বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

ফিরে দেখা ২০২১

মসনদ দখলে নিল তালেবান

কাবুলের সিংহাসন থেকে তালেবানকে হটানো হয়েছিল ২০০১ সালে। আর দীর্ঘ ২০ বছর পর ২০২১ সালে মসনদে ফিরে আসে তারা। আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহরের ঘোষণা দেয়ার পর অত্যন্ত দ্রুত গতিতে তালেবানরা দখলে নিতে থাকে আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকা। গত ১৫ আগষ্ট তারা ঢুকে পড়ে কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্যালেসে। এর আগেই আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। বলা যায় রক্তপাতহীন অভিযানেই তালেবানরা আফগান মসনদে ফিরে আসে।   

তালেবান সরকারকে ইতিমধ্যে স্বীকৃতি দিয়েছে বেশ কয়েকটি দেশ। এ তালিকায় চীন ও রাশিয়ার মতো পরাশক্তিগুলো ছাড়াও রয়েছে প্রতিবেশী পাকিস্তান ও তুরস্কের নাম। চীন বলছে তারা তালেবানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার জন্য প্রস্তুত। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনিয়াং সাংবাদিকদের বলেন, আফগান জনগণের নিজেদের লক্ষ্য নির্ধারণের স্বাধীন অধিকারকে চীন সম্মান জানায়। চীন আফগানিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সহযোগিতামূলক সম্পর্ক করতে প্রস্তুত।

আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান বরাবরই তালেবানকে সমর্থন জানিয়ে আসছে। তালেবানের বিজয়ের পর ইমরান খান বলেন, আফগানিস্তানে এখন যা ঘটছে, তাতে তারা (তালেবান) দাসত্বের শেকল ভেঙে দিয়েছে। এদিকে রাশিয়াও তালেবানদের স্বীকৃতী দেওয়ার বিষয়টি সামনে এনেছে।

তালেবান ক্ষমতা দখলের পর তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান জানান, তালেবানের উচিত তাদের ভাইদের ভূমির দখলদারি বন্ধ করা। আফগানিস্তানে যে বর্তমানে শান্তি বিরাজ করছে সেই বিষয়টি বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করা উচিত। এরদোগান বলেছেন, তার দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে মিলে আফগানিস্তানের স্থিতিশীলতার জন্য কাজ করবে। এ ব্যাপারে যথাসাধ্য সবকিছুই করা হবে। এছাড়া কাতার ও ইরানও আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে সমর্থন জানাতে পারে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম খবর দিয়েছে।

 

তালেবানদের কেন সমর্থন ও স্বীকৃতি জরুরি:

১৫ আগষ্ট কাবুল দখলের পর সংবাদ সম্মেলনে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ। এবার দেশ শাসনের আসল দায়িত্ব নিতে হবে তাদের। রাজকার্যের দায় বড় দায়; আধুনিক বিশ্বে যা শুনতে সহজ শোনালেও বাস্তবে আরও কঠিন।

১৯৯৬ সালে সোভিয়েত সেনা প্রত্যাহার পরবর্তী সময়ে গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত ছিল গোটা আফগানিস্তান। বুলেট বা রকেট চালিত গ্রেনেড থেকে রক্ষা পাওয়া ইমারতগুলি হাতেগোনা যেত যেন। সব অবকাঠামোর তখন ভঙ্গুর দশা, বাঁধগুলো কাজ করছিল না, সড়ক চাপা পড়েছিল ধ্বংসস্তূপে, যুদ্ধবাজ, দাঙ্গাবাজ গোষ্ঠীর চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী পণ্য বহন বন্ধ হয়ে পড়ছিল। শহরগুলো বোমার আঘাতে তখন ইট-পাথরের স্তূপ। তারমধ্যেই মাথা গুঁজে বাঁচার চেষ্টা করছিল সাধারণ আফগানরা।

এই অবস্থায় কয়েক বছর ধরে বন্ধ ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রম। সমর্থনকারী কোন কর্তৃপক্ষ না থাকায় জাতীয় মুদ্রা- আফগানির মূল্য তলানিতে পৌঁছাতে থাকে। ১৯৯৬ সালে তালেবান যখন ক্ষমতায় আসে তখন দেশজুড়ে অন্তত চারটি ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রা প্রধান বিনিময়ের মাধ্যমে ছিল। অঞ্চলভেদে কোন মুদ্রার প্রচলন নির্ভর করতো। অর্থনীতির বেশিরভাগ নিয়ন্ত্রণ করতো চোরাকারবারি ও চাঁদাবাজেরা। দেশের কোনো স্থানেই উল্লেখযোগ্য কোন স্থায়ী বিনিয়োগ করছিল না কেউ।

১০ লাখ স্কুল শিক্ষার্থীর অধিকাংশই ছিল ছেলে, কিন্তু পুরো দেশেই ভেঙে পড়েছিল শিক্ষা ব্যবস্থা। ছিল না সচল কোন উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান। এমনই এক আফগানিস্তানকে করায়ত্ত করেছিল তালেবান।

সে তুলনায়, আজ যে আফগানিস্তান তারা দখল করেছে, তার বৈদেশিক রিজার্ভ কমবেশি ৯০০ কোটি ডলার (সবটাই বিদেশে গচ্ছিত)। আছে বেসরকারি খাতের উদ্যোগ, একটি কার্যকর কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং মুদ্রা সরবরাহ ও বিনিময় হার নির্ধারণের মতো সহায়ক আর্থিক ব্যবস্থা।

যোগাযোগ খাতেও এসেছে উন্নতি। ২,০০০ কিলোমিটার সড়ক বর্তমানে সব কয়টি প্রাদেশিক রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা দিচ্ছে। প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিদ্যুৎ আমদানির জন্য বসানো হয়েছে চারটি দীর্ঘ দূরত্বের ট্রান্সমিশন লাইন। লাইনগুলোর মাধ্যমে চাহিদার সিংহভাগ বিদ্যুৎ প্রতিবেশী তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও ইরান থেকে আমদানি করা হয়। মার্কিন সরকারের সহযোগিতা ও প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে বাস্তবায়িত হয়েছে এসব প্রকল্প। ফলে আফগানিস্তানের শহরাঞ্চলে আধুনিকতার বিকাশও ঘটেছে দ্রুত। এক কোটি শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যাপীঠে পড়ছে এখন, যা অর্থবহ অগ্রগতি।

একথা সত্য, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত আফগান সরকার ছিল দুর্নীতি ও অযোগ্যতার জন্য সবিশেষ পরিচিত (আসলে কুখ্যাত), প্রকল্প বাস্তবায়নে তারা সীমাহীন দুর্নীতি করেছে। কিন্তু, আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর নজরদারিতে অনেক প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ায় জনগণ সুফল পাচ্ছে।

মার্কিনীদের ইরাক দখলের সঙ্গে আফগানিস্তান দখলের তুলনা দেওয়া হচ্ছে। তখন প্রবল জন-প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছিল আগ্রাসী বাহিনী। আর আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভে হন্যে হয়ে ফিরছিল বুশ প্রশাসন। কারণ, তারা উপলব্ধি করে, বহির্বিশ্বের সমর্থন ছাড়া বাগদাদে বসানো পুতুল সরকার টিকতে পারবে না।

বাগদাদ পতনের পরবর্তী সংকটগুলো মোকাবিলায় ব্যর্থ হয় যুক্তরাষ্ট্র, ফলে ইরাক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। সেদিক থেকে আশার কথা হলো, কোনো পক্ষই তালেবান সরকার ব্যর্থ হোক তা চায় না। তাদের জানা আছে, আফগানিস্তান তাতে করে নৈরাজ্যের অন্ধকূপে ফিরে যাবে, বন্ধ হবে না অস্ত্রের ঝনঝনানি। গৃহযুদ্ধ দেশটিকে তলিয়ে নেবে অন্ধকার যুগে। পরিণত হবে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের ডেরায়, আর সেখানেই বড় ভয় সবার।

শত্রু-মিত্র নির্বিশেষে সকলের এ প্রত্যাশার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বৈধতা পাওয়ার চেষ্টা করছে তালেবান। বৈধতা পেলে তারপর সাহায্যের আবেদনও করবে, এবং তাদের জানা আছে অনুদান ও ঋণ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনা প্রায় অসম্ভব। 

কেএফ/

Header Ad
Header Ad

অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  

ছবিঃ সংগৃহীত

হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি কারাগার থেকে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেওয়া শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ৬৪২ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া শুরু করেছে ইসরায়েল। বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হিসেবে হামাসের হাতে জিম্মি হয়ে থাকা বাকি ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির এটিই একমাত্র পথ।

রয়টার্স জানায়, দুই দিন ধরে অচলাবস্থা চলার পর বুধবার মিশরীয় মধ্যস্থতাকারীরা চুক্তির প্রথম পর্বের অংশ হিসেবে শেষ চার ইসরায়েলি জিম্মির মৃতদেহ ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর ধরে নিয়ে যাওয়া এবং ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ৬২০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে।

হামাস সংশ্লিষ্ট প্রিজনার্স ইনফরমেশন অফিস জানিয়েছে, সপ্তম ও অষ্টম ব্যাচের বন্দী মুক্তির বিষয়টি একীভূত করা হয়েছে। ফলে একসঙ্গে মোট ৬৪২ জন বন্দী মুক্তি পাচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তির প্রথম ধাপের অংশ হিসেবে এসব বন্দী মুক্তি পাচ্ছেন। হামাস এটিকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় বন্দী মুক্তির ঘটনা বলে উল্লেখ করেছে।

হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম এক বিবৃতিতে বলেন, “সপ্তম ও অষ্টম ব্যাচের বন্দিদের মুক্তির মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের একটি অর্জন আমরা প্রত্যক্ষ করছি, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বন্দী মুক্তি।”

তিনি আরও বলেন, “হামাস যেকোনো বিনিময় চুক্তিতে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়।”

 

Header Ad
Header Ad

চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা

ছবিঃ সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেত্রী শামীমা সীমাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন জনতা।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরের চকবাজার থানার গোলপাহাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ নাশকতা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে চট্টগ্রাম আদালতে সোপর্দ করছে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহেদুল কবির। তিনি বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতা নিষিদ্ধ ঘোষিত চবি শাখা ছাত্রলীগের এক নেত্রীকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ. জ. ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী শামীমা সীমা নিষিদ্ধ ঘোষিত চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  

ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম উচ্চারণ করতে হলে ওজু করবেন, এমন মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে আমার বক্তব্যের একটি জায়গায় ‘তারেক রহমানের নাম উচ্চারণ করতে হলে অজু করবেন’ এই কথাটি মনের অজান্তে বলে ফেলি। আমার বক্তব্যে এই বাক্যটি উচ্চারণ করা মোটেও শোভন হয়নি।

এতে বলা হয়, আকস্মিকভাবে উচ্চারিত এ ধরনের বক্তব্যের জন্য দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের মনে আঘাত হেনেছে। আমার এই বক্তব্যের সঙ্গে দলের নেতাকর্মীদের কোনো সম্পর্ক নেই। অজ্ঞতাবশত উল্লিখিত বক্তব্যের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে কুমিল্লা মহানগর বিএনপি দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, কিছু অর্বাচীন নাবালক উপদেষ্টাদের বলতে শোনা যায়- জিয়াউর রহমানের বাবা নেতা হলে ছেলেরাও কি নেতা হবে নাকি? আমি সেসব অর্বাচীন নাবালক বাচ্চাদের বলতে চাই- বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পুত্র তারেক রহমান। বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের চেয়ারপারসনের ছেলে। শহীদ জিয়ার উত্তরসূরি হচ্ছেন তারেক রহমান। তার নামটি উচ্চারণ করতে হলে অজু করবেন। আপনাদের মতো নাবালক উপদেষ্টারা এই ধরনের কথা বলে দেশকে বিভক্ত করবেন না। তারেক রহমান বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা। তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসবেন।

তিনি বলেন, তারেক রহমান ৩১ দফা দিয়েছেন আড়াই বছর আগে। যদি কোনো সংস্কারের প্রয়োজন হয়, আপনাদের যদি কোনো উপদেশ থাকে তাহলে সংযোজন করবেন। তিনি বলেছেন, বিএনপি যদি ২৮০ সিটও পায় এককভাবে সরকার গঠন করবে না। যারা আমাদের সঙ্গে আন্দোলন সংগ্রামে ছিল সবাইকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করবো।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  
চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা
তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের
বাংলাদেশ-পাকিস্তান লড়াই আজ, বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি  
বিএনপির বর্ধিত সভা আজ    
ভোরে ৪ থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত
মিঠাপুকুরে তিন পেট্রোল পাম্পকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
হার নিয়েই নতুন অধ্যায় শুরু বাংলাদেশের নারী ফুটবলে
৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট
মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা
হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা
শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে
নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
ডেভিল হান্টে বড় অপরাধীদের ধরার আহ্বান জয়নুল আবদিনের