শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বয়স ও বেতন কাঠামো বাড়াতে অনেক দিনের আন্দোলনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতি

‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতি’ তাদের প্রত্যেকের চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার বয়স ৬২’ বছরের বাতিল করা সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহার করে সে বয়সসীমা পুর্ণনিধারণের দাবীতে আবেদন, নিবেদন করেও কোনো ফল না পেয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনে আছেন।
তাদের বেতন স্কেল উন্নয়নের জন্যও তারা দাবী করে চলেছেন। বিশ্ববিদ্যলয়টির কর্মকর্তাদের দাবী, সহকারী রেজিষ্ট্রারের মতো উচ্চতম পদে প্রারম্ভিক বেতন স্কেল হোক ৩৫ হাজার ৫শ টাকা থেকে ৬৭ হাজার ১০ টাকা, উপ-রেজিষ্ট্রার পদে প্রারম্ভিক বেতন স্কেলের সর্বোচ্চ সীমা হোক ৫০ হাজার টাকা। এভাবে অফিসার স্কেলের নিম্মতম পদগুলোতে বেতনকাঠামো পুর্ণবিন্যাস করা হোক।
তাদের আরেকটি দাবী হলো-কর্মঘন্টা ঠিক রাখতে হবে। আগের অফিস সময় আবার নিধারিত করে দিতে হবে। তাতে তারা আগের এক দিন ছুটি মেনে নেবেন।
শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলন কর্মসূচি চলছে তাদের। কেননা, ছাত্র, ছাত্রীদের জন্য দাবী আদায়ে তারা মাঠে শ্লোগান দিতে পারেন না। বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতি রাজপথে আন্দোলনের এমন কোনো রেওয়াজ তৈরি করেনি।
অধ্যাপকদের মতো মানববন্ধন করতে পারেন তবে সে চর্চাও তেমন নেই।
তারা কেবল সময় ধরে কর্মবিরতি করতে পারেন। ফলে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনটির ধারাবাহিকতায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতি ১৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় চালু হওয়ার তিন দিন আগে থেকে, পূর্ণদ্যমে কাজের শুরুর দিনগুলোতে শান্তিপূর্ণ কর্মবিরতি কার্যক্রম পালন করে চলেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতি ছাত্রছাত্রী ভর্তির মতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তম কার্যক্রম চালু রাখতে ভতি কাযক্রম করছেন। ছাত্র, ছাত্রী ও শিক্ষকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরিক কার্যক্রম তারা পরিচালনা করে আসছেন।
এই কাজগুলোকে জরুরি সেবাদানকারী কার্যক্রম বলে আন্দোলনরত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতি উল্লেখ করে চলমান রেখেছেন।
দিনের এই কাজগুলোর বাইরে অন্যান্য কাজে তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মবিরতি পালন করে চলেছেন।
সভাপতি এটিএম এমদাদুল আলম ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কমকতা সমিতি’ অফিসে ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সালের বেলা ৩টায় একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। তাতে সমিতির সদস্যদের অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এটিএম এমদাদুল আলম তার লিখিত বক্তব্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছি, যখনই আমরা আমাদের কোনো আন্দোলন শুরু করি, তখনই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের দাবীগুলো বাস্তবায়ন করা হবে-এই মৌখিক আশ্বাস দিয়ে দেন। ফলে আমাদের অন্দোলন স্থগিত হয়ে যায়। বরাবরই তাই ঘটে।’
এরপর তিনি তাদের দাবীগুলোর কথা আবার জানিয়েছেন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি জানিয়েছেন এবার সহকর্মীদের নিয়ে দাবীগুলো আদায় ও বাস্তবায়ন না হওয়া পযন্ত আন্দোলন করে যাবেন।
লিখিত বক্তব্যে কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি আবারও বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমরা আমাদের দাবীগুলো বাস্তবায়নের জন্য বহুবার মৌখিকভাবে জনে, জনে বলেছি। তারা আমাদের আগের মতোই এবারও দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে কার্যকর করেননি।’
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি জানিয়েছেন, ‘আমাদের এই দাবীগুলো যৌক্তিক বলে এর আগে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূরণ করা হয়েছে। এটি আমাদের প্রশাসনও জানেন। তারা আমাদের ন্যায্য দাবীগুলোর সঙ্গে নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেছেন। তবে সেগুলো বাস্তবায়ন করছেন না। তাতে আমাদের ভোগান্তি ও কষ্ট বেড়ে চলেছে।’
এটিএম এমদাদুল আলম জানিয়েছেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কমকতা সমিতির দাবী করা ও অনেকদিন ধরে আন্দোলনে থাকা দাবীগুলো আংশিকভাবে পূরণের দিকে অগ্রসর হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের মধ্যে বঞ্চনা ও সমস্যা তৈরি করছেন। সবাইকে সেদিকে ঠেলে দিয়েছেন।’
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি জানিয়েছেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার ও আইসিটি (ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনস টেকনোলজি বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) সেলের প্রগ্রামার পদের বেতন স্কেল বাড়ানো হয়েছে। উন্নীত করা হয়েছে সবশের্ষ ৭ হাজার ১০ টাকার দশম গ্রেডে। এটি অত্যন্ত বেদনার।’
তারপরও সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে কাজ করে চলেছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র, ছাত্রী সাংবাদিকদের প্রায় সার্বক্ষণিক সেবা দিয়ে চলা অফিসার সমিতির পদাধিকারীরা তাদের মুখপাত্রের মাধ্যমে জানিয়েছেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ প্রতিশ্রুতি অনুসারে ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সভা-২৫৪’তে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার গ্রেডের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ-১৯৭৩ অনুসারে যেসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, সেগুলো বর্তমান সরকারী কর্মকমিশনের জাতীয় বেতন কাঠামোর পরিপন্থী হয়ে গিয়েছে।
এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তটি বাতিলের জন্য দাবী জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতি।
এরপর তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। তাতে সংবাদ সম্মেলনটি কাভার করা সাংবাদিকরা অংশ গ্রহণ করেছেন। আলোচনা করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি বা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সরকার মাসুম, সমিতির প্রচার-প্রকাশনা ও সাহিত্য সম্পাদক আবু হুরাইরা, দপ্তর সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ পাপ্পুসহ সকলে।
তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ও উপস্থিত ছিলেন চিরচেনা মুখগুলোর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ হাসান মুকুট, সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম জোহা, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক রাশিদুজ্জামান খান টুটুল প্রমুখ। সমিতির অন্য নেতা ও সদস্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন।
ওএস।

Header Ad
Header Ad

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) সম্মেলন শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০টার পর প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে, থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি ব্যাংককের সুবর্ণ ভূমি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে। এ সময় থাই মন্ত্রী জিরাপর্ন সিন্ধুপ্রাই বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে বিদায় জানান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে পৌঁছান এবং সম্মেলনের পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসব বৈঠকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক।

এ ছাড়া আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ