ানমারের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আরও মানবিক সহায়তা পাঠাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১