শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫ | ১৪ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

শাহজালাল বিমানবন্দরে হচ্ছে ১২০০ কোটি টাকার আন্ডারপাস

আসকোনা হাজী ক্যাম্প থেকে হাজীদের সহজে বিমানে উঠতে ও পথচারীদের নিরাপদে বিমানবন্দর পারাপারে আন্ডারপাস করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পরই সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ‘হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বিমানবন্দর রেল স্টেশন সংলগ্ন হাজীক্যাম্প পর্যন্ত সমন্বিত পথচারী আন্ডাপাস নির্মাণ’ প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন এই আন্ডারপাস করতে খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১২০০ কোটি টাকা। ১০৭০ মিটার দীর্ঘ এই আন্ডাপাশ নির্মাণ করা হবে দুই বছরে।

প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলে পরিকল্পনা কমিশনে সম্প্রতি পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিছু ব্যাপারে আপত্তি থাকায় তা সংশোধন করতে বলা হয়েছে। সংশোধিত ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়ে খুব তাড়াতাড়ি অনুমোদনের জন্য একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

সার্বিক ব্যাপারে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ অধিপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. ইসহাক ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বিমানবন্দরে অত্যাধুনিক এই আন্ডাপাস করা হবে। এর ভেতরে লিফট, এসি, বগিকার, ওয়াকওয়েসহ যা যা দরকার সবই থাকবে। যাতে হাজী ক্যাম্প থেকে বিমানবন্দরে হাজী ও পথচারীরা নিরাপদে ও সহজে যাতায়াত করতে পারেন।

দুই বছরে কী এটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব? এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধান প্রকৌশলী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে সেনাবাহিনী। তারা বলেছে, ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হয়েছে। সেটার আলোকে প্রকল্প ডিজাইন করা হয়েছে। কাজেই একটু কষ্ট হলেও সে সময়ে তারা বাস্তবায়ন করবে। তারা গণভবনে ২০২৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীকেও এই প্রকল্পটি দেখিয়েছে। সেটা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও নির্দেশনা দিয়েছেন। তা আমলে নিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কটি রাজধানীর ঢাকার সঙ্গে ৩২টি জেলাকে সংযুক্ত করেছে। একই হজ্বক্যাম্প-আসকোনা-বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন-এমআরটি স্টেশন-বিআরটি স্টেশন-বিমানবন্দর টার্মিনাল-১,২ ও ৩ এবং ঢাকা আশুলিয় এলিভেটেড এক্সপ্রেস গড়ে উঠছে। পাশে র্যাবের হেড কোয়াটার অফিসও রয়েছে। মাত্র একটি ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে পথচারীরা বিমানবন্দর থেকে বিমানবন্দর স্টেশন ও হজ্বক্যাম্পে যাতায়াত করেন। যা চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল। অনেকে ফুটওভার ব্রিজের নিচ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। এরফলে প্রায় দুর্ঘটনাও ঘটছে। মালামাল পার করতেও দুর্যোগ পোহাতে হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী ও বয়স্কদেরও ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে।

তাই সাধারণ পথচারীদের নিরাপদে সড়ক পারাপার এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নিরবচ্ছিন্ন যান চলাচল ও যাত্রীদের পারাপারে সমন্বিত পথচারী আন্ডাপাস করার স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এই আন্ডারপাসও দৃষ্টিনন্দন করা হবে। সড়ক, রেল ও বিমানের যাত্রী এবং সাধারণ পথচারীদের জন্য এটি একটি মাল্টিমোডাল হাব হবে। তাতে খরচ ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা। বাস্তবায়ন করা হবে ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুনে অর্থাৎ দুই বছরে তা করা হবে।

সূত্র আরও জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বিমানবন্দর রেল স্টেশন পর্যন্ত এই পথচারী আন্ডাপাস নির্মাণের নির্দেশ দেন। এরপর ২০২৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারিতেও প্রধানমন্ত্রীকে দেখানো হয়েছে।

প্রথমে এটি ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্টের (বিআরটি গাজিপুর) অংশে ধরা হয়েছিল। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সাত সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণ করে সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরসহ অন্যান্যদের রেট সিডিউল অনুযায়ী প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে এক হাজার ১৮৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। আন্ডাপাসের দৈর্ঘ্য ধরা হয়েছে ১০৭০ মিটার। ট্যানেলের উচ্চতা হবে ৭ দশমিক ৬ মিটার ও চওড়া হবে ৯ মিটার। এতে যাত্রী ছাউনি থাকবে আটটি। প্রকল্পটি শেষ হওয়ার পরপরই সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর হবে।

এর অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হলে গত ১৮ মে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কিছু ব্যাপারে ত্রুটি ধরা পড়লে তা সংশোধন করতে বলা হয়েছে। সংশোধিত ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হলে একনেক সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনা করা হবে বলে সূত্র জানায়।

জেডএ/আরএ/

Header Ad
Header Ad

জেলা প্রশাসকদের প্রতি ১২ নির্দেশনা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

হয়রানিমুক্ত নাগরিক সেবা নিশ্চিতসহ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাধ্যমে পাঠানো এক চিঠিতে এসব নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

প্রধান নির্দেশনাগুলো:

১. জন্মসনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জমির নামজারি ও রেজিস্ট্রেশনসহ সব নাগরিক সেবা হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত রাখতে হবে।

২. পুলিশি তদন্ত ছাড়াই দ্রুত পাসপোর্ট প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

৩. দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সহনীয় রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

৪. জনগণের সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সবধরনের ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

৫. প্রশাসনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

৬. সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা দূর করতে হবে।

৭. জমি রেজিস্ট্রেশন, জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলোর মানোন্নয়ন করতে হবে।

8. মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

৯. মাঠ প্রশাসনের কার্যক্রম সরকারের সরাসরি নজরদারিতে থাকবে।

১০. জনগণের অভিযোগ ও সমস্যা দ্রুত সমাধান করতে হবে।

১১. দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

১২. প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের তদবির বা স্তুতিবাক্য গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিঠিতে আরও বলা হয়, জেলা প্রশাসকদের দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে আইন মেনে চলতে হবে এবং সেবা কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকারের সব নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে কঠোর নজরদারি রাখা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

Header Ad
Header Ad

জুমার নামাজের সময় শক্তিশালী ভূমিকম্প, মিয়ানমারে মসজিদ ধসে নিহত অন্তত ২০

ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুরে শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভারত ও বাংলাদেশ। ৭.৭ ও ৬.৪ মাত্রার এই ভূমিকম্পে মিয়ানমারে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, পাশাপাশি থাইল্যান্ডেও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া মিয়ানমারে একটি নির্মাণাধীন ভবন ধসে অন্তত ৪৩ জন আটকা পড়েছেন।

বার্তাসংস্থা আনাদোলুর বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খিত তিত জানায়, ভূমিকম্পে মিয়ানমারের মান্দালয় প্রদেশের ফো শিং মসজিদসহ অন্তত চারটি মসজিদ ধসে পড়েছে। জুমার নামাজের সময় মসজিদ ধসে পড়ায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন।

একজন উদ্ধারকর্মী জানান, “আমরা যখন নামাজ পড়ছিলাম, তখন হঠাৎ মসজিদ ধসে পড়ে। তিনটি মসজিদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আটকা পড়েছেন। এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।”

এছাড়া মান্দালয়ের ঐতিহাসিক আভা সেতু ও মান্দালয় প্রাসাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তুয়াঙ্গো সিটিতে একটি মঠ ধসে পড়ায় পাঁচ উদ্বাস্তু শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের সাগাইং শহরের ১৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে, ভূ-পৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। ফলে কম্পনের মাত্রা ছিল প্রবল, যা মিয়ানমারের বাইরেও বিভিন্ন দেশে অনুভূত হয়েছে।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ভূমিকম্পের ফলে একাধিক ভবন দুলতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবন মুহূর্তের মধ্যে ধসে পড়ে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই ভবনে তখন ৫০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। তাদের মধ্যে সাতজন বের হয়ে আসতে সক্ষম হন, তবে ৪৩ জন আটকা পড়েন। তাদের উদ্ধারে চলছে অভিযান।

ভূমিকম্পের ফলে বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর আসছে। উদ্ধার তৎপরতা চলছে, তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

ঈদে রাজধানীর নিরাপত্তায় ৪২৬ জন ‘অক্সিলারি ফোর্স’ নিয়োগ

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার নিরাপত্তা জোরদার করতে এবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) প্রথমবারের মতো বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীদের ‘অক্সিলারি ফোর্স’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সহায়তার জন্য ৪২৬ জন সদস্যকে এই বাহিনীতে যুক্ত করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অক্সিলারি ফোর্সের সদস্যরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন আবাসিক এলাকা, বিপণিবিতান ও বাণিজ্যিক স্থানে কাজ শুরু করেছেন। তাদের দায়িত্ব মূলত নগরীর নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ সদস্যদের সহায়তা করা। তবে নিয়োগপ্রাপ্তদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিসি মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, ধানমন্ডিতে এক জুয়েলারি ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতি প্রতিরোধে এগিয়ে আসা পাঁচ নির্মাণশ্রমিককে ‘অক্সিলারি ফোর্সে’ নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের এই বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ঈদকে কেন্দ্র করে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বাড়তি নজরদারি রাখা হবে, যাতে নগরবাসী নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপন করতে পারেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

জেলা প্রশাসকদের প্রতি ১২ নির্দেশনা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
জুমার নামাজের সময় শক্তিশালী ভূমিকম্প, মিয়ানমারে মসজিদ ধসে নিহত অন্তত ২০
ঈদে রাজধানীর নিরাপত্তায় ৪২৬ জন ‘অক্সিলারি ফোর্স’ নিয়োগ
যমুনা সেতু মহাসড়কে নেই যানজট, নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরছে উত্তরের মানুষ (ভিডিও)
টাঙ্গাইলে ৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে পুরস্কৃত ২১ কিশোর-তরুণ
থাইল্যান্ডে ভূমিকম্প: মুহূর্তেই ধসে পড়ল নির্মাণাধীন বহুতল ভবন
মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্প, ধসে পড়ল ভবন ও সেতু
ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
সমালোচনার মুখে প্রসিকিউটর আফরোজ পারভীন সিলভিয়ার নিয়োগ বাতিল
ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জুলাই অভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন
‘ইদ’ থেকে ‘ঈদ’ বানানে ফিরছে বাংলা একাডেমি: আসিফ মাহমুদ
গাজীপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ২
কাশ্মিরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় ৪ ভারতীয় পুলিশ সদস্য নিহত
সফল বৈঠক, ড. ইউনূসকে দৃঢ় সমর্থন চীনা প্রেসিডেন্টের
আজ পবিত্র জুমাতুল বিদা: রমজানের শেষ জুমার তাৎপর্য
যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ হাজার যানবাহন পারাপার, কমছে টোল আদায়ের হার
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ঝরল আরও ৪০ প্রাণ, নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ৫০ হাজার
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট
জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়