শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ওপেনএআই থেকে চাকরিচ্যুত স্যাম অল্টম্যান যোগ দিচ্ছেন মাইক্রোসফটে

ছবি: সংগৃহীত

গত ১৭ নভেম্বর চ্যাটজিপিটি তৈরি করা সংস্থা ওপেনএআই-এর সিইও পদ থেকে সম্প্রতি সরানো হয়েছে স্যাম অল্টম্যানকে। এবার তাকেই নিয়োগ করল মাইক্রোসফট। আজ এই ঘোষণা দিয়েছেন মাইক্রোসফট প্রধান সত্য নাদেলা।

এদিকে শুধু স্যাম অল্টম্যান নয়, ওপেনএইয়ের বোর্ড সদস্য গ্রেগ ব্রকম্যানকেও নিয়োগ করছে মাইক্রোসফট। জানা গেছে, মাইক্রোসফটের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবেন অল্টম্যান ও ব্রকম্যান।

এর আগে গত সপ্তাহে অল্টম্যানকে ওপেনএআইয়ের সিইও পদ থেকে অপসারণ করার পরও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন সত্য নাদেলা। উল্লেখ্য, ওপেনএআইয়ের অন্যতম বড় বিনিয়োগকারী হল সত্য নাদেলার মাইক্রোসফট।

এই আবহে অল্টম্যানের অপসারণের পর নাদেলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ লিখেছিলেন, 'আমাদের উদ্ভাবনী পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করতে এবং নতুন পণ্য তৈরির রোডম্যাপ প্রদানের জন্য যা কিছু প্রয়োজন, তা আমরা ওপেনএআই থেকে পাব। এর জন্য ওপেনএআইয়ের সঙ্গে আমাদের একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি রয়েছে। আমাদের অংশীদারত্ব এবং মীরা (অন্তর্বর্তী সিইও মীরা মুরাতি) ও তার দলের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমরা। আমরা একসঙ্গে কাজ করব এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে বিশ্বকে অর্থপূর্ণভাবে সাহায্য করতে থাকব।'

এর আগে গত ১৭ নভেম্বর ওপেনএআইয়ের সিইও পদ থেকে সরানো হয় স্যাম অল্টম্যানকে। এছাড়াও চ্যাটজিপিটির সহপ্রতিষ্ঠাতা গ্রেগ ব্রকম্যানকে ওপেনএআই বোর্ড সভাপতি পদ থেকে অপসারিত করার প্রস্তাব পাশ হয়। তবে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেয়, প্রতিষ্ঠানে তিনি থাকবেন। নতুন সিইও-র অধীনে তিনি কাজ করবেন।

এরপর নিজে থেকেই প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়েন ব্রকম্যান। অন্যদিকে অল্টম্যানের জায়গায় অন্তর্বর্তী সিইও হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় সংস্থার চিফ টেকনোলজিক্যাল অফিসার মীরা মুরাতিকে।

প্রসঙ্গত, ৩৮ বছর বয়সি অল্টম্যান খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গোটা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছিলেন চ্যাটজিপিটির দৌলতে। তার সংস্থার তৈরি এই এআই চ্যাটবক্স অবাক করা সব কাজ করে দেখিয়েছে বিগত এক বছরে। কবিতা লেখা থেকে শুরু করে গল্প লেখা বা আবেদনপত্র লিখে দেওয়া, পরীক্ষার প্রশ্নের জবাব দেওয়ার মতো কাজ সেকেন্ডে করে ফেলে এই চ্যাটবক্স।

এদিকে পদ খুইয়ে এক্স-এ মুখ খোলেন অল্টম্যান। সংক্ষিপ্ত বার্তায় তিনি লেখেন, 'ওপেনএআইতে কাজ করার সময়টা আমার দুর্দান্ত কেটেছে। ব্যক্তিগতভাবে এটা খুব অনন্য এক অভিজ্ঞতা ছিল। আমার সবকিছু বদলে গিয়েছিল। এবং আশা করছি এই পৃথিবীরও কিছুটা এতে বদলেছে। এত জ্ঞানী-গুণী মানুষের সঙ্গে কাজ করতে আমার খুবই ভালো লেগেছে।'

এরই মাঝে আজকে জল্পনা তৈরি হয় যে ওপেনএআইয়ে ফিরতে পারেন অল্টম্যান। আর তার মাঝেই সত্য নাদেলা ঘোষণা করলেন, অল্টম্যান এবং ব্রকম্যান মাইক্রোসফটে যোগ দেবেন।

 

Header Ad
Header Ad

অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি

সংবাদ সম্মেলন। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর কথা বলে টাঙ্গাইলে ২৮ জনের কাছ থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ছয় দলালের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযুক্ত ৬ দালাল হলেন, রহিজ উদ্দিন কাপালী, ছাবাস উদ্দিন কাপালী, সালমা বেগম, শাহ আলম, বাবুল কাপালী এবং সিয়াম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রহিম মুকুল বলেন, প্রায় ২ বছর আগে ওই ছয় দালাল চক্র একত্র হয়ে আমাদের প্রলোভন ও বেশি বেতনের লোভ দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে। পরে আমাদের কাছ থেকে কয়েক দফায় মোট থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা ও আমাদের পাসপোর্টও নেয় তারা। কিন্ত এখন পর্যন্ত পাসপোর্ট ও আমাদের টাকা ফেরত দেয়নি।

তিনি বলেন, আমরা এ ঘটনায় গত ১৫ মার্চ টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছি। কিন্ত পুলিশ এখন পর্যন্ত অভিযোগটি আমলে নেয়া হয়নি। চালাল চক্রের মূল হোতা রহিজ উদ্দিন কাপালী স্বপরিবারে পলাতক রয়েছে। এ অবস্থায় আমরা মানবতার জীবনপন করছি। তারমধ্যে আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে যাতে আমরা মামলা না করি।

ভুক্তভোগী এই ব্যক্তি আরও বলেন- দালাল চক্র যাতে দেশের বাইরে যেতে না পারে সে ব্যাপারে নজর রাখার জন্য জেলা প্রশাসন, র‌্যাব-পুলিশসহ সকলের কাছে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

এ সময় ভুক্তভোগী এসএম মহিউদ্দিন বাদল, এসএম আশরাফুল হক কনক, অপূর্ব হোসেন, সেলিম রেজা, মাছুম, আকন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে চালাল চক্রের মূল হোতা রহিজ উদ্দিন কাপালীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

টাঙ্গাইল সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শান্ত দেব বলেন, অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ডকুমেন্ট দেয়ার কথা ছিলো, পরবর্তীতে তা আর দেননি। তবুও অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Header Ad
Header Ad

প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক সরকারি কর্মকর্তা ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে রয়েছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন প্রশাসনে মোট ৫১৬ জন ওএসডি রয়েছেন, এর মধ্যে ১২ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব। এটি প্রশাসনে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ওএসডি কর্মকর্তা, যা পূর্বে কখনো হয়নি।

এছাড়া, শীর্ষপদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বর্তমানে ১৭ জন কর্মকর্তা শীর্ষপদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন। এর আগে কখনো এত সংখ্যক শীর্ষ কর্মকর্তা একসঙ্গে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাননি। এর ফলে, নিচের স্তরের কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেতে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং ওএসডিতে রাখা কর্মকর্তাদের বসিয়ে বসিয়ে বেতন দিতে হচ্ছে, যা বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের অপচয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পেছনে রয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের দলীয়করণের প্রবণতা এবং নিয়মবহির্ভূত পদায়ন-পদোন্নতির প্রভাব। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমান সরকার একটি বিশেষ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে, যা স্বাভাবিক নয়। এজন্য তারা আশা করছেন যে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সংখ্যা কমে যাবে এবং কর্মীদের মধ্যে ন্যায্য পদোন্নতির সুযোগ তৈরি হবে।

বর্তমানে ৮৪টি সচিব, সিনিয়র সচিব ও সমমর্যাদার পদ রয়েছে, এর মধ্যে ১৭ জন কর্মকর্তা চুক্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন। এসব কর্মকর্তার মধ্যে অনেকেই অতীতে শীর্ষপদে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তারা দলের প্রতি আনুগত্যের কারণে নিয়োগ পেয়েছেন। সেক্ষেত্রে, যারা পদোন্নতির জন্য অপেক্ষা করছেন, তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হচ্ছে।

এদিকে, ৫ আগস্টের পর ১২১ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, কিছু কর্মকর্তাকে পদোন্নতি, প্রশিক্ষণ, ছুটি কিংবা প্রেষণের কারণে ওএসডিতে রাখা হয়েছে। তবে অন্যদিকে, অনেক কর্মকর্তাকেই দীর্ঘদিন ধরে ওএসডি অবস্থায় বসিয়ে রাখতে হচ্ছে, যা সরকারের জন্য আর্থিকভাবে ক্ষতিকর। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের ব্যবস্থা প্রশাসনে হতাশা সৃষ্টি করছে এবং সিস্টেমে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, বেশি সংখ্যক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিলে নিচের স্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা বাড়ে এবং তাদের মধ্যে কর্মস্পৃহা নষ্ট হয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, যাদের কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্ক নেই, তাদের কাজে লাগানো যেতে পারে এবং ওএসডি ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে।

এছাড়া, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনও একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যেখানে তারা সরকারি কর্মকর্তাদের ওএসডি ব্যবস্থাকে বাতিল করার সুপারিশ করেছে। তারা বলেছেন, 'পাবলিক সার্ভিস অ্যাক্ট, ২০১৮' অনুযায়ী, ২৫ বছর চাকরি শেষে কোনো কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর যে বিধান রয়েছে, তা বাতিল করা উচিত। তারা পরামর্শ দিয়েছে, কোনো কর্মকর্তাকে ওএসডি অবস্থায় রেখে বেতন-ভাতা না দিয়ে, তাদের একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে অন্য কাজে নিযুক্ত করা উচিত।

এই পরিস্থিতিতে, হাইকোর্টও রায় দিয়েছে যে, কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে ১৫০ দিনের বেশি ওএসডি রাখা যাবে না। মন্ত্রিসভা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে একটি কমিটি গঠন করে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে।

এই বিশাল সংখ্যক ওএসডি কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, যার মধ্যে ১২ জন সিনিয়র সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব, উপসচিব, সহকারী সচিব এবং সিনিয়র সহকারী সচিবদের একটি বিশাল দল রয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর ১২১ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে, বাকিরা পদোন্নতি, প্রশিক্ষণ বা ছুটির কারণে ওএসডিতে রয়েছেন।

এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ এটি সরকারি অর্থের অপচয় এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার দুর্বলতার চিহ্ন। তারা মনে করেন, এটি কেবল আর্থিক ক্ষতির কারণ হচ্ছে না, বরং প্রশাসনের কার্যকারিতা ও দক্ষতাকেও বাধাগ্রস্ত করছে।

Header Ad
Header Ad

ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিমসটেক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে বৈঠক হয়েছে তা দুই দেশের সম্পর্কে আশার আলো তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার যে তিক্ততা সম্পর্ক তা কমে আসবে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেশের ক্রীড়া অঙ্গনের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিমসটেক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে বৈঠক হয়েছে, তা আমাদের জন্য আনন্দের।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি ভূরাজনীতি ও বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান যে প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশ ও ভারতের এ অঞ্চলের যে প্রেক্ষাপট, সেই প্রেক্ষাপটে এই দুজনের বৈঠক আমাদের সামনে একটা আশার আলো তৈরি করেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের মধ্যে যে তিক্ততা তৈরি হয়েছিল, সেটা যেন আর সামনে না যায় অথবা এটা যেন কমে আসে, এ বৈঠকের মাধ্যমে তার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি যতটুকু দেখেছি এ বিষয়ে দুজনেই আন্তরিক ছিলেন। যা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ এবং ভারতের মানুষকে উপকৃত করবে।

এর আগে ক্রীড়া অঙ্গনের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মির্জা ফখরুল। এসময় বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় আমিনুল হক, জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় মোহাম্মাদ আশরাফুল, হাবিবুল বাশার সুমন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি
প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!