শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

হাসিনা আমাদের জন্য অনেক করেছে, তাঁকে আমৃত্যু ভারতে থাকতে দেওয়া উচিত: কংগ্রেস নেতা

সাবেক কূটনীতিক, সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং কংগ্রেস নেতা মণি শংকর আইয়ার। ছবিঃ সংগৃহীত

শেখ হাসিনা আমাদের জন্য অনেক ভালো কাজ করেছেন। আমি খুশি যে তাঁকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। যত দিন তিনি থাকতে চান, এমনকি তা সারা জীবন হলেও, আমাদের তাঁকে অতিথি হিসেবে রাখা উচিত। ঠিক এমনটাই বলেছেন সাবেক কূটনীতিক, সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং কংগ্রেস নেতা মণি শংকর আইয়ার।

শনিবার (১১ জানুয়ারী) রাতে ভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন ভারতের এই সাবেক কূটনীতিক।

মণি শংকর আইয়ার বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যত দিন ইচ্ছা ভারতে থাকার সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, গত মাসে (ডিসেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি ঢাকায় গিয়ে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন, যা খুবই ইতিবাচক।

কলকাতায় ১৬তম আপিজয় সাহিত্য উৎসবে পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মণি শংকর আইয়ার বলেন, এই আলোচনা অব্যাহত রাখা দরকার এবং ভারতের উচিত বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সরাসরি মন্ত্রী পর্যায়ে যোগাযোগ স্থাপন করা।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবির বিষয়ে আইয়ার বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমরা সবাই একমত হব যে, শেখ হাসিনা আমাদের জন্য অনেক ভালো কাজ করেছেন। আমি খুশি যে তাঁকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। যত দিন তিনি থাকতে চান, এমনকি তা সারা জীবন হলেও, আমাদের তাঁকে অতিথি হিসেবে রাখা উচিত।’ ছাত্র-জনতার বিশাল আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে ৭৭ বছর বয়সী হাসিনা গত ৫ আগস্ট ভারতে চলে যান।

আইয়ার বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা সত্যি, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা শেখ হাসিনার সমর্থকদের ওপর রাজনৈতিক হামলা। তিনি বলেন, ‘হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা সত্য হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এগুলো রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে সৃষ্ট।’

এর আগে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে আইয়ার বলেন, পাকিস্তানের মানুষ ভারতীয়দের মতোই, শুধু ভাগ্যের দোষে তারা আলাদা দেশে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি একজন তামিল, আমার স্ত্রী পাঞ্জাবি। আমাদের মধ্যে যে পার্থক্য, তার চেয়েও কম পার্থক্য আমার স্ত্রীর সঙ্গে একজন পাকিস্তানি পাঞ্জাবির।’

নরেন্দ্র মোদির সরকারকে আক্রমণ করে আইয়ার বলেন, ‘আমাদের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের সাহস আছে, কিন্তু এই সরকারের টেবিলে বসে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার সাহস নেই।’ তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান একদিকে সন্ত্রাস ছড়ায়, অন্যদিকে নিজেরাও সন্ত্রাসের শিকার। তারা ভেবেছিল তালেবানকে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আনতে পারবে। কিন্তু এখন তাদের সবচেয়ে বড় হুমকি আফগানিস্তানের সেই তালেবানই।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘তাঁর সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের সঙ্গে গোপন আলোচনার পথ তৈরি করা। জেনারেল পারভেজ মোশাররফ একে চার দফা চুক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। মনমোহন সিং দেখিয়েছিলেন সামরিক সরকারের সঙ্গেও আলোচনা সম্ভব। আমাদের উচিত তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করে কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া।’

Header Ad
Header Ad

হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি

বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হয়েছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, প্রগতি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন বলে জানান মিশ্রি। তিনি বলেন, ভারত চায় বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে।

এছাড়া, মোদি পরিবেশের ক্ষতি করে এমন কোনো বক্তব্য এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। সীমান্ত সুরক্ষা, নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং অবৈধ সীমান্ত পারাপার প্রতিরোধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথাও আলোচনায় উঠে এসেছে।

Header Ad
Header Ad

মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

শুল্ক আরোপ ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে তার নতুন শুল্ক নীতি। এর প্রতিক্রিয়ায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট কিছু গাড়ির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে কানাডা।

প্রধানমন্ত্রী কার্নি বলেছেন, "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা সমস্ত যানবাহনের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে, যা CUSMA (যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি) মেনে চলে না।"

এর আগে, বুধবার ট্রাম্পের ঘোষিত বৈশ্বিক শুল্ক নীতির আওতায় কানাডা অব্যাহতি পেয়েছিল। তবে নতুন নীতির ফলে মোটরগাড়ি শিল্প, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়ামসহ অন্যান্য পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় এবার পাল্টা শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডা।

ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, "ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে ভেঙে ফেলবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপিত বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করছিল, যার এখন অবসান ঘটছে।"

তিনি আরও বলেন, "৮০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনৈতিক নেতৃত্ব ধরে রেখেছিল, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করেছিল। কিন্তু এই শুল্ক নীতির মাধ্যমে সেই অধ্যায় শেষ হচ্ছে।"

এদিকে, শুল্ক ইস্যুতে গত সপ্তাহেই ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন কার্নি। আলোচনায় তারা আগামী ২৮ এপ্রিল কানাডার নির্বাচনের পর ওয়াশিংটনে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে বৈঠকে বসার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

Header Ad
Header Ad

প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে যাচ্ছে মিয়ানমার। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মিয়ানমারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উ থান শিউ বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি জানান, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া নিবন্ধিত ৮ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ১ লাখ ৮০ হাজার জনকে ফেরত নেবে মিয়ানমার।

ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ছয় দফায় রোহিঙ্গাদের মূল তালিকা মিয়ানমারকে সরবরাহ করেছিল। এখনো ৭০ হাজার রোহিঙ্গার চূড়ান্ত যাচাইকরণ বাকি রয়েছে। মূল তালিকায় থাকা বাকি সাড়ে ৫ লাখ রোহিঙ্গার যাচাই দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলেও জানিয়েছে মিয়ানমার।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান মিয়ানমারের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আরও মানবিক সহায়তা পাঠাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১