শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫ | ১৪ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

মেট্রোরেলে অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন এডিপি পৌনে ৩ লাখ কোটি টাকার

চলতি অর্থবছরের মতো আগামী (২০২৩-২৪) অর্থবছরের বাজেটেও রাজধানীতে নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াতের জন্য মেট্রোরেলে অগ্রাধিকার দিয়ে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

নতুন বাজেট পেশ করার আগেই এটা অনুমোদন করতে হয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় নতুন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার চূড়ান্ত করেছে। বৃহস্পতিবার (১১ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় নতুন এডিপির অনুমোদন দেওয়া হবে।

জানা যায়, মেট্রোরেল-৬ এর বাকি কাজ শেষে করতে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ৩ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। মেট্রোরেল-১ রুটেও প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্পে ৩৪ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। এভাবে সবখাতে বরাদ্দ কম-বেশি করে আগামী অর্থবছরের বাজেটে নতুন এডিপির মোট আকার ২ লাখ ৭৪ হাজার কোটি টাকা ধরা হচ্ছে।

নতুন এডিপি হবে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপির চেয়ে প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। তবে মূল এডিপির তুলনায় সাড়ে ৭ শতাংশ বেশি। কারণ চলতি অর্থবছরে মূল এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।

সূত্র জানায়, করোনার ধকল সামলাতে না সামলাতেই ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে অর্থনীতি চাপে পড়েছে। নিত্যপণ্য আমদানি নির্ভর হওয়ায় সব জিনিসের দাম বাড়ছে। মূল্যস্ফীতিও সামলানো যাচ্ছে না। এ জন্য দেশীয় শিল্প রক্ষা ও উৎপাদনখাত ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এডিপিতে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

বাজেটেও এসব খাতকে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ জন্য আগামী অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার হতে যাচ্ছে পৌনে ৩ লাখ কোটি টাকা। এরমধ্যে মূল এডিপি হবে ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা।

আগামী অর্থবছরের এডিপি চলতি এডিপি থেকে ১৮ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা বা ৭ শতাংশ বেশি। কারণ চলতি অর্থবছরে এডিপির মোট আকার ছিল ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে সরকারের অর্থ ১ লাখ ৫৩ হাজার কোটি টাকা, বিদেশি ঋণ ৯৩ হাজার কোটি ও বিভিন্ন সংস্থার অর্থায়ন ছিল প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। পরে সংশোধন করে বিদেশি ঋণ সাড়ে ১৮ কোটি টাকা কমানো হয়েছে।

মূল এডিপিতে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ বাদ দেওয়া হয়। আগামী এডিপিতে স্থানীয় মুদ্রায় জোগান (সরকারি অর্থ) দেওয়া হবে ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা। আর বিদেশি সহায়তা হিসেবে ৯৪ হাজার কোটি টাকা মিলবে। বাকি ১১ হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন সংস্থা থেকে জোগান দেওয়া হবে।

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত এডিপি উত্থাপন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করবেন। তবে সভায় প্রধানমন্ত্রী বা অন্য সদস্যরা চাইলে বরাদ্দ কমবেশি হতে পারে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কোরবানি ঈদ ঘনিয়ে আসায় আগামী বাজেট পেশ করার সময় এগিয়ে আনা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে আগামী ১ জুন নতুন বাজেট উপস্থাপন করবেন। নতুন অর্থবছরে বাজেটের আকার হতে পারে ৭ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার মতো। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের মূল বাজেট ধরা হয়েছিলো ৬ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। পরে সংশোধন করে কিছুটা কমানো হচ্ছে। কারণ রাজস্ব আদায় কাঙিক্ষত পর্যায়ে আসছে না।

গত এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আর্থিক, মুদ্রা ও মুদ্রা বিনিময় হারসংক্রান্ত সমন্বয় কাউন্সিলের ২০২২-২৩ অর্থবছরের দ্বিতীয় বৈঠক ও সম্পদ কমিটির বৈঠকে আগামী বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ধরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে বাজেট চূড়ান্ত করার আগে প্রবৃদ্ধির হার একটু কমিয়ে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ ও ঘাটতি একটু বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ করা হতে পারে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের এই বাজেট নিয়ে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল সংসদে পঞ্চম বাজেট উপস্থাপন করবেন। এটি দেশের ৫২তম এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৪তম বাজেট। আকারের দিক থেকে এটিই হবে দেশের বৃহত্তম বাজেট। সর্বশেষ বাজেটের তুলনায় এর আকার হবে ১২ শতাংশ বেশি।

প্রথা অনুযায়ী জুন মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার সংসদে নতুন অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। ৩০ জুন পাস হয় সেই বাজেট। ১ জুলাই থেকে শুরু হয় নতুন বাজেট বাস্তবায়ন। এ বছর জুন মাসের প্রথম দিনই বৃহস্পতিবার হওয়ায় রীতি অনুযায়ী সেদিনটিতেই ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের প্রাথমিক সূচি চূড়ান্ত করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে বাজেট নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ লক্ষ্য নির্ধারণ করে পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করা হয়।

চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরের জন্য তা বাড়িয়ে পাঁচ লাখ কোটি টাকা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকেই (এনবিআর) সংগ্রহ করতে হবে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। কারণ আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করতে হবে।

জেডএ/এসএন 

Header Ad
Header Ad

চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ ৩৯.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড, সহজে মিলছে না বৃষ্টি

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

চুয়াডাঙ্গায় তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। এ জেলায় চলছে মাঝারি মাত্রার তাপপ্রবাহ, যা রোজাদারদের জন্য আরও কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আপাতত বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকেল ৩টায় চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার কেন্দ্র জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৩৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যেখানে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল মাত্র ১৮%। কেন্দ্রের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, গতকাল ছিল মৃদু তাপপ্রবাহ, যা আজ থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহে রূপ নিয়েছে। আগামী কয়েকদিন এই তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে, তারপর কিছুটা কমতে পারে।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

সকালে সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই প্রচণ্ড রোদ শুরু হয়, যা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও তীব্র হয়ে ওঠে। দুপুরের পর গরম অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছে যায়, ফলে বাইরে বের হওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। সূর্য ডোবার আগ পর্যন্ত এই তাপদাহ অব্যাহত থাকে।

চলমান তাপপ্রবাহে সবচেয়ে বেশি ভুগছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, রিকশা-ভ্যান চালক ও কৃষকরা। প্রচণ্ড রোদে মাঠে কাজ করতে পারছেন না কৃষকেরা, আবার রাস্তায় চলতে হিমশিম খাচ্ছেন রিকশা-ভ্যান চালকেরাও।

বাইসাইকেলে করে গ্রামে কাপড় বিক্রি করা বৃদ্ধ দবির আলী দুপুরের গরমে ক্লান্ত হয়ে একটি দোকানের চৌকিতে ঘুমিয়ে পড়েছেন। ধানচাষি রাসেল বলেন, "বোরোর ভরা মৌসুমে তীব্র খরা চলছে। প্রতিদিন ধানে সেচ দিতে হচ্ছে, কিন্তু বৃষ্টি নেই। ডিজেলের দাম বেশি, তাই চরম বিপাকে আছি।"

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

ভ্যান চালক বাদশা জানান, "সকালে কিছু ভাড়া পাওয়া গেলেও, রোদ বাড়ার পর আর ভাড়া হচ্ছে না। বসে থাকতে হচ্ছে, অথচ সামনে ঈদ, পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি।"

দিনমজুর পিন্টু মিয়া বলেন, "রোদে মাঠে দাঁড়ানো যাচ্ছে না। কিছুক্ষণ কাজ করার পর গাছের নিচে এসে বিশ্রাম নিতে হচ্ছে।"

গত কয়েকদিন ধরে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ থেকে ৩৮.৫ ডিগ্রির মধ্যে ছিল। তবে আজ শুক্রবার (২৮ মার্চ) তা বেড়ে ৩৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা চলমান গরমের চরম রূপ ফুটিয়ে তুলছে।

Header Ad
Header Ad

জেলা প্রশাসকদের প্রতি ১২ নির্দেশনা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

হয়রানিমুক্ত নাগরিক সেবা নিশ্চিতসহ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাধ্যমে পাঠানো এক চিঠিতে এসব নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

প্রধান নির্দেশনাগুলো:

১. জন্মসনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জমির নামজারি ও রেজিস্ট্রেশনসহ সব নাগরিক সেবা হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত রাখতে হবে।

২. পুলিশি তদন্ত ছাড়াই দ্রুত পাসপোর্ট প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

৩. দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সহনীয় রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

৪. জনগণের সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সবধরনের ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

৫. প্রশাসনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

৬. সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা দূর করতে হবে।

৭. জমি রেজিস্ট্রেশন, জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলোর মানোন্নয়ন করতে হবে।

8. মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

৯. মাঠ প্রশাসনের কার্যক্রম সরকারের সরাসরি নজরদারিতে থাকবে।

১০. জনগণের অভিযোগ ও সমস্যা দ্রুত সমাধান করতে হবে।

১১. দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

১২. প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের তদবির বা স্তুতিবাক্য গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিঠিতে আরও বলা হয়, জেলা প্রশাসকদের দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে আইন মেনে চলতে হবে এবং সেবা কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকারের সব নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে কঠোর নজরদারি রাখা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

Header Ad
Header Ad

জুমার নামাজের সময় শক্তিশালী ভূমিকম্প, মিয়ানমারে মসজিদ ধসে নিহত অন্তত ২০

ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুরে শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভারত ও বাংলাদেশ। ৭.৭ ও ৬.৪ মাত্রার এই ভূমিকম্পে মিয়ানমারে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, পাশাপাশি থাইল্যান্ডেও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া মিয়ানমারে একটি নির্মাণাধীন ভবন ধসে অন্তত ৪৩ জন আটকা পড়েছেন।

বার্তাসংস্থা আনাদোলুর বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খিত তিত জানায়, ভূমিকম্পে মিয়ানমারের মান্দালয় প্রদেশের ফো শিং মসজিদসহ অন্তত চারটি মসজিদ ধসে পড়েছে। জুমার নামাজের সময় মসজিদ ধসে পড়ায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন।

একজন উদ্ধারকর্মী জানান, “আমরা যখন নামাজ পড়ছিলাম, তখন হঠাৎ মসজিদ ধসে পড়ে। তিনটি মসজিদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আটকা পড়েছেন। এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।”

এছাড়া মান্দালয়ের ঐতিহাসিক আভা সেতু ও মান্দালয় প্রাসাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তুয়াঙ্গো সিটিতে একটি মঠ ধসে পড়ায় পাঁচ উদ্বাস্তু শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের সাগাইং শহরের ১৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে, ভূ-পৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। ফলে কম্পনের মাত্রা ছিল প্রবল, যা মিয়ানমারের বাইরেও বিভিন্ন দেশে অনুভূত হয়েছে।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ভূমিকম্পের ফলে একাধিক ভবন দুলতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবন মুহূর্তের মধ্যে ধসে পড়ে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই ভবনে তখন ৫০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। তাদের মধ্যে সাতজন বের হয়ে আসতে সক্ষম হন, তবে ৪৩ জন আটকা পড়েন। তাদের উদ্ধারে চলছে অভিযান।

ভূমিকম্পের ফলে বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর আসছে। উদ্ধার তৎপরতা চলছে, তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ ৩৯.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড, সহজে মিলছে না বৃষ্টি
জেলা প্রশাসকদের প্রতি ১২ নির্দেশনা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
জুমার নামাজের সময় শক্তিশালী ভূমিকম্প, মিয়ানমারে মসজিদ ধসে নিহত অন্তত ২০
ঈদে রাজধানীর নিরাপত্তায় ৪২৬ জন ‘অক্সিলারি ফোর্স’ নিয়োগ
যমুনা সেতু মহাসড়কে নেই যানজট, নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরছে উত্তরের মানুষ (ভিডিও)
টাঙ্গাইলে ৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে পুরস্কৃত ২১ কিশোর-তরুণ
থাইল্যান্ডে ভূমিকম্প: মুহূর্তেই ধসে পড়ল নির্মাণাধীন বহুতল ভবন
মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্প, ধসে পড়ল ভবন ও সেতু
ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
সমালোচনার মুখে প্রসিকিউটর আফরোজ পারভীন সিলভিয়ার নিয়োগ বাতিল
ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জুলাই অভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন
‘ইদ’ থেকে ‘ঈদ’ বানানে ফিরছে বাংলা একাডেমি: আসিফ মাহমুদ
গাজীপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ২
কাশ্মিরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় ৪ ভারতীয় পুলিশ সদস্য নিহত
সফল বৈঠক, ড. ইউনূসকে দৃঢ় সমর্থন চীনা প্রেসিডেন্টের
আজ পবিত্র জুমাতুল বিদা: রমজানের শেষ জুমার তাৎপর্য
যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ হাজার যানবাহন পারাপার, কমছে টোল আদায়ের হার
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ঝরল আরও ৪০ প্রাণ, নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ৫০ হাজার
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট