শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

অট্টালিকার ওজনে নেমে যাচ্ছে নিউ ইয়র্ক!

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী নিউ ইয়র্ক আকাশচুম্বী অট্টালিকাগুলোর কারণে নেমে যাচ্ছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। একইসঙ্গে বৈশ্বিক উষ্ণতা ত্বরান্বিত হওয়ার ফলে শহরটিতে প্লাবন ঝুঁকিও বাড়ছে।

গবেষকদের মতে, শহরটি প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১ থেকে ২ মিলিমিটার নেমে যাচ্ছে, নিউ ইয়র্ক শহরের কিছু এলাকায় এই হার দ্বিগুণেরও বেশি। ১৯৫০ সাল থেকে নিউ ইয়র্ক সিটির চারপাশে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ ইঞ্চি বা ২২ সেন্টিমিটার।

গবেষকরা আশঙ্কা করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এই শতাব্দীর শেষের দিকে বড় বন্যার ঘটনাগুলি এখন থেকে আরও গুরুতর হতে পারে এবং হারিকেনের মতো মারাত্মক আবহাওয়ায় পরিণত হতে পারে।

আর্থস ফিউচার জার্নাল'এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনি তথ্য দিয়েছেন গবেষকরা। তাদের দাবি, নিউ ইয়র্ক শহরের ৮ দশমিক ৪ মিলিয়ন মানুষ বণ্যাসহ বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকির সম্মুখীন।

বেষকরা বলছেন, কেবল নিউইয়র্ক সিটি নয় জলবায়ু সংকট তীব্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য উপকূলীয় শহরেও এ ঝুঁকি বৃধি পাবে। টেকটোনিক এবং নৃতাত্ত্বিকতা হ্রাসের সংমিশ্রণ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং হারিকেনের ক্রমবর্ধমান তীব্রতা উপকূলীয় এবং নদীতীরবর্তী অঞ্চলে সমস্যা ত্বরান্বিত করবে।

এই গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা নিউ ইয়র্ক শহরের কাঠামোর গাণিতিক বিশ্লেষণ করেছেন, যার মধ্যে বিখ্যাত এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং এবং ক্রাইসলার বিল্ডিং রয়েছে, যার ওজন মোট ১ দশমিক ৬৮ ট্রিলিয়ন পাউন্ড।

গবেষণায় বলা হয়েছে, লোয়ার ম্যানহাটন, ব্রুকলিন, কুইন্স এবং লং আইল্যান্ডের কিছু অংশ কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা গেছে। বিশ্বব্যাপী উপকূলীয় শহর যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি নির্মাণ ঘনত্ব এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সংমিশ্রণে প্লাবনের ঝুঁকিও বাড়ছে।

উপকূলীয়, নদী বা লেকফ্রন্ট সেটিংসে নির্মিত প্রতিটি অতিরিক্ত উচ্চ ভবন ভবিষ্যতে বন্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং সেই দুর্যোগ প্রশমনের কৌশলগুলি সম্পর্কে সচেতন করাই এই গবেষণা পত্রের মূল উদ্দেশ্য বলে মন্তব্য করেছেন গবেষকরা।

তাদের দাবি, এই বিশাল কাঠামোগুলো মাটিকে নিচের দিকে যেতে বাধ্য করছে। এখানে বেডরক, অন্যান্য বালির মিশ্রণ এবং কাদামাটিসহ বেশ কিছু উপকরণ রয়েছে যা ডুবে যাওয়ার জন্য অবদান রাখছে। এই ডুবন্ত প্রভাব মার্কিন পূর্ব উপকূলেও দেখা গেছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপের প্রধান গবেষক এবং ভূ-পদার্থবিজ্ঞানী টম পার্সনস বলেছেন, 'এখনই আতঙ্কিত হওয়ার মতো বিষয় এটি নয়, তবে চলমান এই প্রক্রিয়াটি বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।'

তিনি আরও বলেন, 'মাটি যত নরম, ভবনগুলোর চাপ তত বেশি। নিউ ইয়র্কে এত বড় অট্টালিকা তৈরি করা কোনও ভুল নয়। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে প্রতিবার যখন সেখানে কিছু তৈরি করা হবে ততোবার মাটিতে আরও কিছুটা নেমে যেতে চাপ প্রয়োগ করা হবে।'

২০১২ সালে নিউ ইয়র্ক শহরে আঘাত হানে হারিকেন স্যান্ডি যা সাবওয়েগুলোকে প্লাবিত করেছিল এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নসহ বেশ কিছু ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল৷ এর পরে হারিকেন ইডার আঘাতেও শহরটির বেশ কয়েকজন লোক ডুবে যায়। বিজ্ঞানীদের মতে, দুটি ঘটনাই ঘটেছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে।

টম পার্সনস বলেন, 'নিউ ইয়র্ক এবং অন্যান্য উপকূলীয় শহরগুলিকে এর জন্য পরিকল্পনা করতে হবে। বারবার সমুদ্রের জলের সংস্পর্শে আসলে ইস্পাত ক্ষয় হতে পারে যার ফলে ভবনগুলো অস্থিতিশীল হতে পারে, যা স্পষ্টতই কেউই চান না। এ ছাড়া বন্যার কারনে মানুষ মারা যায়, যা সবচেয়ে বড় উদ্বেগ।'

/এএস

Header Ad

খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন মাহফুজ-আসিফ-নাহিদ

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে কুশল বিনিময় করেছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে তাদের এ কুশল বিনিময় হয়।

সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়া পৌঁছালে উপস্থিত সবাই তাকে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩ সমন্বয়ক ও সরকারের উপদেষ্টা তার পাশে এসে দাঁড়ান এবং শারীরিক খোঁজখবর নেন। এ সময় খালেদা জিয়া তাদের অভিনন্দন জানান এবং দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পরামর্শ দেন।

এ সময় এই ৩ উপদেষ্টা বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে দোয়া চান এবং সরকারের সংস্কার কাজে তার সর্বাত্মক সহযোগিতা চান।

এদিকে সেনাকুঞ্জে গেলে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া এখানে এসেছেন। একযুগ তিনি আসার সুযোগ পাননি। আমরা গর্বিত এই সুযোগ দিতে পেরে। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা সত্ত্বেও বিশেষ দিনে সবার সঙ্গে শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আপনার আশু রোগমুক্তি কামনা করছি।

Header Ad

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

ছবি: সংগৃহীত

আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১ হাজার ৯৯৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আজকেও ছিল এক লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩ হাজার ৬৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫৭৮ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৮৬ টাকায়।

এর আগে, সবশেষ গত ১৯ নভেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় টানা চার দফা কমার পর ভরিতে ২ হাজার ৯৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩১ হাজার ১৯৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১২ হাজার ৪৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯২ হাজার ২৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছে গত ২০ নভেম্বর থেকে।

এ নিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে ৩০ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, আর কমানো হয়েছে ২১ বার।

Header Ad

‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’

ছবি: সংগৃহীত

দেশের জনপ্রিয় নির্মাতা আশফাক নিপুন। কাজের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। কথা বলেন নানা ইস্যু নিয়ে। সেই ধারাবাহিকতায় সরকার পতনের পর অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনেও বিভিন্ন সময় নিজের আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যেও বিভিন্ন বার্তা দিয়েছেন। এবার এমনি একটি বার্তায় দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জনগনের আস্থার বিষয়ে আক্ষেপ জানালেন এই নির্মাতা।

বুধবার (২০ নভেম্বর) আশফাক নিপুন তার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে লেখেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সর্বস্তরের ছাত্র এবং সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল, বাসায় বসে বসে দোয়া করেছিল, যার যা সামর্থ্য দিয়ে সহায়তা করেছিল। কারণ, তারা দেখেছিল লড়াইটা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসক বনাম সাধারণ ছাত্র-জনতার। এটাও অস্বীকার করার কোনো উপায় নাই যে এই আন্দোলন বেগবান করতে বিরোধী সকল দলের কর্মীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদের সংগ্রামও গত দেড় দশকের। কিন্তু এটা যদি শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার লড়াই হতো তাহলে সাধারণ মানুষ এই লড়াই থেকে দূরে থাকত। সেই প্রমাণ বিগত ১৫ বছরে আছে।

‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ এখনো দেশের কোনো রাজনৈতিক দলকেই পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারে না। এটাই বাস্তবতা। এই বাস্তবতা মেনে সকল রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত কীভাবে সাধারণ জনগণের ভেতর নিজের দলের প্রতি আস্থা তৈরি করা যায় সেই বিষয়ে নিরলস কাজ করা। এই আস্থা ক্ষমতায় গিয়ে অর্জন করা সম্ভব না। কারণ, সাধারণ মানুষ আজীবন এস্টাবলিশমেন্টের বিপক্ষে। এই আস্থা অর্জন করতে হয় ক্ষমতা বলয়ের বাইরে থেকেই।

নিপুন আরও লিখেন, অরাজনৈতিক সরকার দিয়ে দীর্ঘদিন দেশ চালানো যেমন কাজের কথা না ঠিক তেমনি রাজনৈতিক সরকার হতে চাওয়া সকল রাজনৈতিক দলগুলোর বোঝা উচিত মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছে সকল প্রকার পূর্বানুমান (যেমন- বর্ষাকালে আন্দোলন হয় না, নির্বাচনের আগেই কেবল জোরেশোরে আন্দোলন হয়, ঘোষণা দিয়ে বিরোধী সকল পক্ষ আন্দোলনে শামিল না হলে সফল হয় না) অগ্রাহ্য করেই। সেটা সম্ভব হয়েছে সাধারণ মানুষের ন্যায্যতার আকাঙ্ক্ষা থেকেই।

সবশেষ এই নির্মাতা লিখেছেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের এই আকাঙ্ক্ষার দুই পয়সার দাম দেন নাই। সাধারণ মানুষের এই আকাঙ্ক্ষা, ইচ্ছা আর দেশপ্রেমকে পুঁজি করে অরাজনৈতিক এবং রাজনৈতিক যারাই রাজনীতি রাজনীতি খেলতে চাইবে, তাদের দশাও কোন একসময় যেন পলাতক শেখ হাসিনার মতো না হয়, সেই বিষয় নিশ্চিত করতে হবে তাদেরকেই।

Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন মাহফুজ-আসিফ-নাহিদ
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’
‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে’: প্রধান উপদেষ্টা
নওগাঁ শহরে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিশেষ অভিযান শুরু
২০২৬ সালের মাঝামাঝিতে নির্বাচন হতে পারে: উপদেষ্টা সাখাওয়াত
সেনাকুঞ্জে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত ৫ জনকে রোবটিক হাত উপহার
সেনাকুঞ্জের পথে খালেদা জিয়া
সুযোগ পেলে শেখ হাসিনার পক্ষে মামলায় লড়ব: জেড আই খান পান্না
নির্বাচন কমিশন গঠন, সিইসি হলেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব নাসির উদ্দীন
ডিএনএ টেস্টের ফলাফল: ভিনিসিয়ুসের পূর্বপুরুষ ছিলেন ক্যামেরুনের
জামিন পেলেন সাংবাদিক শফিক রেহমান
বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে আসা সেই শাহজাহান ওমর গ্রেপ্তার
মিরপুর ও মহাখালীতে অটোরিকশা চালকদের সেনাবাহিনীর ধাওয়া
‘শেখ হাসিনা এখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’, এমন কথা বলেননি ট্রাম্প
লেবাননে ৮ শতাধিক ইসরায়েলি সেনা নিহত
ভারতে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরল ২৪ বাংলাদেশি কিশোর-কিশোরী
ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ করে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের বিক্ষোভ
গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আরও ৮৮ ফিলিস্তিনি নিহত