শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

কুবি শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে 'সিনিয়রিটির প্রভাব খাটিয়ে' হলে সীট দখলের অভিযোগ

ফাইল ছবি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শেখ হাসিনা হলে সিনিয়রিটির প্রভাব খাটিয়ে এবং জোরপূর্বক সিট দখলের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। হল প্রশাসন থেকে বরাদ্দকৃত সীটে উঠতে গেলে এমন আচরণের শিকার হন বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হলেন ফার্মেসী ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহমুদা তাহিরা এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হলেন ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ১৩ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মুনিরা আক্তার।

মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর অভিযোগপত্র জমা দেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মুনিরা আক্তার।

অভিযোগপত্রে মুনিরা উল্লেখ করেন, দেশ পুনরায় স্বাধীন হলেও আমি আমার অধিকার থেকে অন্যায়ভাবে বঞ্চিত হয়ে আসছি। চলতি বছরের মার্চ মাসের ২০ তারিখ হলের ২১৮ নম্বর রুমের W1 সীটে এলটমেন্ট লিস্টে সীট বরাদ্দ পাই। তবে সে সীটে পূর্বের এলটেড থাকা ছাত্রলীগের নেত্রী ও লোক প্রশাসন বিভাগের ১১ তম আবর্তন এর শিক্ষার্থী কাজী ফাইজা মেহেজাবিন আইনগতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ হবার পরেও রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় ও হল প্রশাসনকে বুঝিয়ে থাকেন এবং আমি আমার সীটে উঠতে ব্যর্থ হই। তবে আন্দোলন চলাকালীন জুলাই মাসের শেষ দিকে কাজী ফাইজা মেহেজাবিন সীট ছেড়ে চলে যান।

সরকার পতনের পরপরই আমার স্নাতকোত্তর এর ১ম সেমিস্টার পরীক্ষার রুটিন হয় ও ২ সেপ্টেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরুর তারিখ থাকায় ২৯শে আগস্ট হলে এসে নিজ বরাদ্দকৃত সীটে উঠতে যাই। তবে তখনই রুমের ১২ তম ব্যাচের তাওফীকা নামক একজন আমাকে জানান আমার সীটে ১১ তম ব্যাচের মাহমুদা তাহিরা (ফার্মেসি বিভাগ) থাকছেন। আমি যেন রুমের ডোর সীটে উঠি। যেহেতু দীর্ঘ দিন যাবত লিগ্যাল সীট পাওয়ার পরও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল তাই আমি নিজ সীট ব্যতীত অন্যত্র উঠতে নাকচ করি।

সীটে উঠার জন্য এবার মাহমুদা তাহিরা কে জানালে তিনি আমাকে বলেন, 'হলে অনেক দিন যাবত আছি, তুমি আমাকে রুলস শেখাতে এসো না।' কথাবার্তার এক পর্যায়ে আমাকে মানাতে না পেরে তিনি রূঢ় ভাষায় আমাকে বলেন, 'আমি সীট ছাড়ব না, তুমি পারলে উঠো'। নিজের সীটে উঠতে না পেরে সার্বিক পরিস্থিতি জানিয়ে হল প্রশাসনের নিকট আবেদন করি। হল কর্তৃপক্ষ মাহমুদা তাহিরার সাথে কথা বলে এবং পরবর্তীতে তাকে সেপ্টেম্বর এর ২৩ তারিখ নিজ সীটে উঠে আমার সীটের দখলদারিত্ব ছাড়ার জন্য নোটিশ পাঠায়। এরপরও হল কর্তৃপক্ষের এই নোটিশকে উপেক্ষা করে তিনি এখনও পর্যন্ত আমার সীটেই আছেন।

এছাড়াও মাহমুদা তাহিরা ভুক্তভোগীকে ইঙ্গিত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা রকম পোস্ট দিয়েও হেনস্তা করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন সে শিক্ষার্থী।

শেখ হাসিনা হলের সীট বরাদ্দ নিয়ে দেয়া বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, এর আগে গত মার্চ মাসে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা আক্তার ২১৮ নম্বর রুমের ডব্লিউ-ওয়ান (W1) সীটের জন্য মনোনীত হয়েছেন। পরবর্তীতে গত সেপ্টেম্বর মাসে হল প্রশাসন থেকে দেয়া আরেক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, ফার্মেসী ১৩তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মাহমুদা তাহিরাকে ২১৯ নম্বর রুমের ডি-টু (D2) সীট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মুনিরা আক্তার বলেন, নিজের লিগ্যাল সিট থাকতেও অন্যজনের সিটে উদ্বাস্তুর মতো পরে আছি। গত ৬ মাস ধরে আমি আমার সিটে উঠতে পারছি না শুধুমাত্র সিনিয়রদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে, প্রশাসন থেকে নোটিশ দেওয়ার পরেও আমার সিটটি এখনও দখল করে বসে আছে। যেখানে আছি সেখানের এলোটেড সিটের মেয়েরা আমাকে ২ দিনের মধ্যে সিট ছাড়তে বলেছে। পূজার বন্ধে নাহয় বাসায় গেলাম কিন্তু বন্ধের পর এসে কোথায় থাকবো আপাতত আমার কাছে এর চেয়ে বড় উদ্বিগ্নের বিষয় আর কিছু নেই। আশা করছি প্রশাসন এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করবেন। আর সেমিস্টার চলাকালীন সময়ে আমাকে এরূপ মানসিকভাবে হেনস্তা করার জন্য প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাইছি।'

অভিযোগের বিষয় মাহমুদা তাহিরা বলেন, 'আমি আসলে তাকে রুমে উঠতে বাধা দিয়েছি বিষয়টা এমন নয়৷ আমি এই সীটে অনেক আগে থেকেই আসলে থাকতেছি, সবকিছু গুছানো আর আমি কিছুদিনে চলে যাবো সেজন্য আসলে ওকে বলেছি পাশের সীটে উঠার জন্য। কিন্তু সে অইটায় উঠবে না, এই সীটেই উঠবে। একপ্রকার আমাকে জোর করে সে সীট থেকে সড়াতে চাচ্ছে।'

'সীট ছাড়বো না, তুমি পারলে উঠো' এমন কথা বলেছেন কিনা প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, 'আমি বিষয়টা ওকে থ্রেট দিয়ে বলি নি৷ আমি তখন টিউশনে ছিলাম, সে আমাকে ফোন দিয়ে বলেছিলো৷ সামনা-সামনি আমাদের কথা হয় নি। ফোনে কথা বলার কারণে বিষয়টা থ্রেট মনে হতে পারে।'

হলের হাউজ টিউটর আল আমিন আপনাকে সীট পরিবর্তন করতে বলেছিলেন বলে জানা গেছে। এই বিষয় তিনি বলেন, 'স্যার আমাকে বলেছিলেন। কিন্তু আসলে উইন্ডো ১ বা ২ এমন কোনো নির্দিষ্ট সীট নেই। আমি তাকে পাশের উইন্ডো সীটেই উঠতে বলেছি৷ আর যেহেতু রুমে সবাই সিনিয়র তাই সে আমাদের সাথে সমঝোতা করেই উঠতে পারে সীটে। কিন্তু সেটা না করে সে যেভাবে লিখিত অভিযোগ বা এসব করছে তাতে মনে হচ্ছে সে ভিন্নখাতে ঘটনাকে প্রবাহিত করতে চাচ্ছে। আমি আল আমিন স্যারকেও বলেছি স্যার যেনো ওকে বুঝিয়ে বলে।'

হলের হাউজ টিউটর মো. আল আমিন বলেন, 'আমরা প্রথমে মুনিরার অভিযোগ পেয়ে তাহিরার সাথে কথা বলেছিলাম। তাহিরা তার পরবর্তীতে মুনিরাকে পাশের সীটে উঠতে বলে কিন্তু মুনিরা সেটায় উঠবে না জানালে আমরা তাহিরাকে হল প্রশাসন থেকে একটি নোটিশ দেই যেনো উনি মুনিরার সীট ছেড়ে দেয়৷ কিন্তু তারপরেও তিনি সীট ছাড়ে নি বলে মুনিরা আবার অভিযোগ করলে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর স্যারকে বিষয়টি জানাই। প্রক্টর স্যার বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডির কাছে পাঠানোর পরামর্শ দিলে মুনিরা যখন অভিযোগপত্র নিয়ে আসেন তখন আমরা সেটি প্রক্টর বরাবর পাঠিয়ে দেই।'

এই বিষয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, 'শেখ হাসিনা হলে বর্তমানে কোনো প্রভোস্ট নেই, তাই হলের প্রশাসনিক জায়গাটি শূণ্য বলা যায়। তবে আশা করি দ্রুতই সেখানে প্রভোস্ট নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রভোস্ট নিয়োগের পরপরই আমরা এই বিষয় যথাযথ ব্যবস্থা নিবো।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা