সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সেরা একটি কিশোর উপন্যাস ‘নোটুর একটি রাইফেল’

প্রথম যখন ফেসবুকে কিশোর উপন্যাস ‘নোটুর একটি রাইফেল’-এর প্রচ্ছদ দেখি তখনই বুঝেছিলাম, দারুণ একটি বই পাঠককে উপহার দিতে যাচ্ছেন প্রিয় লেখক দন্ত্যস রওশন ভাই! প্রচ্ছদশিল্পী তুলি ভাইকে বলেছিলাম, ‘সেরা প্রচ্ছদ করেছেন!’ আমার দুটি ধারণাই এখন সত্যি হয়েছে!

দন্ত্যস রওশন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে চমৎকার একটি উপন্যাস লিখেছেন। আগাম বলে রাখছি, বইটি বাংলা সাহিত্যে চিরস্থায়ী আসন করে নেবে। তেমনি পাঠকমনেও সবসময় দোলা দিয়ে যাবে।

আমি মনেমনে অস্থির হয়েছিলাম কখন বইটি প্রকাশ হবে! তবে আমার অপেক্ষা দীর্ঘ হয়নি, বইটি আমি ইতিমধ্যে পড়ে ফেলেছি। আর পড়া শেষে বইটি নিয়ে আমার পাঠানুভূতি লেখার জন্যও তর সইলো না, লিখতে বসে গেলাম।

পৃথিবীতে অনেক সুন্দর দৃশ্য আছে, তার মধ্যে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা বই পড়ছে সে দৃশ্যটাই অন্যতম সুন্দর দৃশ্য; বিশেষ করে বাংলাদেশের বেলায় তো এ দৃশ্যের কোনো তুলনাই হয় না, এই দৃশ্য আমাদের স্বপ্ন দেখতে শেখায়; কিন্তু চারপাশের পরিবেশ আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে, বই ছেড়ে আমাদের সন্তান মোবাইল নিয়ে সারাদিন মেতে আছে, আর আমরাও নির্বিকার, কেউ কিছু বলছি না, আমাদের একটাই চিন্তা সন্তানকে টাকার কামানোর মেশিন বানানো!

এইসব বিরুদ্ধ বাতাসের মধ্য বসবাস করেও একজন লেখক স্বপ্ন দেখতে ভুলে যান না, তার কলম অবিরাম লিখে চলে, তিনি লিখেন স্বপ্নের কথা, আগামীর রঙিন এক পৃথিবীর মানচিত্র আঁকেন তার বিশুদ্ধ কলমের কালিতে।

তেমনি আমাদের শিশু-কিশোরদের ভূবনকে রাঙানোর অন্যতম কারিগর লেখক দন্ত্যস রওশন। কেবল শিশু-কিশোর-ই না তার লেখার জাদুতে আটকা পড়ে বড়রাও, এই যেমন আমিও লেখক দন্ত্যস রওশন ভাইয়ের ‘ক্যাম্পাসের কবি’, ‘যারা ভালোবেসেছিল’, ‘ওল্ড হোম ও টুসির প্রেম’, ‘নোটুর সেভেনটি ওয়ান’, ‘পরিদের নাচের টিচার’, ‘ফোনটা ভিনগ্রহে চলে যায়’, ‘আমরা তো ডানপিটে’, ‘একটি এলিয়েন পরিবার’, ‘নোটুরা চারজন’, ‘আমার বন্ধুর বোন’, ‘আমাদের অদ্ভুত বাসা’, ‘দিতান ও পল্টু’, ‘তৌরিন এখন কংফু শেখে’সহ প্রায় সবগুলো বই আমি পড়েছি, পড়েছি পাঠকের পিপাসা থেকে, লেখক তার লিখনির জাদুতে আমাকে বশ করে ফেলেছেন।

লেখকের লেখা সম্পর্কে আমাকে একবাক্যে বলতে বলা হলে আমি বলব–রওশন ভাইয়ের লেখা হচ্ছে চলন্ত একটা রেলগাড়ি। ছুটে চলা রেলগাড়িতে চলে জানালা দিয়ে আকাশ, পাখি, ফসলের মাঠ, সবুজ গাছপালা, মানুষ দেখতে দেখতে কখন যেন নির্দিষ্ট ষ্টেশনে এসে পৌছে গেছি, টেরই পাইনি।

আবারও লেখক দন্ত্যস রওশন ভাইয়ের নতুন আরেকটি বই হাতে চলে এসেছে ‘নোটুর একটি রাইফেল’! পরিপূর্ণ একটি কিশোর উপন্যাস। তাও আবার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে।

এক বসায় বইটি পড়া শেষ করে আমিও ভাবতে বসে গেছি নোটুমুদ্দির মতো আমিও কি মুক্তিযুদ্ধে যেতাম? আমারও কি সে সাহস হতো? নোটুর বয়স মাত্র চৌদ্দ বছর! ভাবা যায়?

হুম, যায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কেবল বড়রাই করেনি, এ দেশের অল্পকিছু মানুষ বাদে বাকি সবাই দেশের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছিল, আর করেছিল বলেই আজ আমরা স্বাধীন। মুক্ত দেশের বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে পারছি।

নাম না-জানা কতশত কিশোর নোটুমুদ্দি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ইতিহাস হয়ত আমাদের ঠিকঠাক জানা নেই, কিন্তু আমাদের জন্য লেখক দন্ত্যস রওশন কিশোরদের জন্য নোটুমুদ্দির মুক্তিযুদ্ধ গাঁথা আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন ‘নোটুর একটি রাইফেল’ উপন্যাসে।

বইটির উৎসর্গ পাতার তুলে দেওয়ার লোভ সামলাতে পারলাম না, পড়ুন, পড়ে দেখুন, আমার মতো পাঠকও মুগ্ধ হবেন।

‘তিনি একজন স্কুল শিক্ষক। তাঁর বাসায় বিভিন্ন বিষয়ের বারোশ বই। এই শিক্ষক নিয়মিত বই পড়েন। একদিন ভাবলেন, না। ঠিক হচ্ছে না। আমার ঘরে এত বই অথচ অনেকের একটিও বই নেই। রাজশাহী শহর থেকে তিনি তাঁর গ্রামের বাড়ি গিয়ে একটি পাঠাগার তৈরি করলেন। তারপর বাসার সমস্ত বই দিয়ে দিলেন সেই পাঠাগারে। এখন গ্রামের মানুষ, আশপাশের গ্রামের মানুষও তাঁর গড়া পাঠাগারে বই পড়তে আসেন। আমাদের এই শিক্ষকের নাম—ফারুক হোসেন।’

আসুন নোটুমুদ্দির লড়াইয়ের দিনগুলোতে একটু উঁকি দিই–

১৯৭১ সাল। দেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে। নোটুমুদ্দি। তার ডাকনাম নোটু। নোটু নামেই গ্রামে পরিচিত। বিভিন্ন জায়গা থেকে যুদ্ধের খবর আসছে। গ্রামের বড় ভাইয়েরা মুক্তিযুদ্ধে যাচ্ছেন। নদীতে পাকিস্তানি সেনাদের লঞ্চ। আকাশে বোমারু বিমান। পাকিস্তানিরা গ্রামের পর গ্রাম আগুনে পুড়িয়ে দিচ্ছে। গ্রাম ছেড়ে মানুষ পালাচ্ছে। পাকিস্তানিদের হাত থেকে যেন বাঁচার উপায় নাই।

নোটুর বয়স চৌদ্দ। সে কী করবে? দেশ স্বাধীন করতে সেও কি যুদ্ধে যাবে?

হ্যাঁ, আমাদের ছোট্ট নোটু যুদ্ধে গিয়েছিল, ট্রেনিং নিয়ে ফিরেও এসেছিল, তারপর একে একে অনেকগুলো লড়াইয়ে সে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল। তার বুদ্ধি ও কৌশলে পাকিস্তানি সেনারা কুপোকাত হয়েছিল। সেসব লড়াইয়ের অংশ হতে পাঠকবন্ধুদেরও আমন্ত্রণ জানাচ্ছি–আসুন, নোটুর সঙ্গে ১৯৭১ সালে ফিরে যাই, বুক চিতিয়ে দেশের জন্য যুদ্ধ করি।

আমরা যেমন প্রতিনিয়ত ভালো ভালো খাবারের খোঁজ করি, কেবল ভালো ও সুস্বাদু খাবারই খেতে চাই, তেমনি আমাদের ভালো ভালো বইয়ের খোঁজে নামতে হবে, ভালো বইগুলো পড়তে হবে–তাহলে শরীরের সঙ্গে আমাদের আত্মাও ভালো থাকবে।

কেননা, একটা ভালো বই এক টুকরো আলোর মতো, সে আলোর সন্ধান কেবলমাত্র একজন ভালো পাঠক-ই পেয়ে থাকে; তারপর সে আলো একজন থেকে আরেকজনের কাছে পৌঁছাতে থাকে।

তেমনিও আমিও আজ আপনাদের জন্য ভালো একটি বইয়ের খোঁজ দিলাম। কারণ, ভালো বইয়ের আলো আমার ভেতর-বাহির অবশ্যই আলোকিত করবে।
পাশাপাশি, এই বইটি ছোট-বড় সব পাঠককে মুক্তিযুদ্ধের রক্তঝরা দিনগুলোর ছবি মানসপটে ভেসে উঠবে, পাঠকও অজান্তে ৭১ সালের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠবে।

সবশেষে প্রিয় বাবা-মায়ের প্রতি আমার আহবান–আপনার শিশু সন্তানের হাতে খেলনা পিস্তল না দিয়ে বই তুলে দিন। বড় হয়ে যাতে আপনার সন্তান পিস্তলবাজ, জংলী না হয়, এই চেষ্টা আপনি করেছিলেন–সে সান্ত্বনাটুকু অন্তত পাবেন।

‘নোটুর একটি রাইফেল’ অনলাইন বুকশপ প্রথমা, রকমারি.কম থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।

বই: নোটুর একটি রাইফেল
লেখক: দন্ত্যস রওশন
ধরন: কিশোর উপন্যাস
প্রকাশন: স্বপ্ন ’৭১
প্রচ্ছদ: নিয়াজ চৌধুরী তুলি
প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০২২
মূল্য: ২০০ টাকা

এসএ/

Header Ad
Header Ad

নওগাঁয় আকাশ থেকে পড়ল বিরল আকৃতির শীলা, আতঙ্কিত এলাকাবাসী

নওগাঁয় আকাশ থেকে পড়ল বিরল আকৃতির শীলা। ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর আত্রাইয়ে সন্ধ্যার আকাশ থেকে বিরল আকৃতির শীলা এবং হালকা বৃষ্টি হয়েছে,যা এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

রোববার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় হঠাৎ শুরু হওয়া শীলাবৃষ্টির সঙ্গে মিশে ছিল ছোট ছোট বরফখণ্ড (শীলা), যা প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট ধরে আত্রাইয়ের সাহেবগঞ্জ,পাঁচুপুর ও আহসানগঞ্জ এলাকায় পরিলক্ষিত হয়।

অনেকেই এই দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন, বিশেষ করে শীলার আঘাতে টিনের ছাদে তীব্র শব্দে স্থানীয়রা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে উঠেন। তবে এতে কোনো প্রাণহানি বা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

শীলাবৃষ্টি একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, যা সাধারণত মৌসুম পরিবর্তনের সময় তীব্র গরমে বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তরে জলীয় বাষ্প জমে বরফে পরিণত হয়ে ভারী হয়ে পড়ে। স্থানীয় কৃষকরা তাদের ফসলের সম্ভাব্য ক্ষতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এদিকে,আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আত্রাই ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আগামী কয়েকদিনে আরও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে,তবে শীলা আবার হবে কি না তা নিশ্চিত করে বলা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতা জারি করেছে এবং জরুরি সহায়তার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক

ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতারা সোমবার (৭ এপ্রিল) ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা এই কর্মসূচির মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে গড়ে ওঠা বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ এবং এ ঘটনার বিরুদ্ধে সমবেদনা জানাতে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

রোববার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ‘গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ আন্দোলন’-এর দুই সংগঠক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং এ বি জোবায়ের দেশের প্রতিটি বিভাগে এই কর্মসূচি সফল করার জন্য আহ্বান জানান। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাবেক সভাপতি আবু সাদিক কায়েম নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ‘MARCH For Palestine’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, আগামীকাল বিকেল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংহতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিজের ফেসবুক পোস্টে ছাত্রনেতা এ বি জোবায়ের লিখেছেন, “আমাদের মজলুম গাজাবাসী ভাইবোনেরা আগামীকাল বিশ্বব্যাপী হরতালের ডাক দিয়েছেন। তারা গণহত্যা বন্ধের দাবিতে একযোগে বিশ্বের সব দেশে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, আদালত বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশেও আমরা ৭ এপ্রিল সারাদিনের জেনারেল স্ট্রাইক পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। আগামীকাল সবাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, অফিস-আদালত বন্ধ রাখুন। ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করুন। আসুন, বৈশ্বিক প্রতিবাদের অংশ হই। আওয়াজ তুলুন—Free, Free Palestine।”

সাদিক কায়েম তাঁর পোস্টে বলেন, “ইয়া গামযাহ! তোমাদের শাহাদাত ও লড়াইয়ের প্রতি আমাদের গভীর সংহতি। ইনশাআল্লাহ, শিগগিরই আমরা তোমাদের সংগ্রামে সরাসরি অংশ নেবো। গাজার প্রতি বৈশ্বিক সংহতির অংশ হিসেবে ৭ এপ্রিল ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানাই।”

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক রেজওয়ান আহমেদ রিফাত বলেন, “‘MARCH For Palestine’-এর আহ্বানে আগামীকাল দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিরুদ্ধে এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে রাজু ভাস্কর্যে বিকেল ৪টায় সংহতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্বজুড়ে ৭ এপ্রিল ফিলিস্তিনের পক্ষে হরতাল পালিত হবে। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের সামনে ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তাই সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়িয়ে আমাদেরও রাজপথে নামতে হবে, প্রতিবাদ জানাতে হবে। একটিও জীবন যেন অবহেলায় হারিয়ে না যায়—এই চেতনাতেই আমাদের কর্মসূচি।”

Header Ad
Header Ad

বিয়ের গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙল বিয়ে

বিয়ের গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি। ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরে একটি বিয়েবাড়ির গেটে বরপক্ষে প্রবেশের সময় পার্টি স্প্রে ছেটানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে কনে পক্ষের অনুরোধ সত্ত্বেও ফিরে গেছে বরপক্ষ।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরের জেলার ভাঙ্গা উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রোববার (৬ এপ্রিল) সকালে কনের বাবা সামেদ মাতুব্বর ভাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

জানা যায়, তিন মাস আগে মোবাইলে সামেদ মাতুব্বরের মেয়ে বর্ণা আক্তারের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী সদরপুর উপজেলার চরব্রহ্মনদী ভেন্নতুলী গ্রামের তৈয়ব মোল্লার ছেলে প্রবাসী নাঈম মোল্লার বিয়ে হয়। দুপক্ষ বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য দিন ধার্য করে।

মেয়ের বাড়িতে ১৩০ জন মেহমানের খাবার আয়োজন করা হয়। ছেলে পক্ষ এলে মেয়ের বাড়ির লোকেরা ছেলেকে গেটে আটকায়। সেখানে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সেটি সংঘর্ষে পরিণত হয়। এতে কনের বাবাসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে নববধূকে না নিয়েই ফিরে যান জামাই।

মেয়ের বাবা সামেদ আলী মাতুব্বর বলেন, গেটে দুপক্ষের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা স্প্রে করছিল। এর মধ্যে দুপক্ষের ছোট ছেলেমেয়েদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে বড়দের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় অনুষ্ঠানের চেয়ার টেবিল ও খাবার নষ্ট করা হয়। বরপক্ষের কাছে ক্ষমা চেয়েছি কিন্তু তারা মেয়েকে না নিয়ে চলে যায়।

বর নাঈম মোল্লা বলেন, ছয় বছর প্রবাস জীবন খেটে বিয়ে করার জন্য এসেছি বাংলাদেশে। কীভাবে কী হয়ে গেল বুঝতে পারলাম না। আমার এক চাচাকে কনেপক্ষরা মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত হবে বলে আমাকে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রাখে। পরে চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি তাদের হেফাজতে আমাদেরকে পার করে দিয়েছে।

ভাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রজিৎ মল্লিক বলেন, মেয়ের বাবা সামেদ আলী মাতুব্বর একটি অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

নওগাঁয় আকাশ থেকে পড়ল বিরল আকৃতির শীলা, আতঙ্কিত এলাকাবাসী
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক
বিয়ের গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙল বিয়ে
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যায় ছাত্রদলের নিন্দা ও কর্মসূচি ঘোষণা
দপ্তর হারালেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব নিজাম উদ্দিন
বাংলাদেশে ব্যবসা করার অনুমোদন পেল স্টারলিংক
শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প ও মার্কিন প্রশাসনকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ: প্রেস সচিব
দর্শনায় পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়নে এডিবির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন
ফেসবুকে নির্বাচনের কথা লিখলে সংঘবদ্ধ গালি শুরু হয়ে যাচ্ছে: ইশরাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদ: ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ডাক
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের প্রভাব সামাল দেওয়া কঠিন হবে না: অর্থ উপদেষ্টা
বিদেশি শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক বুধবার
এসএসএফের সাবেক ডিজি ও তার স্ত্রীর ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
আওয়ামীপন্থি ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ, ৯ জনের জামিন
গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে সোমবার দেশবাসীকে রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
ইতিহাস সৃষ্টি করে মার্চে এলো ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
দুদকের সাবেক অ্যাম্বাসেডর থেকে আসামি হতে যাচ্ছেন সাকিব!
গাজায় ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে মরদেহ উড়ছে আকাশে! (ভিডিও)
মা হারালেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ
‘দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দিতে পারেননি বলেই টিউলিপ পদত্যাগ করেছেন’