বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে বন্ধ হবে বেতন-ভাতা

ফাইল ছবি

আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করতে হবে সকল পিয়ন, দারোয়ানসহ সকল সরকারী চাকরিজীবীকে । না হলে তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে।

এতোদিন সকল সরকারি চাকরিজীবীদের রিটার্ন দাখিল করতে হতো না। যাদের মূলবেতন ১৬,০০০ টাকা বা তার বেশি, তাদের জন্য রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক ছিল।

আয়কর আইন, ২০২৩-এর এ বিধান মেনে সকল গণকর্মচারীকে রিটার্ন দাখিল করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের আওতাভুক্ত দপ্তর-অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ই-টিআইএন সংগ্রহ করে রিটার্ন দাখিল করার নির্দেশনা শুরু করেছে।

সকল সরকারি কর্মচারীর জন্য রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার বিধানকে যৌক্তিক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, অনেক অল্প বেতনধারী কর্মচারীর একাধিক বাড়িসহ বিপুল সম্পদ রয়েছে। তাদের বেতনের বাইরে আরও আয় থাকতে পারে। রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করায় সরকার তার সম্পদের তথ্য পাবে।

চলতি অর্থবছর নতুন আয়কর আইন করেছে সরকার। তার বিভিন্ন ধারায় সকল গণকর্মচারীর জন্য রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করে বলা হয়েছে, গণকর্মচারীর বেতন ভাতাদি প্রাপ্তিতে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ জমা দিতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, যেসব কর্মচারীর বেতন করসীমার চেয়ে কম, তাদের কোন কর দিতে হবে না। তবে সবাইকে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। আর যাদের বেতন করমুক্ত আয়সীমা অতিক্রম করে, তাদের আয়বর্ষের আনুমানিক মোট আয়ের জন্য প্রযোজ্য করের গড় হারে তার বেতন বিল থেকে উৎসে কর্তন করতে হবে।

এ নির্দেশনা পাওয়ার পর করমুক্ত আয়সীমার চেয়ে কম বেতনভুক্ত কর্মচারীদের মধ্যে এক ধরণের ভয় কাজ করছে বলে একাধিক কর্মচারী জানিয়েছেন। অনেক কর্মচারীর বেতন কম হওয়া সত্ত্বেও নিজের নামে বড় অংকের অর্থ সঞ্চয়পত্র সহ বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ রয়েছে, তাদের উৎকণ্ঠা আরও বেশি।

সকল সরকারি কর্মচারীর জন্য রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার বিধানকে যৌক্তিক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, অনেক অল্প বেতনধারী কর্মচারীর একাধিক বাড়িসহ বিপুল সম্পদ রয়েছে। তাদের বেতনের বাইরে আরও আয় থাকতে পারে। রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করায় সরকার তার সম্পদের তথ্য পাবে।

এছাড়া এর মধ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা বাড়বে, ট্যাক্স নেটও বাড়বে। যেসব অল্প বেতনধারী কর্মচারীর অন্যান্য আয় ও সম্পদ আছে, সেসব আয় থেকে আয়কর পাওয়া যাবে। এতে রাজস্ব আহরণ বাড়বে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গতবছর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ১৩,৯৬,৮১৮ জন। এর মধ্যে ১১তম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত কর্মচারীর সংখ্যা ১২,১৭,২৬৪ জন।

১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূলবেতন ৮২৫০ টাকা থেকে ১৬০০০ টাকা পর্যন্ত, যা করমুক্ত আয়সীমার চেয়ে কম। চলতি অর্থবছর করমুক্ত আয়সীমা ৩.৫০ লাখ টাকা।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, "আমাদের দেশের অনেক পিয়নেরও দুই-তিনটা বাড়ি আছে। সরকারি চাকরির বেতন কম হলেও তাদের অন্য ইনকাম থাকতে পারে। এই বিবেচনায় সকল গণকর্মচারীর জন্য রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা যৌক্তিক হয়েছে।"

তিনি বলেন, "কারও একাউন্টে ১০ লাখ বা ২০ লাখ টাকা পেলে যেন তাকে হয়রানি করা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। একজন অল্প বেতনের চাকরিজীবীও দীর্ঘদিন অল্প অল্প টাকা জমিয়ে এই পরিমাণ টাকা সঞ্চয় করতে পারেন। তবে কারও অবিশ্বাস্য রকমের সম্পদ থাকলে সেগুলো নিয়ে তদন্ত করা যেতে পারে।"

ট্যাক্স কনসালটেন্ট স্নেহাশিষ বড়ুয়া বলেন, "আইন অনুযায়ী সকল সরকারি চাকরিজীবীকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করে দাখিলের প্রমাণক নিতে হবে। যাদের আয় করযোগ্য আয়সীমার নিচে রয়েছে, তাদেরও রিটার্ন দাখিল করতে হবে।"

সরকারের এই উদ্যোগের ইতিবাচক দিক সম্পর্কে তিনি বলেন, "এতে রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা বাড়বে, ট্যাক্স নেট বাড়বে। অনেকে অল্প টাকা বেতন পেলেও অনেক সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাদের সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে হবে। অর্থাৎ, তারা কমপ্লায়েন্সের মধ্যে আসবে, তারা জবাবদিহিতার মধ্যে আসবে।"

"এই আইনের ফলে সকল সরকারি চাকরিজীবী রিটার্ন দাখিলের সময় আইনগতভাবে তাদের সকল সম্পদ দেখাতে বাধ্য। তবে কেউ যদি তার সম্পদ প্রদর্শন করতে না চায়, সেটা ভিন্ন বিষয়", জানান তিনি।

স্নেহাশিষ বড়ুয়া বলেন, অনেক কম শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন সরকারি চাকরিজীবী রয়েছেন, যারা হয়তো নিজের রিটার্ন ফরম নিজে পূরণ করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে অন্যের সহায়তা নিতে কিছু টাকা খরচ করতে হবে, যা তার ওপর আর্থিক চাপ তৈরি করবে। এক্ষেত্রে তারা অনলাইনে ফরম পূরণ করে সাবমিট করলে সেই খরচের চাপ থেকে রেহাই পেতে পারেন।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে রাঙামাটির বাঘাইহাট ও সাজেক পরিদর্শন শেষে স্থানীয় বিজিবি সেক্টরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “৫ আগস্টের পর সমতলের অনেক থানার অস্ত্র লুট হয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।”

পাহাড়ের উন্নয়নকে সঠিক জায়গায় পৌঁছানোর জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

এই সফরে তিনি বিজিবির বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং সৈনিকদের খোঁজ-খবর নেন। এছাড়া, তিনি রাঙামাটি বিজিবি সেক্টর পরিদর্শন করেন।

সাজেকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে অস্থায়ীভাবে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি নিয়োজিত রাখার নির্দেশনা দেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালককে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা