শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

মঞ্চস্থ হলো

বঙ্গবন্ধুর পাকিস্তানের বন্দিজীবন নিয়ে যাত্রাপালা ‘নিঃসঙ্গ লড়াই’

মঞ্চে এলো নতুন যাত্রাপালা ‘নিঃসঙ্গ লড়াই’। বঙ্গবন্ধুর লায়ালপুর জেলখানার বন্দিজীবনের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে যাত্রাপালাটি রচনা করেছেন নাট্যকার মাসুম রেজা। নির্দেশনা দিয়েছেন সাইদুর রহমান লিপন।

শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে পালাটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হলো শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায়।

‘নিঃসঙ্গ লড়াই’ এর কাহিনী সংক্ষেপ হচ্ছে: ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার পরে রাখা হয় লাহোর থেকে আশি মাইল দূরে লায়ালপুর জেল। বিচার নামের এক প্রহসন মঞ্চস্থ হয় বঙ্গবন্ধুর এই জেল জীবনে। অভিযোগ দাঁড় করানো হয় বারোটি। যার ভেতরে ছয়টি প্রমাণিত হলে নিশ্চিত শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। বিচারের রায় হয় এবং রায়ে বঙ্গবন্ধুর ফাঁসির আদেশ ঘোষণা করা হয়। তাঁকে লায়ালপুর জেল থেকে নেওয়া হয় মিয়াঁওয়ালি জেলে যেখানে তার ফাঁসি কার্যকর করা হবে। কবর খোঁড়া হয় তাঁর জন্যে। বঙ্গবন্ধু সেই কবর খোঁড়া দেখতেও পান। তিনি মৃত্যুকে ভয় পাননি। কেবল বলেছিলেন তাঁর লাশটা যেন তাঁর দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। এদিকে দেশ স্বাধীন হয় আর বিশ্বনেতৃত্বের চাপে বন্ধ হয়ে যায় ফাঁসি কার্যকরের আয়োজন। পাকিস্তানের জেল থেকে মুক্তি পেয়ে বিলাত ও ভারত হয়ে দশ জানুয়ারি, উনিশশ’ বাহাত্তুর দেশে ফেরেন তিনি।

পালাটি সম্পর্কে পালাকার মাসুম রেজা বলেন, ‘এই সত্যাশ্রয়ী গল্প নিয়েই আমি যাত্রাপালাটি লিখেছি। এটি আমার লেখা প্রথম যাত্রাপালা। দেশের নানাপ্রান্ত থেকে যাত্রাশিল্পীরা অভিনয় করছেন এই যাত্রাপালায়। তাঁদের অভিনয়ে ঋদ্ধ হবে এই প্রযোজনাটি। তাঁদের অভিনয়শৈলীতে মুগ্ধ হবেন সকল দর্শক। এ আমার একান্ত বিশ্বাস।’ 

পালা সম্পর্কে নির্দেশক সাইদুর রহমান লিপন বলেন, ‘নিঃসঙ্গ লড়াই রচনার কাঠামোটি ধারাবাহিক বা এপিসোডিক-যাত্রা’র প্রচলিত ‘বই’ বা ‘পালা’র ন্যায় অঙ্ক ও দৃশ্যের বিভাজনে মেলোড্রামাটিক সংকটশীর্ষ (ক্লাইমেক্স) তৈরি করে না। পালাটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের পাকিস্তানে জেল-জীবনের ঐতিহাসিক দিনগুলিকে পয়ক্রমিভাবে ১১টি দৃশ্যে বিন্যস্ত করা হয়। কিন্তু চ্যালেঞ্জিং বিষয় হলো-এই গল্প ইতিহাসের সত্য ও তথ্যের আশ্রয়ে আমাদের নিত্য কথনের চেনা-জানা বাস্তবিক চরিত্র-যেমন, বঙ্গবন্ধু, ইয়াহিয়া, জুলফিকার আলী ভুট্টো প্রভৃতি চরিত্রদের তুলে আনে। ফলে প্রথমে যে সংকটটি সামনে এসে দাঁড়ায় তা হলো-এঁদের আসর বা মঞ্চ-জীবনের স্বরূপ কি বাস্তববাদ দ্বারা নির্ধারিত হবে, নাকি যাত্রার দৈনন্দিন-অতিরিক্ত অভিনয়ের প্রচলিত প্রথা ও শৈলী দ্বারা রূপান্তরিত হবে?’

তিনি বলেন, ‘যাত্রা’র আসর থেকে মেলে এর উত্তর-কেননা, যাত্রার আসরেই তো মাইকেল মধুসূদন, লেলিন, নবাব সিরাজউদ্দৌলা প্রভৃতি চরিত্রদেরকে চিনে নিয়েছি একরকম করে। তবে আমাদের বঙ্গবন্ধু নয় কেন? কেন নয় ইয়াহিয়া বা ভুট্টো? তাছাড়া, বঙ্গবন্ধুর জনসভা আর তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের দিকে তাকালে আর কোনো দ্বিধা থাকে না-যে বিশাল পারফরম্যাটিভ ব্যক্তিত্ব নিয়ে নেতা বঙ্গবন্ধু ভাষণ-আসরে এসে দাঁড়ান, সে তো দৈনন্দিনের ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুকে ছাপিয়ে যায় নিমিষেই।’ 

কলা-কুশলীরা হলেন: প্রযোজনা উপদেষ্টা লিয়াকত আলী লাকী, নির্দেশনা উপদেষ্টা ওয়াহিদা মল্লিক জলি, প্রযোজনা তত্ত্বাবধান আফসানা মিমি, মঞ্চ ও দ্রব্যসামগ্রী পরিকল্পনা আশিকুর রহমান লিয়ন, আলোক পরিকল্পনা জুনায়েদ ইউসুফ, পোশাক পরিকল্পনা এনাম তারা সাকি, সংগীত পরিচালনা কমল খালিদ, নৃত্য পরিচালনা অমিত চৌধুরী, রূপসজ্জা শুভাশীষ দত্ত তন্ময়, পোস্টার ডিজাইন চারু পিন্টু এবং বিবেকের গান রচয়িতা শ্যামল দত্ত, হাফিজ রেদু ও জহির রায়হান। 

কুশীলবরা হলেন- বঙ্গবন্ধু: মিঠুন ইসলাম টিস্যু, ইয়াহিয়া: এস এম শফি, জুলফিকার আলী ভুট্টো: আফসারুজ্জামান রনি, ব্যারিস্টার ব্রোহি: মোস্তফা জাফরুল আজম, রাজা খান: সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, মালেক: রাহুল মজুমদার, সামরিক ১: শান্তনু সাহা, সামরিক ২: শাহ মো: রইচ উদ্দীন আশীষ, নেভাল কমান্ডার: আবুল কালাম, আজাদ, উইং কমান্ডার: পরিতোষ কুমার সাহা, জেনারেল গুল: লিয়াকত হোসেন, জেনারেল রোয়েদাদ: কাজী রফিকুল ইসলাম, সেশন জাজ: মো: তাহাজ উদ্দীন, সাংবাদিক ১: মো: সানাউল্লাহ, জেলার হাবীব: আসকার আলী ওয়াসিম, লেফটেন্যান্ট মোজাম্মেল: তুষার কান্তি মল্লিক, স্মারক: হরেন্দ্রনাথ মন্ডল, বিবেক: শিশির রহমান, জহির রায়হান, বন্দনা/কোরাস: শাহানাজ পারভীন, লিপি শর্মা, ঝুমা তরফদার, স্বপ্না বিশ্বাস, মিলিতা সরকার, অনুরাধা মন্ডল, মুনজেরিন বিনতে সিথি, হুমায়রা জাহান নীড়, উজমা হাসান ও লিপি পাল। যন্ত্রশিল্পী : গোকুল গোষ, আয়ুব আলী ভুইয়া, রমজানুল হক ইমন, মোহাম্মদ আলী, মানিক খান, ভোলা ভৌমিক, জাহাঙ্গীর মিয়া ও মেহেদী হাসান রাব্বি। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে পালাটি প্রযোজনা করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ। 

এপি/এএন

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত