শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

১১ দিনেও মেলে না করোনার রিপোর্ট

মোহাম্মদ উকিলের বয়স ৬৫ বছর। চোখের চিকিৎসা করাতে গেছেন হাসপাতালে। চিকিৎসা এগিয়ে নেওয়ার একপর্যায়ে প্রয়োজন হয়েছে করোনা পরীক্ষার। কিন্তু ওই হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা হয় না।

সাধ্যের মধ্যে করোনা পরীক্ষা করাতে তিনি গেলেন রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সরকারি এই হাসপাতালে গত ১৭ আগস্ট করোনা পরীক্ষার ফি জমা দেন তিনি। এর ৬ দিন পর ২৩ আগস্ট পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়ার ডাক পান তিনি এবং ওই দিনই নমুনা দিয়ে আসেন। নিয়ম অনুযায়ী ৪৮ ঘণ্টা পর রিপোর্ট নেওয়ার জন্য ফর্মে দেওয়া তার মোবাইল নাম্বারে বার্তা যাওয়ার কথা।

রিপোর্ট গ্রহণের জন্য যথাসময়ে তার মোবাইল ফোনে বার্তাও যায়। বার্তা পেয়ে তিনি রিপোর্ট নেওয়ার জন্য হাসপাতালের নিচতলায় নির্ধারিত কাউন্টারে যান। কিন্তু কাউন্টার থেকে তাকে বলা হয়, এখনো রিপোর্ট আসেনি। এরপর তিনি হাসপাতালের যে জায়গায় নমুনা দিয়েছিলেন সেখানে যান। সেখান থেকে তাকে পাঠানো হয় সংশ্লিষ্ট আরেকটি কক্ষে। সেখান থেকে আবার তাকে পাঠানো হয় নমুনা সংগ্রহ কক্ষে।

রিপোর্ট সংগ্রহের জন্য মোহাম্মদ উকিল প্রতিদিনই এভাবে ধরনা দিয়ে আসছিলেন সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে। সর্বশেষ রবিবারও (২৮ আগস্ট) করোনার রিপোর্ট না পেয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন তিনি। তখন কথা হয় ঢাকাপ্রকাশ-এর সঙ্গে।

এসময় তিনি বলেন, ১৫ দিন ধরে করোনা টেস্টের জন্য ঘুরছি। গত বুধবারের আগের বুধবার (১৭ আগস্ট) টেস্টের টাকা জমা দেওয়ার সুযোগ পেলাম। এরপর স্যাম্পল দেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) ডেট পেলাম। পরে রিপোর্ট নেওয়ার জন্য একদিন পর (২৫ আগস্ট) ম্যাসেজ পেলাম। ওই দিন থেকে রিপোর্টের জন্য ঘুরছি। এরা কেবল এখান থেকে সেখানে পাঠাচ্ছে। বলছে রিপোর্ট এখনো আসেনি। কিন্তু আমার তো রিপোর্ট নেওয়ার জন্য ম্যাসেজ আসছে। এদিকে আমার চোখের অবস্থা প্রতিদিন একটু একটু করে খারাপের দিকে যাচ্ছে। কিন্তু রিপোর্টের জন্য চিকিৎসাও এগোনো যাচ্ছে না। কী আর করা, এখন চলে যাচ্ছি। কালকে আবার আসব আরকি।

উকিল বলেন, ১৫ দিন ধরে এই রিপোর্টের জন্য ঘুরছি। টাকা জমা দিয়েছি, তাও ১১ দিন হয়ে গেল। এখনো রিপোর্ট পাইনি।

নমুনা সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত স্থানের পাশে সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে মোহাম্মদ উকিলের ভোগান্তির বক্তব্য ভিডিও ধারণ করার সময় এক যুবক এসে পাশে দাঁড়ান। তিনি উকিলের টাকা জমার রশিদটি হাত থেকে নিয়ে দেখেন। তারপর তাকে নিয়ে আবার রিপোর্ট ডেলিভারি দেওয়ার কাউন্টারে যান। এই প্রতিবেদকের পেশাগত পরিচয় জেনে তাকেও সঙ্গে যাওয়ার অনুরোধ করেন। যুবকের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে অন্য রোগীর সহযোগী বলে দাবি করেন। তবে তিনি তার নাম বলতে রাজি না হয়ে তার সঙ্গে যাওয়ার আহ্বান জানান।

কাউন্টারে গিয়ে ওই যুবক উকিলের কাছে জানতে চান যে, রিপোর্ট নেওয়ার জন্য তিনি মোবাইল ফোনে বার্তা পেয়েছেন কিনা। উকিল বললেন, হ্যাঁ আছে তো। কাউন্টারে কর্তব্যরতদের দিকে দেখিয়ে বললেন, স্যাররাও তো আমার এই ম্যাসেজ পড়েছেন। বলতে বলতে তিনি বার্তাটি যুবককে দেখান। যুবক বার্তাটি পড়েন। একপর্যায়ে কাউন্টারে থাকা ব্যক্তি যুবককে ‘ভাই’ সম্বোধন করে সব রিপোর্টের ফাইল তার দিকে এগিয়ে দেন। ওই যুবক ফাইল থেকে উকিলের রিপোর্টটি বের করে তাকে দিয়ে দেন।

এতদিন ঘুরে তিনি রিপোর্ট পাচ্ছিলেন না। কিন্তু এখন এক মুহূর্তে কীভাবে পাওয়া গেল? এই প্রশ্নের জবাবে যুবক এবং কাউন্টার থেকে ফাইল এগিয়ে দেওয়া ব্যক্তি প্রায় সমস্বরে বললেন, তার রিপোর্টটি মাত্রই এসেছে।

তবে উকিলের হাতে পাওয়া রিপোর্টে লেখা আছে, রিপোর্টটি প্রস্তুত হয়েছে নির্ধারিত ২৫ আগস্টেই। তা ছাড়া রিপোর্টে প্রিন্ট ডেটও লেখা আছে ২৫ আগস্ট।

হাসপাতালের নিচতলায় রিপোর্ট ডেলিভারির নির্ধারিত স্থানে কিছু সময় দাঁড়িয়ে আরও কয়েকজন ভুক্তভোগীকে এমন অভিযোগ করতে দেখা গেছে। কিন্তু ভোগান্তি আরও বাড়ার শঙ্কায় তারা কেউ উদ্ধৃত হতে রাজি হননি।

তবে রিপোর্টের জন্য দিনের পর দিন ঘোরার অভিজ্ঞতা থেকে তারা বলছেন, রোগী বা তাদের লোকজন হন্যে হয়ে একসময় যেন বাড়তি টাকা-পয়সা দিয়ে রিপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করে, সেজন্যে রিপোর্ট ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত থাকলেও ইচ্ছে করেই তারা তা দেন না। এখানে একটি দালাল চক্র আছে। তারা ভুক্তভোগীদের ফুসলিয়ে বাড়তি টাকা আদায়ের জন্য এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রাখে।

দালাল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. খলিলুর রহমান ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, অবশ্যই হাসপাতালে দালাল আছে। দালাল তো সারাক্ষণ হাঁটতেই থাকে। আমরা ব্যবস্থা নেই। আপনারা দালাল চিহ্নিত করে দেন। আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেব। জিরো টলারেন্সের ব্যাপার।

তিনি আরও বলেন, করোনার রিপোর্ট বা অন্যান্য রিপোর্ট অনেকের পেতে দেরি হতে পারে। এর কারণ হচ্ছে অনেকে বুঝে না কখন তাদের রিপোর্ট হয়েছে। অনেক সময় রোগীরা করোনা রিপোর্ট নিতে আসার সময় তার মোবাইলে যাওয়া এসএমএস দেখাতে পারে না। তারা এসএমএস ডিলিট করে দেয়, হয়তো তার ক্ষেত্রে এমনটি হয়েছে।

এমএ/এসজি

Header Ad
Header Ad

লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

সবুজ মোল্যা। ছবি: সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে কার্টনের ভেতর হাত-পা বিচ্ছিন্ন মরদেহের পরিচয় মিলেছে। নিহত ব্যক্তির নাম সবুজ মোল্যা। তিনি সাভারের যাদুরচর গ্রামের ইউনুস মোল্লার ছেলে। নিহতের মামা মহসিন মিয়া তার মরদেহ শনাক্ত করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহরাব আল হোসাইন জানান, নিহতের টুকরা করা মরদেহ কেরানীগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় মামলা এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিহতের মামা মহসিন মরদেহটি সবুজের বলে শনাক্ত করেন।

মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, ঢাকার সাভার থানায় দায়েরকৃত একটি সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে গতকাল রাত ১২টার দিকে মরদেহের পরিচয় পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।

নিহতের মামা মো. মহসিন জানান, নিহত সবুজ বনানীর একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিল। বৃহস্পতিবার থেকে সে নিখোঁজ ছিল।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকাল থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে শুক্রবার রাতে পিবিআইয়ের ফোন পেয়ে এবং মরদেহের ছবি দেখে আমার ভাগিনাকে শনাক্ত করি। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা বলতে পারছি না।

এর আগে শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন লৌহজং উপজেলার মেদেনীমণ্ডল খানবাড়ি এলাকার আনোয়ার চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে খানবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কার্টনের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো অজ্ঞাত ব্যক্তির মাথা ও গলা থেকে কোমর পর্যন্ত খণ্ডিত অংশ পাওয়া যায়।

একই দিন সকাল ১০টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার শাক্তা ইউনিয়নের মালঞ্চ এলাকায় সড়কের পাশে একটি কার্টনে মরদেহের কিছু অংশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। আলামত যেন নষ্ট না হয় সে কারণে সিআইডি ও পিবিআইয়ের বিশেষজ্ঞ টিম পলিথিন খুলে মানবদেহের অংশগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। পরে মুন্সীগঞ্জে মানবদেহের খণ্ডিত অংশ পাওয়ার খবর পেয়ে সেখানে যায় সিআইডি ও পিবিআই। পর্যবেক্ষণ শেষে খণ্ডিত অংশগুলো একই ব্যক্তির বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়।

Header Ad
Header Ad

মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন শুল্ক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে একটি জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সভা আয়োজিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। সভায় অংশ নেবেন শীর্ষ বিশেষজ্ঞ, উপদেষ্টা ও কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, গত বুধবার বাংলাদেশের পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এত দিন দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হতো।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের ৪০ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি শিল্পে বড় ধরনের আঘাত আসতে পারে। এই ধাক্কা সামলাতে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পথ খোঁজা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি এখন একটি বিতর্কিত অভিযোগের শিকার। তার গৃহকর্মী পিংকি আক্তার পরীমনির বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেছেন, পরীমনি তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করেছেন, বিশেষত এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানোর ঘটনায়।

অভিযোগ দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি দ্রুত আলোচনায় আসে এবং সোশ্যাল মিডিয়া সহ গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে পরীমনি ফেসবুক লাইভে আসেন। তিনি জানান, তার কাছে সব প্রমাণ রয়েছে, তবে তিনি সেগুলো প্রকাশ করতে চান না কারণ তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

লাইভে পরীমনি বলেন, “যদি আমার বিগত জীবনযাপন দেখেন, বুঝবেন যে আমি আমার স্টাফদের সঙ্গেই সময় কাটাই, তারা আমার পরিবার। এক গৃহকর্মী যার সাথে এক মাসও হয়নি, সে নিজের বিরুদ্ধে এমন দাবি করতেই পারে, তবে আমি বলব সে আমার গৃহকর্মী নয়।”

এছাড়া পরীমনি আরো জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে মিডিয়া তাকে 'মিডিয়া ট্রায়াল' করেছে এবং তা একেবারেই সঠিক নয়। তিনি বলেন, “যে কেউ যে কারও বিরুদ্ধে জিডি করলেই সেটা কি সত্যি হয়ে যাবে? প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত নয়।”

লাইভে আবেগপ্রবণ হয়ে পরীমনি আরও বলেন, “এত মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করুন, জনগণ আসলে পুরো একটা মিডিয়া।"

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার অভিযোগ করেন, পরীমনি তার মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানোর সময় তাকে মারধর করেন, ফলে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান এবং পরে ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে ডেকে আনেন। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।

এদিকে, পরীমনি জানিয়েছেন, তিনি আইনি ব্যবস্থা নেবেন এবং সমস্ত প্রমাণ আদালতের মাধ্যমে উন্মোচন করবেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’
যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)
শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
গরমে তৃষ্ণা মেটানোর বদলে ডিহাইড্রেটেড করবে যেসব পানীয়
পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার: জাতিসংঘ
আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, নেই যানজট ও ভোগান্তি
আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি
প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস