রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ৯ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

ভোটে মোদির চেয়ে বেশি ব্যবধানে জিতেছেন ২২৪ প্রার্থী

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ফল বিভিন্নভাবে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে কিন্তু তার সবকটিরই কেন্দ্রে থাকবেন নরেন্দ্র মোদি। তার কারণ, বিজেপি এই নির্বাচন তারই নামে লড়েছে। উত্তরপ্রদেশের বারাণসী থেকে লাগাতার তৃতীয়বার জিতে তিনি সংসদে পৌঁছেছেন। কিন্তু ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে ওই একই আসন থেকে লড়া তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রাপ্ত ভোটের সঙ্গে মোদির ঝুলিতে থাকা ভোটের ব্যবধান অন্যান্য বারের তুলনায় কম।

২০১৯ গত লোকসভা ভোটে তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে ৪ লক্ষ ৭৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছিলেন, যা এইবার কমে ১ লক্ষ ৫২ হাজারে দাঁড়িয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই লোকসভা নির্বাচনে বারাণসী থেকে মোদির বিপরীতে দাঁড়ানো কংগ্রেস প্রার্থী অজয় রাই পেয়েছেন ৪ লক্ষ ৬০ হাজার ৪৫৭টি ভোট। আর নরেন্দ্র মোদির ঝুলিতে রয়েছে ৬ লক্ষ ১২ হাজার ৯৭০টি ভোট।

ভোটের এই ব্যবধান এভাবেও বিশ্লেষণ করা যেতে পারে যে, লোকসভার ৫৪২টি (বাকি একটিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন বিজেপির মুকেশ কুমার চন্দ্রকান্ত দালাল) আসনের মধ্যে ২২৪টি আসনে জয়ী প্রার্থীরা প্রধানমন্ত্রী মোদির থেকেও আরও কতটা বেশি ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

এই ২২৪টি লোকসভা আসনের মধ্যে ১১২টি এমন আসন রয়েছে যেখানে অন্য দলের প্রার্থীদের জয়ের ব্যবধান বারাণসীতে মোদির জয়ের মার্জিনের চেয়ে বেশি। আবার বিজেপিরও এমন ১১২ জন প্রার্থী রয়েছেন যারা নরেন্দ্র মোদির তুলনায় বড় ব্যবধানে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।

এদিকে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৫২টি আসন পেলেও এইবার সেই সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৯তে। দলের নেতা রাহুল গান্ধী উত্তরপ্রদেশের রায়বেরিলি এবং কেরালার ওয়ানাড় থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এই দুটি আসনেই রাহুল গান্ধী তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে তিন লক্ষেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন।

বিরোধী দলের অনেক পরিচিত নেতাই আছেন যারা এই লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদির চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন। জিতেছেন বড় ভোটের ব্যবধানেও। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর ভাইপো ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অভিষেক ব্যানার্জী ডায়মন্ড হারবার আসনে ৭ লক্ষ ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

এই একই তালিকায় রয়েছেন ডিএমকে নেতা এম কে কানিমোঝি, এআইএমআইএম নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ ইয়াদব, আম আদমি পার্টির নেতা গুরমিত সিং, ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির সুপ্রিয়া সুলে এবং কয়েকজন নির্দলীয় প্রার্থীও।

নরেন্দ্র মোদি বনাম বিজেপির অন্য প্রার্থীরা:

গেরুয়া শিবিরের অন্দরেই এমন একাধিক নেতা রয়েছেন যারা নরেন্দ্র মোদির চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন এবং একই সঙ্গে তাদের নিকটতম প্রার্থীর চেয়ে ভোটের ব্যবধানও বড়। এই তালিকায় ১১২ জন বিজেপি প্রার্থী আছেন। এই নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে নামটা চর্চায় রয়েছে সেটা হলো মধ্যপ্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তিনি ওই রাজ্যের বিদিশা আসন থেকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে ৮ লক্ষ ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।

বিজেপির আরেক হেভি ওয়েট প্রার্থী অমিত শাহ গুজরাটের গান্ধীনগর লোকসভা আসনে ৭ লক্ষ ৪৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন। উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগর আসনে ৫ লক্ষ ৫৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন মহেশ শর্মা। অন্যদিকে, মধ্যপ্রদেশের গুনা আসনে ৫ লক্ষ ৪০ হাজার ভোটে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

গুজরাটের পোরবন্দর আসনে ৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ভোটে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে হারিয়েছেন মনসুখ মাণ্ডভিয়া। আর মহারাষ্ট্রের মুম্বই উত্তর আসনে পীযূষ গোয়েল বিরোধী প্রার্থীকে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ভোটে হারিয়ে জিতেছেন। হেমা মালিনী তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়েছেন ২ লক্ষ ৯৩ হাজার ভোটে। তিনি জিতেছেন উত্তরপ্রদেশের মথুরা আসন থেকে।

নরেন্দ্র মোদি বনাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী:

জওহরলাল নেহরু ছাড়া ভারতের আর কোনও প্রধানমন্ত্রী পরপর তিনবার নির্বাচনে জিততে পারেননি। ভারতে এখন পর্যন্ত ১৮টি লোকসভা নির্বাচন হয়েছে এবং নরেন্দ্র মোদীসহ ১৪ জন দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। জওহরলাল নেহরুই একমাত্র নেতা যিনি এই দেশে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন ছিলেন। ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীও প্রায় ১৬ বছর এই পদে ছিলেন। এছাড়া মনমোহন সিংও ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

ভারতের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, জওহরলাল নেহরু যেবার তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হন, সেই বছর নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের ফুলপুর লোকসভা আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৩৩.৪৫ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন।

এখানে জয়-পরাজয়ের ব্যবধান শতাংশের নিরিখে তুলনা করা হচ্ছে কারণ ভোটারের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েছে। যার অর্থ হলো জওহরলাল নেহরুর জমানায় একটা নির্বাচনি কেন্দ্রে যতজন ভোট দিতেন তার তুলনায় এখন একটা কেন্দ্রে বহুগুণ বেশি ভোটার রয়েছে।

১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হন। ওই লোকসভা নির্বাচনে তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের মেদক আসন থেকে ভোটে লড়েছিলেন। সেই সময় তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৪৯.৩৫ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

প্রসঙ্গত, বিজেপি নেতা অটলবিহারী বাজপেয়ীও তৃতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি জওহরলাল নেহরু বা নরেন্দ্র মোদির মতো পরপর তিনটে নির্বাচনে জিততে পারেননি। যে বার তৃতীয় দফায় তিনি প্রধানমন্ত্রী হন, সেইবার অটলবিহারী বাজপেয়ী লক্ষ্ণৌ আসন থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ১৬.৩৯ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে নির্বাচনে জিতেছিলেন তিনি।

এবার নরেন্দ্র মোদি এই লোকসভা নির্বাচনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১৩.৪৯ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

তবে এই নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন কংগ্রেসের রকিবুল হুসেন। আসামের ধুবড়ী আসন থেকে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তথা অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের প্রার্থী বদরুদ্দিন আজমলকে ১০ লক্ষ ১২ হাজার ৪৭৬ ভোটে পরাজিত করেছেন।

এই প্রসঙ্গে একটা বিষয় উল্লেখ করতেই হয়, এবং সেটা হলো মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে জয়ী প্রার্থীর পর দুই নম্বরে রয়েছে 'নোটা' বা নান অফ দ্য অ্যাবাভ। এই আসনের ভোটে কংগ্রেস প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন। এটিই দেশের একমাত্র আসন, যেখানে ২ লাখ ১৮ হাজার ৬৭৪ জন নোটার বোতাম ব্যবহার করেছেন।

একজন ভোটার ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে নোটা-র বোতাম তখন ব্যবহার করেন যখন তিনি তার কেন্দ্রে যে প্রার্থীরা নির্বাচনে লড়ছেন তাদের একজনকেও ভোট দিতে চান না।

ইন্দোরে জয়ী প্রার্থী শঙ্কর লালওয়ানি এবং নোটার মধ্যে ব্যবধান ১০ লক্ষ ৮ হাজার ৭৭। তবে যদি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কথা বলা হয়, তাহলে এই আসনে জয়ের ব্যবধান ১১ লক্ষ ৭৫ হাজার ৯২। কারণ বহুজনসমাজ পার্টির সঞ্জয় সোলাঙ্কি পেয়েছেন ৫১ হাজার ৬৫৯টি ভোট।

আর এই লোকসভা নির্বাচনে সবচেয়ে কম জয়ের ব্যবধান ছিল মুম্বাই উত্তর পশ্চিম আসনে। শিবসেনার রবীন্দ্র ওয়াইকার তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শিবসেনার (উদ্ধব ঠাকরে) অমল কীর্তিকরকে মাত্র ৪৮ ভোটে পরাজিত করেছেন। সূত্র: বিবিসি

Header Ad
Header Ad

জশ ইংলিসের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড গড়ে ইংল্যান্ডকে হারাল অস্ট্রেলিয়া

জশ ইংলিসের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড গড়ে ইংল্যান্ডকে হারাল অস্ট্রেলিয়া। ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ডকে ৩৫২ রানের বিশাল লক্ষ্য দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অস্ট্রেলিয়া যখন মাঠে নামে, তখন তাদের সামনে ছিল এক কঠিন সংগ্রাম। তবে, চোট-ঝুঁকির মধ্যেও অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং শক্তি যেন এক নতুন রূপে দেখা দিলো। শুরুতে ইংল্যান্ডের বল হাতে জোফরা আর্চার এবং মার্ক উডের আক্রমণে অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিং জুটি কিছুটা দুর্বল হলেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা শক্ত অবস্থানে ফিরে আসে।

জশ ইংলিস এই ম্যাচে ঝড় তোলেন এবং ইতিহাস গড়েন। তার ক্যারিয়ার সেরা সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে জয়ের বন্দরে পৌঁছায়, যদিও ইংল্যান্ডের সামনে ছিল এক বিশাল সংগ্রাম।

প্রথমে ট্র্যাভিস হেড (৬) এবং স্টিভ স্মিথ (৫) দ্রুত আউট হয়ে গেলেও, ম্যাথু শর্ট এবং মার্নাস লাবুশেন এর জুটি অস্ট্রেলিয়াকে সামলে রাখে। দুজন মিলে ৯৫ রান যোগ করে, যেখানে লাবুশেন ৪৫ বলে ৪৭ রান করেন এবং শর্ট ৬৬ বলে ৬৩ রান করেন।

১৩৬ রানে চার উইকেট পড়ে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা চাপে পড়লেও, অ্যালেক্স ক্যারি এবং জশ ইংলিসের দারুণ পার্টনারশিপ তাদেরকে আবার পথ দেখায়। ৩৮তম ওভারে রশিদের বলে ক্যারি আর্চারের হাত ফসকে জীবন পেয়ে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তবে ক্যারি আউট হলে ইংলিস একাই কাঁধে তুলে নেন দলের জয়ের আশা।

৪৫তম ওভারের তৃতীয় বলে আর্চারকে ছক্কা মেরে প্রথম সেঞ্চুরি করেন ইংলিস, এবং পরবর্তীতে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলও দ্রুত বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানের সংখ্যা বাড়িয়ে দেন। ৪৭.৩ ওভারে ইংলিস ম্যাচের শেষ ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন। ৮৬ বলে ৮ চার ও ৬ ছয়ে ১২০ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি, যার ফলে অস্ট্রেলিয়া ৩৫২ রানের লক্ষ্য তাড়িয়ে জয়ী হয়।

অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে ফিল্ডিং শুরু করেছিল এবং ইংল্যান্ডের প্রথম দুই ব্যাটসম্যান—ফিল সল্ট (১০) ও জেমি স্মিথ (১৫)—কে আউট করে তারা দারুণ শুরু করে। তবে বেন ডাকেট এবং জো রুট দলের ভিত শক্ত করে ফেলে, যেখানে ডাকেট ৯৫ বলে ১১ চার ও ১ ছয়ে শতক পূর্ণ করেন। রুট ৬৮ রান করে আউট হন।

ডাকেটের অনবদ্য সেঞ্চুরির পর ইংল্যান্ডের রান বেড়ে গিয়ে ৩৫২ রানের কাছাকাছি পৌঁছায়। ১৩৪ বলে ১৫০ রান করে ডাকেট শেষ পর্যন্ত আউট হলেও, তার ইনিংসটি ছিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অভিষেক ম্যাচের সর্বোচ্চ রান।

শেষ দিকে জোফরা আর্চার ১০ বলে ২১ রান করে ইংল্যান্ডের স্কোরে বড় কিছু যোগ করেন, এবং দল ৩৫৪ রানে পৌঁছে যায়। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ডারশুইস সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

Header Ad
Header Ad

১৫ বছর দলীয় বিবেচনায় অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বানানো হয়েছে: উপদেষ্টা ফারুক

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। ছবি: সংগৃহীত

গত ১৫ বছর দলীয় বিবেচনায় অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম।

মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, গত ১৫ বছর দলীয় বিবেচনায় অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বানানো হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় কখনো কখনো খোদ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডাররাই জড়িত ছিলেন।

এ অবস্থায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান বাঁচাতে সরকার যাচাই-বাছাই শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুন্ন রেখে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই করছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জেনারেল ওসমানীর বীরত্বগাঁথা পাঠ্যপুস্তকে বিস্তারিতভাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তোলেন। এ সময় ওসমানী স্মৃতি পরিষদ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তার স্মৃতি রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কয়েক দফা দাবি তুলে ধরেন।

Header Ad
Header Ad

দিনাজপুরের বিরামপুরে ৮ জুয়াড়ি গ্রেফতার

গ্রেফতারকৃত ৮ জুয়াড়ি। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

দিনাজপুরের বিরামপুরে অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলার সরঞ্জামাদিসহ আট জুয়াড়িকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।  শনিবার তাদেরকে দিনাজপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত জুয়াড়িরা হলেন, বিরামপুর পৌরশহরের ৮নং ওয়ার্ডের জোয়াল কামড়া গ্রামের মৃত হামিদের ছেলে লিটন (৪০),আমিনুর রহমানের ছেলে জাকির হোসেন (৩০), দেলোয়ার হোসেনের ছেলে তবারক হোসেন (৩৩), মৃত মজিদ মন্ডলের ছেলে আশরাফুল (৩২), আব্দুল আজিজের ছেলে জাহিদুল (২৪), মৃত আব্দুল সামাদের ছেলে ফারুক হোসেন (৪২), মজনুর ছেলে মিজানুর রহমান (৪৬), শামসুল হকের ছেলে রাজু (২৪)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিরামপুর থানা পুলিশের ১টি টহলদল বিরামপুর পৌরশহরের জোয়াল কামড়া গ্রামে জুয়ার বোর্ডে অভিযান চালান। এসময় জুয়া খেলার সরঞ্জামাদিসহ আট জুয়াড়িকে গ্রেফতার করেন। এঘটনায় ১৮৬৭সালের আইনের ৩/৪ ধারায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলা নং-১৭, তাং ২২/০২/২০২৫ইং।

এ বিষয়ে বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমতাজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দিনাজপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

জশ ইংলিসের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড গড়ে ইংল্যান্ডকে হারাল অস্ট্রেলিয়া
১৫ বছর দলীয় বিবেচনায় অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বানানো হয়েছে: উপদেষ্টা ফারুক
দিনাজপুরের বিরামপুরে ৮ জুয়াড়ি গ্রেফতার
চীনে নতুন করোনা ভাইরাসের আবির্ভাব, আবারও মহামারির শঙ্কা
নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি রায়হান, সম্পাদক বেলায়েত
শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে ফুল আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রত্যেক শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে: মঈন খান
জামায়াত দাবি করে ২১ শে ফেব্রুয়ারির সমস্ত কৃতিত্ব তাদের: রনি
যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখম, মোটরসাইকেল পুড়িয়ে আ.লীগ নেতাকে পুলিশে সোপর্দ
দীঘি নয়, ‘টগর’ সিনেমায় নায়িকা হচ্ছেন পূজা চেরী
নারী গোয়েন্দার প্রেমের ফাঁদে পড়ে ভারতের গোপন তথ্য ফাঁস (ভিডিও)
নির্বাচনের আগেই জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি নিহতদের পরিবারের
চলন্ত বাসে ডাকাতি-যৌন নিপীড়ন: মির্জাপুর থানার এএসআই বরখাস্ত
ছাত্রদের নতুন দলে যোগ দিচ্ছেন সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্যরা
চলন্ত বাসে ডাকাতির সময় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি: পুলিশ সুপার
ময়মনসিংহে দেড় শতাধিক বিড়ালের মিলনমেলা
বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল
১৩ দিনের চীন সফরে যাচ্ছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির
২৯ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা পেয়েছে ২ সদস্যের একটি অপরিচিত বাংলাদেশি ফার্ম: ট্রাম্প
ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা: প্রাণে বাঁচলেন দিতি কন্যা লামিয়া