শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

৬১ বছর ধরে রামুতে চাষ হচ্ছে রাবার

কক্সবাজারের রামুতে ১৯৬০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে রাবার চাষ শুরু হয়। তৎকালীন সরকার রামুতে রাবার উৎপাদনের লক্ষ্যে ২৬৮২ একর জমি অধিগ্রহণ করে বনসম্পদ উন্নয়ন করপোরেশনের উপর ন্যস্ত করেছিল। সেই থেকে কক্সবাজারের রামুতে রাবার উৎপাদন শুরু হয়।

কিছু ভূমি জবরদখলে চলে গেলেও বর্তমানে ২ হাজার ১শ ৩০ একর জমিতে রাবার গাছ রয়েছে। সেখানে দৈনিক গড়ে সাড়ে ৭ হাজার কেজি শুকনো রাবার উৎপাদন করা হচ্ছে। যার বাজার মূল্য প্রতি কেজি ১৮০ টাকা করে সর্বমোট ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রাবার বাগানের গাছ থেকে কষ সংগ্রহ করে নিজস্ব কারখানায় এসব কষ রাবারে রূপান্তরিত করা হচ্ছে সেখানে।

রাবার বাগানের ম্যানেজার নন্দী লাল রায় জানিয়েছেন, লোকবল সংকটের কারণে কাজের গতি বাড়ানো যাচ্ছে না। চাহিদা মতো লোকজন ও যানবাহন না থাকায় জবরদখলকারী দুর্বৃত্তদের মোকাবিলা করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই মাঝে-মধ্যে দুর্বৃত্তরা বাগানে জমি দখলে নিতে ও বাগানের গাছ কাটতে হানা দেয়।

এদিকে এই রাবার বাগানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের কথা উল্লেখ করে সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল জানিয়েছেন, ১৯৬৮ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কক্সবাজার তৎকালীন মহকুমা আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে কক্সবাজারে এসে রামু রাবার বাগানের রেস্ট হাউসে উঠেছিলেন এবং সেখানে বসেই আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে সু- সংগঠিত করেছিলেন। সেই মনোমুগ্ধকর আকর্ষণীয় ঐতিহাসিক রেস্ট হাউসে এখনও বঙ্গবন্ধু যে চেয়ারে বসে দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন সেটি সংরক্ষণ করে রাখা আছে।

তিনি আরও জানান, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সেই থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া বাংলাদেশ বন সম্পদ শিল্প উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে রাবার চাষ পুরোদমে উৎপাদনের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায়। সেই ধারাবাহিকতায় রামুর রাবার বাগানে পরীক্ষামূলক রাবার চাষ পর্যায়ক্রমে দেশের পার্বত্য চট্রগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, এই সেক্টরকে প্রাইভেট খাতে ছেড়ে দেয় সরকার। খুব লাভজনক এই পেশায় এগিয়ে আসে পূঁজিপতি শিল্পপতিরা।

এই রাবার থেকে জুতো, সেন্ডেল থেকে শুরু করে ব্যাগ,পাপস, চেয়ার, টেবিল, বাসন-প্লেট, দরজা, বালতি, আসবাবপত্র ও নানা রকমারী পণ্য-সামগ্রী তৈরি হয়ে আসছে। রাবারের এসব প্লাস্টিক পণ্যসামগ্রী দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাই বাংলাদেশ বন সম্পদ শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের রাবার চাষ বা উৎপাদন বাড়াতে আরও পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করেন এ শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্তরা।

একে/এএন

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত