সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫ | ১৮ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

পশ্চিমবঙ্গে সরকারি চাকরি বিক্রি! দুর্নীতির বীজ থেকে অপরাধের মহীরুহ

মাত্র কয়েক বছর আগে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির দাবিতে ঢাকার শাহবাগ চত্বরে জোয়ার নামিয়ে এনেছিল বাংলাদেশের ছাত্র ও যুবসমাজ। গঙ্গাপারের শহর কলকাতায়ও গত প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ছাত্রছাত্রী তথা যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা তাঁদের ন্যায্য চাকরির দাবিতে আন্দোলন করে চলেছেন। ধারে ও ভারে কিংবা চরিত্রে শাহবাগের আন্দোলনের সঙ্গে কলকাতার যুব-আন্দোলনের মিল না থাকলেও স্পিরিটটা মোটামুটি একই রকম।

আন্দোলনকারীরা প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় পাশ করে ইন্টারভিউয়ের পর্ব শেষ করে চাকরির প্যানেলে নাম তুলে ফেলেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, তাঁদের সেই ন্যায্য চাকরি পেয়ে গিয়ে চাকরি শুরু করে দিয়েছেন হাজার হাজার অযোগ্য প্রার্থীরা। চাকরির দাবিতে সেই থেকে তাঁদের আন্দোলনের সূত্রপাত।

এর পরের পর্যায়ে কলকাতা হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া। সেখানে দেখা গিয়েছে, রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক এবং শিক্ষা দপ্তরের শীর্ষ স্তরের আধিকারিকরা মিলে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে সেই সরকারি শিক্ষকের চাকরি বিক্রি করে দিয়েছেন অযোগ্য প্রার্থীদের। সাত থেকে ১৮ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়েছে সেই চাকরিগুলি। এখনও চলছে তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া।

এই মুহূর্তে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ শিক্ষা দপ্তরের প্রায় সব শীর্ষ কর্তাই জেলে রয়েছেন। এই শীর্ষ নেতাদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দেড়শো কোটি টাকারও বেশি নগদ অর্থ (চাকরি বিক্রির টাকা)। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে অনশনরত সেই চাকরিপ্রার্থীদের ওপর চড়াও হয় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুলিশ। লাঠিপেটা করে তুলে দেওয়া হয় সেই চাকরি প্রার্থীদের। ওই ঘটনার পর থেকে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে পরিস্থিতি।

বিরোধী দলগুলি রাস্তায় নেমে এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই বিষোদ্গার করতে শুরু করেছেন অপর্ণা সেনের মতো সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। কয়েকটি পরিসংখ্যানের ওপর নজর রাখলে বোঝা যাবে চুরির পর চুরির অভিযোগে বিদ্ধ পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যকে ঠিক কোন খাদের কিনারায় নিয়ে এসেছে।

পরিসংখ্যান ১: তৃণমূল কংগ্রেস শাসিত পশ্চিমবঙ্গ। শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগ দুর্নীতির জেরে হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী রাজপথে আমরণ গণঅনশন করছেন। তাঁরা প্রতীকী লাশ হয়েছেন। এ রাজ্যে গত বাম সরকারের ৩৪ বছরে এমন দেখা যায়নি।

পরিসংখ্যান ২: বিজেপি জোট শাসিত রাজ্য ত্রিপুরা। কর্মচ্যুত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আত্মহত্যা ও বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৪২ জন। বাংলাভাষী এই রাজ্যে গত ২৫ বছরের বাম আমলে এমনটি হয়নি। পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা এই দুটি রাজ্য থেকেই বাম সরকার গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরে গেছে। দুটি রাজ্যেই ক্ষমতায় দক্ষিণপন্থীরা। দুই রাজ্যে শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগের ক্ষেত্রে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

পরিসংখ্যান ৩: সিপিআইএম নেতৃত্বে কেরল সরকার ঘোষণা করেছে বিপুল শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি। দেশের প্রথম সারির সব গণমাধ্যমের খবর, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতায় যে কোনও উন্নত দেশকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে কেরল সরকার। উপরোক্ত পরিসংখ্যানগুলি জানিয়ে দিচ্ছে সবই সরকারের ইচ্ছে। অভিযোগ, সদিচ্ছার অভাব হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। যেমন বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় কর্মচ্যুত শিক্ষকের মৃত্যুর পর অর্থাভাবে তাঁর স্ত্রী চিতায় উঠে সন্তানসহ সহমরণ করতে যান। শতাধিক শিক্ষক/শিক্ষিকার মৃত্যু হয়।

এদিকে টেক চাকরি প্রার্থীদের কলকাতায় গণঅনশনের জীবন্ত লাশ হওয়া ছবি ভয়াবহ ইঙ্গিত দিতে শুরু করেছ। বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়েছে এই ছবি। সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন উঠছে যদি এই প্রতীকী লাশ বাস্তব হয়ে যায়? গত সোমবার থেকে সল্টলেকে অনশন বিক্ষোভ জারি রেখেছেন চাকরি প্রার্থীরা৷ অন্ন, জল কিছুই নামেনি গলা দিয়ে। যার জেরে অচল হয়ে পড়ছে শরীর৷ তবুও আন্দোলনে অনড় ২০১৪ সালের টেক পাশ চাকরি প্রার্থীরা।

বৃহস্পতিবারও জারি রয়েছে আমরণ অনশন৷ শরীরের ওপর সাদা কাপড় জড়িয়ে নিজেরাই হয়েছেন জীবন্ত লাশ৷ চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, দীর্ঘ চার দিনের পরেও নমনীয় হচ্ছে না সরকার৷ তাদের বক্তব্য, সরকার অনেক ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিতে পারে তবে এক্ষেত্রে কেন নিচ্ছেন না৷ তাদের কথায়, এমনিতেই আমাদের মরতে হবে৷ মরতে হলে এখানেই মরব৷ তবে যোগ্য নিয়োগ-দাবি অর্জন না হওয়া অবধি আন্দোলন জারি রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। প্রয়োজনে সরকার অচল করতেও প্রস্তুত তাঁরা।

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতির পাহাড় তৈরি হয়েছে ভারতের অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের নির্দেশে ভুয়ো শিক্ষক নিয়োগ খুঁজতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন স্কুল সার্ভিস কমিশন, মধ্য শিক্ষা পর্ষদ এবং মামলাকারীদের আইনজীবীরা। আগামী নভেম্বর মাসেই আদালতের কাছে ভুয়ো নিয়োগের রিপোর্ট পেশ করা হবে। আগামী ১৬ নভেম্বর হাইকোর্টে জমা দেওয়া হবে সেই রিপোর্ট। ভুয়ো নিয়োগের তালিকায় যেসব শিক্ষকদের নাম রয়েছে,সেই তালিকা সুদীর্ঘ। যার ফলে আগামী মাসে হাজার হাজার ভুয়ো এবং টাকা দিয়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষক চাকরি খোয়াতে চলেছেন।

গত কয়েক বছরে নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির পাহাড় তৈরি হয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে বেনিয়মের নজির এখন রাজ্যের জেলায় জেলায়। গত কয়েক বছরে এই যে দুর্নীতি, তাতে ভুয়ো নিয়োগের সংখ্যা কত? কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে তা খুঁজে বের করতেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের দফতরে বৈঠকে বসে তিন পক্ষ। ইতিমধ্যেই ভুয়ো নিয়োগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে তথ্য জমা দিয়েছে সিবিআই। সেই তথ্যের সঙ্গে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দেওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে। তারপরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত।

প্রসঙ্গত, স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জড়িয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ কমিশনের উপদেষ্টা কমিটির একাধিক সদস্য, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি-সহ সামিল রয়েছেন মিডলম্যানরাও। নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে কারা যুক্ত? কীভাবে এতগুলো বছর ধরে এই নিয়োগ দুর্নীতি চলছিল? এর সাথে আরও কারা কারা যুক্ত রয়েছেন? তদন্তের জন্য সবটাই জানতে বারবার সকলকে হেফাজতে নিচ্ছে সিবিআই। সম্প্রতি (গত বুধবার) সিবিআই দাবি করে, 'কী করে অপরাধ করলে বাঁচতে হবে সবটাই পরিকল্পনা রেখেছিলেন সকলেই'।

আদালতের কাছে সিবিআই আরও দাবি করেছে, এঁরা প্রত্যেকে প্রভাবশালী। সিবিআই কী তদন্ত করছে, কাকে ডাকছে, কী তদন্ত করছে, তা এঁরা জেনে নিতেন। সাক্ষীদের কী প্রশ্ন করা হয়েছে, তাও জেনে নিতেন। বাঁচার জন্য রাস্তা তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন”। সিবিআইয়ের তরফে আদালতকে জানানো হয়েছে,নিয়োগ দুর্নীতি সঙ্গে যারা যুক্ত, সকলকেই আদালতের সামনে আনতে চায় সিবিআই।
এএজেড

Header Ad
Header Ad

বিরামপুরে কাভার্ড ভ্যান-ইজিবাইক সংঘর্ষে স্কুলছাত্রসহ নিহত ২

দুর্ঘটনা কবলিত ইজিবাইক। ছবি: সংগৃহীত

দিনাজপুরের বিরামপুরে কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে সায়েম ইসলাম (১৬) নামে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীসহ দুই জন নিহত হয়েছে। সোমবার (৩ মার্চ) বিকেলে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের বিরামপুর পৌর শহরের বিছকিনি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলার সাঁকোপাড়া গ্রামের মজিবরের ছেলে ইজিবাইক চালক নুরুজ্জামান হোসেন (৩৫) এবং একই উপজেলার সোনাকানি গ্রামের আনোয়ারের ছেলে ইফতেখার রহমান সায়েম ইসলাম (১৬) ও বিরামপুর আদর্শ হাইস্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বিরামপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. মাজেদ আলী জানায়, বিকেলে কোচিং শেষে ইজিবাইকে চড়ে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার পৌর শহরের বিছকিনি এলাকায় একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে ইজিবাইকটির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে শিক্ষার্থী সায়েম নিহত হন এবং আহত অবস্থায় ইজিবাইকের চালককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।

বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমতাজুল হক বলেন, ঘাতক কাভার্ড ভ্যানের চালক পালিয়ে যায়।আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

ট্রাম্পের ২৯ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের অ‌ভিযোগ সত্য নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি শক্তিশালী করতে ইউএসএআইডির মাধ্যমে ২৯ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের দাবি করেছেন। তবে, বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগকে মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছে।

সোমবার (৩ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২৯ মি‌লিয়ন নি‌য়ে ট্রাম্পের এ অ‌ভিযোগ সত্য নয় বলে দা‌বি করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, বাংলাদেশে ইউএসএআইডির অর্থায়নে ২৯ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প 'স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ (এসপিএল) ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ প্রকল্পটি নিয়ে কিছু তথ্য দিয়েছেন যা নিয়ে জনমনে ব্যাপক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুসন্ধান করেছে।

অনুসন্ধান থেকে জানা গেছে যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইউএসএআইডি যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালকে (ডিআই) নির্বাচিত করে। প্রকল্প প্রস্তাবনা আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে এবং একটি স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া অনুসরণের মধ্য দিয়ে ইউএসএআইডি সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করে। ২০১৭ সালের মার্চে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ডিআই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু করে। পরে প্রকল্পটির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয় এবং এর অর্থ আসে ধাপে ধাপে।

শুরুতে এসপিএল প্রকল্পটি ছিল ৫ বছর মেয়াদি এবং বাজেট ১৪ মিলিয়ন ডলার। প্রকল্পটির ব্যবস্থাপনায় ছিল ইউএসএআইডি এবং অর্থায়নে ছিল ইউএসএআইডি ও যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান ডিএফআইডি (বর্তমানে এফসিডিও)। এই প্রকল্পে ডিএফআইডির অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি ছিল ১০ মিলিয়ন ডলার।

এসপিএল প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল-রাজনৈতিক সহিংসতা হ্রাস করে শান্তি ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তৈরি, দলগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চার উন্নয়ন এবং প্রতিনিধিত্বমূলক নেতৃত্বের বিকাশে উৎসাহ প্রদান। প্রকল্পের অধীনে ডিআই বাংলাদেশে জরিপ কার্যক্রমও পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য, ইউএসএআইডির প্রকল্পের ক্ষেত্রে মার্কিন সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নীতি অনুসরণ করাটা বাধ্যতামূলক। এতে আর্থিক নিরীক্ষার প্রক্রিয়াটি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। প্রকল্প শেষ হয়ে যাওয়ার কয়েক বছর পরও এ-সংক্রান্ত নথিপত্র সংরক্ষণ করা হয়। প্রয়োজনে পুনর্নিরীক্ষা করা হয়।

অনুসন্ধান থেকে দেখা যায় যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে এসপিএল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু করে। তাই এটি বাংলাদেশের দুইজন ব্যক্তির মালিকানাধীন কোনো সংস্থাকে প্রদান করার অভিযোগটি সত্য নয়। বস্তুত এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়িত হয় বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি বিশেষের কোনো কিছু করার ক্ষমতা থাকে না।

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদের ১২৪ কর্মকর্তাকে বদলি

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১১৭ ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৭ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

সোমবার (৩ মার্চ) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমের সই করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বদলি করা কর্মকর্তাদের ১৯ মার্চের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে বলা হয়েছে। না হলে পরদিন থেকে তাদের তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য করা হবে।

সরকার পতনের পর পুলিশ বাহিনীতে রদবদলের ধারাবাহিকতায় এর আগেও কয়েক দফায় বড় রদবদল হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের ২০ নভেম্বর আগের পুলিশ প্রধান মো. ময়নুল ইসলামকে সরিয়ে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব দেয় বাহারুল আলমকে।

নতুন আইজিপি দায়িত্বে আসার পর বাহিনীতে রদবদলের ধারাবাহিকতায় আরেকটি আদেশ এলো।

এসব কর্মকর্তাকে ডিএমপি, এসবি, সিআইডি, র‌্যাব, জেলা পুলিশ, পুলিশ সদর দপ্তর, পিবিআই, এপিবিএন ও ট্যুরিস্ট পুলিশে বদলি করা হয়েছে।

বদলি কর্মকর্তাদের নামের তালিকা ১ ও তালিকা ২ দেখতে ক্লিক করুন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিরামপুরে কাভার্ড ভ্যান-ইজিবাইক সংঘর্ষে স্কুলছাত্রসহ নিহত ২
ট্রাম্পের ২৯ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের অ‌ভিযোগ সত্য নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদের ১২৪ কর্মকর্তাকে বদলি
সম্ভবত ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন হবে: প্রধান উপদেষ্টা
ছয় মাসে ১০ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে দুদক
জাতিসংঘকে শাপলা চত্বর ও সাঈদীর রায়কেন্দ্রিক হত্যাকাণ্ড নথিভুক্ত করার অনুরোধ
নুর ভাই নিজেই তার দল বিলুপ্ত করে আমাদের সাথে যুক্ত হতে আগ্রহী: হান্নান মাসউদ
দুই দিনের মধ্যে সয়াবিন তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা
নওগাঁ ও পাবনায় বাস ডাকাতির ঘটনায় ছয়জন গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে সালিশি বৈঠকে সংঘর্ষ, ৭০ দোকান ভাঙচুর, থমথমে পরিস্থিতি
শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের নতুন নাম ন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ড
২০৩০ দশকে এআই মানবসভ্যতাকে ধ্বংস করতে পারে: ইলন মাস্ক
দেশে প্রথমবার জিকা ভাইরাসের ক্লাস্টার শনাক্ত, আক্রান্ত ৫
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নতুন নাম বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১
দল না পাওয়া সেই আজিঙ্কা রাহানে কেকেআরের নতুন অধিনায়ক
ওএসডি হলেন দেশের ২৯ সিভিল সার্জন
উপদেষ্টা হিসেবে ফারুকী ঠিক আছেন: প্রিন্স মাহমুদ
খাদ্যপণ্যের দাম গত রমজানের তুলনায় সহনীয় পর্যায়ে: প্রেস সচিব
প্রাথমিকের ৬৫৩১ শিক্ষক নিয়োগে কোনো বাধা নেই: আপিল বিভাগ
ভোক্তা পর্যায়ে কমলো এলপি গ্যাসের দাম