বাংলাদেশ ও ভারতের ৮ শিল্পীর ‘এপিক ১৯৭১’

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরপূর্তি উদযাপনের অংশ হিসেবে উত্তরার গ্যালারি কায়ায় বাংলাদেশ ও ভারতের শিল্পীদের চিত্রকর্ম নিয়ে শুরু হয়েছে বিশেষ প্রদর্শনী ‘এপিক ১৯৭১’।
প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ও ভারতের চার জন করে শিল্পীর ৩১টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে। ছবিগুলোতে উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্ব, আত্মত্যাগ, বেদনার কথা । উঠে এসেছে আমাদের বিজয়ের কথা অর্জনের কথা এবং স্বজন হারানোর বেদনার কথা।
প্রদর্শনীর শিল্পীরা হলেন- ভারতের সোমনাথ হোড়, আদিত্য বসাক, চন্দ্রা ভট্টাচার্য্য ও অতীন বসাক। আর বাংলাদেশের শিল্পীরা হলেন শাহাবুদ্দিন আহমেদ, জামাল আহমেদ, রণজিৎ দাস ও আলপ্তগীন তুষার।
শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) বিকালে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান। অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন গ্যালারি কায়ার পরিচালক শিল্পী গৌতম চক্রবর্তী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শিল্পী জামাল আহমেদ।
মতিউর রহমান বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পথ ধরেই এসেছে। পঞ্চাশের দশক থেকেই আমাদের শিল্পী-সাহিত্যিকরা এ আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে শিল্পীদের খুব বড় ভূমিকা রয়েছে।’
মফিদুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এই প্রদর্শনীটি ব্যতিক্রমী আয়োজন। যেখানে মুক্তিযুদ্ধের সৃজনশীল প্রকাশ ঘটতে দেখা যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এ ধরনের প্রদর্শনী খুব একটা হয়নি।’
শিল্পী গৌতম চক্রবর্তী জানান, গত এক বছর ধরে এ প্রদর্শনী নিয়ে কাজ করছি। বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রদর্শনীর জন্য এই শিল্পীদের কাছে ছবি আহ্বান করি। আশ্চর্যজনকভাবে তাদের ছবিতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বেদনা ও বীরত্বের কথা উঠে এসেছে। এরমধ্যে শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞা রয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এই ক্ষণে সমকালীন শিল্পীদের ক্যানভাসে মুক্তিযুদ্ধের অনুভূতি ধরা থাকলো।
প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা, ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
এপি/
