বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

প্রতিবন্ধী শেখ ফয়সাল মানবতার আড়ালে একজন ভয়ঙ্কর প্রতারক

প্রতারক শেখ ফয়সাল। ছবি: সংগৃহীত

পরনে দামি কাপড়, চলেন দামি গাড়ির বহর নিয়ে। হাতে পরেন আড়াই কোটি টাকা দামের ঘড়ি। মিটিং করেন পাঁচতারকা হোটেলে। শুধু তাই নয় সঙ্গে থাকে সশস্ত্র দেহরক্ষী। চলাফেরা দেখলে যে কারও মনে হবে সে কোনো ধনী ব্যবসায়ী। না কোনো ধনী ব্যবসায়ী না এ হচ্ছে শেখ ফয়সাল নামের প্রতিবন্ধী এক প্রতারকের জীবনযাপনের কিছু বর্ণনা।

স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। সেই টাকা ব্যয় করেন নিজের ভোগ-বিলাসে। কথিত মানবতার ফেরিওয়ালা শেখ ফয়সাল গত কয়েক বছর ধরে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন এমন প্রচারণা চালান নানাভাবে। স্বাস্থ্য সেবা কার্ডের প্রচারণা চালান ফেসবুকে বাংলাদেশে প্রথম ৯৯৯ টাকায় হেলিকপ্টার সেবা দেয়ার কথা বলে দেশের মানুষের সামনে আলোচনায় আসেন তিনি।

আর এসব ভিডিও নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করেন। দীর্ঘদিন এসব প্রচার চালিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিলেও এখন ফয়সাল হেল্থ এক্সপ্রেস নামের প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হওয়ার অবস্থা! এরই মধ্যে নামিয়ে ফেলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড।

রাজধানীর মিপুর-৬ নম্বরের বাজারের পাশে ফয়সাল হেল্থ এক্সপ্রেসের কার্যালয়। কিন্তু যে ফ্লোরে অফিস ছিল সেখানেই এখন ভাড়া হবে সাইনবোর্ড ঝুলছে। মিরপুর-১ নম্বর ঈদগাহ মাঠ এলাকায় ২০২২ সালের ১২ই ডিসেম্বর বিভিন্ন তারকাদের এনে বিশাল কনসার্টের মাধ্যমে সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যসেবার প্রচারণার আয়োজন করেছিল ফয়সাল হেল্থ এক্সপ্রেস।

প্রতারক শেখ ফয়সাল। ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় এক দোকানদার গণমাধ্যমকে বলেন, তার প্রতিবন্ধী মেয়ের জন্য একটি কার্ড করেছিলেন। কথা ছিল ফয়সালের অ্যাম্বুলেন্স সেবাসহ সকল চিকিৎসা পাওয়া যাবে। তখন দেশসেরা তারকাদের দিয়ে কনসার্টের আয়োজন করে সেই সময় তাদের কাছ থেকে ৩শ’ টাকার বিনিময়ে একটি স্বাস্থ্যকার্ড বিক্রি করেন ফয়সাল। কিন্তু কখনোই এই কার্ডের সেবা পাননি এই ভুক্তভোগী নারী। শুধু এই নারীই নন, যারাই কার্ড নিয়েছেন এবং যোগাযোগ করেছেন কেউ স্বাস্থ্যসেবা পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এদিকে ফরিদপুরে যোগাযোগ করে জানা গেছে, ১৮৬ জনতা রোড গোপালগঞ্জের নিজ এলাকায় হাতেগোনা কিছুসংখ্যক মানুষকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে শেখ ফয়সাল হেল্থ এক্সপ্রেস। সেখানেও বহু মানুষ ৩০০ টাকা দিয়ে হেল্থ কার্ড নিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে- মিরপুরে ফয়সাল হেল্থ এক্সপ্রেসের অফিসে আরবি গান ছেড়ে অমানুষিক নির্যাতন করেন তারই ব্যবসায়িক পার্টনার থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী চাকরিজীবীদের। কিন্তু নিজে প্রতিবন্ধী হয়ে কীভাবে তিনি এ কাজ করেন? এ বিষয়ে জালাল হোসেন নামে পুরান ঢাকার একজন ভুক্তভোগী গণমাধ্যমকে বলেন, অনলাইনে ফ্ল্যাট বিক্রির বিজ্ঞাপন দেখে যোগাযোগ করেন নাফকো রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের সঙ্গে। ফয়সাল হেল্থ এক্সপ্রেস সার্ভিস লিমিটেডের অফিসের ৬ষ্ঠতলায় তারই বাবার প্রতিষ্ঠান নাফকো অবস্থিত। প্রতারক ফয়সাল এর হেল্থ এক্সপ্রেসে বিনিয়োগ করলে সেই লাভের টাকা দিয়েই ফ্ল্যাট কেনা সম্ভব এমন আশ্বাসে জালাল ৮০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। পাশাপাশি তার ফ্ল্যাট বাবদ ২৫ লাখ টাকা আগেই তুলে দিয়েছিলেন শেখ ফয়সালের হাতে। কিছুদিন পর ব্যবসার লভ্যাংশ তো দূরের কথা- ফ্ল্যাট বুঝিয়ে না দিতে তালবাহানা শুরু করেন।

এর কিছুদিন পর জালাল ব্যবসায়িক কাজে বিদেশ গেলে তাকে বিদেশ থেকে গোল্ড বার নিয়ে আসতে বলেন ফয়সাল। গোল্ড বারের টাকার সঙ্গে আগের সকল পাওনা টাকা বুঝিয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু ঘটে উল্টোটা। এ সময় ব্যবসায়ী জালালকে ফয়সালের অফিসে ডেকে রাতভর উচ্চ ভলিউমে আরবি গান ছেড়ে বন্দুক ও লাঠি-লোহার রড দিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। নির্যাতন শেষে জালালের সামনে ইয়াবা রেখে ভিডিও চিত্র ধারণ করেন। মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে স্বীকারোক্তি নেয়া হয় ফয়সালের কাছে তার কোনো টাকা পাওনা নেই। এরপর ফয়সালের অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে ব্যবসায়ী জালালকে তার বাসায় নামিয়ে দেন। এসব ঘটনার পর ফয়সালের বাবা নতুন করে দলিল করে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেয়ার চুক্তি করেন। কিন্তু এটা ছিল তার নতুন ফাঁদ। গা শিউরে ওঠা ফয়সালের এই নির্যাতনের সাক্ষী বহু মানুষ।

মিরপুর-১০ নম্বরে এক ট্রাভেল এজেন্সির মালিকও তার নির্যাতনের শিকার। শেখ ফয়সাল বরাবরই আয়েশি জীবনে অভ্যস্ত। মাঝে-মধ্যে দলবল নিয়ে চলে যান দুবাই। সেখানে থাকেন তারকা হোটেলে। ফয়সালের ভিসাসহ এসব কাজ করে দিতেন মিরপুর-১০ নম্বরের ব্যবসায়ী ইমন। ফয়সালের বিমানের টিকিট, হোটেল ভাড়া সবকিছু তিনিই ঠিক করে দিতেন। সেই টিকিট কাটতে গিয়ে ঘটে বিপত্তি। ৬ লাখ টাকার টিকিট করে দেয়ার পর সেই টাকা নিয়ে তালবাহানা শুরু করেন ফয়সাল।

পরে দুবাইয়ে থাকাকালীন ১ লাখ দিরহামের ব্যবস্থা করে দিতে ইমনকে অনুরোধ করেন। সেই দিরহামের ব্যবস্থা করে দিয়ে ফয়সালের মিরপুর অফিসে টাকা আনতে গেলে পাওনা ৪০ হাজার টাকা হাতে দিয়ে সিনেমা স্টাইলে ফয়সালের লোকজন সেই টাকা কেড়ে নেয়। পরে তাকেও আটকে নির্যাতন করা হয়। এরপর তার থেকে ভিডিও বক্তব্য নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। পাওনা টাকা ফেরত চাইলে দেশে ফিরে ফয়সাল উল্টো ৪৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ভুয়া মামলা দেয় ইমনের বিরুদ্ধে। তার সঙ্গে মিরপুর-৬ নম্বরের এক স্থানীয় নেতা এবং তারই সহকারী রাসেলও আসামি হন এই মামলায়। তুরাগ থানায় করা ভুয়া মামলাটি পরে খারিজ হয় আদালতে। এ ঘটনায় জড়িত মশিউর ঢাকা ছেড়ে তার গ্রামের বাড়ি নড়াইলে চলে যান। মিরপুর থানায় ৬ লাখ টাকার জিডি করলেও বাকি ৩৪ লাখ টাকার কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেননি তারা।

ফয়সাল যে শুধুই এসব ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা বা নির্যাতন করেছেন তেমনটি নয়। তার প্রতিষ্ঠানে যারা বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করেছেন তাদের সঙ্গেও প্রতারণা করেছেন। অলিফিন বিডি- রাজধানীর মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোডে সাউন্ড সিস্টেমের কাজ করে এই প্রতিষ্ঠানটি। আব্দুল্লাহ আল সাব্বির প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। তিনি ফয়সালের জিমে সাউন্ড সিস্টেমের কাজ করতেন। কিন্তু কাজ শেষে সেই টাকা নিয়ে শুরু হয় তালবাহানা। দফায় দফায় যোগাযোগ করা হয় শেখ ফয়সালের সঙ্গে। পরে সেই টাকা আনতে প্রতিষ্ঠানের এক কর্মী ফয়সালের অফিসে গেলে তাকেও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অফিস থেকে বের করে দেয় ফয়সালের লোকজন।

শেখ ফয়সালের এমন প্রতারণা নতুন নয়। ২০২১ সালে নিজ জেলা গোপালগঞ্জে নিজেকে ডিবি পরিচয় দিয়ে দুই যুবককে নির্যাতন করেন। পরে ভুয়া ডিবি সাজার অপরাধে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা হয় শেখ ফয়সালের নামে। এ মামলায় আসামি ছিল আর দুইজন।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে শেখ ফয়সাল গণমাধ্যমকে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। যারা অভিযোগ করেছেন তারা প্রত্যেকেই প্রতারক বলেও দাবি করেন ফয়সাল। তিনি বলেন, আমার ফেসবুক পেজে প্রায় ১০ মিলিয়ন ফলোয়ার। এটা এমনি এমনি হয়নি। আমি কীভাবে মানুষকে নির্যাতন করবো। আমি নিজেই তো একজন পঙ্গু মানুষ।

Header Ad

গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিক হাসান মেহেদি নিহত

ছবি: নিহত সাংবাদিক হাসান মেহেদী

রাজধানীতে যাত্রাবাড়ীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের সময় হাসান মেহেদী নামে এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। নিহত সাংবাদিক হাসান মেহেদী ঢাকা টাইমস-এ কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি বেসরকারি টেলিভিশন নিউজ২৪-এর রিপোর্টার ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মারা যান।

নিহত মেহেদীর ৭ মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তিনি পরিবারসহ যাত্রাবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

সোয়া আটটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা টাইমসের প্রধান প্রতিবেদক সিরাজুম সালেকিন।

আমার সন্তানের লাশের বিনিময়ে দেশে শান্তি চাই: নিহত তানভীরের মা

নিহত তানভীর। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী জাহিদুজ্জামান তানভীন। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে এখন পাগলপ্রায় তার মা। থেকে থেকেই মূর্ছা যাচ্ছেন, বিলাপ করছেন তানভীনের মা বিলকিস জামান। তিনি বলেন, ‘আমার সন্তানের লাশের বিনিময়ে দেশে শান্তি চাই।’

বিলকিস জামান বলেন, ‘আমার ছেলে দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন। আল্লাহ তাকে জান্নাতে স্থান দেবেন।

এসময় শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ চেয়ে তিনি বলেন, আর যেন কোনো মায়ের বুক খালি না হয়।

জাহিদুজ্জামান তানভীন মা-বাবা আর এক বোনকে নিয়ে থাকতেন উত্তরা আজমপুর কাঁচাবাজার জামতলার ভাড়া বাড়িতে। ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ইউনিভার্সিটিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

জাহিদুজ্জামান তানভীনের মামা সমকালের সাংবাদিক আবু সালেহ মুসা বলেন, অত্যন্ত মেধাবী জাহিদুজ্জামান তানভীনের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের ডিটি ভিশারা গ্রামে। তার বাবা শামসুজ্জামানও একজন ইঞ্জিনিয়ার। বৃহস্পতিবার সকালে আজমপুর ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য বের হয়েছিলেন তিনি। বারোটার দিকে সংবাদ পান ভাগ্নে গুলিবিদ্ধ হয়ে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আছেন। এরপর হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন আদরের ভাগ্নে মারা গেছেন।

তানভীনের মামা আরও জানান, তার ভাগ্নে ও চারজন বন্ধু মিলে এনএনটিএস ড্রোন কোম্পানি খুলেছিলেন। আজ দেশের জন্য তার ভাগ্নে জীবন দিয়েছেন।

রাতেই মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখানেই দাফন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

অস্ত্র জমা দিয়েছি কিন্তু ট্রেনিং জমা দিইনি : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অস্ত্র জমা দিয়েছি কিন্তু ট্রেনিং জমা দিইনি, চেতনা জমা দিইনি। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে কোটি কোটি মানুষ আছেন তারা কখনোই অশুভ শক্তির কাছে মাথা নত করতে পারে না, আপস করতে পারে না। ৭১ সালে এই অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছে। ৫৩ বছর আগে যেভাবে পরাজিত করেছি দরকার হলে আরেকবার লড়ব।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা এর বিরুদ্ধাচরণ করি না। আমাদের একটাই দাবি যেন আন্দোলনের নামে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না করা হয়। সুন্দরভাবে আন্দোলন চলছিল বাধা দেওয়া হচ্ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হঠাৎ রাতের অন্ধকারে জামায়াত শিবির ও ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা ঢুকে যে তাণ্ডব চালিয়েছিল তারপরেই আন্দোলন যারা শুরু করেছিল তাদের হাতে থাকেনি।

আন্দোলন ইতোমধ্যে ছিনতাই হয়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে চলে গেছে উল্লেখ করে আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, চলে গেছে বলেই গত তিন দিন ধরে সংঘাত, নৈরাজ্য চলছে। যা আমরা দেখছি।

প্রধানমন্ত্রীর গতকাল দেওয়া জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের কথা উল্লেখ করে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী বলেন, শুধু বাঙালি জাতি নয় সারা বিশ্ব এর প্রশংসা করেছে। তারপরও কারা আজ এই সন্ত্রাস করেছে, ভাঙচুর করেছে, অগ্নিসংযোগ করেছে?

তিনি বলেন, যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়, যারা অতীতে সকল আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে এবং বিএনপি মহাসচিবও বলেছেন আমরা যা পারিনি এখন তাই করা হচ্ছে। অর্থাৎ তারা আমাদের কোমলমতি সন্তানদের সামনে নিয়ে একটি অশুভ চক্রান্ত করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য।

সর্বশেষ সংবাদ

গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিক হাসান মেহেদি নিহত
আমার সন্তানের লাশের বিনিময়ে দেশে শান্তি চাই: নিহত তানভীরের মা
অস্ত্র জমা দিয়েছি কিন্তু ট্রেনিং জমা দিইনি : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
ইন্টারনেট বন্ধ করায় গ্রামীণফোনের হেডঅফিস ঘেরাও
ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি, এটি দুর্বলতা নয়: ডিবি প্রধান
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সেতু ভবনে আন্দোলনকারীদের আগুন
নরসিংদীতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিহত
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক
উত্তরায় সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত
নওগাঁয় কোটাবিরোধী মিছিলে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
পুলিশের সাথে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে টাঙ্গাইল রণক্ষেত্র, আহত ৩০
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে স্ট্যাটাস, তোপের মুখে শিরিন শিলা
রাজধানীর উত্তরায় সংঘর্ষে ৪ জন নিহত
ধানমন্ডিতে সংঘর্ষে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যু
২১ থেকে ২৫ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগোতে চায় সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
রাজধানীতে সংঘর্ষে এবার ইমপেরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী নিহত
রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় আগুন
আইনমন্ত্রীর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন কোটা আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ
রামপুরায় বিটিভি ভবনে আগুন