বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

এক নজরে করোনা পরিসংখ্যান

সর্বোচ্চ শনাক্ত-মৃত্যু ঢাকা জেলায়, সর্বনিম্ন বান্দরবানে

বাংলাদেশে করোনার ২ বছর পূর্ণ হচ্ছে আগামীকাল ৮ মার্চ। চীন থেকে প্রথম উৎপত্তি হওয়ার পর বাংলাদেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তির কথা প্রথম জানা যায় ২০২০ সালের ৮ মার্চ এবং সে বছরই ১৮ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি মারা যান। রোগীদের মধ্যে দুজন পুরুষ প্রবাসী বাংলাদেশি ছিলেন যারা সবে ইতালি থেকে ফিরে এসেছিলেন এবং একজন মহিলা আত্মীয় ছিলেন, যিনি তাদের একজনের সংস্পর্শে এসে সংক্রমিত হন।

বর্তমানে দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আছে। দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। অনলাইনের বদলে চলছে শারীরিক উপস্থিতিতে পাঠদান। একদিকে কমেছে করোনার প্রভাব অন্যদিকে বাড়ছে অসেচতনতা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন করোনা ঠেকাতে স্বাস্থ্য সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই এবং অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

২০২১ সালের ১০ আগস্ট দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ ২৬৪ জন এবং ২৮ জুলাই শনাক্তের সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জন। তারপর থেকেই শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসে। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু এবং নতুন করে ৪৩৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এনিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা ১৯ লাখ ৪৭ হাজার ৭০২ জন এবং মোট মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ৮৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, বিভাগ ভিত্তিতে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ সংখ্যক লোক মারা গেছেন ঢাকা বিভাগে, ১২ হাজার ৭৭৫ জন যা মোট মৃত্যুর ৪৩ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মারা গেছেন ময়মনসিংহ বিভাগে, ৮৭৯ জন যা মোট মৃত্যুর ৩ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। এ ছাড়া মৃত্যুর সংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে আছে চট্টগ্রাম, ৫ হাজার ৮৬০ জন (২০.১৫%); তৃতীয় খুলনা, ৩ হাজার ৭১৫ জন (১২.৭৭%); চতুর্থ রাজশাহী, ২ হাজার ১৩৯ জন (৭.৩৫%); পঞ্চম রংপুর, ১ হাজার ৪১৬ জন (৪.৮৭%); ষষ্ঠ সিলেট, ১ হাজার ৩২৪ জন (৪.৫৫%); সপ্তম বরিশাল, ৯৮১ জন (৩.৩৭%)।

দেশে ৬০ বছরের উর্ধ্বের বয়সী মারা গেছেন ১৬ হাজার ২০২ জন যা মোট মৃত্যুর ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ। ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী মারা গেছেন ৬ হাজার ৭৭৯ জন (২৩.৩০%), ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী মারা গেছেন ৩ হাজার ৪২৩ জন (১১.৭৭%), ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী মারা গেছেন ১ হাজার ৭১৫ জন (৫.৯০%), ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী মারা গেছেন ৬৮৫ জন (২.৩৫%), ১১ থেকে ২০ বছর বয়সী মারা গেছেন ১৯৮ জন (০.৬৮%) এবং ১০ বছরের নিচে শিশু মারা গেছে ৮৭ জন (০.৩০%)।

মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ২৪ হাজার ৬৬১ জন যা মোট মৃত্যুর ৮৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৩ হাজার ৬১১ জন (১২.৪১%), বাড়িতে মারা গেছেন ৭৮২ জন (২.৬৯%) এবং হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে ৩৫ জনকে (০.১২%)।

জেলা ভিত্তিতে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা জেলায় ৮ হাজার ৩১১ জন যা মোট মৃত্যুর ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মৃত্যুর সংখ্যা বান্দরবান জেলায় ১৮ জন যা মোট মৃত্যুর দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। সর্বোচ্চ শনাক্তের সংখ্যাও ঢাকা জেলায় ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৬৯১ জন যা মোট মৃত্যুর ৫০ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন শনাক্তের সংখ্যাও বান্দরবান জেলায় ৩ হাজার ২০৮ জন যা মোট মৃত্যুর দশমিক ১৬ শতাংশ।

দেশে এখন পর্যন্ত পুরুষ মারা গেছেন ১৮ হাজার ৫৬৯ জন যা মোট মৃত্যুর ৬৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং নারী মারা গেছেন ১০ হাজার ৫২০ জন যা মোট মৃত্যুর ৩৬ দশমিক ১৬ শতাংশ।

বর্তমানে সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৫৮টি আরটি-পিসিআর, ৫৭টি জিন-এক্সপার্ট এবং ৬৬১টি র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট ল্যাবসহ মোট ৮৭৬টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯৫০টি। যার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯০ লাখ ২৬ হাজার ৬৭৬ টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৫ লাখ ২০ হাজার ২৭৪ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

/এএস

Header Ad
Header Ad

মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনায় আহতদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা আহতদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজখবর নেন।

 

এ সময় ছাত্রদল নেতারা অভিযোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। নতুন ছাত্র সংগঠন গঠনের প্রক্রিয়ায় তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে এবং এর প্রতিবাদ করায় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীদের যথাযথ চিকিৎসা ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান তারা।

এর আগে, বিকেলে মধুর ক্যান্টিনে নতুন ছাত্র সংগঠনের ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মিশু আলি ও আকিব আল হাসানসহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুইজনকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে এক পরিবারের ১২ জন সদস্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, খাবারের সঙ্গে কেউ নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দিয়েছে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অরুপ পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার রাতে কমলনগর উপজেলার চর ফলকন ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শাহজাহান মৃধার বাড়িতে রান্না করা হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থদের মধ্যে রয়েছেন মো. শাহজাহান মৃধা (৭০), নুর ভানু (৬৫), পান্না আক্তার (২৭), আকলিমা বেগম (২০), আরমান হোসেন (১০), ইমরান হোসেন (৪), নুসরাত (৪), মরিয়ম (৪), পলি আক্তার (১৬), পিংকি বেগম (২৫) ও মো. নিশান (২৮)।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পলি আক্তার জানান, সন্ধ্যায় পরিবারের সবাই বিয়ের অনুষ্ঠানে যান। ফিরে এসে রান্না করা হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। খাওয়ার পরপরই দুই শিশু বমি করলেও তখন বিষয়টি কেউ গুরুত্ব দেয়নি। পরে জ্ঞান ফিরে দেখেন, তারা হাসপাতালে। পরিবারের সদস্যদের ধারণা, তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে দুর্বৃত্তরা রান্না করা খাবারের সঙ্গে চেতনা নাশক মিশিয়ে দেয়। ওই খাবার খেয়ে পরিবারের তিনটি পরিবারের ১২ জন সদস্য অচেতন হয়ে পড়েন। রাতে অন্য সদস্যরা বাড়ি ফিরে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে সবাইকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে ঘরে কোনো মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হয়েছে কিনা, তা তারা নিশ্চিত করতে পারেননি।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অরুপ পাল জানান, শিশুসহ ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং খাবারের সঙ্গে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা

হামজা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

আগামী ভারত ম্যাচের জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি ৩৮ সদস্যের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে আগামী শুক্রবার শুরু হতে যাওয়া ক্যাম্পে ৩০ জন ফুটবলারকে ডেকেছেন কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা। ফলে ৮ জন ফুটবলার ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ পড়েছেন।

৩৮ জনের তালিকায় পাঁচজন গোলরক্ষক ছিলেন। নতুন তালিকায় দুই গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো ও সাকিব আল হাসান বাদ পড়েছেন। ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের সঙ্গে নামের মিল থাকায় আলোচনায় আসা মোহামেডানের দ্বিতীয় গোলরক্ষক সাকিবও জায়গা পাননি।

এবারই প্রথম ব্যতিক্রমভাবে ক্যাম্প শুরুর দুই সপ্তাহ আগে বড় প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছিল বাফুফে। নতুন ফুটবলাররা জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখলেও ক্যাম্পে সুযোগ না পাওয়ায় তারা হতাশ। এ নিয়ে জাতীয় দলের ম্যানেজার আমের খান বলেন, "কোচ বিচার-বিবেচনা করে এই তালিকা তৈরি করেছেন। বাদ পড়া ৮ জন বিকল্প হিসেবে থাকবেন। ইনজুরির কারণে প্রয়োজন হলে তাদের ডাকা হবে।"

আগামী শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে ২৮ জন ফুটবলার ক্যাম্পে যোগ দেবেন। পরদিন বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় অনুশীলন শুরু হবে।

৫ মার্চ সৌদি সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। সৌদি আরবে প্রায় দুই সপ্তাহ অনুশীলন করবে দল এবং অন্তত একটি বা একাধিক প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে বাফুফের।

গত বছরও সৌদি ক্যাম্প করেছিল বাংলাদেশ। তখন সুদান দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিল তারা। এবারও স্থানীয় ক্লাব বা অন্য কোনো দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে।

৩০ জনের প্রাথমিক তালিকায় রয়েছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ফুটবলার হামজা চৌধুরি ও ইতালিয়ান লিগের ফাহমিদুল।

বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার আমের খান জানান, হামজা ১৮ মার্চ বাংলাদেশে আসতে পারেন। সৌদি ক্যাম্প শেষে দলের সঙ্গে অনুশীলন করে ভারত ম্যাচ খেলবেন তিনি।

অন্যদিকে, ফাহমিদুল ইতালি থেকে সরাসরি সৌদি আরবে ক্যাম্পে যোগ দেবেন।

প্রাথমিক স্কোয়াডে থাকা শেখ মোরসালিনের বিরুদ্ধে আজ যৌতুকের মামলা হয়েছে। তবে জাতীয় দলে তার অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন আমের খান।

তিনি বলেন, "এটি তার ব্যক্তিগত বিষয়। বাফুফের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ এলে তখন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

৩০ জনের প্রাথমিক স্কোয়াড:

গোলরক্ষক: মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ।

ডিফেন্ডার: রহমত মিয়া, শাকিল হোসেন, ইসা ফয়সাল, তাজ উদ্দিন, কাজী তারিক রায়হান, তপু বর্মন, সাদ উদ্দিন, সুশান্ত ত্রিপুরা।

মিডফিল্ডার: মোহাম্মদ হৃদয়, পাপন সিং, সৈয়দ শাহ কাজেম কিরমানি, সোহেল রানা, সোহেল রানা জুনিয়র, চন্দন রায়, মজিবুর রহমান জনি, জামাল ভূঁইয়া, শেখ মোরসালিন, হামজা চৌধুরি।

ফরোয়ার্ড: ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, রাকিব হোসেন, শাহরিয়ার ইমন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, আরিফ হোসেন, আল আমিন, পিয়াস আহমেদ নোভা, ফাহামেদুল ইসলাম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা
হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা
শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে
নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
ডেভিল হান্টে বড় অপরাধীদের ধরার আহ্বান জয়নুল আবদিনের
প্রথম প্রেমিককে প্রাক্তন মনে করি না, সে আমার শত্রু: প্রভা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের নতুন নির্দেশনা
ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি
নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি
টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক
নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নাম ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’
চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন